জাতীয়তাবাদের পাঠশালা

জাতীয়তাবাদের পাঠশালা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী
(1)

04/01/2026
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান — নিছক একটি নাম নয়, নিছক কোনো ব্যক্তি নন। তিনি একটি জাতির জাগরণের ধ্বনি, একটি আত্মপরিচয়ের ...
31/05/2025

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান — নিছক একটি নাম নয়, নিছক কোনো ব্যক্তি নন। তিনি একটি জাতির জাগরণের ধ্বনি, একটি আত্মপরিচয়ের প্রতীক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের প্রজ্জ্বলিত আলোকবর্তিকা — যার দীপ্ত আলো আজও জাতির পথ দেখায়।

২৬শে মার্চ ১৯৭১ — বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির জন্ম হয়। মেজর জিয়া যখন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, তখনই রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য নিঃসৃত হয় স্বাধীন বাংলাদেশির প্রথম গর্জন। তাঁর সেই সাহসী ঘোষণাটি না এলে, হয়তো স্বাধীন বাংলাদেশ পেতে আমাদের আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হতো।

বাকশালের একদলীয় স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্রের দ্বার উন্মোচন করেন। গণতন্ত্রের সেই আকাঙ্ক্ষা আজও জাতির হৃদয়ে জাগ্রত — শহীদ জিয়ার হাতে প্রজ্জ্বলিত আলোকশিখায়।

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ — শুধু একটি রাজনৈতিক মতবাদ নয়; এটি একটি অনুভব, একটি আত্মপরিচয়, একটি সংগ্রামের ভাষা। যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান; যেখানে রয়েছে মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার এবং একটি সাম্যের রাষ্ট্র গঠনের সংকল্প। এই মহান আদর্শের পথিকৃৎ ছিলেন শহীদ জিয়া।

তাঁর হাত ধরেই গঠিত হয় দেশের সবচেয়ে বৃহৎ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল — বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। এতকাল পেরিয়ে গেলেও, আজও তাঁর দল বিএনপি রাষ্ট্রপরিচালনায় যে নীতিমালা গ্রহণ করেছিল, তার ভিত্তিতেই বহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজনীতির কাঙ্ক্ষিত সত্তা।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুসলিম আত্মপরিচয় ও জাতীয় স্থিতিশীলতাকে একই সুতোয় গেঁথে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি নির্মাণ করেন। ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে সংবিধান সংস্কার করে তিনি রাষ্ট্রকে দেন একটি নৈতিক পরিচয়, যা জাতির ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে গভীরভাবে সংগতিপূর্ণ। স্বাধীনতা-পরবর্তী সংকটকালে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব শুধু দেশকে স্থিতিশীলতা দেয়নি, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মতো সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

পররাষ্ট্রনীতিতে শহীদ জিয়া ছিলেন বাস্তববাদী, দূরদর্শী ও আত্মনির্ভরশীল। তাঁর কূটনৈতিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্ব, বিশেষ করে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা, জাতিসংঘ, পশ্চিমা বিশ্ব এবং সার্কভুক্ত অঞ্চলের সঙ্গে গড়ে তোলে শক্তিশালী ও সম্মানজনক সম্পর্ক।

নারীর ক্ষমতায়নে শহীদ জিয়ার অবদান চিরস্মরণীয়। গার্মেন্টস শিল্পের মাধ্যমে কর্মজীবী নারীদের জন্য তিনি খুলে দেন নতুন দিগন্ত। আর তরুণদের জন্য বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির যে দ্বার তিনি উন্মুক্ত করেন, তা আজও জাতীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড হয়ে আছে।

কৃষি ও শিল্পে বিপ্লব, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ, শিক্ষা ও প্রশাসন সংস্কার, আইনের শাসন ও বাকস্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা, সরকারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক সংস্কারে গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন — প্রতিটি ক্ষেত্রে শহীদ জিয়া রেখে গেছেন এক অনন্য দৃষ্টান্ত, এক অমোচনীয় চিহ্ন। মাত্র চার বছরে তিনি বাংলাদেশকে এগিয়ে দিয়েছিলেন চার দশকের চেয়েও বেশি — যা আজও ইতিহাসের উজ্জ্বলতম অধ্যায়।

