20/06/2022
#প্রেস_বিজ্ঞপ্তি
১৯ জুন ২০২২।
বন্যার্তদের উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন।
আজ ১৯ জুন ২০২২ গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জননেতা জোনায়েদ সাকি ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, কুড়িগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট বন্যার্তদের উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণ কার্যক্রমে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান। নৌবাহিনী, সেনাবাহিনীসহ সকল বাহিনীকে যুক্ত করে দেশের মানুষের এ সংকটময় সময়ে জরুরি উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। নেতৃবৃন্দ দেশবাসীকেও এই বানভাসী মানুষের পাশে সর্বাত্মকভাবে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানান।
নেতৃবৃন্দ সরকারকে জরুরিভিত্তিতে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান-
১. বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধারকাজে নৌকাসহ প্রয়োজনীয় নৌযান, হেলিকপ্টার ব্যবহার;
২. নৌবাহিনী, সেনাবাহিনীসহ সকলবাহিনীকে উদ্ধারকাজে নিযুক্ত করা;
৩. বন্যার্তদের উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য জরুরি বাজেট বরাদ্দ;
৪. প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রসহ মেডিকেল টিম প্রেরণ করা;
৫. রাজনৈতিক-সামাজিক-গণসংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠসমূহের উদ্যোগে উদ্ধার ও ত্রাণ কাজের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দুর্নীতি, সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ননীতি ও প্রকল্পের কারণে একদিকে পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে অন্যদিকে একই বাঁধ প্রতিবছর ভাঙছে। অভিন্ন নদীসমূহে বাঁধ দেয়া, পানির ন্যায্য হিস্যা না পাওয়ার কারণে নদীগুলোর নাব্যতা ধ্বংস হয়েছে। নানান প্রকল্প ও দখলের কারণে জলাধার ভরাট করায় বর্ষাকালে বৃষ্টি পানি ধারণের জন্য জায়গার অভাব। ফলে প্রতিবছর বন্যায় জলাবদ্ধতা বাড়ছে। নষ্ট হচ্ছে কৃষি-ফসল, মরছে মানুষ, গবাদি পশু, ধ্বংস হচ্ছে বাস্তুসংস্থানসহ জীব ও উদ্ভিদ জগতের বহু প্রাণ। প্রতিবছর এই ক্ষতির পরিমাণ বেড়েই চলেছে। প্রকৃতিবিরোধী প্রকল্প ও জনবিরোধী নীতির কারণেই দুর্যোগ বাড়ছে। সুতরাং এসবের সম্পূর্ণ দায় সরকারের।
নেতৃবৃন্দ সারাদেশে গণসংহতি আন্দোলনের সকল নেতাকর্মী-সদস্যদেরকে বানভাসী মানুষের সহযোগিতায় বিশেষ তৎপরতা ও উদ্যোগী ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানান।