২ টাকায় উপহার

২ টাকায় উপহার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ২ টাকায় উপহার, ফায়দাবাদ, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, Dhaka.

‘2 Takay Upohar’ is a non-profit organization with the slogan: “Small Efforts Can Change the Society.”
Our journey began on May 26, 2020, with a mission to support underprivileged communities in a sustainable and dignified way.

30/05/2026

৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দ্বারপ্রান্তে এসে,
ছয় বছরের এই পথচলা শুধু সময়ের হিসাব নয়, এটি অসংখ্য মানুষের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও আশার গল্প। মানবতার স্পর্শে লেখা সেই গল্প আজও চলমান।
২ টাকায় উপহার

28/05/2026

"২ টাকায় উপহার"-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে
Excellence Bangladesh এর
Head of Brand & Markating এবং "২ টাকায় উপহার"-এর সম্মানিত Advisor Md Khasru ভাইয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা বার্তা।

ত্যাগের এই মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সকলের জীবন। ২ টাকায় উপহার পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা।
27/05/2026

ত্যাগের এই মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সকলের জীবন। ২ টাকায় উপহার পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা।

26/05/2026

"২ টাকায় উপহার"-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে
Excellence Bangladesh -এর Founder & CEO এবং "২ টাকায় উপহার"-এর সম্মানিত Advisor
Benjir Abrar ভাইয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা বার্তা।

26/05/2026

আজ ২৬ মে, মানবতার সেবায় নিবেদিত "২ টাকায় উপহার" এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
এই বিশেষ দিনে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি Mominul Haque Rahat সকল মেম্বার,প্রতিনিধি, এক্সিকিউটিভ ও সহযোগীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

একটি ছোট টঙের দোকান থেকে শুরু হওয়া "২ টাকায় উপহার" আজ হাজারো মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সহযোগিতায় মানবতার এক সুন্দর প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের নিরন্তর সমর্থন আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই যাত্রা কেবল শুরু। আগামীতেও আপনাদের সহযোগিতায় আমাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে আমরা আরও শক্তভাবে কাজ করে যাবো ইনশা আল্লাহ।

ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাই পারে সমাজটাকে পরিবর্তন করতে।

৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে "২ টাকায় উপহার" সংগঠনের সাথে জড়িত সকল সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বেচ্ছাসেবীদের জানাই আন্তরিক ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা। মানবতার পথে আমাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকুক।
ধন্যবাদ।

৬ বছর আগে খুব ছোট্ট একটা স্বপ্ন নিয়ে শুরু হয়েছিল “২ টাকার উপহার”। আজ সেই স্বপ্ন হাজারো মানুষের ভালোবাসায় পরিণত হয়েছে...
26/05/2026

৬ বছর আগে খুব ছোট্ট একটা স্বপ্ন নিয়ে শুরু হয়েছিল “২ টাকার উপহার”। আজ সেই স্বপ্ন হাজারো মানুষের ভালোবাসায় পরিণত হয়েছে।

এই ছয় বছরে আমরা শিখেছি—সাহায্য শুধু বড় কিছু দিয়ে হয় না, কখনো কখনো ছোট্ট একটি উদ্যোগও কারো মুখে হাসি ফোটাতে পারে, কারো জীবনে এনে দিতে পারে আশার আলো।

আমরা পেয়েছি অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা, দেখেছি অনেক না বলা গল্প, অনুভব করেছি মানুষের পাশে থাকার সত্যিকারের আনন্দ। প্রতিটি হাসিমুখ, প্রতিটি দোয়া, প্রতিটি ভালোবাসা আমাদের এগিয়ে চলার সাহস জুগিয়েছে।

পথটা সবসময় সহজ ছিল না। ছিল নানা চ্যালেঞ্জ, সীমাবদ্ধতা আর কঠিন সময়। কিন্তু আপনাদের সমর্থন আমাদের কখনো থামতে দেয়নি। আপনাদের হাত ধরেই “২ টাকার উপহার” আজ ছয় বছরের এক ভালোবাসার নাম।

আজকের এই দিনে আমরা কৃতজ্ঞ সেই প্রতিটি মানুষের প্রতি, যারা শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের পাশে ছিলেন।
আপনাদের বিশ্বাস আর ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।

মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এই যাত্রা চলুক আরও বহু বছর।

"স্বাবলম্বীতার স্বপ্ন পূরণে এক বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী আশামনির সংগ্রাম"মানুষের পৃথিবী শব্দে ভরা।ডাক, হাসি, কান্না, ভালোবাসা...
24/05/2026

"স্বাবলম্বীতার স্বপ্ন পূরণে এক বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী আশামনির সংগ্রাম"

