27/07/2022
⌛️ জেনে রাখুন ⏳ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা
🛎 ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ কি?
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত জ্বর যা এডিস মশার কামড়ে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়। এডিস মশা সাধারনত ভোরে এবং সন্ধ্যায় কামড়ায়।
🛎 ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে করনীয়ঃ
• বাড়ির ভেতর/বাহির/ছাদ এবং আনাচে-কানাচে পড়ে থাকা অপ্রয়োজনীয় পাত্র ও প্যাকেটসমূহ ডাষ্টবিনে ফেলে দিন।
• অব্যবহৃত গাড়ির টায়ার, নির্মানকাজে ব্যবহৃত চৌবাচ্চা, পরিত্যক্ত টিনের কৌটা, কাচ/প্লাষ্টিকের বোতল/ক্যান, বিস্কুট বা চিপস এর প্যাকেট, গাছের কোটর, পরিত্যাক্ত বা ভাংগা হাড়ি, ডাবের খোসা ইত্যাদিতে ৩ (তিন) দিনের বেশি যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন এবং প্রয়োজনে অপসারন করুন।
• বেজমেন্ট, কারপার্কিং, বালতি, ড্রাম, গাছের টব, ফ্রিজ এবং এয়ার কন্ডিশনারের নীচের পানি কোনভাবেই যেন একনাগাড়ে ৩ (তিন) দিনের বেশি না জমে থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
• দিনে অথবা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।
• “এডিস মশা” ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের একমাত্র বাহক, তাই এই মশা দমনই ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধের প্রধান উপায়।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের সাধারন লক্ষনঃ
• অতি মাত্রায় জ্বর।
• মাথা ব্যাথা, চোখের পিছনে ব্যাথা, পেটে ব্যাথা, মাংসপেশী ও হাড়ে ব্যাথা, বমি-বমি ভাব।
• শরীরে হামের মত লাল লাল দানা দেখা দেওয়া।
• চিকুনগুনিয়া জ্বরের ক্ষেত্রে আর্থালজিয়া/আর্থাইটিস হয়ে থাকে।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের ব্যবস্থাপনাঃ
• অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেঙ্গুজ্বর ৭ (সাত) দিনের মধ্যে এমনিতেই সেরে যায়।
• রোগিকে বিশ্রামে রাখতে হবে এবং প্রচুর পানি ও তরল খাবার খাওয়াতে হবে।
• দ্রুত জ্বর কমানোর জন্য ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর ও মাথা মোছাতে হবে। প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ দেয়া যেতে পারে, তবে এসপিরিন জাতীয় ঔষধ কোনভাবেই খেতে দেয়া যাবে না।
• মারাত্বক (হেমোরেজিক) ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে রোগীকে অবিলম্বে হাসপাতালে/ডাক্তারের কাছে নিতে হবে।
• চিকুনগুনিয়া আক্রান্ত রোগীর আর্থালজিয়া/আর্থাইটিস (অস্থি সংযোগে ব্যাথা) বা অন্য কোন জটিলতা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
🎙 জনস্বার্থেঃ হ্যালো ঢাকা