14/01/2025
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
বিষয়: উচ্চ কর ও শুক্ল আরোপের মাধ্যমে দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
*আয়োজনে: গণঅধিকার পরিষদ*
আমরা গভীর দুঃখ এবং উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এমন এক উচ্চ কর নীতি আরোপ করার আশুভ পঁয়তারা করছে যা দেশের বিদ্যমান সামাজিক এবং রাজনৈতিক সংকটকে আরও তীব্র করে তুলবে। এই উচ্চ কর আরোপ কেবলমাত্র জনগণের জীবনযাত্রা কঠিন করবে না, বরং এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি ষড়যন্ত্র, যার মাধ্যমে দেশকে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
আমরা কর আরোপের কিছু তুলনামূলক তথ্য উপস্থাপন করছিঃ
১/ বিবিধ শিশু খাদ্যে ১৫% - ৩০% সম্পূরক শুল্ক এবং ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে।
২/ বিস্কুট, রেস্তোর খাবার ও চশমায় কর ৫% হতে বাড়িয়ে ১৫% করা হয়েছে। উল্লেখ্য বিস্কুট গরীব মধ্যবিত্ত জনসাধারণের খাবার।
৩/সার্কভুক্ত দেশ সমূহে ৫০০ টাকার ভ্রমণ কর বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এভাবে অন্যান্য দেশেও এটা বেড়েছে, যা প্রবাস গমন খরচ বাড়িয়ে তুলবে।
৪/ আম, কলা, লেবু বিভিন্ম ফলমূলে কর ২০% থেকে বাড়িয়ে ৩০% করা হয়েছে।
কর ও শুল্ক প্রসঙ্গে আমাদের প্রস্তাবঃ
- সংকট মোকাবিলায় জনগণের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে জনবান্ধব এবং গ্রহণযোগ্য কর নীতি প্রণয়ন করতে হবে।
- নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা খাতে আরোপিত উচ্চ কর অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
- কর আদায়ে ব্যাপক দূর্নীতির কথা বহুল প্রচারিত একটি খবর, যথাযথভাবে আদায়ে কর আদায়ে সংশ্লিষ্টদের দূর্নীতির প্রমান পেলে শাস্তিযোগ্য ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
- যেসকল পণ্য দেশে উৎপাদিত হয় তা আমদানিতে উচ্চ কর আরোপ অথবা আমদানি সীমীত সম্ভব হলে আমদানি নিষিদ্ধ করতে হবে।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত মিয়াম-মশিউজ্জামান (আহ্বায়ক গণঅধিকার পরিষদ) এছাড়াও বক্তব্য রেখেছেন তারেক রহমান (যুগ্ম সদস্য সচিব গণঅধিকার পরিষদ) আরও উপস্থিত ছিলেন আরিফ বিল্লাহ (কেন্দ্রীয় দপ্তর সমন্বয়ক গণঅধিকার),
ফয়সাল আহমেদ রূপক ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সাধারণ সম্পাদক,সোহাগ আফ্রিদি, শহিদুল হক মিন্টু প্রমুখ