শহীদ জিয়ার শাহাদাত ছিল না কোনো সাধারণ মৃত্যু। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র তাঁকে থামাতে চেয়েছিল — কারণ তাঁর হৃদয়ে ছিল অপরিসীম দেশপ্রেম, যা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় তিনি অকাতরে উৎসর্গ করেছিলেন।

তিনি নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ বেঁচে আছে — আমাদের চিন্তায়, আমাদের চেতনায়, আমাদের গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষায়।

শহীদ জিয়ার সেই আদর্শ ধারণ করেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিএনপিকে পরিচালনা করেন। শহীদ জিয়া যেমন ছিলেন দেশের প্রথম সত্যিকারের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি, তেমনি দেশের প্রথম নির্বাচিত ও জনসম্পৃক্ত প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন আপোষহীন এই নেত্রী। আজও তিনি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক — মাদার অব ডেমোক্রেসি।

গণমানুষের নেতা তারেক রহমান, শহীদ জিয়ার সন্তান, সেই জাতীয়তাবাদের আলোকবর্তিকা আজও বহন করে চলেছেন। ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, মামলা-গ্রেফতার, নিপীড়ন কিংবা আঘাত — কোনো কিছুই তাঁকে দমাতে পারেনি। বরং তিনি হয়ে উঠেছেন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে জাতির আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাঁর নেতৃত্ব আজ জাতিকে অনুপ্রাণিত করছে একটি মানবিক, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে।

আজ, যুগের চেয়ে এগিয়ে থাকা তারেক রহমানের ৩১ দফা ও ক্ষেত্রভিত্তিক কর্মপরিকল্পনায় বাংলাদেশ অপেক্ষা করছে এক নতুন সূর্যের উদয়ের — যেখানে থাকবে না শোষণ, থাকবে না ভয়; থাকবে কেবল মানুষ, মর্যাদা ও মুক্তির রাজনীতি।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি সেই অকুতোভয় রাষ্ট্রনায়ককে — যিনি আজও আমাদের আদর্শিক নেতা, জাতির পথপ্রদর্শক এবং উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতির পথিকৃৎ।

তাঁর রক্তে লেখা স্বপ্ন, অসমাপ্ত কর্ম আর অপূর্ণ ভিশন আজও প্রশমিত হয়নি — বরং তা তৃণমূলের স্পন্দন তারেক রহমানের চিন্তা, দায়বদ্ধতা ও নেতৃত্বে নতুন রূপে জেগে উঠেছে; গ্রথিত হয়েছে জনগণের আশা, আত্মপরিচয় আর প্রতিরোধের প্রতিটি স্তরে।

"এ দেশে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা স্বনির্ভরতা, উন্নয়ন ও নিজস্ব জাতীয়তাবাদ সৃষ্টির অনন্য...
29/05/2025

"এ দেশে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা স্বনির্ভরতা, উন্নয়ন ও নিজস্ব জাতীয়তাবাদ সৃষ্টির অনন্য রূপকার শহীদ জিয়া। যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে তিনি শাহাদাতবরণ করেছেন, সেই গণতন্ত্রের নিরবচ্ছিন্ন যাত্রা আজও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে প্রতি পদে পদে"
বেগম খালেদা জিয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন

দেশের বড় বড় জেলা শহরে ফ্রিল্যান্সারদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। একই সাথে ফ্রিল্যান্সিংয়ের পেমেন্টের সমাধানের জন্...
24/04/2025

দেশের বড় বড় জেলা শহরে ফ্রিল্যান্সারদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। একই সাথে ফ্রিল্যান্সিংয়ের পেমেন্টের সমাধানের জন্য পেপ্যালসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তারেক রহমান
এপ্রিল ২২, ২০২৫, রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার কর্মশালায়।

