15/02/2023
আমরা এমন এক ব্যস্ত সমাজে বসবাস করি যেখানে হালাল খাদ্য বাছাইয়ের সময় আমাদের নেই বললেই চলে। আমরা বিভিন্ন রেষ্টুরেন্ট ও বুফেতে যেয়ে নানান রকম খাবার খাই।
আমরা কখনো কি ভেবে দেখেছি যে, এই মুরগীটি হালাল উপায়ে জবেহ হয়েছে কিনা? যে বিফ বা মাটন কারি খাচ্ছি তা আসলেই কি হালাল উপায়ে আল্লাহর নামে জবেহ করা হয়েছে কিনা? আমরা যে গ্রিল, ফ্রাই বা স্টেক খাচ্ছি তা আসলেই হালাল উপায়ে জবেহ করা কিনা?
আমরা ভাবি না এগুলো। আমাদের ভাবার সময় কই এতো। অথচ হালাল খাদ্য গ্রহন করার কারনে, দোআ কবুল হওয়ার নিশ্চয়তা অনেক বেশী থাকে। খাবার সম্পর্কে আমাদের রিজিকদাতা মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা হালাল উত্তম রিজিক আহার করো, যা আমি তোমাদের দিয়েছি।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৭২)
আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হালাল খাদ্য গ্রহন সম্পর্কে বলেছেন, "যে লম্বা সফর করেছে, ধুলি-মলিন অবস্থায় দু'হাত আকাশের দিকে তুলে ধরে বলতে থাকে হে রব! হে রব! অথচ তার খাবার হারাম, তার পানীয় হারাম, তার পোষাক হারাম, সে খেয়েছেও হারাম। সুতরাং তার দোআ কিভাবে কবুল হতে পারে?” [মুসলিম ১০১৫]