People জনগণ

People জনগণ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from People জনগণ, Public Service, Mymensingh.

পুলিশ যদি আপনাকে মারধর করে—আপনি কি চুপ থাকবেন, নাকি আইন আপনাকে পাল্টা দাঁড়ানোর অধিকার দিয়েছে?একটু ভাবুন—এই প্রশ্নটা শু...
28/03/2026

পুলিশ যদি আপনাকে মারধর করে—আপনি কি চুপ থাকবেন, নাকি আইন আপনাকে পাল্টা দাঁড়ানোর অধিকার দিয়েছে?

একটু ভাবুন—এই প্রশ্নটা শুধু আবেগের নয়, সম্পূর্ণ আইনের বিষয়।

রিয়েলিটি চেক ⚖️

অনেকেই মনে করে— “পুলিশের বিরুদ্ধে কিছু করা যায় না”
কিন্তু বাস্তবতা হলো— আইন সবার জন্য সমান।
পুলিশ রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হলেও, তারা আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

তাই আপনার অধিকার জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

মূল প্রশ্ন 🧠
যদি কোনো পুলিশ অফিসার আপনার গায়ে হাত তোলে— আপনি কি সেলফ ডিফেন্সে তাকে প্রতিরোধ করতে পারবেন?

উত্তর: হ্যাঁ, পারবেন—কিন্তু শর্ত আছে।
অর্থাৎ, এটা পুরোপুরি পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে।

আইনের ব্যাখ্যা 📘 (Authority Part)

বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী—
ধারা ৯৬: আত্মরক্ষার জন্য করা কাজ অপরাধ নয়
ধারা ৯৭: নিজের ও অন্যের শরীর-সম্পত্তি রক্ষার অধিকার আছে

সহজভাবে বললে, কেউ যদি আপনাকে অবৈধভাবে আক্রমণ করে— আপনি নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন।

কিন্তু—
ধারা ৯৯: যদি পুলিশ আইন অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব পালন করে, তখন তাদের প্রতিরোধ করা যাবে না।

তাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
এটা বৈধ অ্যাকশন, নাকি অবৈধ মারধর—তা বুঝতে পারা।

-

হাই ইমপ্যাক্ট অংশ: (Critical Situation)

ধারা ১০০:
যদি আপনার জীবনের ঝুঁকি থাকে, বা গুরুতর আঘাতের আশঙ্কা থাকে— তখন আপনি শক্ত প্রতিরোধ করতে পারবেন।

অর্থাৎ, জীবন বাঁচানো এখানে প্রথম অগ্রাধিকার।

ধারা ১০১-১০২:
যদি পরিস্থিতি তুলনামূলক কম গুরুতর হয়— তাহলে প্রতিরোধও সীমিত হতে হবে।

মনে রাখবেন: প্রয়োজনের বেশি শক্তি ব্যবহার করলে, সেটাই আবার আপনার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে ধরা হতে পারে।

-

Step 1: প্রমাণ নিন 📹
ভিডিও বা ছবি ধারণ করুন—এটাই আদালতে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ।

Step 2: মেডিকেল রিপোর্ট 🏥
হাসপাতালে গিয়ে ইনজুরির অফিসিয়াল রিপোর্ট সংগ্রহ করুন।

Step 3: লিখিত অভিযোগ 📝
সংশ্লিষ্ট জেলার SP বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করুন।

Step 4: হুমকি পেলে ⚖️
ধারা ৫০৬ অনুযায়ী হুমকি দেওয়া নিজেই একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

Step 5: শেষ রাস্তা
ন্যায়বিচার না পেলে হাইকোর্টে রিট করতে পারেন।

অর্থাৎ, আইনের ভেতরেই আপনার জন্য একাধিক পথ খোলা আছে।

আরও যে সুবিধা আছে তা হলোঃ
ধারা ৯৮: আক্রমণকারী মানসিকভাবে অসুস্থ বা অপ্রাপ্তবয়স্ক হলেও আত্মরক্ষার অধিকার থাকবে

ধারা ১০৬: চরম পরিস্থিতিতে নিজেকে বাঁচাতে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আইনগত অনুমতি রয়েছে

মনে রাখবেনঃ
👉 আপনি আত্মরক্ষার অধিকার রাখেন
👉 কিন্তু সেই অধিকার সীমার মধ্যে ব্যবহার করতে হবে
👉 প্রমাণ এবং সঠিক আইনি পদক্ষেপই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি
©️Jahangir Hossain LLB

