Saymon Ahmed

Saymon Ahmed Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Saymon Ahmed, Dhaka.
(4)

গ্রীষ্মেও কুয়াশার আবরণ, নিজ গ্রামে💚💜
27/04/2023

গ্রীষ্মেও কুয়াশার আবরণ, নিজ গ্রামে💚💜

আপন মানুষ
26/04/2023

আপন মানুষ

শুভ জন্মদিন প্রিয় রাশেদ খাঁন ভাই❤️💚
23/04/2023

শুভ জন্মদিন প্রিয় রাশেদ খাঁন ভাই❤️💚

এইতো গত বর্ষায় একসাথে কত ঘুরাঘুরি, প্রতিদিনই নৌকা ভ্রমণ। আহ! কলিজাটা দুমড়ে মুচড়ে গেল, তোর মৃত্যুতে😭 ইউরোপ যাত্রা নিশ্চিহ...
18/03/2021

এইতো গত বর্ষায় একসাথে কত ঘুরাঘুরি, প্রতিদিনই নৌকা ভ্রমণ। আহ! কলিজাটা দুমড়ে মুচড়ে গেল, তোর মৃত্যুতে😭 ইউরোপ যাত্রা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল বিধ্বংসী বৈরী আবহাওয়ায়!!
আল্লাহ যেন তোকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাকাম দান করেন😭😭

21/02/2021

৪০ কোটি মানুষের সহজলভ্য বচন এই ভাষা! রক্তে রঞ্জিত একমাত্র ভাষা! বাংলা ভাষা!! এপার-ওপার দুইপারের সকল বাংলা ভাষাভাষীদের জানাই, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার শুভেচ্ছা!!

22/06/2020

অংপুরিয়া ভাষাত যাত্রাঃ নবাব সিরাজুদ্দৌলা*
:
নবাব সিরাজ : কায়, কায় অটে?

আলেয়া : আলামপনা, মুই আলেয়া।

নবাব সিরাজ : আলেয়া! কি করিস তুই আন্ধারোত নুকিয়া?

আলেয়া : হুজুর ভাত আন্দোং !

নবাব সিরাজ : ভাত আন্দিস! তা তরকাই কি??

আলেয়া : ইয়াও, ইয়াও হুজুর, বাইগোন দিয়া বয়লার মুগরীর চামড়ি !

নবাব সিরাজ : কি কলু? ফির কও তো! বাইগোন দিয়া বয়লার মুগরীর চামড়ি! বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব মুই সিরাজুদ্দৌলা, আর মুই খাইম মুগরীর চামড়ি! তাও ফির দেশী নোয়ায়, ব্রয়লার মুগরীর চামড়ি? ক্যানে তোর বাড়ির পাছপাকোত কি ঢেঁকিয়া শাক, কচু পাতাও আছিল না?

আলেয়া : ঢেঁকিয়া শাক আন্দিম হুজুর?

নবাব সিরাজ : থাউক এ্যালা আর নাইগবারন্যায়। গোলাম হোসেন কোনটে রে? গোলাম হোসেন, গোলাম হোসেন! কোটেকোনা থাকিস হারামজাদা?

গোলাম হোসেন : জ্বে আজ্ঞে হুজুর, কোনটে আর যাইম? এই তো মুই হুজুরের ঠ্যাঙের তলোত।

নবাব সিরাজ : বুঝলু গোলাম হোসেন, এ্যালা মোর দিন কাল এমোনে খারাপ যায়ছোল যে ব্রয়লার মুগরীর চামড়িও খাওয়া নাগে! কাক কইম এই দুঃখের কথা কও? মুর্শিদকুলী খাঁ, আলীবর্দি খাঁ'র বংশের ছাওয়া হয়্যাও মুই সিরাজ নবাব আইজ নিঃস্ব, গোটালে ফকির! এ্যালা কও এ্যান্তন ফকিরোক কায় দিবে আশা? কায় দিবে ভরসা? আর কায় বা শুনাইবে মোক আব্বাস উদ্দিনের ভাওয়াইয়া, আর মনতাজের ঝাকানাকা গান? গোলাম হোসেন রে এ এ এ এ এ এ এ ......!!

♣ গল্পকোনা ভাল্ নাগলে শিয়ার দিয়া হামার অংপুরিয়া ভাষাক চাইরোপাকে ছড়ে দ্যাও বাহে!

বাহে ভাল্ নাগলে হামার পেজে ইক্কান লাইক দ্যাও বাহে!

