Online Marketing Bangladesh

Online Marketing Bangladesh Every pain
gives
a lesson and every
lesson changes
a person.

বাংলাদেশ সবার আগে"—এই মূলমন্ত্রটি আমাদের হৃদয়ে ধারণ করা কেবল একটি স্লোগান নয়, বরং এটি একটি পবিত্র দায়িত্ব। যখন আমরা আ...
12/02/2026

বাংলাদেশ সবার আগে"—এই মূলমন্ত্রটি আমাদের হৃদয়ে ধারণ করা কেবল একটি স্লোগান নয়, বরং এটি একটি পবিত্র দায়িত্ব। যখন আমরা আমাদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে দেশকে স্থান দেই, তখনই প্রকৃত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি সম্ভব হয়। আমাদের প্রতিটি চিন্তা, কর্ম এবং স্বপ্ন যেন হয় এই মাটির কল্যাণে। তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে দেশপ্রেমের এই মশাল জ্বলে উঠুক প্রতিটি ঘরে। মনে রাখতে হবে, আমাদের পরিচয় আমাদের বাংলাদেশ; তাই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলো গড়ি এক অদম্য ও শক্তিশালী সোনার বাংলা।

16/04/2025

Bangladesh Jatiotabadi Jubodal was established on 27 August 1978.

🌎 ছবিটিতে লাল বৃত্তের মধ্যে থাকা ব্যক্তিটির গল্প আমরা অনেকেই জানি কিন্তু তাকে খুব কম মানুষই চিনি। ইনি ছিলেন তার সময়ের সে...
10/04/2025

🌎 ছবিটিতে লাল বৃত্তের মধ্যে থাকা ব্যক্তিটির গল্প আমরা অনেকেই জানি কিন্তু তাকে খুব কম মানুষই চিনি। ইনি ছিলেন তার সময়ের সেরা একজন ইঞ্জিনিয়ার, তার জনপ্রিয়তা ছবিটির দিকে তাকালেই হয়ত বুঝে যাবেন।

তার একটি সত্য গল্প খুব প্রচলিত ছিল, যিনি একটি স্ক্রু ঘোরানোর জন্য ১ ডলার আর কোন স্ক্রু ঘোরাতে হবে সেটা জানার জন্য ৯,৯৯৯ ডলার দাবি করেছিলেন।

হ্যাঁ, এই প্রকৌশলী আসলেই ছিলেন। তার নাম ছিল চার্লস প্রোটিয়াস স্টেইনমেটজ (১৮৬৫–১৯২৩)।

একবার তার সঙ্গে পরিচিত হন খ্যাতিমান উদ্যোক্তা হেনরি ফোর্ড। যাকে বিখ্যাত ফোর্ড গাড়ির নির্মাতা হিসেবে জানি।

তো ফোর্ডের রিভার রুজ প্ল্যান্টে একটি বিশাল জেনারেটরে জটিল এক প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। সেখানে কর্মরত প্রকৌশলীরা কোনোভাবেই সমস্যার উৎস খুঁজে পাচ্ছিলেন না।

শেষমেশ হেনরি ফোর্ড নিজেই স্টেইনমেটজকে ডাকেন।

যথারীতি স্টেইনমেটজ কারখানায় এসে কারো সাহায্য না নিয়ে শুধু একটি খাতা, কলম আর একটি খাট চাইলেন।

মনে হতে পারে না, এত কিছু থাকতে খাট কেন, কেননা তিনি জন্ম থেকেই kyphosis- নামক রোগে এ আক্রান্ত ছিলেন, যার ফলে পিঠে একটি কুঁজ তৈরি হয়। যে কারণে তিনি ছিলেন কুঁজো এবং তার উচ্চতাও ছিল মাত্র প্রায় ৪ ফুট। এছাড়াও তার কাঁধ ও শরীরের গঠন ছিল অস্বাভাবিক, যা চলাফেরা ও কাজকর্মে সমস্যা সৃষ্টি করত।

যাইহোক তিনি টানা দু’দিন ও দু’রাত সেই বিশাল জেনারেটরের শব্দ শুনে কাটালেন, আর করলেন অসংখ্য জটিল হিসাব।

হঠাৎ করে তিনি একটি মই, একটি টেপ মাপার ফিতা আর একটা ব্ল্যাকবোর্ডের চক আনতে বললেন।

তার শরীরের প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি মই বেয়ে জেনারেটরের উপর পর্যন্ত উঠলেন।

