Dhaka Helpline-ঢাকা হেল্পলাইন

Dhaka Helpline-ঢাকা হেল্পলাইন ঢাকা ভিত্তিক সকল তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্রে আপনাকে স্বাগতম।

06/08/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Sha Alam, Sojiß Hasan, Rofiqul Islam

Congratulations Madam. 💖🥰🥰
20/06/2022

Congratulations Madam. 💖🥰🥰

'জরুরি ঘোষণা!’চট্টগ্রাম  থেকে যেসব অগ্নিদগ্ধ রোগীর আত্মীয়-স্বজনরা ঢাকায় গিয়েছেন রোগীর সাথে,যাদের থাকার এবং খাওয়ার ব্যবস্...
06/06/2022

'জরুরি ঘোষণা!’
চট্টগ্রাম থেকে যেসব অগ্নিদগ্ধ রোগীর আত্মীয়-স্বজনরা ঢাকায় গিয়েছেন রোগীর সাথে,যাদের থাকার এবং খাওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে না,আপনারা সরাসরি নিন্মোক্ত নাম্বারে জানাতে পারেন। আপনাদের জন্য হোটেল সালমা ইন্টারন্যাশনাল এ থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, ইনশাআল্লাহ।
যোগাযোগ নাম্বারঃ 01630990798
©️Khan Muhammad Mostafa ভাই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসির মোড়ে এই মাইক্রোবাস এর ধ্বংসস্তুপটি আমরা সবাই দেখি, কিন্তু পেছনের গল্পটি কতজনের জানা????চলুন ...
31/05/2022