তখন ১ টাকায় ৪টা চকলেট পাওয়া যেতো। হসপিটালে গেলে ফ্রি ফ্রি চুলকানির ওষুধ পাওয়া যেত। ব্রিজের উপর থেকে ঝাপ দিলে ঘন্টা দুয়েক...
05/09/2019

তখন ১ টাকায় ৪টা চকলেট পাওয়া যেতো। হসপিটালে গেলে ফ্রি ফ্রি চুলকানির ওষুধ পাওয়া যেত। ব্রিজের উপর থেকে ঝাপ দিলে ঘন্টা দুয়েক পর নাকের নিচে কাদার গোফ পাওয়া যেত। কিন্তু হাজার খুঁজলেও এখনকার মত পকেট ভর্তি ইয়াবা আর ফোন ভর্তি পর্ণ পাওয়া যেত না। ও হ্যা, আমরা মাছ ধরতাম। ঠ্যালা জাল চেনো? তিনকোণা নীল রঙা জাল। তখন পুটি মাছ পেয়ে যেন ইলিশের আনন্দ নিতাম।
সন্ধ্যে হওয়ার আগেই বাসাই ফিরতে হত রোজ হারিকেন টা মুছে তৈল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার দ্বায়িত্ব টা আমার উপর ছিল,একসাথে চাটায়ে বসে পড়তে বসতাম ভাই বোন মিলে, , আর সন্ধ্যায় যখন আশেপাশে কেউ থাকতো না, তখন বইয়ের ভেতরের ময়ূর বের করে মাপতাম। এরপর তাকে চকের গুঁড়ো খেতে দিয়ে আবার যথাস্থানে রেখে দিতাম। আমরা ভাবতাম ময়ূর বড় হয়। যার কাছে যত ময়ূর তাকে ততো সমীহ করে চলতাম যদি সে দয়া করে একটা ময়ূরের বাচ্চক দেয়! এভাবেই আমাদের গল্পে ময়ূর আর চকের গুঁড়ো মিশে আছে যার গন্ধ আমরা এখনো পাই প্রতিটা বইয়ের পাতায়। তোমরা যখন চিনি দেখলে কোকেন বলে মনে কর, আমরা ৯০ এর দশকের ছেলেরা প্রথমে তাকে চকের গুঁড়ো ভাবি। এটাই আমাদের সরলতা। রাত পেরিয়ে সকাল হলে দল বেধে যাইতাম মক্তবে কোরআন শিক্ষা টা যতাযত ভাবে নিতে ,,, দিন হলে বা দিন পেরিয়ে সন্ধ্যা হলে আমরা পলিথিন জোগাড় করতাম। আগুন জ্বালাবার জন্য। মা বলতো উলের সোয়েটারে নাকি আগুন লাগে তাই সোয়েটার খুলে আমরা আগুনের কাছে যেতাম। আগুনের ভেতর থেকে হাত পা ঘুরিয়ে আনা আর সুচ দিয়ে আঙুল এর চামড়া ফুটো করে গেথে রাখা ছিল তৎকালীন সময়ে স্মার্টনেসের সর্বোচ্চ নিদর্শন। আগুন জ্বালালে তাতে নষ্ট কলম পোড়ানো ছিল ট্রেন্ড। এই জেনারেশন কখনওই জানবে না পলিথিন আর কলম পোড়ার গন্ধ, কিভাবে চামড়ায় সুচ আটকে রাখা যায় তা তারা শিখে নিতে পারবে কিন্তু রোমাঞ্চকর কোন অনুভূতি পাবেনা। কারণ তারা এখন রোমাঞ্চ পায় ইরোটিক ক্লিপ আর সবজী লাল পানি খাওয়াতেই।
আমরা দেখেছি কিভাবে কেরোসিন আনার জন্য কাচের স্প্রাইটের বোতলের মাথায় দড়ি বাধা হতো। আস্তে আস্তে কিভাবে দড়ি কালো হয়ে যেত আর বোতলের গায়ে ময়লার আবরণ পড়তো।ডাংগুলি খেলা তো এখনকার জেনারেশন চিনে কিনা সন্দেহ আছে,, কত যে রোমাঞ্চকর ছিল পরিবেশ টা জায়গাই জায়গাই, মারবেল খেলা,সিগারেটের পেকেট এর নকল টাকা দিয়ে কত রকম যে খেলা ছিল,,, ২০০৫ সাল কখনওই জানবে না ষ্টোভ নেভানোর পর কেরোসিন পুড়ে কেমন সুঘ্রাণ বের হয়, সন্ধ্যাবেলায় প্রতিটা বাড়ি থেকে কিভাবে এক এক্কে এক, দুই এক্কে দুই পড়ার আওয়াজ ব্যাঙ এর ঘেঙর ঘেঙরকে হার মানায়, এরা কখনওই ধারাপাত বই চিনবে না। এরা জানে ইউটিউবের টিউটোরিয়াল, সারাদিনের স্কুলে পরে থাকা মোজার গন্ধ আর বিদেশী রাইটারের বই।
সময় পাল্টেছে, আমি যুগের দোষ দেবোনা, সময়ের দোষ দেব না, এই জেনারেশনের দোষ দেব না। দোষ দেব আমাদের, দোষ দেব এই ৯০ এর দশককে। কেন তারা এত সুন্দর ছিল যে পরবর্তী দিনগুলোকে তাদের ধারে কাছেও আসতে দিল না? সেই দিনগুলো ফেসবুক ইউটিউবে বন্দী ছিল না তাই আমাদের শৈশব কেটেছে মাঠেঘাটে, হাওড় বাওড়ে, আগুনে পানিতে, জলাজঙ্গলে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saymon Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share