#ভূমি
#সাবরেজিস্ট্রার
#দেওয়ানিআদালত
#দলিলসংশোধন
#জমিরআইন
#ভূমিসংক্রান্তবিধান






26/03/2026

🎓 প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ 🎓

📢 সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা!
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ সামনে—এটাই তোমার মেধা ও পরিশ্রম প্রমাণের সেরা সুযোগ। এখন থেকেই নিয়মিত পড়াশোনা, অনুশীলন এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাও।

📚 প্রস্তুতির জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:
✔️ প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে পড়াশোনা করো
✔️ সিলেবাস অনুযায়ী সব বিষয় ভালোভাবে রিভিশন দাও
✔️ আগের বছরের প্রশ্নগুলো অনুশীলন করো
✔️ দুর্বল বিষয়গুলোতে বেশি সময় দাও
✔️ পরীক্ষার আগে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নাও
✔️ আত্মবিশ্বাস ধরে রাখো এবং ভয়কে জয় করো

✨ মনে রাখবে:
ছোট ছোট প্রস্তুতিই বড় সাফল্যের পথ তৈরি করে।
আজকের পরিশ্রমই আগামী দিনের গর্ব।
নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো—তুমিও পারবে! 💪

#প্রাথমিক_বৃত্তি_২০২৬

তেল নিতে লাগবে ডিসির সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত ‘ফুয়েল কার্ড’ #জনগণ    #তেল  #ওয়েলক্রাইসিস    #আজকেরখবর  #রাজনীতি
26/03/2026

তেল নিতে লাগবে ডিসির সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত ‘ফুয়েল কার্ড’
#জনগণ #তেল #ওয়েলক্রাইসিস #আজকেরখবর #রাজনীতি

এবারের ঈদ যাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য ও চাঁদাবাজি বিগত দুই দশকের সব ইতিহাসকে ম্লান করে দিয়েছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যান ...
19/03/2026

এবারের ঈদ যাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য ও চাঁদাবাজি বিগত দুই দশকের সব ইতিহাসকে ম্লান করে দিয়েছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যান বলছে, গত ২০ বছরে সাধারণ মানুষের পকেট এভাবে কখনোই কাটা হয়নি। অথচ সাধারণ যাত্রীদের বোকা ভেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী অবলীলায় বলে যাচ্ছেন যে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং ভাড়াও নাকি যথেষ্ট কম নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমান এই চরম ভোগান্তির সময়ে গত রমজান এবং ঈদের কথা দেশের মানুষের বারবার মনে পড়ছে। সেবার রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম সিন্ডিকেট ভেঙে বাস মালিকদের ঘুম পুরোপুরি হারাম করে দিয়েছিলেন। মহাখালী, গাবতলী, যাত্রাবাড়ী থেকে শুরু করে গাজীপুর পর্যন্ত প্রতিটি পয়েন্টে সার্বক্ষণিক মোবাইল কোর্ট বসিয়ে কড়া নজরদারি রাখা হয়েছিল।

সে সময় বাসে তল্লাশি চালিয়ে অতিরিক্ত নেওয়া প্রতিটি টাকা যাত্রীদের হাতে তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত দেওয়ার এক অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখেছিল দেশ। যাদেরকে বয়স নিয়ে কটাক্ষ করা হতো, সেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাই দিনরাত এক করে টার্মিনাল আর স্টেশনগুলোতে ঘুরে বেড়িয়েছেন মানুষের ভোগান্তি কমাতে। তাদের কঠোর পদক্ষেপের কারণেই সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্ত যাত্রার সুযোগ পেয়েছিল।

যাকে নিয়ে দেশজুড়ে নানা রকম অপপ্রচার আর মিথ্যাচার চালানো হয়েছিল, সেই ডক্টর ইউনূস জাতিকে উপহার দিয়েছিলেন ইতিহাসের সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক দুটি ঈদ। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, সদিচ্ছা থাকলে পরিবহন খাতের নৈরাজ্য থামিয়ে সাধারণ মানুষকে শান্তিতে বাড়ি পৌঁছানোর সুযোগ করে দেওয়া যায়। তথাকথিত রাজনৈতিক সরকারের আমলে এমন আরামদায়ক যাত্রা আমরা কখনোই পাইনি, আর ভবিষ্যতেও পাওয়ার কোনো আশা নেই।

বেরিয়ে এলো থলের পুষি (বিড়াল) 🥸ভিডিও পেতে ফলো করুন.NEWS24 Bd24report
19/03/2026

বেরিয়ে এলো থলের পুষি (বিড়াল) 🥸

ভিডিও পেতে ফলো করুন.