মানুষের পৃথিবী শব্দে ভরা।
ডাক, হাসি, কান্না, ভালোবাসা, অভিমান সবকিছুরই একটি শব্দ আছে।
কিন্তু আশামনির পৃথিবীতে কোনো শব্দ নেই। জন্ম থেকেই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী আশামনি কখনো মায়ের ডাকে সাড়া দিতে পারেননি, শুনতে পারেননি পৃথিবীর কোনো শব্দ। নিজের কষ্ট, অপমান কিংবা ভাঙা স্বপ্নের গল্পও কাউকে বলতে পারেননি। তবুও তিনি বেঁচে ছিলেন। কারণ মানুষ শুধু শব্দে নয়, স্বপ্নেও বেঁচে থাকে।

ছোটবেলা থেকেই অবহেলা ছিলো তার নিত্যসঙ্গী। সমাজ তাকে মানুষ হিসেবে নয়, করুণার চোখে দেখতে শিখেছিলো। অনেকেই তার নীরবতাকে দুর্বলতা ভেবেছে, অথচ সেই নীরবতার ভেতর কতো না বলা কান্না জমে ছিল, তা কেউ জানার চেষ্টা করেনি। তবুও আশামনি স্বপ্ন দেখতে ভয় পাননি।

একসময় তার জীবনেও এসেছিলো ছোট্ট একটি সংসার। স্বামীকে ঘিরে, অনাগত সন্তানকে ঘিরে, ধীরে ধীরে সাজিয়ে তুলছিলেন নিজের পৃথিবী। হয়তো তিনি শব্দে বলতে পারেননি, কিন্তু একজন মায়ের মতো তিনিও ভবিষ্যতের জন্য হাজারো স্বপ্ন বুনেছিলেন।কিন্তু নিয়তি তার জন্য অন্য গল্প লিখে রেখেছিলো।

সন্তান জন্মদানের মুহূর্তেই তিনি হারান নিজের নবজাতক সন্তানকে। পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মম সত্য হলো, একজন মা সন্তানের মুখ দেখার আগেই তাকে হারিয়ে ফেলেছিলেন। সেই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো কোনো শব্দ পৃথিবীতে নেই।

আর সেই ক্ষত শুকানোর আগেই স্বামীও তাকে ছেড়ে চলে যান। যে নারী কখনো নিজের কষ্ট মুখে বলতে পারেননি, তিনি সেদিনও নীরবে কেঁদেছিলেন। মৃত সন্তানের স্মৃতি বুকের ভেতর চেপে ধরে দিনের পর দিন ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। ধীরে ধীরে মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েন আশামনি। জীবনের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। চারপাশে তখন শুধুই অন্ধকার, শূন্যতা আর অসহায়ত্ব। তার কান্নার কোনো শব্দ ছিলো না, কিন্তু সেই নীরব আর্তনাদ হয়তো সৃষ্টিকর্তাও শুনেছিলেন।

পরবর্তীতে বাবার বাড়ির ছোট্ট এক কোণে আশ্রয় নেন আশামনি। তার বাবা একজন রিকশাচালক। সীমিত আয়ের সেই পরিবারে অভাব ছিলো নিত্যদিনের বাস্তবতা। তবুও তিনি হার মানেননি। নিজের দুই হাতকে শক্তি বানিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানে সেলাই প্রশিক্ষণ নেন এবং অসংখ্য বাধা, সীমাবদ্ধতা আর সামাজিক অবহেলাকে পেছনে ফেলে প্রশিক্ষণে সেরা ১০ জনের একজন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন। তিনি কথা বলতে পারেন না, কিন্তু তার পরিশ্রম যেনো পৃথিবীকে বলেছিলো, “আমিও পারি।”

কিন্তু দক্ষতা অর্জনের পরও জীবনের সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি সেলাই মেশিন। কাজ জানতেন, পরিশ্রম করার প্রবল ইচ্ছাও ছিল, কিন্তু নিজের কোনো সেলাই মেশিন না থাকায় স্বাবলম্বী হওয়া তার জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠছিল। তার স্বপ্ন ছিল পরিবারের অভাব মোচনে নিজের ভূমিকা রাখা, বাবার কষ্ট কিছুটা হলেও কমানো। কিন্তু অভাব আর অনটনে ঘেরা সেই সংসারে একটি সেলাই মেশিন কেনাও ছিল স্বপ্নের মতো।