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসির মোড়ে এই মাইক্রোবাস এর ধ্বংসস্তুপটি আমরা সবাই দেখি, কিন্তু পেছনের গল্পটি কতজনের জানা????
চলুন জেনে নেই সেই মর্মান্তিক কাহিনী......
❝এই জন্মের দূরত্বটা পরের জন্মে চুকিয়ে দেব.. মনে থাকবে?❞
একুশ বছরের তরুণী ক্যাথরিন বাংলাদেশে এসেছিলেন নিজের পিএইচডি ডিগ্রির একটা কোর্স করার জন্য। বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন, তিনি নিজেও চেয়েছিলেন শিক্ষক হতে। যে বিষয়ে ক্যাথরিন পড়ছিলেন, সেটার নাম ডেভেলপমেন্ট ইকোনমি। এক বছরের জন্য উন্নয়নশীল কোন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে থিসিস করতে হবে, সেদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং গতিপ্রকৃতি নিয়ে। ক্যাথরিন বেছে নিলেন বাংলাদেশকে। ১৯৮৬ সালে ঢাকার বিমানে চড়ার মুহূর্তে ক্যাথেরিনের কল্পনাতেও ছিল না, যেখানে তিনি যাচ্ছেন, সেই দেশ, সেদেশের মানুষজনের সাথে তার একটা আত্মার সম্পর্ক তৈরি হয়ে যাবে, মায়ার বন্ধনটা তিনি কাটাতে পারবেন না কখনও।
বাংলাদেশে আসার পরে ঘটনাক্রমে আহমেদ ছফার সঙ্গে পরিচয় হলো ক্যাথরিনের। স্পষ্টভাষী এবং প্রখর বুদ্ধিমত্তার এই মানুষটির বাগ্মিতায় ক্যাথরিন মুগ্ধ। ছফার বাসাটাকে আশেপাশের লোকজন বলতো পাগলের আড্ডা। কারণ সারাদিন নানা কিসিমের লোকজন আসছে সেখানে, খাওয়াদাওয়া হচ্ছে, তর্ক জমছে, আড্ডা বাড়ছে- সেই পাগলের আড্ডার নিয়মিত সদস্য হয়ে উঠলেন ক্যাথরিন।
ক্যাথরিনের জন্ম আর বেড়ে ওঠা আমেরিকার শিকাগোতে। তার পরিবারটা ভীষণ বনেদি, অজস্র ইতিহাস আর ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে তাদের পরিবারের সঙ্গে। ক্যাথরিনের দাদার বাবা ছিলেন বিখ্যাত আর্কিওলজিস্ট, পেরুর ইনকা সভ্যতার অজস্র নিদর্শন আবিস্কার করেছিলেন তিনি, অভিযান চালিয়েছিলেন আমাজনের গহীন রেইন ফরেস্টে। ইন্ডিয়ানা জোন্স নামের সিনেমাও বানানো হয়েছে তার জীবনকাহিনী অবলম্বনে। পরিবারের সদস্যরা সবাই ছিলেন ভীষণ উচ্চশিক্ষিত। কেউ প্রফেসর, কেউ বিজ্ঞানী, কেউবা ডাক্তার- কেউ আবার আবিস্কার আর গবেষণায় মত্ত। ক্যাথরিন জানতেন, তাকেও পড়ালেখাতেই মন দিতে হবে, সেভাবে তিনি এগিয়েও যাচ্ছিলেন। মিশনে বাধ সাধলো তার বাংলাদেশ অধ্যায়।
আহমদ ছফা একদিন ক্যাথরিনকে পরিচয় করিয়ে দিলেন লম্বাটে এক যুবকের সঙ্গে, বললেন, 'ক্যাথরিন, মিট মাই ফ্রেন্ড তারেক। হি ইজ এ ফিল্মমেকার।' 'নাইস টু মিট ইউ' বলে হাত মেলালেন ক্যাথরিন, সেদিন ভাবতেও পারেননি, তারেক মাসুদ নামের এই মানুষটার সাথে তার জীবনের গল্পটা জড়িয়ে যাবে ওতপ্রোতভাবে, সাত সাগর তেরো নদীর এপাড়ের এক অজানা তরুণকে তিনি ভালোবেসে ফেলবেন হৃদয়ের সবটুকু অনুভূতি উজাড় করে দিয়ে।
ছোটবেলা থেকেই চিত্রাঙ্কনের প্রতি ক্যাথরিনের ঝোঁক ছিল। নিজেও আঁকাআঁকি করতেন। তারেক মাসুদ তখন কিংবদন্তী চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ওপর একটা ডকুমেন্টরি বানাচ্ছেন, নাম আদম সুরত। সেটার কাজের জন্য আজ ঢাকা, কাল নড়াইল দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। তারেক মাসুদ ঢাকায় এলে তার সঙ্গে দেখা হয় ক্যাথরিনের, রাত বাড়ে, আড্ডা জমে। তারেক মাসুদ খুব ভালো রান্না করতে পারেন, তার হাতের রান্না খেয়ে ক্যাথরিনের মুগ্ধতা বাড়ে। আহমদ ছফা খানিকটা টের পান সেটা। এটা সেটা অজুহাত দিয়ে তিনি উঠে যান আড্ডা থেকে, দুজনকে সুযোগ দেন নিজেদের জেনে নেয়ার, বুঝে নেয়ার।
তবে সংস্কৃতি আলাদা হবার কারণেই কিনা, ছফা উঠে গেলে দুজনই একটু আড়ষ্ট হয়ে যান। আহমদ ছফার নজর এড়ালো না সেটাও। তিনি দুজনের সাথেই মজা করেন। ক্যাথরিনকে বলেন, 'ডু ইউ নো, তারেক রিয়েলি লাইকস ইউ!' আর তারেক মাসুদকে বলেন, 'ক্যাথরিন তো তোমার প্রেমে হাবুডুবু খাইতেছে মিয়া, কি জাদু করলা!' লজ্জা পেয়ে দুজনই প্রসঙ্গটা সন্তর্পণে এড়িয়ে যান। ছফা একদিন ক্যাথরিনকে প্রস্তাব দিলেন, 'আর্টের প্রতি তোমার এত আগ্রহ, তুমি তো তারেকের ডকুমেন্টরিতে কাজ করতে পারো?' ক্যাথরিন আকাশ থেকে পড়লেন। ফিল্ম নিয়ে তার কোন জানাশোনা নেই, আগ্রহও নেই খুব একটা। তারেকের মুখে এসএম সুলতানের বৈচিত্র‍্যময় জীবনের গল্প শুনতে তার ভালো লাগে সত্যি, কিন্ত এই প্রোজেক্টে কিভাবে অবদান রাখবেন তিনি?
উত্তর দিলেন তারেকই, বললেন, 'আমাদের তো এডিটিং শুরু হয়েছে, তুমি চাইলে সাবটাইটেলের কাজে আমাকে সাহায্য করতে পারো।' ক্যাথরিন সানন্দে রাজী হলেন। শুরু হলো অন্যরকম একটা দুনিয়ায় ক্যাথরিনের পথচলা। আদম সুরতের কাজ করতে করতেই কখন যে ফিল্ম আর তারেক- দুটোর প্রেমেই পড়ে গেছেন, সেটা জানেন না ক্যাথরিন। ভনিতা না করে তারেককে খুলে বললেন তিনি সবটা। তারেক জানালেন, ক্যাথরিনকেও তিনি বন্ধুর চেয়ে বেশি কিছু ভাবেন। প্রণয়ের সূত্রপাত হলো দুজনের মধ্যে। তবে সেটা পরিণয়ে গড়ালো খুব অদ্ভুতভাবেই।
১৯৮৮ সালের কথা, ক্যাথরিন বাংলাদেশে এসেছেন দু'বছর হয়ে গেছে তখন। এতসব কাণ্ডের মধ্যে ক্যাথরিনের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল দুইবার, প্রতিবারই রিনিউ করানো হয়েছে। তৃতীয়বার আর অনুমতি মিললো না, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করেন না ক্যাথরিন, সেখান থেকে ছাড়পত্র মিললো না। উদ্দেশ্য ছাড়া অকারণে তো অন্য একটা দেশে পড়ে থাকতে পারবে না কেউ। উপায়ন্তর না দেখে তারেক বললেন, 'তোমার যদি আপত্তি না থাকে, চলো আমরা বিয়ে করে ফেলি। তাহলে ভিসা-পাসপোর্টের ঝামেলায় আর যেতে হবে না, আমার স্ত্রী হিসেবে বৈধভাবেই তুমি বাংলাদেশে থাকতে পারবে।'
ক্যাথরিন রাজী হলেন এক কথায়। পরিবারের কাউকে জানালেন না, এক দুপুরে রিক্সায় চড়ে চলে গেলেন পল্টনের এক ম্যারেজ রেজিস্ট্রার অফিসে, কোর্ট ম্যারেজ করতে। সেখানে গিয়ে শুনলেন বিয়ে করতে ছবি লাগবে, বের হয়ে স্টুডিও খুঁজে বের করলেন, ছবি তুলে সেগুলো ওয়াশ করে ফিরতে ফিরতে বিকেল গড়িয়ে গেল। কোন আয়োজন ছিল না, পরিকল্পনাও তো ছিল না, এক কাপ চা'ও খাওয়াতে পারেননি সেদিন কাউকে, এমনই অনাড়ম্বর একটা অবস্থা ছিল। বিয়ের কথা বাড়িতে জানাননি তারেক মাসুদও। ক্যাথরিন পরে চিঠি লিখে পরিবারকে জানিয়েছেন বিয়ের কথা। তারেক মাসুদের পরিবারে জানানোর পরে তারা মন খারাপ করেছে, তবে সময় গড়ানোর সাথে সাথে মেনেও নিয়েছে সবকিছু।