NEWS24 Bd24report

২৬ বছর আগে আটকে আছে বিএনপিশিক্ষামন্ত্রীর বয়স বাড়েনিসারা দুনিয়া এখন আনন্দময় শিক্ষার দিকে ঝুঁকছে। বিশ্বের কোথাও এখন আর প...
19/03/2026

২৬ বছর আগে আটকে আছে বিএনপি
শিক্ষামন্ত্রীর বয়স বাড়েনি

সারা দুনিয়া এখন আনন্দময় শিক্ষার দিকে ঝুঁকছে। বিশ্বের কোথাও এখন আর প্রাথমিকে ভর্তির জন্য শিশুদের পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় না। যে যেখানে বসবাস করে, সেই এলাকার (ক্যাচমেন্ট এরিয়া) পরিচয় দিয়েই তার স্কুলে ভর্তি নিশ্চিত হয়। আর বাংলাদেশে? আমাদের শিক্ষামন্ত্রী যেন ২৬ বছর আগের অতীতেই আটকে গেছেন। তিনি যেন জেদ ধরেছেন, তাঁর বয়স আর বাড়বে না, চিন্তার কোনো বিকাশ হবে না।

অবস্থা দেখে নোবেলজয়ী জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের বিখ্যাত উপন্যাস 'দ্য টিন ড্রাম'-এর মূল চরিত্র অস্কার মাতজেরাতের কথা মনে পড়ে যায়। তিন বছর বয়সে অস্কার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সে আর শারীরিকভাবে বড় হবে না। প্রাপ্তবয়স্কদের জগতের ভণ্ডামি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা, ফ্যাসিবাদ এবং শ্রেণি বৈষম্যের বিরুদ্ধে সেটি ছিল তার এক অদ্ভুত কিন্তু জোরালো প্রতিবাদ। তবে অস্কারের বড় না হতে চাওয়া এবং আমাদের শিক্ষামন্ত্রী মিলনের 'বড় না হওয়া'র মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। অস্কারের থেমে যাওয়াটা ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক শৈল্পিক প্রতিবাদ, আর শিক্ষামন্ত্রীর এই আটকে থাকাটা স্রেফ অজ্ঞতা।

শুধু মন্ত্রী নন, মনে হচ্ছে খোদ বিএনপিও আর এগোতে চায় না। তারা সেই ২৬ বছর আগের পুরনো উন্নয়ন তত্ত্ব দিয়েই আজকের আধুনিক দুনিয়া মাপতে চাইছে। ঠিক এই পশ্চাৎপদ চিন্তাধারার কারণেই ববি হাজ্জাজকে উচ্চশিক্ষা থেকে সরিয়ে কেবল প্রাথমিক শিক্ষায় প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। আর প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতার চূড়ান্ত উদাহরণ হিসেবে তাঁর ঘাড়ের ওপর আবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকেও বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।

২০১১ শিশু আইন ও আইনি ব্যত্যয়
বাংলাদেশে ২০১১ সালে প্রণীত শিশু নীতি এবং শিশু আইন অনুযায়ী, শিশুদের ওপর কোনো প্রকার শারীরিক বা মানসিক চাপ সৃষ্টি করা দণ্ডনীয়। ৫-৬ বছর বয়সী একটি শিশুকে ভর্তি পরীক্ষায় বসানো তার ওপর প্রচণ্ড মানসিক চাপ সৃষ্টি করে, যা স্পষ্টভাবে এই আইনের পরিপন্থী। ২০১১ সাল থেকে যে লটারি পদ্ধতি চালু হয়েছিল, তার মূল ভিত্তিই ছিল—শিক্ষা সবার অধিকার, কোনো নির্দিষ্ট মেধাবী গোষ্ঠীর সুযোগ নয়। ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু করা মানে সেই আইনি সুরক্ষার দেয়াল ভেঙে দেওয়া।

আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের বিচ্যুতি
বাংলাদেশ ১৯৯০ সালে
জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদে স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করেছে। এই সনদের আর্টিকেল ২৮ অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষা হবে সবার জন্য বাধ্যতামূলক এবং বিনামূল্যে। একইসাথে আর্টিকেল ৩ বলে, যেকোনো সিদ্ধান্তে ‘শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ’ (Best interest of the child) সবার আগে দেখতে হবে। ৫ বছরের শিশুর পরীক্ষা নেওয়া কোনোভাবেই তার স্বার্থ রক্ষা করে না। সই করা দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক এই অঙ্গীকার থেকে পিছু হটতে পারে না।