অবশ্যই আমরা আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। সেজন্য প্রাইমারি লেভেল থেকেই দেশীয় এবং আঞ্চলিক সংস্কৃতি সম্পর্কে...
24/04/2025

অবশ্যই আমরা আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। সেজন্য প্রাইমারি লেভেল থেকেই দেশীয় এবং আঞ্চলিক সংস্কৃতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়া হবে।

-তারেক রহমান
২২ এপ্রিল ২০২৫

সংখ্যাগুরু কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়কে নির্বাসনে পাঠিয়ে, আমরা সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে চাই।তারেক রহমানএপ্রিল ২২, ২০২৫,রাষ...
23/04/2025

সংখ্যাগুরু কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়কে নির্বাসনে পাঠিয়ে, আমরা সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে চাই।

তারেক রহমান
এপ্রিল ২২, ২০২৫,
রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার কর্মশালায়।

ইতিহাসের অবমাননা নয়, জানুন রাষ্ট্রনায়কের দূরদৃষ্টির কথাএকটি জাতির আত্মপরিচয় নির্মাণে তার ইতিহাস যেমন ভিত্তিমূল, তেমনি স...
12/04/2025

ইতিহাসের অবমাননা নয়, জানুন রাষ্ট্রনায়কের দূরদৃষ্টির কথা

একটি জাতির আত্মপরিচয় নির্মাণে তার ইতিহাস যেমন ভিত্তিমূল, তেমনি সেই ইতিহাসের সত্য তুলে ধরার দায়ভারও জাতির প্রতিটি নাগরিকের। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন এক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, যেখানে যাচাই-বাছাই ছাড়াই ইতিহাস নিয়ে ট্রল, বিদ্রূপ ও অপব্যাখ্যা ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে, জাতির ইতিহাসে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখা রাষ্ট্রনায়কদের নিয়ে অবজ্ঞাপূর্ণ মন্তব্য এখন যেন স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

সম্প্রতি একটি স্মারক ডাকটিকিট নিয়ে এমনই এক প্রবণতা দেখা গেছে, যা ১৯৮০ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান কর্তৃক ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রকাশিত হয়েছিল। অনেকেই আজ এই ডাকটিকিটকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যঙ্গ করছেন প্রেক্ষাপট না জেনে, ইতিহাস না বুঝে।

কিন্তু সত্যটি জানলে বোঝা যায়, এটি ছিল না কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত; বরং জিয়াউর রহমানের সুদূরপ্রসারী পররাষ্ট্রনীতির একটি সাহসী বহিঃপ্রকাশ। ঐ ডাকটিকিটে কাঁটাতারে বন্দী মসজিদুল আকসার পটভূমিতে এক অস্ত্রধারী ফিলিস্তিনি মুক্তিযোদ্ধার প্রতিকৃতি ও তার নিচে সাহসিকতার সঙ্গে লেখা ছিল “We salute the valiant freedom fighters of Palestine.” এটি ছিল বাংলাদেশ থেকে একটি প্রতিবাদী বার্তা বিশ্বব্যাপী নিপীড়িত জাতিগুলোর প্রতি সংহতি ও মানবিক ন্যায়বোধের অঙ্গীকার।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা নেতা, যিনি শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেই থেমে থাকেননি তিনি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। ফিলিস্তিন ইস্যুতে তাঁর অবস্থান ছিল অবিচল ও নীতিনিষ্ঠ। ১৯৮১ সালে তিনি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO) প্রধান ইয়াসির আরাফাতকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানান যা ছিল আরব বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ।

জাতিসংঘ ও ওআইসি-তে জিয়াউর রহমানের বক্তৃতাগুলো পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট প্রতিভাত হয়, তিনি ছিলেন একজন আন্তর্জাতিক কণ্ঠস্বর যিনি ফিলিস্তিনসহ সকল নিপীড়িত জনগণের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে নির্ভীক অবস্থান নিয়েছিলেন। তাঁর কূটনীতির মূলে ছিল মানবতা, ন্যায় এবং ঐক্যের আদর্শ।