ঠিক সেই স্বপ্ন পূরণের পথেই পাশে দাঁড়িয়েছে “২ টাকায় উপহার”। যেদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে আশামনির হাতে সেলাই মেশিনটি তুলে দেওয়া হয়, সেদিন তার চোখে জমে থাকা বছরের পর বছর নীরব কান্না অশ্রু হয়ে গড়িয়ে পড়েছিল। সেলাই মেশিনটি হাতে ধরে সেদিন আশামনি যেভাবে হেসেছিলেন, তার পরিবারের সদস্যরা জানান, “শেষ কবে আশামনিকে এভাবে প্রাণ খুলে হাসতে দেখেছি, তা আমাদের মনে নেই।” সেই হাসি ছিলো অসংখ্য না বলা কষ্ট পেরিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার এক নীরব ঘোষণা।

"২ টাকায় উপহার" বিশ্বাস করে, মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে সবসময় বড় কিছু প্রয়োজন হয় না। কখনো কখনো একটি ছোট সহায়তাই কারও ভেঙে যাওয়া জীবনকে নতুন করে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়।

আশামনির গল্প শুধুই একজন নারীর গল্প নয়।এটি নীরব যন্ত্রণা, হার না মানা সাহস এবং স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার এক অবিনাশী মানবিক সংগ্রামের গল্প।

"স্বাবলম্বীতা স্বপ্ন পূরণে পারুল বেগমের গল্প"পারুল বেগমের জীবনটা যেনো দীর্ঘ এক যুদ্ধের নাম। খুব সাধারণ এক গ্রামীণ নারী। ...
20/05/2026

"স্বাবলম্বীতা স্বপ্ন পূরণে পারুল বেগমের গল্প"

পারুল বেগমের জীবনটা যেনো দীর্ঘ এক যুদ্ধের নাম। খুব সাধারণ এক গ্রামীণ নারী। খুব সাধারণ একটি সংসার ছিলো তার। স্বামী, সন্তান আর ছোট ছোট স্বপ্নে ভরা এক টুকরো জীবন। কিন্তু হঠাৎ করেই স্বামীর মৃত্যু তার জীবনকে অন্য এক বাস্তবতার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। যে ঘরে একসময় স্বপ্ন ছিলো, সেই ঘরেই নেমে আসে অনিশ্চয়তা, অভাব আর দীর্ঘশ্বাসের ছায়া। চার সন্তানকে নিয়ে তখন শুরু হয় বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রাম। কিন্তু ভাগ্য যেনো সেখানেও থামেনি। তার এক সন্তান মারা যায়। এক সন্তানকে হারানোর শোক বুকে নিয়েও তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে বাকি সন্তানদের জন্য। বড় ছেলে তেমন একটা কাজ করতে পারে না। মেজো ছেলের সামান্য আয়ে সংসারের চাকা ঘোরানো প্রায় অসম্ভব, আর ছোট ছেলে এখনও পড়াশোনা করছে। ঘরের চাল চুইয়ে পানি পড়লেও, হাঁড়িতে ভাত কম হলেও, মা হিসেবে তার দায়িত্ব কমেনি একদিনও। পারুল বেগম হার মানেননি। কখনো অন্যের জমিতে মাটি কাটার কাজ করেছেন, কখনো হাতে ছোটখাটো সেলাই করে কয়েকটা টাকা আয় করেছেন। পাশাপাশি শিখেছেন সেলাই মেশিনের কাজ। খুব ইচ্ছে ছিলো, একদিন নিজের একটা সেলাই মেশিন হবে। কিন্তু দিনশেষে যা আয় হতো, তা দিয়েই কোনোমতে সংসারের চুলা জ্বলতো। তারপরও বুকের ভেতর একটুখানি বিশ্বাস তিনি আগলে রেখেছিলেন, “নিজের একটা সেলাই মেশিন হলে হয়তো সংসারটা একটু ভালোভাবে চালানো যাবে।”

পারুল বেগমের সেই ছোট্ট স্বপ্নটুকু পূরণ করার চেষ্টা করেছে “২ টাকায় উপহার” সংগঠন। আমরা যখন তার হাতে একটি সেলাই মেশিন তুলে দিই, তার চোখে ফুটে উঠেছিলো এক আশার আলো। হাসিমাখা মুখখানা জানান দেয় তার বহুদিনের জমে থাকা কষ্টের মাঝে একফোঁটা স্বস্তির গল্প। হয়তো তিনি অনুভব করেছেন, তার লড়াইটা কেউ দেখেছে, তার কষ্টগুলো কেউ বুঝেছে। আজ থেকে আর তাকে অন্যের দরজায় গিয়ে কাজ চাইতে হবে না। নিজের ঘরের এক কোণেই বসে তিনি কাজ করতে পারবেন, নিজের পরিশ্রমে আয় করতে পারবেন, সন্তানের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দেওয়ার আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবেন। হয়তো এই সেলাই মেশিন কোনো অলৌকিক পরিবর্তন এনে দেবে না, কিন্তু প্রতিটি সেলাইয়ের ফোঁড়ে ফোঁড়ে জুড়ে যাবে তার ভাঙা জীবনের সাহস। একটা পরিবারের অভাব পুরোপুরি মুছে ফেলা হয়তো সম্ভব না, কিন্তু একজন মায়ের চোখে আবার আশার আলো ফিরিয়ে আনা সম্ভব। পারুল বেগমের মুখের সেই নীরব হাসিটুকুই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নীরবে লড়াই করে যাচ্ছিলেন এই দুই নারী। স্বামী হারানোর পর পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব ...
17/05/2026

জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নীরবে লড়াই করে যাচ্ছিলেন এই দুই নারী। স্বামী হারানোর পর পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব এসে পড়ে তাদের কাঁধে। সীমিত আয়, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ এবং প্রতিদিনের সংগ্রামের মাঝেও তারা থেমে যাননি। নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় তারা সেলাইয়ের কাজ শিখেছিলেন। তাদের একটাই চাওয়া ছিলো, একটি সেলাই মেশিন, যা হতে পারে সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহের একটি স্থায়ী মাধ্যম।

তাদের সেই ইচ্ছা, পরিশ্রম এবং স্বাবলম্বী হওয়ার দৃঢ় মানসিকতাকেই গুরুত্ব দিয়ে “২ টাকায় উপহার”-এর পক্ষ থেকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে একটি করে সেলাই মেশিন। এই উদ্যোগ আমাদের “স্বাবলম্বী প্রোগ্রাম” এর অংশ। এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য শুধুমাত্র আর্থিক সহায়তা প্রদান নয়, বরং এমন মানুষদের পাশে দাঁড়ানো, যারা কাজ করার ইচ্ছা ও সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সামান্য সুযোগ কিংবা প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে এগিয়ে যেতে পারছেন না।

আমরা বিশ্বাস করি, সহায়তা তখনই অর্থবহ হয় যখন তা সাময়িক নির্ভরতা তৈরি না করে একজন মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়। সেই বিশ্বাস থেকেই আমরা চেষ্টা করছি মানুষের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিতে, তাদের স্বপ্নকে নতুন করে বাঁচিয়ে তুলতে এবং সম্মানের সঙ্গে জীবন গড়ার সুযোগ তৈরি করতে। কারণ একজন মানুষ স্বাবলম্বী হলে শুধু একটি পরিবার নয়, ধীরে ধীরে বদলে যেতে শুরু করে পুরো সমাজ।
আর সেই পরিবর্তনের ছোট ছোট প্রচেষ্টার নামই “২ টাকায় উপহার”।

08/05/2026

আজকের গল্পটা পারুল বেগমকে নিয়ে।
রংপুরের মিঠাপুকুরে ৫ সদস্যের পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে চলছে তার সংসার। স্বামীর সামান্য আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ায়, পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তিনি পাশের বাসার ভাবির কাছ থেকে হাতের কাজ শিখেছেন। ছোট ছোট কাজ করে কখনো ১০০, কখনো ২০০ টাকা আয় হলেও তা দিয়ে সংসারের চাহিদা পূরণ হয় না।

নিজের একটি সেলাই মেশিন থাকলে হয়তো তিনি আরও ভালোভাবে কাজ করে পরিবারকে সাহায্য করতে পারতেন। কিন্তু ছেলের অক্ষমতা ও আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে সেই স্বপ্নটাও আজ অধরা।

তাই তার কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে "২ টাকায় উপহার" সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে একটি সেলাই মেশিন উপহার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেন তিনি নিজের পরিশ্রমে পরিবারের জন্য নতুন আশার আলো হয়ে উঠতে পারেন।

আসুন, আমরা সবাই মিলে পারুল বেগমকে স্বাবলম্বী করার এই উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই।

সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যমঃ
বিকাশ: 01784-486445
নগদ: 01784-486445
রকেট: 01784-4864454
অর্থ প্রদানের পর আমাদের এই সংগঠনের পেইজে একটা মেসেজ দিয়ে কনফার্ম করে জানাবেন।

"২ টাকায় সাবলম্বী" প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা চাই, পারুল বেগমের মতো সংগ্রামী নারীদের স্বপ্ন পূরণের পথে পাশে দাঁড়াতে।

Address

ফায়দাবাদ, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০
Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 00:00
Tuesday 10:00 - 00:00
Wednesday 10:00 - 00:00
Thursday 10:00 - 00:00
Friday 10:00 - 00:00
Saturday 10:00 - 00:00
Sunday 10:00 - 00:00

Telephone

+8801784486445

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ২ টাকায় উপহার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ২ টাকায় উপহার:

Share