Ainuzzaman Akash

Ainuzzaman Akash একটি সুস্থ্য মস্তিষ্কের সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে...

17/11/2025
06/11/2025

সময় থেমে থাকে না, আমরাও যেন না থেমে যাই 🌿
প্রতিদিন একটু একটু করে বদলে যাও —
কারণ নতুন বছর নয়, নতুন তুমি-ই আসল শুরু 💚

02/11/2025

ভয় তোমাকে থামিয়ে দিতে পারে,
কিন্তু সাহস তোমাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেবে

সফলতা কখনো হঠাৎ আসে নাসফলতা আসে প্রতিদিনের ছোট ছোট পরিশ্রম, ধৈর্য আর বিশ্বাসের ফল হিসেবে।
01/11/2025

সফলতা কখনো হঠাৎ আসে না
সফলতা আসে প্রতিদিনের ছোট ছোট পরিশ্রম,
ধৈর্য আর বিশ্বাসের ফল হিসেবে।

24/10/2025

আমি যখন ভাইভা নিচ্ছিলাম, তখন অনেককেই নানা ধরনের প্রশ্ন করেছি। একটি কমন প্রশ্ন আমি প্রায় সবাইকেই করেছিলাম
👉 “আপনার জীবনের লক্ষ্য কী?”

এই প্রশ্নের উত্তরে অধিকাংশই বলছিল,

“বড় কিছু হতে চাই।”

তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, “বড় কিছু মানে কী? বড় হতে চাও মানে কী হতে চাও?”
অনেকে বলল, “অনেক বড় হয়ে সফল হতে চাই।”

কিন্তু আসলে এই ‘সফলতা’ বা ‘বড় হওয়া’—এর কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড আছে কি?
এই ‘বড় হওয়া’ কি মাপা যায়?
আসলে যায় না।

তাহলে, আপনি যদি জীবনে বড় হতে চান, তাহলে আগে নির্দিষ্ট করে জানতে হবে—আপনি কী হতে চান।

যেমন হতে পারে—

আমি এমন একজন শিক্ষক হতে চাই, যিনি তাঁর প্রতিটি ছাত্রকে এমনভাবে গড়ে তুলবেন যাতে তারা দেশের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

আমি এমন একজন ব্যবসায়ী হতে চাই, যার ব্যবসার মাধ্যমে এক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং লাখো মানুষ আমার পণ্য বা সেবা থেকে উপকৃত হবে।

আমি এমন একজন ভিডিও এডিটর হতে চাই, যার প্রতিটি ভিডিও বাংলাদেশের টপ লেভেলের ভিডিওর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।

এইগুলোই হচ্ছে ‘বড় হওয়া’র বাস্তব মানদণ্ড।
শুধু বড় হতে চাওয়া নয়, কীভাবে এবং কোন মাধ্যমে বড় হতে চান—সেটাই আসল স্বপ্ন।

06/08/2024

আসসালামুআলাইকুম, আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে হাজারো শহীদের প্রানের বিনিময়ে আমাদের দেশে এক স্বৈরাচার সরকার ব্যবস্থার পতন ঘটেছে।

এখন আমরা আশা করছি এক নতুন বাংলাদেশের। যেখানে আর কোন অন্যায় দেখে কেউ মুখ বন্ধ করে সহ্য করবেনা। সবাই মাথা উচু করে বাঁচবে।

আমরা সবাই এখন প্রত্যেককে এক একজন আদর্শবান মানুষ হতে চেষ্টা করবো। কোন ব্যক্তির গোলাম নয় বরং আল্লাহর গোলাম হবো। সৎ ও ন্যায়ের আদর্শের গোলাম হবো।

আগামীর শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে আমাদের প্রত্যেককেই এক একজন আদর্শের সৈনিক হতে হবে।
নিজেকে গড়ে তুলতে হবে, সেই সাথে নিজের পরিবার ও সমাজকে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে এগিতে নিতে সাহায্য করতে হবে।

ইনশাআল্লাহ আগামীর বাংলাদেশ, আমাদের নবাগত শিশূ ও কিশোর সুন্দর বাংলাদেশে বেড়ে উঠবে, জ্ঞানে গুনে ও আদর্শে সমৃদ্ধ থাকবে ওরা।

আরা যারা এই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে তাদের পাশে দাড়াবো আমরা। আমরা হয়তো আনন্দ করছি কিন্তু তাদের পরিবারে কোন আনন্দ নেই। স্বজন হারানোর ব্যাথা যে কি কঠিন তা সহজে অনুমান করা যায়। আমরা তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করবো সেই সাথে আল্লাহ যেন তাদের শহীদি মর্যাদা দান করেন, সেই দোয়া করবো। তারা আমাদের জাতীয় বীর। তাদেরকে আমরা সবসময় স্বরণ করবো।

পাশাপাশি দেশের সম্পদ যেন কেউ নষ্ট করতে না পারে, আর যেন কোন অরাজক পরিস্থিতি তৈরী না হয় সেদিকেও সজাক দৃষ্টি রাখবো আমরা।

সেই সাথে সকলের প্রতি অনুরোধ, আমাদের হৃদয়ে প্রচুর ব্যাথা, প্রচুর ক্ষোভ জমা হয়েছে যারা আমাদের উপর দমনপীড়ন চালিয়েছে। আমাদের যেন সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ না ঘটে। অপরাধীদের আইনানুগ শাস্তি ভোগ করতে হবে তবে আমরা ব্যক্তিগতভাবে কারোই ক্ষতি করবো না।

কারন তাহলে তাদের অবস্থান আর সুন্দর আগামী বিনির্মানের সৈনিকগন এক নয়।

ভুলে যাবো না আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) মক্কা বিজয়ের পরে সকলকেই সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করেছিলেন।
তাও কখন, যখন তিনি মক্কার অধিপতি, ইচ্ছে হলে নিয়মানুযায়ী সবাইকে মৃত্যুদন্ডও দিতে পারতেন।

এর আগে একই কাজ করেছিলেন হযরত ইউসুফ (আ.)। তার ওপর ভাইদের অবিচার সত্ত্বেও তিনি যখন মিসরের সর্বোচ্চ আসনে আসীন, তখন তাদেরকে ক্ষমা করে দেন এবং তাদের জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করেন। ‘আজ তোমাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন। তিনি সকল দয়ালুর চাইতে অধিক দয়ালু’ (সুরা ইউসুফ, আয়াত: ৯২)।

এটাই আমাদের প্রকৃত শিক্ষা।

আল্লাহ আমাদের সকলকে আগামীর সুন্দর ও ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার তৌফিক দান করেন। আমিন।

সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা! ঈদ মোবারক!
16/06/2024

সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা! ঈদ মোবারক!

বই কেন পড়বেন? বই পড়ার ১০টি কারণ- যা বই সম্পর্কে আপনার ধারণায় নতুন মাত্রা যোগ করবে -১। মানসিক ব্যায়ামঃশরীরকে সুস্থ রাখতে ...
12/05/2024

বই কেন পড়বেন?
বই পড়ার ১০টি কারণ- যা বই সম্পর্কে আপনার ধারণায় নতুন মাত্রা যোগ করবে -

১। মানসিক ব্যায়ামঃ
শরীরকে সুস্থ রাখতে যেমন ব্যায়াম এর বিকল্প নেই তেমনি একইভাবে, আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখতে মানসিক ব্যায়াম জরুরি। মানসিক ব্যায়াম না করার ফলে আমাদের চিন্তাশক্তি লোপ পায়।
ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের এই ক্ষমতা নষ্ট হতে থাকে। ব্যবহার না করলে এই ক্ষমতা হারিয়ে যাবে। বই পড়া মানসিক ব্যায়াম এর একটি বড় মাধ্যম। আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখার জন্য নিয়মিত বই পড়া জরুরি।

২। মানসিক চাপ কমানোঃ
আপনি ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন, একাডেমিক কিংবা চাকরিজীবনে যতই মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন, এই সকল চাপকে আপনি পাশে সরিয়ে রাখতে পারেন যখন আপনি একটি ভালো বইয়ের মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে ফেলেন।
একটি ভালো বই আপনার দুশ্চিন্তা ও অবসাদ্গুলোকে পাশে সরিয়ে আপনাকে একটি অন্য দুনিয়ায় নিয়ে যেতে পারবে, যার মাধ্যমে আপনি মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

৩। জ্ঞানঃ
বই পড়লে জ্ঞান বাড়বে - একথা বলাই বাহুল্য। নতুন নতুন তথ্য যা অব্যশই কোন না কোনো দিন আপনার দরকারে আসবে। আপনার জ্ঞানের ভান্ডার যত সমৃদ্ধ হবে, আপনার জীবনের বাধা বিপত্তি গুলো অতিক্রমে আপনি ততটাই শক্তিশালী হবেন।
একটি কথা আমরা সবাই জানি - আপনার চাকরি/ব্যবসায়, আপনার সম্পত্তি, আপনার অর্থবিত্ত, আপনার স্বাস্থ্য - সবই হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু আপনার অর্জিত জ্ঞান সবসময়ই আপনার সাথে থাকবে।

৪। শব্দভান্ডার বৃদ্ধিঃ
আপনি যত পড়বেন, তত নতুন নতুন শব্দ শিখবেন। আর এতেই আপনার শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হবে। পারস্পরিক কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ আমাদের শিক্ষাজীবন, ব্যক্তিজীবন বা কর্মজীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কর্মজীবনে তো সুন্দর ভাষা বা ভালো যোগাযোগ দক্ষতার জন্য অনেকে বেশ সমাদৃত হন।
এই দক্ষতা বৃদ্ধিতে আপনাকে সব থেকে সাহায্য করবে, 'বই পড়া'। নতুন শব্দ, এর অর্থ ও প্রয়োগ আপনাকে অনেকের মধ্যে আলাদা করে তুলতে পারে।