পরের দুই যুগ এই দম্পতি হাতে হাত ধরে ছুটে বেড়িয়েছেন গোটা দেশজুড়ে। ডকুমেন্টরি বানিয়েছেন, সিনেমা বানিয়েছেন, গল্পের জন্য, শুটিং স্পট খোঁজার জন্য ঘুরেছেন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া। ধীরে ধীরে সিনেমা জিনিসটা বুঝতে শিখেছেন ক্যাথরিন, পরিচয় হয়েছে তারেকের অন্যান্য নির্মাতা এবং কলাকূশলী বন্ধুদের সঙ্গে। যোগাযোগের প্রয়োজনে নিজ তাগিদেই বাংলা ভাষাটা রপ্ত করেছেন ক্যথেরিন, যাতে তার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কেউ বিড়ম্বনায় না পড়ে। শীতের দেশের মানুষ তিনি, ঢাকার গরমে হাঁসফাস করতেন, তার ওপর শুটিংয়ের কাজে তাকে ছুটতে হতো তপ্ত রোদের মধ্যে, গ্রামে গঞ্জে। কোনদিন এক বিন্দু অভিযোগ করেননি তিনি, সহ্য করেছেন সব, মানিয়ে নিয়েছেন।
একটা ইন্টারভিউতে ক্যাথরিনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এই যে এমন দূরদেশে পড়ে আছেন বাবা-মা-ভাইকে ছেড়ে, পরিবেশ, আবহাওয়া, খাবার, ভাষা- সবই তো অচেনা প্রায়। খারাপ লাগে না? ক্যাথরিন চটজলদি জবাব দিয়েছিলেন, 'খারাপ লাগবে কেন? আমি তো আমার ভালোবাসার মানুষটার সাথে আছি। এদেশের কত মানুষ বিদেশে কাজ করে, একা থাকে, পাঁচ-সাত বছরে একবার দেশে আসে, তাদের বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান সবাই এখানে। তবুও তারা থাকছেন না বিদেশে? আমি তো তাদের চেয়ে ভালো আছি, আমার স্বামী আমার পাশে আছেন। চাইলেই আমি আমেরিকায় যেতে পারছি বাবা-মায়ের কাছে। খারাপ থাকার কারণ নেই।'
ক্যাথরিন মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। তারেক মাসুদের সাথে পরিচয়ের পরেই বাঙালীর স্বাধীনতা সংগ্রামের এই গৌরবের অধ্যায়টা সম্পর্কে জেনেছেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তারেক মাসুদের বয়স ছিল কম, যুদ্ধে অংশ নিতে পারেননি তিনি। পরিণত বয়সে তাই তিনি ক্যামেরা নিয়ে যুদ্ধ করেছেন, মুক্তিযুদ্ধকে নিজের আঙ্গিকে ফুটিয়ে তুলেছেন সেলুলয়েডে। তারেকের সঙ্গে থাকতে থাকতে, মুক্তির গান, মুক্তির কথা বা মাটির ময়নায় কাজ করতে করতে মুক্তিযুদ্ধ বড্ড আপন হয়ে গেছে ক্যাথরিনেরও। ভীনদেশ থেকে আসা এই তরুণী তার হৃদয় দিয়ে যেভাবে ত্রিশ লাখ শহীদ বা দুই লক্ষ বীরাঙ্গনার আত্মত্যাগকে অনুভব করেছেন, আমি বাজি রেখে বলতে পারি, কোটি কোটি বঙ্গসন্তান মুক্তিযুদ্ধকে ক্যাথেরিনের মতো করেও কখনও অনুভব করার চেষ্টা করেনি।
তারেক মাসুদ এবং ক্যাথরিন মাসুদ- দুজনের মধ্যে মিল ছিল প্রচুর। স্বভাবে, অভ্যাসে, ভালোলাগায়, মন্দ লাগায়। আবার কিছু অমিলও ছিল, যেখানে তারা একে অন্যের পরিপূরক হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। খেয়ালি, ইমোশনাল তারেক মাসুদকে আগলে রেখেছিলেন ক্যাথেরিন। যেসব সাহসী নির্মাণ তারেক মাসুদের হাত থেকে বেরিয়ে আসছিল, হুমকি দেয়া হচ্ছিল প্রতিনিয়ত, সিনেমা হল নিচ্ছিল না তার সিনেমা। ক্যাথরিন তখন স্বামীর কাঁধে ভরসার হাত রেখেছেন। টাকা পয়সা যা আয় করেছেন, সব সিনেমার পেছনে ঢেলেছেন, বাসা ভাড়া বাকি পড়েছে, পরনের কাপর পুরনো হয়েছে, সেসবকে পাত্তা না দিয়ে দুজনে মিলে ছুটেছেন শহরে শহরে, প্রদর্শনীর আয়োজন করেছেন, দর্শকের কাছে নিয়ে গেছেন সিনেমাকে। রূপকথার গল্পের মতোই ছিল তাদের বিচরণ।
তারপর ২০১১ সালের ১৩ই আগস্টের দিনটা এলো। কাগজের ফুল সিনেমার শুটিং স্পট দেখতে মানিকগঞ্জ গিয়েছিলেন সবাই। ফেরার পথে তাদের মাইক্রোবাসের ড্রাইভার একটা গাড়িকে ওভারটেক করতে গেলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলো অপরপাশ থেকে আসা একটা বাসের সঙ্গে। নিকষ কালো অন্ধকার নেমে এলো ক্যাথরিনের সামনে। হাসপাতালে যখন জ্ঞান ফিরলো, তখন জানতে পারলেন তার ভালোবাসার মানুষটা আর নেই, মারা গেছেন তারেক মাসুদ। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ফিরে এলেন ক্যাথরিন, ছোট্ট বাচ্চাটার জন্য তাকে যে বেঁচে থাকতেই হতো!
ক্যাথরিন এখন আমেরিকায় থাকেন, তাদের সন্তান সেখানে পড়াশোনা করছেন। তবে নিয়ম করে তিনি প্রতি বছর বাংলাদেশে আসেন। এদেশের একটা মানুষকে তিনি সর্বস্ব উজাড় করে ভালোবেসেছিলেন। নিয়তি তার কাছ থেকে মানুষটাকে কেড়ে নিয়েছে। তার স্মৃতিগুলো তো কেড়ে নিতে পারেনি। রাজধানী শহরজুড়ে, দেশের আনাচেকানাচে তারেকের স্মৃতি ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশে এসে ক্যাথরিন সেসব জায়গায় যান, বন্ধুদের আড্ডায় যোগ দেন। তার মনে হয়, ছায়ার মতো তারেক মাসুদ যেন তার পাশে আছেন, এক্ষুণি তার হাত ধরে চিরচেনা হাসিটা দেবেন, কিন্ত কাঙ্ক্ষিত সেই স্পর্শটা পাওয়া হয়না ক্যাথরিনের।
এই দেশ, এদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তারেক মাসুদকে হারিয়েছে, তার মতো গুণী নির্মাতার অভাব কখনও পূরণ হবে না। ১৩ই আগস্টের দিনটাতে সবাই তারেক মাসুদকে স্মরণ করে। আমি আজ ক্যাথরিন মাসুদকে স্মরণ করলাম, যিনি আমাদের চেয়ে অনেক বেশি, অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু হারিয়েছেন, যিনি ভালোবাসার মানুষটাকে হারিয়ে ফেলেছেন চিরতরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাখা মাইক্রোটার ধ্বংসস্তুপের সামনে দাঁড়ানো ক্যাথরিনের ছবিটা আমি দেখি, ক্যাথরিন হয়তো মনে মনে আরণ্যক বসুর কবিতা আবৃত্তি করেন- 'এই জন্মের দূরত্বটা পরের জন্মে চুকিয়ে দেব...' আমি তার কষ্ট, শূন্যতা, তার যন্ত্রণাটা উপভোগ করতে পারি না, তবু আমার হৃদয় অদ্ভুত রকমের একটা হাহাকারে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। ক্যাথরিন মাসুদ, এদেশের কেউ না হয়েও যিনি দেশটাকে আমাদের মতোই ভালোবেসেছেন, আপন করে নিয়েছেন, সেই মানুষটার ব্যথায় মন খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক...
"ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহণ করেছেন আমাদের পেইজের প্রতিষ্ঠাতা Dilowar Hossain Durjoy"

06/05/2022

ইদের ছুটি শেষে আবারও আমাদের ঢাকায় স্বাগতম জানাচ্ছি সবাইকে। Welcome 🥰

একদিনেই ঘুরে আসুন নারায়নগঞ্জের পানাম নগর ও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁও জাদুঘর)।ভ্রমন নির্দেশিকাঃ #বাংল...
02/04/2022

একদিনেই ঘুরে আসুন নারায়নগঞ্জের পানাম নগর ও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁও জাদুঘর)।
ভ্রমন নির্দেশিকাঃ
#বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁও জাদুঘর)।
এখানে কেন যাবেন?
পুরোনো দিনের নানা ধরনের কারু কাজ,নকশিকাঁথা, কাঠের ও মাটির তৈরি আসবাবপত্রসহ বড় সর্দারবাড়ি ইত্যাদি দেখতে পারবেন। যারা পরিবার নিয়ে পিকনিক এ যেতে চান তারাও যেতে পারেন সুব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া কারুপণ্য চত্বরে জামদানি, নকশিকাঁথা ও কারুপণ্যের দোকান ও রয়েছে। চাইলে কেনা-কাটাও করতে পারেন।
সাপ্তাহিক বন্ধের দিনঃ বৃহস্পতিবার।
সরকারি ছুটির দিনগুলোতে ফাউন্ডেশন বন্ধ থাকে।
কিভাবে যাবেন?
গুলিস্তান স্টেডিয়াম এর দিকে আসলেই "স্বদেশ,দোয়েল" Bus পেয়ে যাবেন। যা গুলিস্তান থেকে মোগড়াপাড়া বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত ভাড়া রাখবে ৫৭টাকা প্রতি টিকিটের জন্য। *নামতে হবে মোগরাপাড়া Bus স্টান্ড এ।
এরপর ওখান থেকে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা করে প্রথমে চলে যাবেন
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁও জাদুঘর)।
অটো ভাড়া জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা করে নিবে। তবে হ্যা ভাড়া অবশ্যই বলে নিবেন।
অথবা কেউ চাইলে চিটাগাং রোড থেকে ’বাধন’ নামক একটি বাস আছে সেই বাসটি সরাসরি জাদুঘর আসে ।
ফাউন্ডেশনের বা জাদুঘর সময়সূচিঃ
শীতকালীন (১ অক্টোবর থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।
গ্রীষ্মকালীন (১৫ ফেব্রুয়ারী থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত।
টিকেট মুল্যঃ
জনপ্রতি ৫০/-টাকা (বাংলাদেশি)
বিদেশি দর্শনার্থীদের জন্য ১০০/-টাকা
*শিক্ষা সফরে আগত স্কুল/কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধান গেইট প্রবেশ ফি: ৩০ টাকা (জনপ্রতি)।
(শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে ফাউন্ডেশনের পরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের পরিধেয় ইউনিফর্ম থাকতে হবে)
বড় সর্দারবাড়ি প্রবেশ করতে হলে আলাদাভাবে টিকেট কাটতে হবে।
টিকেট মূল্যঃ দেশি দর্শনার্থীদের জন্য ১০০/-টাকা।
বিদেশি দর্শনার্থীদের জন্য ২০০/-টাকা।
* পরিদর্শনের সময়কাল- ৩০ মিনিট।
গাড়ি পার্কিং - বাস প্রতিটি ৩০০/-টাকা, কোস্টার প্রতিটি ২০০/-টাকা, কার/জিপ/মাইক্রোবাস ১০০/-টাকা, সিএনজি/মটরসাইকেল ২৫/-টাকা এবং বাইসাইকেল ১০/-টাকা।
ফাউন্ডেশনের লেকে নৌবিহার (৩০মিনিট ১৫০/-টাকা), শুটিং স্পট (দিনব্যাপী ৫,৭৫০/-টাকা), বড়শীতে মাছ শিকার (১৭২৫/- টাকা) (ভ্যাটসহ)

#পানাম নগর বা পানাম সিটি-
১৫ শতকে বাংলার প্রথম রাজধানী।
পানাম নগর কেন যাবেন?
ঈসা খা ১৫ শতকে বাংলার প্রথম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন সোনারগাঁওয়ে।পানাম সড়কের উত্তর পাশে ৩১টি আর দক্ষিণ পাশে ২১টি মোট ৫২টি বাড়ি রয়েছে। সোনারগাঁর ২০বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই নগরী গড়ে ওঠে।
কিভাবে যাবেনঃ
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন(সোনারগাঁও জাদুঘর) থেকে হেটেই যেতে পারবেন, প্রায় ১০ থেকে ১২ মিনিটের পথ। যে রাস্তা দিয়ে ফাউন্ডেশন এ আসছেন সে রাস্তা দিয়ে সামনের দিকে হাটতে থাকবেন, বুঝতে অসুবিধা হলে গুগল ম্যাপ তো আছেই।
অথবা, অটোতে চলে যেতে পারেন ৫/-টাকা ভাড়া রাখবে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনঃ রবিবার
পানাম নগর টিকেট মূল্যঃ জনপ্রতি ১৫/-টাকা।
খোলার সময়ঃ
এপ্রিল - সেপ্টেম্বর (গ্রীষ্মকালীন) মঙ্গল - শনিঃ সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এবং সোমবার - দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
অক্টোবর - মার্চ (শীতকালীন) মঙ্গল - শনিঃ সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এবং সোমবারঃ দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
ধন্যবাদ এবং সবাইকে সুস্বাগতম।