স্বাধীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি হিসেবে ‘বিশ্বশান্তি, সাম্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান’ যে মূলনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল, তা বাস্তব রূপ লাভ করে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে। তিনি এই নীতিকে কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি বাস্তব পদক্ষেপ, আন্তর্জাতিক সংহতি ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার মাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

তাই আজ যদি কেউ না জেনে, না বুঝে এমন ইতিহাস নিয়ে ট্রল করে বা উপহাস করে, তাহলে সে শুধু একজন রাষ্ট্রপতিকে নয়, বরং আমাদের জাতীয় গৌরব, আন্তর্জাতিক অবস্থান এবং পররাষ্ট্রনীতির বিশুদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গিকেই অপমান করে।

জিয়াউর রহমানের মতো নেতা ইতিহাসে খুব কমই জন্ম নেন যিনি একাধারে ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, রাষ্ট্রগঠনকারী, এবং বিশ্বদর্শী কূটনীতিক। তাঁর অবদান নিয়ে ট্রল নয়, প্রজন্মের উচিত সঠিকভাবে জানার চেষ্টা করা এবং ইতিহাসের প্রতি সম্মান দেখানো।

জানুন, বোঝার চেষ্টা করুন, তারপর মূল্যায়ন করুন। কারণ ইতিহাস নিয়ে ট্রল করা একদিকে যেমন নিজের অজ্ঞতার পরিচয় দেয়, তেমনি একটি জাতির চিন্তা-চেতনাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

সকল অবৈধ স্থাপনা, চাঁদাবাজি, মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিহাদ চলবে। শুরু হবে ঘর থেকে, শেষ হবে ঢাকার সকল থানা/ও...
10/04/2025

সকল অবৈধ স্থাপনা, চাঁদাবাজি, মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিহাদ চলবে। শুরু হবে ঘর থেকে, শেষ হবে ঢাকার সকল থানা/ওয়ার্ড পরিচ্ছন্ন করার মধ্য দিয়ে ইনশাআল্লাহ।

Ishraque Hossain

কিছু টাকার লোভে কিংবা নিজের দল ভারী করার আশায় যদি পতিত স্বৈরাচারের কাউকে আশ্রয় দেন, তবে মনে রাখবেন—তারা শহীদদের রক্তের স...
10/04/2025

কিছু টাকার লোভে কিংবা নিজের দল ভারী করার আশায় যদি পতিত স্বৈরাচারের কাউকে আশ্রয় দেন, তবে মনে রাখবেন—তারা শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করছেন। কেউ আপনাদের ক্ষমা করবে না।

--নজরুল ইসলাম খান
সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি, বিএনপি
০৬ এপ্রিল ২০২৫

তোমরা তোমাদের ফ্রেন্ডদের জানাও বিএনপি এই সম্মেলনে এসেছিল তোমাদের জানাতে যে ভবিষ্যতে তোমরা যখন বাজেট বানাবা বাংলাদেশে ইনভ...
09/04/2025

তোমরা তোমাদের ফ্রেন্ডদের জানাও বিএনপি এই সম্মেলনে এসেছিল তোমাদের জানাতে যে ভবিষ্যতে তোমরা যখন বাজেট বানাবা বাংলাদেশে ইনভেস্ট করার ব্যাপারে, সেখানে বিএনপির কাউকে দেবার জন্য কোন বাজেট রাখা লাগবে না। এটা সবাইকে জানায় দাও।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি,বিএনপি।

আওয়ামী লীগ পরোক্ষভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছিলো।সালাউদ্দিন আহমেদ সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি,বিএনপি।
09/04/2025

আওয়ামী লীগ পরোক্ষভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছিলো।

সালাউদ্দিন আহমেদ
সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি,বিএনপি।

Address

28, 1 VIP Road
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জাতীয়তাবাদের পাঠশালা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to জাতীয়তাবাদের পাঠশালা:

Share