৫। স্মৃতিশক্তির উন্নতিঃ
তীক্ষ্ণ স্মৃতিশক্তি আমরা কে না চাই! প্রায়ই আমরা বলে থাকি, স্মৃতিশক্তি কমে যাচ্ছে, অনেক কিছু মনে থাকে না। আবার ভালো স্মৃতিশক্তির মানুষকে আমরা শ্রদ্ধার চোখে দেখি।
আপনি যখন একটি বই পড়েন, আপনাকে বইয়ের চরিত্র ও তাদের ভূমিকা, তাদের পটভূমি, তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, তাদের ইতিহাস, সূক্ষ্মতা স্মরণে রাখতে হয়।
আর মজার ব্যাপার হলো, আপনি যখনই আপনার মস্তিষ্কে নতুন একটি স্মৃতি দেন, তা একটি নতুন পথ তৈরি করে আপনার ব্রেইনে এবং আগের স্মৃতিগুলোকেও শক্তিশালী করে তোলে।

৬। চিন্তাশক্তি দক্ষতা শক্তিশালীঃ
দিন দিন একটি শব্দ অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, Critical Thinking বা জটিল চিন্তাশক্তি। কর্ম বা ব্যক্তিজীবনে এই দক্ষতার কদর বেড়েই চলেছে। আমরা বই পড়ার সময় প্রায়ই জটিল কিছু ঘটনার কথা পড়ি, যেগুলো নিয়ে আমরা সচেতন বা অবচেতনভাবে চিন্তা করি। ঘটনাগুলোকে ধাপে ধাপে সাঁজাতে চেষ্টা করি, সমাধান করার চেষ্টা করি।
অনেক পাঠক তো রীতিমত কাগজ কলম নিয়ে বসে যায় রহস্য গল্প সমাধান করার জন্য। এছাড়াও বই গুলো নিয়ে আমরা অনেকের সাথে আলাপ করি, আমাদের চিন্তা, লেখকের চিন্তা ব্যক্ত করার চেষ্টা করি।
এইসবই কিন্তু আমাদের চিন্তাশক্তিকে বৃদ্ধি করে। এই দক্ষতাকে শক্তিশালী করে তোলে।

৭। একাগ্রতা বৃদ্ধিঃ
আপনি কি খেয়াল করেছেন, ফেসবুকে একসময় আমরা দীর্ঘ বা বড় ভিডিও দেখতাম, কিন্তু সেখান থেকে আমরা ছোট্ট রিলসে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি? আমরা সারাদিন ফেসবুক ব্যবহার করি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই দিন শেষে বলতে পারবে না, আজকে ফেসবুকে কি কি বিষয় আমরা দেখেছে? শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি, প্রযুক্তি আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে।
আর আমাদের কাছ থেকে কেঁড়ে নিয়ে গেছে একাগ্রতার মত গুন। যেকোনো কাজে একাগ্রতা অত্যাবশক একটি ব্যাপার। একাগ্রতা দিয়ে অনেক বড় বড় কাজ অতীতে হয়েছে। যা দিন দিন আমাদের থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
যখন আমরা বই পড়ি, তখন আমরা অন্যসব কিছু থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখতে পারি, একাগ্রভাবে গল্পের বা বইয়ের মধ্যে ডুবে যেতে পারি। যা আমাদের একাগ্রতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ব্যাপকভাবে।

৮। ভালো লেখার দক্ষতাঃ
পড়া এবং লেখা একে অপরের সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। পড়ার মাধ্যমে আমাদের ভাষা ও শব্দের জ্ঞান বাড়ে আর এই জ্ঞান আমাদের লেখনীশক্তিকে বৃদ্ধি করে। এই জন্যই বলে, লেখক হতে গেলে আগে অনেক অনেক পড়তে হবে, এরপর লিখতে হবে।

৯। প্রশান্তিঃ
বর্তমান সময়ে বই পড়ার সবথেকে বড় উপকার যদি চিন্তা করেন, বই পড়ার কারণে আমরা যে মানসিক প্রশান্তি পাই, সেটাই অনেক বড়। বই পড়ার সময়ে আমরা হয়তো ডিজিটাল ডিভাইসের পিছনে সময় নষ্ট করতাম, সেটা না করে আমরা যে ভালো কিছু পড়েছি, কিছু শিখেছি, এই চিন্তা এই প্রশান্তির কি অমূল্য নয়?

১০। বিনোদনঃ
বই পড়ে উপরের সবগুলো উপকার তো আমরা পাচ্ছিই, পাশাপাশি এটা আমাদের একটা বিনোদনের মাধ্যম। সবথেকে সস্তা কিন্তু কার্যকরী মাধ্যম। একটি ভাল গল্প, প্রবন্ধ বা উপন্যাস আমাদের মনকে বিনোদিত করে আর এটা বিনোদনের সর্বোত্তম পথ। নির্মল ও শান্তিময় বিনোদন হলো - বই পড়া।
বিঃদ্রঃ অনূদিত।

10/04/2024

ঈদ মোবারক
تَقَبَّلَ اللّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়ামিনকুম।
ঈদ কাটুক আনন্দে, নিরাপদে ও আপনজনের সাথে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ainuzzaman Akash posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ainuzzaman Akash:

Share

Category