11/07/2015
কক্সবাজার বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতের শহর যা ধীরে ধীরে একটি পর্যটন হটস্পটে পরিণত হচ্ছে। এখানের আবাসন বাজারে বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করার জন্য সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লামুডির নিকট পাওয়া যাবে।
কক্সবাজারের প্রপার্টি সমূহ: অনুন্নত কাঁচা জমি হোক বা সম্পূর্ণ নির্মিত সম্পত্তি হোক উভয়ের ক্ষেত্রেই মূল্য এখনো সহনীয়। তথাপি, যেহেতু এটি বিশ্বের সুন্দরতম মাইলফলকগুলোর মধ্যে একটি, প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ দেশী-বিদেশী মানুষ এই উপকূলীয় শহরে আসে। প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়া এই চাহিদা মেটানোর জন্য বিনিয়োগকারীরা নিত্যনতুন হোটেল নির্মাণ করছে।
তাছাড়া এই অঞ্চলের জমিগুলো রিসর্ট, হোটেল, হাউজিং অথবা চিত্তবিনোদন পার্কের জন্য অতি উপযোগী, দেশের পর্যটন কেন্দ্রে বিনিয়োগের জন্য এই অঞ্চল সবচেয়ে উপযোগী। সীমাহীন বিকল্পের উপস্থিতি এই অঞ্চলের জমির ব্যবহারের বহুমুখিতাকে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তোলে।
অবকাঠামো: দর্শকের পরিমাণ অনেক হওয়া সত্ত্বেও সহজলভ্য স্থানীয় পরিবহন থাকায় পরিবহনের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় না। শহরের এয়ারপোর্ট কক্সবাজারে আসা এবং এখান থেকে ভ্রমণকে নিশ্চিতভাবে সহজ করে তোলে। কম ট্র্যাফিক জ্যাম এবং উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারনে বাস বা গাড়ী দিয়েও চট্টগ্রাম সীমানায় ঘেরা এই অঞ্চলে যাতায়াত করা সম্ভব। ক্রমবর্ধমান চাহিদা বৃদ্ধির দরুন বিভিন্ন যোগাযোগের মাধ্যম যেমন সেলুলার সংযোগ এবং ইন্টারনেটের ব্যবহারও অতি দ্রুত হারে উন্নত হচ্ছে।
অর্থনীতি ও উন্নয়ন: কক্সবাজারের অর্থনীতি ও উন্নয়ন স্থানীয় আবাসন বাজারে বিনিয়োগ করাকে যথেষ্ট লোভনীয় করে তোলে। কক্সবাজারে অর্থনীতির একটি প্রধান উৎস হল পর্যটন। অভিজাত হোটেলের প্রতিনিয়ত সংখ্যা বৃদ্ধি একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে নির্দেশ করে। কোটি কোটি বিদেশীরা এমনকি বাংলাদেশীরাও এই সুন্দর শহর দেখার জন্য আসে। এই এলাকায় নিজের জন্য একটি জমি থাকা পরবর্তীতে একটি ভালো বিনিয়োগে পরিণত হতে পারে।
বাণিজ্যিক কার্যকলাপ: যেখানে শহরটিতে অভিজাত সুপার মলের অভাব রয়েছে, সেখানেই এই অভাব পূরনের জন্য রয়েছে মিনি বাজার যেখানে আপনি চমৎকার সব স্মারক খুঁজে পাবেন। কাছাকাছিই রয়েছে মুদি দোকান, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, রেস্টুরেন্ট এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান। একটি মাছ ধরার পোর্ট হিসাবে, সীফুড সংগ্রহ করা একটি সাধারণ জীবিকার অংশ। পর্যটনের কল্যাণে পরিবহন ব্যবসারও উন্নতি ঘটেছে। এই শহরে একটি মেডিকেল কলেজ এবং তার আশপাশের এলাকায় বেশ কিছু উচ্চ বিদ্যালয়ও রয়েছে।
নিরাপত্তা: একটি সাম্প্রতিক সরকারি দীক্ষার ফলে, সম্প্রতি পর্যটক এবং স্থানীয়দের রক্ষার উদ্দেশ্যে একটি নতুন পুলিশ টাস্ক ফোর্স “পর্যটন ইউনিট” গঠন করা হয়েছে। এই উদ্যোগের কারনে ইতিমধ্যেই তুচ্ছ অপরাধের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে এবং এলাকায় নিরাপত্তাও বাস্তবিক অর্থেই বৃদ্ধি পেয়েছে। সূত্র:corporatenewsbd.com