তারপর ফিতা দিয়ে মেপে জেনারেটরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে চক দিয়ে একটি দাগ দিলেন।

নিচে নেমে এসে আশপাশের অবাক প্রকৌশলীদের বললেন, এই নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইড প্লেট খুলে কুন্ডলি খুলতে হবে, এবং ঠিক ১৬টি তার খুলে ফেলতে হবে।

প্রকৌশলীরা তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করলেন।

দেখা গেল, জেনারেটর আবার পুরোপুরি সচল হয়ে গেছে।

এরপর স্টেইনমেটজ, জেনারেল ইলেকট্রিকের পক্ষ থেকে হেনরি ফোর্ডের কাছে ১০,০০০ ডলারের একটি বিল পাঠান।

ফোর্ড কাজের প্রশংসা করলেও, এমন বড় অঙ্কের একটি বিল দেখে তিনি বিস্তারিত খরচ breakdown চেয়ে ফেরত পাঠান।

স্টেইনমেটজ তখন বিলটি এভাবে সংশোধন করে পাঠান—

জেনারেটরে চক দিয়ে দাগ টানা: ১ ডলার

কোথায় দাগ দিতে হবে তা জানা: ৯,৯৯৯ ডলার

মোট: ১০,০০০ ডলার

এইবার আর কোনো কথা না বলে ফোর্ড পুরো বিলটাই পরিশোধ করেন।

তো চার্লস স্টেইনমেটজ ও হেনরি ফোর্ডের ঘটোনাটি আমাদের চোখের সামনে একটি গভীর শিক্ষনীয় বার্তা তুলে ধরে।

জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার প্রকৃত মূল্য বোঝা এবং যথাযথ সম্মান করা উচিত।

দেখুন স্টেইনমেটজ এক নজরে খুব ছোট একটা কাজ করেছিলেন, চক দিয়ে একটা দাগ টেনেছিলেন। কিন্তু এই ছোট কাজের পেছনে ছিল বছরের পর বছর অর্জিত অভিজ্ঞতা, গভীর জ্ঞান ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা।

এই গল্প আমাদের শেখায় যে, কেবল চোখে দেখা শ্রম নয়, বরং সমস্যার মূল ধরতে পারার ক্ষমতা, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাই অনেক সময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হয়ে দাঁড়ায়।

তাই কোনো পেশাজীবীর কাজ যখন সহজ মনে হয়, তখন তার পেছনের কঠোর পরিশ্রম ও দক্ষতা কদর করা উচিত।

**এই গল্পটি ১৯৬৫ সালের ১৪ মে "লাইফ" ম্যাগাজিনে ছাপা একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। চিঠিটি লিখেছিলেন জ্যাক বি. স্কট। তার বাবা বার্ট স্কট ছিলেন হেনরি ফোর্ডের বহু বছরের কর্মী।

#জীবন #সফল #অনুপ্রেরণা #সাফল্যে #চাবি #আত্মবিশ্বাস #শক্তি #সময় #ক্ষমতা #সিদ্ধান্ত #আত্মনির্ভর #আত্মসম্মান #আত্মমর্যাদা #সুখ #উদ্দেশ্য

বাংলাদেশ ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক হয়তো অবশেষে খারাপের দিকেই যাচ্ছে । ভারতীয় ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে এতদিন নেপাল, ভুটান, মায়া...
10/04/2025

বাংলাদেশ ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক হয়তো অবশেষে খারাপের দিকেই যাচ্ছে ।

ভারতীয় ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে এতদিন নেপাল, ভুটান, মায়ানমারে পণ্য রফতানি করতো বাংলাদেশ।

ভারতের ভূখন্ড ব্যবহার করে পণ্য রফতানির চুক্তি হয়েছিলো ২০২০ সালের ২৯ জুন ।

কিন্তু— এবার ঘোষণা দিয়ে সেই রাস্তা বন্ধ করে দিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার ।

অর্থাৎ এখন আর শুল্কবিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে ভারতের বন্দর, বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবে না বাংলাদেশ । সীমান্ত পেরিয়ে কন্টেনার, বন্ধ ট্রাক আর প্রবেশ করতে পারবে না। ( তথ্যসূত্র- ১)

এরকমটা হুট করে কেনো করলো নরেন্দ্র মোদি?

ইউনুস সরকারের চীন সফর নিয়ে ভারত যথেষ্ট অসন্তুষ্ট ছিলো ।

কেনো?

বিশ্লেষকরা বলতেছে — এতে ভারত নির্ভরতা কমতেছে, তাই ।

বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ মানুষ ভারতে চিকিৎসা নিতে যায় । কিন্তু হাসিনা সরকার পতনের পর - মোদি চাইছিলো সে চিকিৎসা বন্ধ করে বাংলাদেশকে কিছুটা চাপে রাখতে ।

ভারতের ভিসা ইতোমধ্যে পাওয়া যাচ্ছে না ।

ইউনুস সাহেব বিকল্প খুঁজে নিলেন চীনকে ।

চীনের কুনমিং এ বাংলাদেশের জন্য চারটি হাসপাতাল বরাদ্দ করা হয়েছে ।

চীনের উদ্যোগে ঢাকায় কিছু হাসপাতাল গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে রোবটিক ফিজিও থেরাপির, কার্ডিভাস্কুলার , ভেহিকল সাপ্লাই দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ।

( তথ্যসূত্র- ২)

মোদিজি এসব সহ্য করলেন । কিন্তু সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেলো ইউনুস সরকার যখন বিবৃতি দিয়ে বসলেন —

"সেভেন সিস্টার ল্যান্ডলক - আর আমরা সেভেন সিস্টারের অভিভাবক। "

এই বিবৃতি ভারতে তুমুল আলোচনার ঝড় তুলে রীতিমত ।

এরই প্রেক্ষ্মিতে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চাপ দিয়ে ভারতীয় ভূখন্ড বন্ধ করে দেয় আজ ।

এর বিপরীত পরিস্থিতি কি হতে পারে?

বাংলাদেশ মংলা সমু্দ্র বন্দর বন্ধ করে দিবে ভারতের জন্য?

এরকমটা হতে পারে ভেবেই , ভারত কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দর ও মংলা আগের থেকেই দাবি করতেছে ।

কিছুদিন আগেই ভারতীয়রা হাঁক দিচ্ছিলো , আমরা চট্টগ্রাম আমাদের মানচিত্রে যোগ করবো । আর চট্টগ্রাম বাসী আওয়াজ দিচ্ছিলো —

" আমরা ভারতের সব গরু দিয়ে মেজবান খাবো। "

এই সপ্তাহে ত্রিপুরার মহাপাত্র প্রদ্যোৎ মানিক্য আবার হুঁশিয়ারি দিলেন -

"উই উইল ডু ইট, এট এনি কস্ট। ১৯৪৭ এ আমাদের চট্টগ্রাম হাতছাড়া করা উচিত হয় নি ।

এই ভুল আমাদের ভোগাচ্ছে । "

কথা হলো , তারা মংলা কেনো চায়? চট্টগ্রাম বন্দর কেনো চায়?

ভারতের মূল ভূখন্ড থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিচ্ছিন্ন।

বাংলাদেশের ট্রানজিট সুবিধায় মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য সহজে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরামে যায় ।

ভারতের সেভ হয় ৩০% অর্থ , সাথে সময় ।

কিন্তু বাংলাদেশ যদি এই পথ বন্ধ করে দেয়?

এর বিকল্প হিসেবে ভারত ২০০৮ সালে মায়ানমারের সাথে " Kaladan Multi-Model Transit Transport project ( KMTTP) চালু করে ।

কিন্তু এই প্রজেক্ট কার্যকরী না একদমি ।

প্রথমত , যে রাজ্য দিয়ে এই ট্রানজিট চালু হয়েছে মায়ানমারের সল রাখাইন রাজ্য এখন রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভুগছে । এ পথ নিরাপদ না ।

দ্বিতীয়ত , একই রাজ্যকে চীন " Belt And Road Initiative (BRI) ব্যবহার করছে । যা ভারতের KMTTP এর অঞ্চলকে ছেদ করে ।

কিন্তু মায়ানমারের উপর চীনের প্রভাব এতো বেশি —
ভারত সেখানে পাত্তা পাবে না ।

তৃতীয়ত, সময় বেশি যাবে । ব্যয় বেশি হবে। লস প্রজেক্ট ।

অর্থাৎ মংলা বন্দর এবং চট্টগ্রাম বন্দর যদি বন্ধ করা হয় , ভারত মারা খাবে ।

এতদিন শেখ হাসিনা শুধু দিয়েই গিয়েছিলেন —
" তাই ভারত আমাদের বন্ধু ছিলো । "

যখন ভাল্লুক ইউনুস সরকার আসলো —

সেই বন্ধু গাছে উঠে গেলো ।

হাসিনা একবার গর্ব করে ভারতের সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন - ভারত কখনোই বলতে পারবে না আমরা ভারতকে ঠকিয়েছি । বরং ভারতকে বেশিই দিয়েছি।

এই ২০২৪ সালের অর্থবছরেও ভারত আমাদের দেশে রফতানি করে ১২.৯০ মার্কিন ডলার। আর আমরা?
১.৮ বিলিয়ন ।

কিন্তু সেই ভারতই এখন বোল পাল্টাচ্ছে ।

আমের আঁটির রস শেষ? না তেতো লাগছে?

যারা আওয়ামীলীগ করেন — আপনি আমারে বিএনপির দালাল বইলা গালি দিতে পারেন । ইউনুসের দালাল বইলা গালি দিতে পারেন ।

কিন্তু বিএনপির যখন জন্ম হয় নি - ইউনুসের ও যখন জন্ম হয় নি , তখন দেশের কোনো একজন দালাল বলে গিয়েছিলেন —

"ভারত বাংলাদেশের কখনো বন্ধু হইতে পারে না । এই সত্য তুমি যতো তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবা, ততোই ভালো। "

বছর বছর যে বন্যার পানি বাংলাদেশে আসে , তারা কখনো আওয়ামীলীগ বিএনপির ঘর বাড়ি চেক করে মানুষদের ভাসিয়ে নিয়ে যায় নি ।

নিয়েছে বাংলাদেশীদের, যে সীমান্ত কাঁটাতারে ফেলানীর লাশ ঝুলে ছিলো - ঠিক তার ওপারে বসে হেসেছে —

ভারত!
©

Miss you
31/03/2025

Miss you

31/03/2025

Ifter party

Our leader
31/03/2025

Our leader

ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালে,মৃত্যু ১৯৪১সালে। তাহলে ঠাকুর বাংলাদেশকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় সংগীত কিভাবে, লিখলো?যেখানে বাংলাদেশের ...
08/09/2024

ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালে,মৃত্যু ১৯৪১সালে। তাহলে ঠাকুর বাংলাদেশকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় সংগীত কিভাবে, লিখলো?যেখানে বাংলাদেশের জন্ম ১৯৭১সালে।

এক শকুনের বাচ্চা তার বাপের কাছে বায়না ধরলো, -- "বাবা, আমি মানুষের মাংস খাব! "শকুন বলল--"ঠিক আছে বেটা, সন্ধ্যার সময় এনে...
07/09/2024

এক শকুনের বাচ্চা তার বাপের কাছে বায়না ধরলো, -- "বাবা, আমি মানুষের মাংস খাব! "

শকুন বলল--"ঠিক আছে বেটা, সন্ধ্যার সময় এনে দেব। শকুন উড়ে গেল আর আসার সময় মুখে এক টুকরো শুকরের মাংস নিয়ে এসে বাসায় রাখলো ।

বাচ্চা বলল--"বাবা, এটা তো শুকরের মাংস, আমি মানুষের মাংস খেতে চাই।"

বাপ বলল --অপেক্ষা কর বাবা!

শকুনটা আবার উড়ে গেল আর আসার সময় এক মরা গরুর মাংস নিয়ে এলো।

বাচ্চা বলল --"আরে এটা তো গরুর মাংস নিয়ে এসেছ, মানুষের মাংস কোথায়?

এবার শকুনটা দুটো টুকরো একসাথে মুখে নিয়ে উড়াল দিল আর শুকরের মাংসটি একটা মসজিদের পাশে আর গরুর মাংস একটা মন্দিরের পাশে ফেলে দিয়ে চলে এলো!

কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে শুরু হলো দাঙ্গা! কয়েকশ মানুষের লাশ পড়ে গেল! তখন গাছের ডাল থেকে নেমে বাপ-বেটা মিলে খুব তৃপ্তিতে মানুষের মাংস খেল।

বাচ্চাটা খেতে খেতে জিজ্ঞেস করছে-- "বাবা, এত মানুষের মাংস এখানে কি করে এলো ?"

