20/04/2026
জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে আরপিবি'র উদ্বেগ প্রকাশ
মূল্যবৃদ্ধির চাপে জীবনযাত্রার ব্যয় ও দুর্ভোগ বহুগুণ বাড়বে
----------------------------------------------------বাসদ
বাংলাদেশের বিপ্লবী দল - আরপিবি কেন্দ্রীয় পরিচালনা পর্ষদ আজ ২০ এপ্রিল ২০২৬ সংবাদপত্রে দেওয়া এক বিবৃতিতে গত ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সব রকমের জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৫-২০ টাকা বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এমনিতেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবনে দুর্ভোগ চরমে। তার উপর জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পরিবহন, সেচসহ সর্বক্ষেত্রে পড়বে। এতে ভাড়া, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে এবং সকল নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আরেক দফা বাড়বে; যা গরিব-মধ্যবিত্তসহ নি¤œ আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণে বেড়ে যাবে। মূল্যস্ফীতি বাড়বে। এর সাথে এলপিজি গ্যাসের দামও এপ্রিল মাসে ২ বার বাড়ানোর ফলে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১৯৪০ টাকা যা গত মাসেও ছিল ১৩০০ টাকা।
পরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর জন্য ইতিমধ্যে মালিকরা সরকারকে চাপ দিচ্ছে। সব মিলিয়ে এই মূল্যবৃদ্ধি জনগণের উপর ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, অতীতেও ফ্যাসিবাদী সরকার ২০২২ সালে জ্বালানির দাম এক ধাপে ৩৪ থেকে ৪৬ টাকা বাড়িয়েছিল। এবারেও বর্তমান সরকার সমন্বয়ের নামে লিটার প্রতি ১৫-২০ টাকা দাম বাড়িয়ে জনগণকে দুর্ভোগে ফেললো। জ্বালানি আমাদানী ও বিক্রি বাবদ সরকার প্রতি বছর ১৩/১৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করে থাকে। এবছরও ১ম ৮ মাসে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছে বিপিসি।
বিবৃতিতে বলা হয়, পেট্রোল-অকটেন দেশেই অনেকটা তৈরি হয় বাই প্রোডাক্ট হিসেবে। তাহলে পাম্পগুলোতে এতো ভীড় কেন। দাম বাড়ানোর পরও পাম্পে ভীড় কমছে না। মূল্যবৃদ্ধির ফলে সরকারের হয়তো বাড়তি খরচের চাপ কিছুটা কমবে কিন্তু প্রাপ্যতার সহায়তা হবে না। বিবৃতিতে তিনি মজুতদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, বিতরণ বিপণনে অব্যবস্থাপনা দূর করার দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় সমন্বয়ের কথা বলে দেশে দাম বাড়ায় অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে সমন্বয় করে দেশের বাজারে দাম কমানো হয় না।
বার্তা প্রেরক।
বাংলাদেশের বিপ্লবী দল - আরপিবি
কেন্দ্রীয় পরিচালনা পর্ষদ
ঢাকা, বাংলাদেশ।