11/09/2025
সেই ছোট বেলা থেকে উনার রাজনৈতিক কাজগুলো দেখতেছি। ছাত্র রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করার পর থেকে দলীয় কর্মসূচী ছাড়াও যতগুলো দলীয় আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে সব গুলো আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাধারণ কর্মীদের সাথে দাবী আদায়ে রাজপথে ছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্ম কান্ডের সহীত নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিএনপির সন্মানিত সভাপতি জনাব কামরুল হুদা ভাইয়ের নির্দেশে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক সামাজিক কর্ম কান্ডের নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। ২০১০ সালে উনার ইউনিভার্সিটি স্টামফোর্ডে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে নির্যাতিত হয়েছেন এবং পরীক্ষা দিতে বাধাগ্রস্থ হন। ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ কর্তৃক মিথ্যা মামলার স্বীকার হন এবং অন্যায় ভাবে আর্থীক ক্ষতিগ্রস্ত করে। ২০১৭ সালে আওয়ামী সন্ত্রাসী গন উনার জমি দখল করে। ২০১৮ সালে ২৫শে ডিসেম্বর উনার বাড়ি-ঘর ভাংচুর করে এবং নগদ অর্থ সহ স্বর্ণা লংকার নিয়ে যায়। উনার গোয়াল ঘর থেকে গরুগুলো বের করে জবাই করে দিতে লাগছিল। ২০১৮ সালে সম্পূর্ণ মিথ্যা নাশকতার মামলা দেয়। ২০১৯ সালে ৩০শে জানুয়ারী কাশিনগর বাজারে ছাত্রলীগ কর্তৃক হামলার স্বীকার হন।
যখন কেউ ফেসবুকে লেখার সাহস করতো না, তখন থেকে ফেসবুক সহ সকল প্রকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর পক্ষে এখন পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক জিবনে আওয়ামী সরকারের আমলে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে এবং পুলিশ কর্তৃক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। তবুও থেমে থাকিনি তিনি। সেই থেকে এখন পর্যন্ত দলীয় সকল কর্ম সূচীতে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন এবং সাধারণ কর্মীদের দলীয় সকল কর্মসূচীকে অংশগ্রহনের ব্যাপারে উৎসাহ করে যাচ্ছেন।
জুলাই আন্দোলনে কোন রকম বেঁচে ফিরে আসছেন। ঐদিনে নাজিম ভাই আর শরিফ ভাই সাক্ষি। ঐ সময় টানা ১৮ দিন বাড়ির বাহিরে ছিলেন উনি। কত পুলিশ ডিবি আসতো উনাকে ধরার জন্য। ২৮শে অক্টোবরের পরে উনার বাড়িতে পুলিশ হামলা দেয়, উনাকে না পেয়ে উনার বন্ধু মোফাজ্জল ভাইকে ধরে নিয়ে যায়। মোফাজ্জল ভাই ঐ সময় ১ মাস জেল খাটেন।
মাছুম ভাইয়ের অবধান কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। কিন্তু বিনিময়ে উনি কি পাইলেন?