Congratulations মুহাম্মদ দিলোয়ার হোসেন স্যার। আমাদের Dhaka Helpline-ঢাকা হেল্পলাইন গ্রুপের একমাত্র Ambassador।
20/01/2022

Congratulations মুহাম্মদ দিলোয়ার হোসেন স্যার। আমাদের Dhaka Helpline-ঢাকা হেল্পলাইন গ্রুপের একমাত্র Ambassador।

25/06/2021

ঢাকা: ‘আমার কাজটি করে না দিলে তোমাকে ওভারনাইট বান্দরবান পাঠিয়ে দেব’- একটি ব্র্যান্ডের চা পাতার এমন সংলাপের বিজ্.....

জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ন...
08/02/2021

জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা। এটি সাভারে অবস্থিত। এর নকশা প্রণয়ন করেছেন স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। এখানে মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের দশটি গণকবর রয়েছে। বিদেশি রাষ্ট্রনায়কগণ সরকারিভাবে বাংলাদেশ সফরে আগমন করলে এই স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন রাষ্ট্রাচারের অন্তর্ভুক্ত।

ইতিহাস

১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে নবীনগরে এই স্মৃতিসৌধের শিলান্যাস করেন। ১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্মৃতিসৌধটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং নকশা আহবান করা হয়। ১৯৭৮-এর জুন মাসে প্রাপ্ত ৫৭টি নকশার মধ্যে সৈয়দ মাইনুল হোসেন প্রণীত নকশাটি গৃহীত হয়। ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে মূল স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে বিজয় দিবসের অল্প পূর্বে সমাপ্ত হয়। ২০০২ খ্রিষ্টাব্দে গৃহীত প্রকল্প অনুযায়ী এখানে একটি অগ্নিশিখা, সুবিস্তৃত ম্যুরাল এবং একটি গ্রন্থাগার স্থাপনের পরিকল্পনা আছে। বাংলাদেশ সফরকারী বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানগণ নিজ হাতে এখানে স্মারক বৃক্ষরোপণ করে থাকেন। স্মৃতিসৌধের মিনার ব্যতীত প্রকল্পটির মহা-পরিকল্পনা ও নৈসর্গিক পরিকল্পনাসহ অন্য সকল নির্মাণ কাজের স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থাপত্য অধিদপ্তর। নির্মাণ কাজের গোড়াপত্তন হয় ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে এবং শেষ হয় ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দের মাসে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ধীন গণপূর্ত অধিদপ্তর সমগ্র নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে। বর্তমানে সৌধটির নির্মাণকাজ তিন পর্যায়ে মোট ১৩.০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন হয়।