জাতিসংঘ ও বৈশ্বিক
সংস্থাগুলোর কঠোর বিরোধিতা
ইউনেস্কো এবং ইউনিসেফ ছোট শিশুদের জন্য প্রথাগত ভর্তি পরীক্ষার তীব্র বিরোধিতা করে। তাদের মতে, ৫ বছর বয়সে একটি শিশুর মেধা নির্ণয়ের কোনো সঠিক বৈশ্বিক মাপকাঠি নেই। এই অবৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন ও পরীক্ষা পদ্ধতি শৈশবেই শিশুর মধ্যে পড়াশোনার প্রতি অনীহা ও ভয় সৃষ্টি করে। শিক্ষা কোনো দয়া নয় যে এটি অর্জন করতে পরীক্ষা দিতে হবে; এটি রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা।

ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য ও বিভাজন
ভর্তি পরীক্ষা সামাজিকভাবে একটি বড় বৈষম্য তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি সচ্ছল পরিবারের শিশু ৩ বছর বয়স থেকে নামী কোচিং সেন্টারে ভর্তি হতে পারে বা ঘরে প্রাইভেট টিউটর রাখতে পারে। কিন্তু একজন রিকশাচালক বা নিম্নবিত্ত মানুষের সন্তানের সেই সুযোগ নেই। ফলে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে কেবল সচ্ছল পরিবারের শিশুরা ভালো স্কুলগুলো দখল করে নেবে, আর দরিদ্ররা ছিটকে পড়বে। এটি শিক্ষার মাধ্যমে একটি ‘এলিট শ্রেণি’ তৈরি করার সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতা।

আফ্রিকাতেও নেই এই নিয়ম
ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত বিশ্বে সরকারি প্রাথমিক স্কুলে ভর্তির কোনো পরীক্ষাই নেই। এমনকি আফ্রিকার অনেক উন্নয়নশীল দেশেও (যেমন রুয়ান্ডা বা ইথিওপিয়া) সরকারি স্কুলে সরাসরি ভর্তির নিয়ম। এমনকি মন্ত্রীর নিজের পরিবার যেখানে বসবাস করে, সেই আমেরিকাতেও ক্যাচমেন্ট এরিয়া অনুযায়ী ভর্তি হয়। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের ‘Right to Education Act’ অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া আইনত দণ্ডনীয়। যখন পুরো পৃথিবী শিশুদের জন্য ‘পরীক্ষাহীন শৈশব’ নিশ্চিত করছে, তখন বাংলাদেশে এই নিয়ম ফিরিয়ে আনা মধ্যযুগীয় চিন্তারই বহিঃপ্রকাশ।

নীতিনির্ধারকদের ভিশন ও
অ্যাকাডেমিক সক্ষমতার সংকট
বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলন ২০০১ ’ সালে নকল প্রতিরোধে ভূমিকা রেখে জনশ্রুতি পেলেও, ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে তাঁর প্রতিটি সিদ্ধান্ত মনে হয় নব্বই দশকেই আটকে আছে। এআই’র যুগে চোথা নকল দূর করাকে সফলতার সর্বোচ্চ মান মনে করা আসলে যুগের অবাস্তব এক ধারণা। নিজের সন্তানদের আমেরিকায় রেখে সেখানকার আধুনিক ব্যবস্থায় বড় করে, দেশের সাধারণ শিশুদের তিনি ৩০ বছর পেছনের সেই অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নিতে চান। গবেষণার দিক থেকে তাঁর সক্ষমতা মূলত কারিগরি শিক্ষার প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ, যার সাথে শিশু মনস্তত্ত্ব বা প্রাথমিক শিক্ষার কোনো সম্পর্ক নেই। সার্চ কমিটি গঠন করে নাটকীয় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলীয় কর্মী ভিসি নিয়োগ দেওয়া কিংবা বিশদ পরিকল্পনা ছাড়াই চটজলদি পপুলিজম ক্যাশ করতে প্রাথমিকে ভর্তি যুদ্ধের ঘোষণা—প্রমাণ করে তিনি আসলে ফেসবুকের বাবলে বাস করা একজন প্রাচীন মানুষ।

বিএনপির রূপকল্পহীন
রাজনীতি ও সমন্বয়হীনতা
দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিএনপির সুচিন্তিত কোনো পরিকল্পনা নেই যা ১০, ২০ বা ৩০ বছর মেয়াদী। তাদের আমলে শিক্ষার মান উন্নয়নের চেয়ে ‘যারেতারে ভিসি’ বানানো বা দলীয়করণেই ছিল সব মনোযোগ। নতুন প্রজন্মের মেধাবীদের বেছে নিতেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। ববি হাজ্জাজের মতো অক্সফোর্ডে পড়া এবং উচ্চশিক্ষার সাথে দীর্ঘ এক যুগ সম্পৃক্ত ব্যক্তিকে উচ্চশিক্ষা থেকে সরিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় দেওয়ার মাধ্যমে তাঁর পোর্টফোলিও সীমিত করা হয়েছে। এতে
বর্তমান মন্ত্রিসভায় উচ্চশিক্ষার বুঝাপড়া সম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রাথমিকে এনে এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আলাদা উপদেষ্টাদের মাধ্যমে সিদ্ধান্তের ‘নানা পকেট’ বানিয়ে মন্ত্রণালয়ে এক ধরনের নিয়ন্ত্রীত বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে।

উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ বনাম
আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত
অনেকে ভাবছেন ৫ আগস্ট আসলে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করে বিশাল একটা বিপ্লবের সূচনা তারা করেছেন। জনগনের আত্মত্যাগ ও বীরত্ব দেখলে এই অভ্যুত্থানের অনেকবড় ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু জনগনের আত্মত্যাগ ও অভিপ্রায় উপজীব্য করে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আসলে এই অভ্যুত্থান দখল করেছে। এর ফলে যা কিছু বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন ছিল তার সবকিছুইর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার। বলা যেতে পারে ফ্যাসিবাদ তাড়ানোর নাম করে দেশটির চৌদ্দটা বাজিয়ে দিয়ে গেছে। বিএনপির উচিত ছিলো, সরকার গঠনের প্রথম দিনেই একটি কমিশন গঠন করে লীগ সরকারের সময় নেয়া প্রকল্পগুলোর স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাব মূল্যায়ন করা। এসব প্রকল্পের ভেতর যেগুলো প্রয়োজন, সেগুলোকে চালু করা বাকিগুলো পরিস্থিতি অনুযায়ী বন্ধ রাখা।

বিএনপি সেটা করেনি। সেও ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের রেখে যাওয়া ধংসের ওপর করতোল বাজাচ্ছে। এরকম একটি প্রকল্পের কথা বলি।
মাদারীপুরের শিবচরে ১০০ একর জমির ওপর বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে 'শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি' প্রকল্পটি নেয়া হয়।
এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণ হলে প্রযুক্তি শিক্ষার চিত্র বদলে যেতো বাংলাদেশে। এখানে এআই, রোবোটিক্স, বিগ ডেটা ও ব্লকচেইনের ওপর বিশেষায়িত স্কুলিং ও গবেষণার ব্যবস্থা ছিল। এটি চালু হলে ১০-২০ বছর মেয়াদে বাংলাদেশের তরুণরা বিশ্ববাজারে প্রযুক্তিগত নেতৃত্বে বড় জায়গা করে নিতে পারতো। ইন্টেরিম সরকার প্রকল্পটি বন্ধ করে দিয়েছে।
বন্ধ করেছে কারণ, বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল করতে চায়। এরকম আরও অনেক ঘটনার নাম নিতে পারবো, যেগুলো বন্ধ করে দিয়েছে, যে প্রকল্পগুলোর প্রায় সব কাজ শেষ। এর মধ্যে কিছু প্রকল্পর কাজ বন্ধ করে দিয়ে সেসব আবার জুলাই আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্তদের কল্যান তহবিলে টাকা নেয়া হয়েছে। এটা রিতিমত পাগলামি।

জাতিসংঘ ও দাতা সংস্থাগুলো বছরে প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা দেয় বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে। প্রাথমিকে এই অবৈজ্ঞানিক ভর্তি পরীক্ষা চালু করলে এই বড় অংকের বিদেশি সাহায্য এবং বৈশ্বিক ভাবমূর্তি—উভয়ই হুমকির মুখে পড়বে। একদিকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পথ রুদ্ধ করা, অন্যদিকে দুনিয়ার কোথাও নেই এমন এক বৈষম্যমূলক ‘ভর্তি পরীক্ষা’ ফিরিয়ে আনা মূলত শিক্ষাকে অন্ধকার যুগে ঠেলে দেওয়ারই লক্ষণ। শিশুদের সুন্দর শৈশব নিশ্চিত করতে এই পশ্চাৎপদ পদ্ধতি বাতিলের কোনো বিকল্প নেই।

ফটোকার্ড : Dhaka Report

18/03/2026
বিস্তারিত কমেন্টে...
18/03/2026

বিস্তারিত কমেন্টে...

21/09/2019

Congratulations
Tigers Bangladesh
🥰😍

Address

Mymensingh
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when People জনগণ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share