শকুন বললো -- "এই মানুষ জাতটাই এরকম। সৃষ্টিকর্তা এদেরকে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ হিসাবে সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু ধর্ম আর রাজনীতির নামে এদেরকে আমাদের থেকেও হিংস্র বানানো যেতে পারে! "

বাচ্চা বললো তুমি ধর্মকে ব্যবহার করলে কেন, কতগুলো নীরিহ লোক মারা গেল , রাজনীতি করলেই পারতে!

বাবা হেসে উত্তর দিল, তাতেও নিরীহ লোকগুলোই মারা পড়তো! ধর্মটা আবেগের যায়গা তাই ফলাফলটাও তাৎক্ষণিক! তুমি আজই খেতে চেয়েছিলে! রাজনীতি টা কুটিল এবং জটিল, এটি শুরু হতে সময় নেয় কিন্তু হলে আর থামেনা!

বাচ্চা বললো- "তোমার অনেক বুদ্ধি, বাবা"

শকুন -- "আরেহ, ধুর! এটা তো আমি মানুষের কাছ থেকেই শিখছি, এদের একটা অংশ যখনই কোন অনিষ্ট করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয় তখনই সহজ রাস্তা হিসেবে হয় ধর্মকে নয়তো রাজনীতিকে ব্যবহার করে!

So be careful 🇧🇩

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলি একজন বাঙালি। তিনি বাংলা ভাষায় কথা বলেন। কিন্তু দিনশেষে তিনি একজন ভারতীয়। তিনি ভারতে...
07/09/2024

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলি একজন বাঙালি। তিনি বাংলা ভাষায় কথা বলেন। কিন্তু দিনশেষে তিনি একজন ভারতীয়। তিনি ভারতের হয়ে যত রান করেছেন আর সেঞ্চুরি করেছেন সেগুলো ভারতের খাতায় গণ্য হবে। বাংলাভাষী বলে তার অর্জনগুলো বাংলাদেশের হবে না।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে স্থানে জন্মেছেন, ভৌগলিকভাবে আজকে সেটা ভারতের অংশ। তিনি যে নোবেল পুরুস্কার পেয়েছিলেন সেটা একজন "ভারতীয় কবি"র নোবেল পুরস্কার হিসেবে গণ্য হয়। এটা হচ্ছে বাস্তবতা। আপনি যতই আবেগে কান্নাকাটি করেন, রবীন্দ্রনাথের নোবেল কখনো "বাংলাদেশের নোবেল" হবে না।
বাংলাদেশ একটা আধুনিক জাতিরাষ্ট্র। আর এই আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত একজন "ভারতীয় কবি"র লেখা। এটাই বাস্তবতা। আপনি যতই রাবীন্দ্রিক চেতনা কপচান, এই বাস্তবতা কখনো বদলাবে না। রবীন্দ্রনাথকে 'ভারতীয়' বললে আপনার চেতনার ঈমানে যতই ঝাঁকি লাগুক, এটা হচ্ছে সত্য এবং বাস্তবতা। আমি ভেবে অবাক হই অনেক সুশীল কথায় কথায় আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের ধারণা কপচায়, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কথা এলেই তাদের এই জাতিরাষ্ট্রের ধারণা বিলীন হয়ে যায়। বঙ্গীয় চেতনাবাজ সুশীলদের ঈমান মূলত মিথ্যা আবেগের উপরে দাঁড়িয়ে আছে।
কবি কাজী নজরুল ইসলাম যে স্থানে জন্মেছিলেন সে স্থান বর্তমানে ভারতের মাঝে পড়লেও বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশে আনা হয় ও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়া হয়। কাজেই কাজী নজরুল ইসলাম একজন "বাংলাদেশি কবি"। কাজী নজরুল ইসলামের অর্জনগুলো বাংলাদেশের অর্জন বলে গণ্য হয়।
পোস্ট শেষ করছি ইসলামের একটা বিধান আলোচনা করে। বাদ্যযন্ত্র সহকারে যে কোনো সঙ্গীতই ইসলামে হারাম। বাদ্যযন্ত্র না থাকলে ও সঙ্গীতের কথার মাঝে হারাম কিছু না থাকলে সেই সঙ্গীতকে উলামাগণ জায়েজ বলেছেন।

লিখেছেন মুশফিকুর রহমান মিনার। অসাধারণ লিখেছেন।

Address

Mirpur, Kalsi
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online Marketing Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share