03/05/2022
ঈদ আপনার জীবনে আনন্দ, সুখ এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে অফুরন্ত আশীর্বাদ নিয়ে আসুক। আপনাকে এবং আপনার পরিবারের সকলকে ঈদ মোবারক❤️❤️❤️।
PKSF has initiated `Adolescent Programme' by it's POs to strengthen the multidimensional programs for sustainable poverty alleviation in Bangladesh.
Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF), Agargaon Administrative Area, Sher-e-Bangla Nagor
Dhaka
1207
Be the first to know and let us send you an email when Adolescent Programme of PKSF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
Send a message to Adolescent Programme of PKSF:
কৈশোর সময় প্রতিটি মানুষের ভবিষ্যৎ গঠনের খুবই মূল্যবান সময়। শিশু বয়সের অর্জিত জ্ঞান এ সময়ে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে পুনর্গঠিত ও পুনর্বিন্যাসিত হয়। এ বয়সে বিশেষ করে বয়:সন্ধিকালে তাদের জীবন নতুন পথ পায় বলে কৈশোর সময় তাদের জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে যেমন তাদের জীবনের গতিপথ ভালো ও উন্নত জীবনবোধ গঠনের দিকে এগিয়ে যায় তেমনি ভালো পথের দিশা হারিয়ে নষ্ট, ভগ্ন ও ব্যর্থ জীবনের পথেও এগিয়ে যেতে পারে। তাই সুন্দর ও সুস্থ মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য মানব জীবনের এ সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কিশোরকালে মানুষ সবচেয়ে বেশি আবেগ প্রবণ থাকে। এ বয়সের ছেলেমেয়েদের সামনে থাকে অদম্য আশা-আকাক্সক্ষা ও স্বপ্ন। নানা বিষয় নিয়ে থাকে অতি মাত্রার কৌতুহল। এ সময়কালে তাদেরকে সঠিক দিশা দিতে না পারলে, ভালো কর্মকা-র সাথে যুক্ত করতে না পারলে, শুভবোধ গড়া ও নিজেদের মধ্যে পরস্পারিক সহমর্মিতাপূর্ণ ও সম্মানজনক সম্মিলন তৈরি করতে না পারলে তাদের জীবন হতাশা ও নৈরাজ্যের অন্ধকারে হারিয়ে যেতে পারে। মননশীলতার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়ে তাদের মধ্যকার সুপ্ত প্রতিভা হারিয়ে গিয়ে অপরাধ প্রবণ মন গড়ে উঠতে পারে।
আর্থিক দারিদ্র্য দূর করার মধ্য দিয়ে সামগ্রিকভাবে সকল সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে মানুষের সুকুমার বৃত্তির উন্নয়নকে স¤পৃক্ত করতে না পারলে টেকসই মানবিক উন্নয়ন সম্ভব হবে না। দারিদ্র দূরীকরনের লক্ষ্যে দরিদ্র পরিবারসমূহের সম্পদ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি পিকেএসএফ দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মানব মর্যাদায় উন্নীত করতে ও দারিদ্র দূরীকরণে বহুমাত্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে পিকেএসএফ উন্নত, সুসংস্কৃতিবান ও শুভবোধসম্পন্ন সমাজ ও জাতি গঠনের লক্ষ্যে কিশোর-কিশোরীদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক গঠনের জন্য পিকেএসএফ ‘কৈশোর কর্মসূচি’ গ্রহণ করেছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে মানুষের সুকুমার বৃত্তির চর্চাকে স¤পৃক্ত করে টেকসই দারিদ্র্য বিমোচনের বহুমাত্রিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা, সহমর্মিতার চর্চা, বয়:সন্ধিকালীন স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতনতা, বাল্য বিবাহ ও যৌন হয়রানি রোধ, দেশজ সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চাসহ বিভিন্ন ধরণের সামজিক সচেতনতা এবং শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে সুসভ্য ও প্রাগ্রসর জাতি গঠনই কৈশোর কর্মসূচি’র অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
দলগতভাবে বিভিন্ন কর্মকা- সম্পাদনের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি হয়, সাহস বাড়ে, মিলেমিশে ভাল কিছু করার আগ্রহ তৈরি হয়। এ কর্মসূচিটির মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে নৈতিকতার শিক্ষা, মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, মেধার বিকাশ, সমাজ সচেতনতা তৈরি, একতাবদ্ধতা শিক্ষা, সুসংস্কৃতিমনা হওয়া ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের সক্ষমতা তেরি হবে বলে আশা করা যায়। সমাজে মানুষের মর্যাদা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশপাশি কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থাগুলোর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা আরো বৃদ্ধি করবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের হৃদয়ের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলেও আশা করা যায়। এছাড়া এ ধরনের সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম সংস্থাগুলোর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণও।