নৌকা মার্কায় ভোট দিন

নৌকা মার্কায় ভোট দিন আওয়ামীলীগ উন্নয়নের কথা জনতার কাছে তুলে ধরা।

ঢাকা লকডাউন সফল করায় দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছাপ্রিয় দেশবা...
20/09/2026

ঢাকা লকডাউন সফল করায় দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা

প্রিয় দেশবাসী,
সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন। আজ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের আহবানে ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নৈতিক সমর্থন দিয়েছিল। ঢাকাবাসীর অভূতপূর্ব সহযোগিতা ও সমর্থনে ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আমি দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

আপনারা জানেন, একটি পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন বর্তমান সরকারও নাৎসি ইউনূস সরকারের ধারাবাহিকতায় দেশকে নৈরাজ্যতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশব্যাপী নির্বিচারে খুন-ধর্ষণ-লুটপাট-চাঁদাবাজি-মামলাবাজি, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি, তেল-গ্যাস-পানি-বিদ্যুৎ-সার সরবরাহে ব্যর্থতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, শিশু ও নারীর নিরাপত্তাহীনতা, শিল্প-কারখানা বন্ধ করে দেয়া, লাখ লাখ শ্রমিকের বেকার হওয়া, মিথ্যা মামলায় জাতীয় নেতৃবৃন্দকে আটক রাখা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ওপর অবৈধ নিষেধাজ্ঞা জারি রাখা, বেআইনি ট্রাইব্যুনালে(আইসিটি) অনেক নেতৃবৃন্দের সাথে আমাকেও অবৈধভাবে ফাঁসির রায় দেয়া হয়েছে, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদেরকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার, জুলাই-আগস্টের অপরাধীদের ইনডেমনিটি প্রদান, জঙ্গিবাদের উত্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অরাজতকতা সৃষ্টি, গণগ্রেফতার সহ দেশের প্রতিটি খাতকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়ায়; দেশবাসীর বৃহত্তর স্বার্থে এবং দেশকে রক্ষা করতেই ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি দিয়েছিল যুবলীগ।

আমি জানি, এটি শুধু রাজধানী কেন্দ্রিক কর্মসূচি হলেও জনগণের পুঞ্জিভূত ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ফলে এই কর্মসূচি সারাদেশেই পালিত হয়েছে। এতে নিশ্চয়ই অনেকের কিছু সাময়িক অসুবিধা ও কষ্ট হয়েছে, এজন্য দেশবাসীর নিকট বিনীতভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। দেশকে সুস্থ ও স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে আপনাদের এই কষ্ট-স্বীকার এবং সহযোগিতা বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

সংগ্রামী দেশবাসী,
লকডাউনের মতো একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঢাকা সহ সারাদেশে অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, মিথ্যা মামলায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে এবং অনেককে আক্রমণ করে আহত করা হয়েছে। আমি গ্রেফতারকৃত সকলের শর্তহীন মুক্তি দাবি করছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।

আমি বিশ্বাস করি, আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকলে খুব দ্রুতই অন্ধকার ভেদ করে বাংলার আকাশে ভোরের সূর্য উদিত হবে।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখঃ ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

19/09/2026
অনেকেই হয়তো খুশি হবেন? কি বলবেন?
19/09/2026

অনেকেই হয়তো খুশি হবেন? কি বলবেন?

লাগা রে লাগাধান লাগা
18/09/2026

লাগা রে লাগা
ধান লাগা

১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর তথা তাঁর মন্ত্রিসভার অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য জাতিসং...
17/09/2026

১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর তথা তাঁর মন্ত্রিসভার অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য জাতিসংঘ মহাসচিব ড. কুর্ট ওয়াল্ডহেইমের কাছে একটি আবেদনপত্র পাঠায়।

১০ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লন্ডনের ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় চীনসহ নিরাপত্তা পরিষদের সব সদস্য রাষ্ট্রকে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভের জন্য বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে পত্র লেখেন।

সর্বোপরি ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৩৬ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য করে নেওয়া হয়।

#জাতিসংঘ #বাংলাদেশ #বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশের অপর নাম শেখ মুজিবুর রহমানলেখাঃ রৌদ্র রুদ্র, রাজনৈতিক বিশ্লেষক।যে মানচিত্র আজ বিশ্বের বুকে এক স্বাধীন নিশান হয়...
16/09/2026

বাংলাদেশের অপর নাম শেখ মুজিবুর রহমান

লেখাঃ রৌদ্র রুদ্র, রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

যে মানচিত্র আজ বিশ্বের বুকে এক স্বাধীন নিশান হয়ে উড়ছে, তার প্রতিটি ইঞ্চি পলিমাটিতে মিশে আছে একজন মানুষের দীর্ঘশ্বাস, আত্মত্যাগ আর বজ্রকণ্ঠের সুর। তিনি কেবল ইতিহাসের কোনো সাধারণ নায়ক নন; তিনি একটি মহাকাব্য, দীর্ঘ এক লড়াইয়ের অবিনাশী ক্যানভাস। তিনি—সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশ এবং শেখ মুজিব—এ দুটি নাম কোনো পৃথক সত্তা নয়, বস্তুত একটি জাতির আত্মারই দুই রূপ।

গোপালগঞ্জের মেঠোপথ থেকে উঠে আসা যে বুকভরা সাহসের ওপর ভর করে একটি ঘুমন্ত জাতি জাগতে শিখেছিল, তাঁর যাত্রাপথ কখনো কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। ১৯৪৮-এর বর্ণমালার সংগ্রাম থেকে বায়ান্নর রাজপথ—জেলের ভেতর টানা অনশন করে রক্তবমি করেও যিনি ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে থামতে দেননি, সেই আপসহীন শক্তির নাম শেখ মুজিব। ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট কিংবা ’৬৬-এর বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা—প্রতিটি বাঁকে তিনি নিজেকে আহুতি দিয়েছেন জাতির বেদিতে। যৌবনের সোনালি সময়গুলো তিনি বিলিয়ে দিয়েছেন কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে; গুনে গুনে ৪,৬৮২টি দিন সয়েছেন নিঃসঙ্গ কারাবাস।

১৯৬৮ সালে পাকিস্তানি শোষকেরা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ফাঁদ পেতে তাঁর জন্য ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করেছিল। কিন্তু এ দেশের পলিমাটির সন্তানেরা রক্তের বন্যা ভাসিয়ে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে ছিনিয়ে আনে তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে। ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্সের লাখো মানুষের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে সমগ্র বাঙালি জাতি তাঁকে বরণ করে নেয় এক অমর পরিচয়ে—'বঙ্গবন্ধু'।

এমনকি এই ভূখণ্ডের যে নাম আজ আমাদের অহংকার, তার স্রষ্টাও তিনি। ১৯৬৯ সালের ৫ই ডিসেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্মরণসভায় তিনিই প্রথম দীপ্তকণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন—পূর্ব পাকিস্তান নয়, এ দেশের নাম হবে 'বাংলাদেশ'।

১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানে লাখো জনতার উপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে 'জাতির পিতা'। তাঁর হাত ধরেই উচ্চারিত হয়েছিল বাঙালির অবিনাশী স্লোগান—'জয় বাংলা'।

তারপর এলো সেই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। রেসকোর্সের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাঁর তোলা ডান হাতের তর্জনী কেবল একটি আঙুল ছিল না; তা ছিল সাত কোটি শৃঙ্খলিত মানুষের স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। তাঁর অমর সেই বজ্রবাণী—

"এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"—মুহূর্তেই একটি পরাধীন জাতিকে বীরের জাতিতে রূপান্তরিত করেছিল।

২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণার পরপরই তাঁকে বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হয় পাকিস্তানে। ফয়সালাবাদের লাইলপুর জেলে গোপনে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে তাঁর সেলের পাশেই খোঁড়া হয়েছিল কবর। কিন্তু যাঁর বুকে একটি স্বাধীন দেশের মানচিত্র, তাঁকে কি কবরের ভয় দেখানো যায়!

আন্তর্জাতিক চাপ ও বাঙালির বীরত্বের কাছে নতি স্বীকার করে ১৯৭২ সালের ৮ই জানুয়ারি পাকিস্তান তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
মুক্তির পর তিনি লন্ডনে পৌঁছালে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ সমস্ত প্রোটোকল ভেঙে নিজে গাড়ির দরজা খুলে দিয়ে সসম্মানে অভ্যর্থনা জানান মুক্তিসংগ্রামের এই মহানায়ককে।

১০ই জানুয়ারি স্বপ্নের স্বাধীন দেশে ফিরে তিনি শুরু করলেন এক নতুন যুদ্ধ। একদিকে ধ্বংসস্তূপ পুনর্গঠন, অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধে সম্ভ্রম হারানো নারীদের সামাজিক সম্মান নিশ্চিত করার লড়াই। সমাজ যখন সেই বীর নারীদের গ্রহণ করতে কুণ্ঠাবোধ করছিল, পুনর্বাসনের নথিপত্রে পিতার নামের ঘরটি যখন শূন্য, তখন পিতৃস্নেহে গর্জে উঠে জাতির পিতা নির্দেশ দিলেন—

"লিখে দাও বাবার নাম: শেখ মুজিবুর রহমান, আর ঠিকানা: ধানমন্ডি ৩২।"

বিশ্বমঞ্চেও তাঁর উপস্থিতি ছিল হিমালয়সম। ১৯৭২ সালে বিখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্ট যখন সাক্ষাৎকারে তাঁর শক্তি ও দুর্বলতার কথা জানতে চেয়েছিলেন, তখন তিনি হৃদয়ের গভীর থেকে বলেছিলেন—

"My greatest strength is the love for my people, my greatest weakness is that I love them too much."
(আমার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আমি আমার মানুষকে ভালোবাসি, আর আমার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো আমি তাদেরকে একটু বেশিই ভালোবাসি।)

১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন, "আমি হিমালয় দেখিনি, কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে দেখেছি।" ১৯৭৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়ে তিনি বিশ্বদরবারে মাতৃভাষাকে এক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

কিন্তু ঘাতকের দল সহ্য করতে পারেনি এই উত্থান। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের কালরাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের সিঁড়িতে ঝরে পড়ল সেই বিশাল হৃদয়ের রক্ত। যে বাঙালিকে তিনি নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি বিশ্বাস করেছিলেন, তাদেরই একাংশের চরম বিশ্বাসঘাতকতায় স্তব্ধ হলো মহাকালের স্পন্দন।

ঘাতকেরা ভেবেছিল একটি প্রাণ কেড়ে নিলেই সব শেষ। কিন্তু তারা বোঝেনি, রক্তে ভেজা সেই সিঁড়ি থেকে উঠে এসে তিনি ছড়িয়ে পড়েছেন ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ধূলিকণায়।
কবি অন্নদাশঙ্কর রায়ের অমলিন সুর তাই আজও বাতাসে প্রতিধ্বনিত হয়—

"যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান
ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।"

শেখ মুজিব এখন আর কেবল রক্ত-মাংসের মানুষ নন; তিনি আমাদের জাতীয় পতাকা, তিনি আমাদের জাতীয় সংগীতের সুর, তিনি এ দেশের প্রতিটি নদীর খরস্রোত। যতদিন এই বাংলায় রোদ-বৃষ্টি থাকবে, যতদিন আকাশে লাল-সবুজ পতাকা উড়বে, ততদিন মহাকালের বুকে পরম শ্রদ্ধায় প্রস্ফুটিত হবে—বাংলাদেশের অপর নাম শেখ মুজিবুর রহমান।

দ্রুত গ্রেফতার করা হোক
13/09/2026

দ্রুত গ্রেফতার করা হোক

যে চিঠি রাসেলের কাছে পৌঁছানোর আগেই ঘটে গেল ১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞজার্মানিতে তার বড় বোন হাসিনার কাছে যাবার পর ১৪ ই আগস্ট তা...
13/09/2026

যে চিঠি রাসেলের কাছে পৌঁছানোর আগেই ঘটে গেল ১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞ

জার্মানিতে তার বড় বোন হাসিনার কাছে যাবার পর ১৪ ই আগস্ট তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও রাসেলের কাছে চিঠি দিয়েছেন। তারা কিভাবে পৌছালো, ওখানে তারা কি অবস্থায় আছেন তা জানিয়ে তিনি চিঠি লেখেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে ১৫ আগস্ট নিহত হন। শেখ রেহানার চিঠি পথে থাকতেই তারা নিহত হন। শেখ রেহানা জানান, রাসেল ঠিকমতো খাওয়া - দাওয়া করতো না, ঠিকমতো ঘুমোত না। সুদূর জার্মানি থেকে শেখ রেহানা ওখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনা করে রাসেলের কাছে যে চিঠি লেখেন , তাতে রাসেলের শরীরের প্রতি যত্নবান হতে বলা হয়েছে। এই চিঠির সাথে কতগুলো ভিউ কার্ডও তিনি পাঠান রাসেলকে। কিন্তু তা কি রাসেল পেয়েছে?

১৯৮৩ সালে সাপ্তাহিক চিত্র বাংলায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানার সাক্ষাৎকার।
সংখ্যাটি প্রকাশ হয়েছিল ১২ আগস্ট, ১৯৮৩
"বাংলার মানুষের কাছে বিচার চাই" - এই ছিল বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যার আকুতি বাংলাদেশের মানুষের কাছে।

#শেখরেহানা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা'র জন্মদিনে শুভেচ্ছা #শেখরেহানা  #জন্মদিন  #শুভেচ্ছা
12/09/2026

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা'র জন্মদিনে শুভেচ্ছা

#শেখরেহানা #জন্মদিন #শুভেচ্ছা

শুভ জন্মদিন ছোট আপা♥
12/09/2026

শুভ জন্মদিন ছোট আপা♥

Address

23, Bangabandhu Avenue
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নৌকা মার্কায় ভোট দিন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share