স্থাপত্য ও তাৎপর্য

১৯৭১'র ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়। একই বছর ১৬ই ডিসেম্বর বিজয়ের মাধ্যমে এর পরিসমাপ্তি ঘটে। এই যুদ্ধে প্রায় ত্রিশ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি হয়। এই সৃতিসৌধ বাংলাদেশের জনসাধারণের বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ের স্মরণে নিবেদিত এবং মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধার উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সৃতিস্তম্ভ এবং এর প্রাঙ্গণের আয়তন ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর)। এ ছাড়াও রয়েছে একে পরিবেষ্টনকারী আরও ১০ হেক্টর (২৪ একর) এলাকা নিয়ে বৃক্ষরাজি পরিপূর্ণ একটি সবুজ বলয়। এই স্মৃতিসৌধ সকল দেশ প্রেমিক নাগরিক এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় ও সাফল্যের যুগলবন্দি রচনা করেছে। সাতটি ত্রিভুজাকৃতি মিনারের শিখর দেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সাতটি পর্যায়ের প্রতিটি এক ভাবব্যঞ্জনাতে প্রবাহিত হচ্ছে। এই সাতটি পর্যায়ের প্রতিটি সূচিত হয় বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে। পরবর্তীতে চুয়ান্ন, ছাপান্ন, বাষট্টি, ছেষট্টি ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। মিনারটি ৪৫ মিটার (১৫০.০০ ফুট)উঁচু এবং জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিন্দুতে অবস্থিত। মিনার ঘিরে আছে কৃত্রিম হ্রদ এবং বাগান। স্মৃতিসৌধ চত্বরে আছে মাতৃভূমির জন্য আত্মোৎসর্গকারী অজ্ঞাতনামা শহীদের দশটি গণসমাধি। স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আরও রয়েছে উন্মুক্ত মঞ্চ, অভ্যর্থনা কক্ষ, মসজিদ, হেলিপ্যাড, ক্যাফেটেরিয়া।
স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণের সর্বমোট আয়তন ৮৪ একর। স্মৃতিস্তম্ভ পরিবেষ্টন করে রয়েছে ২৪ একর এলাকাব্যাপী বৃক্ষরাজিশোভিত একটি সবুজ বলয়। স্মৃতিসৌধটির উচ্চতা ১৫০ ফুট। সৌধটি সাত জোড়া ত্রিভুজাকৃতির দেয়াল নিয়ে গঠিত। দেয়ালগুলো ছোট থেকে ক্রমশ বড়ক্রমে সাজানো হয়েছে। এই সাত জোড়া দেয়াল বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ধারাবাহিক পর্যায়কে নির্দেশ করে। ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ১৯৬২ শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ এর গণ-অভ্যূত্থান, ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ - এই সাতটি ঘটনাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের পরিক্রমা হিসাবে বিবেচনা করে সৌধটি নির্মিত হয়েছে।

03/02/2021

প্রেস রিলিজ

হাতিরঝিল থেকে আ‌রো ৩১ জন আটক; এ যাবত আটক মোট ১০২ জন

ঢাকা, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ খ্রি.

হাতিরঝিল থানা পুলিশ হাতিরঝিল লেক ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে গতকাল সোমবার রাতে সাধারণ মানুষকে উত্যক্তকারী ৩১ জনকে আটক করেছে। একটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হ‌য়ে‌ছে।

গতকাল বিকাল চারটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৫ জনের বিরুদ্ধে গণউপদ্রব ও অহেতুক হৈচৈ করার অপরাধে ডিএমপি অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী ব্যবস্হা নেওয়া হয়ে‌ছে। অন্য‌দের‌কে শর্তসা‌পে‌ক্ষে তা‌দের অ‌ভিভাবক‌দের জিম্মায় দেয়া হ‌য়ে‌ছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জানুয়ারি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং পরিচালিত ফেসবুক পেজে একজন সচেতন নাগরিক হাতিরঝিল এলাকায় বেড়াতে আসা সাধারণ মানুষ কতিপয় কিশোর কর্তৃক নানাভাবে উত্যক্ত্যের শিকার হচ্ছে বলে জানান।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে বিষয়টি হাতিরঝিল থানা পুলিশকে নি‌র্দেশনা দেয়ার পর গত ২৭ জানুয়ারি থেকে হাতিরঝিল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। বি‌নোদন প্রত্যাশী মানুষের আনন্দ উদযাপন‌কে নি‌র্বিঘ্ন ও শা‌ন্তিপূর্ণ কর‌তে ও যে কো‌নো প্রকার হয়রা‌নি থে‌কে তা‌দের‌কে মুক্ত রাখ‌তে এ ধর‌নের অ‌ভিযান প‌রিচা‌লিত হ‌চ্ছে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka Helpline-ঢাকা হেল্পলাইন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category