Lost Modesty Supporting Team - Cox’s Bazar

Lost Modesty Supporting Team - Cox’s Bazar আমরা কাজ করছি অশ্লীলতা আর নোংরামির বিরুদ্ধে।

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহীম।
পরীক্ষার মৌসুমে মাথার মধ্যে এত্ত প্রোডাক্টিভ আইডিয়া গিজগিজ করে যে, তার কিছুও যদি কাজে লাগাতে পারতাম , তাহলে হায়! এতদিনে দুই দশটা নোবেল নিশ্চিত পেয়ে যেতাম। পর্নমুভির ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করার জন্য কোন একটা প্রজেক্ট চালু করা যায় কিনা সেই আইডিয়াও আসলো এক পরীক্ষার মৌসুমেই। তৎক্ষণাৎ পরীক্ষার পড়া ছেড়ে আদা জল খেয়ে নেমে পড়লাম ইন্টারনেট ঘেঁটে ঘেঁটে ম্যাটেরিয়ালস বের ক

রার কাজে। ম্যাটেরিয়ালস নেট থেকে নামিয়ে অনুবাদ করার জন্য ভলান্টিয়ার ভাইদের মধ্যে বিতরণও করে ফেললাম। কয়েকটা লিখা তৈরিও হয়ে গেল পরীক্ষার মধ্যেই। এই পরীক্ষাগুলোর প্রায় প্রত্যেকটিতেই যে ডাব্বা মেরেছিলাম সেটা বলাই বাহুল্য। বাসার কেউ অবশ্য কখনো জানতে পারে নি তাদের গুণধর পুত্রের এই বিপুল গৌরব গাঁথা ।
প্রচুর খাটাখাটনি হল বেশ কয়েকদিন। পরীক্ষা শেষের কয়েকদিন বন্ধে দেশের বাড়ী যেয়ে কই “বসন্ত বিলাস” করব, বাহিরের উঠোনে নিম গাছের নিচে দড়ির খাটে শুয়ে লিলুয়া বাতাসে উদাস হয়ে যাব – তা না করে ল্যাপটপ খানা কোলে নিয়ে সাবেক পর্ন স্টারের জীবনী অনুবাদ করতে হল। পোড়া কপাল !
সব কাজ যখন মোটামুটি গুছিয়ে আনা হয়েছে , ব্লগ বা পেইজ খুলে আর্টিকেলগুলো যখন কেবল মাত্র পাব্লিশ করা বাকী , তখন দু’এক জন দ্বীনি ভাই কিছুটা আপত্তি করেছিলেন এই আশঙ্কায় – আমরা মুসলিম উম্মাহর খেদমত করতে যেয়ে না ক্ষতি করে ফেলি! যেখানে অনেক বাঘা বাঘা , বিশ্ব বিখ্যাত স্কলাররা এটা নিয়ে প্রায় চুপ সেখানে আমরা চুনোপুঁটি হয়ে কেন পর্নমুভি নিয়ে লিখা লিখি শুরু করছি ? (এর কিছুদিন পর অবশ্য বুঝতে পেরেছিলাম যে বিশ্বজুড়েই স্কলাররা পর্নমুভির ইস্যু নিয়ে মোটামুটি সোচ্চার)। আমাদের লিখালিখির মাধ্যমে মানুষ জন না আবার পর্নমুভিতে আকৃষ্ট হয়ে যায়। যেটা ট্যাবু করে রাখা হয়েছে সেটা ট্যাবু করেই রাখোনা বাপু!
ভেবে দেখলাম, কথা মন্দ না । উৎসাহ উদ্দীপনায় কিছুটা ভাঁটা পড়লো ।
তারপরেও ২০১৫, ৪ঠা এপ্রিল আমাদের ব্লগের যাত্রা শুরু হয়ে গেল। আলহামদুলিল্লাহ। এখন পর্যন্ত ২০০+ আর্টিকেল পাব্লিশ করা সম্ভব হয়েছে। ২০১৮ সালে আমাদের প্রথম বই ‘মুক্ত বাতাসের খোঁজে’ বের হয়েছে। যা কিছু ভালো সব আল্লাহ (সুবঃ) এর তরফ থেকে আর যা কিছু মন্দ তা আমাদের নিজেদের পক্ষ থেকে। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোন পড়াশোনা নেই পর্নমুভির ইস্যুতে। আমাদের কাজে ভুলত্রুটি আছে অবশ্যই – আমাদের ভুল ত্রুটি গুলো ধরিয়ে দিবেন; আপনাদের দ্বীনি ভাই হিসেবে সেই দাবি করতেই পারি। যে সব ওয়েবসাইট থেকে আমরা ম্যাটেরিয়ালস কালেক্ট করেছি এবং এখনো করি তাদের প্রত্যেকের কাছেই আমরা কৃতজ্ঞ এবং ঋণী ।
বেশ কয়েকজন দ্বীনি ভাই শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের ব্লগের জন্য কাজ করে চলেছেন। আল্লাহ (সুবঃ) আপনাদের প্রত্যেকের কাজ গুলো কবুল করুক। আপনাদের কাজে বারাকাহ দান করুক। দুনিয়া এবং আখিরাতে উত্তম প্রতিদান দান করুক। আমীন।
খুব অস্থির একটা সময় পার করছে এই পৃথিবী আর তার মানুষগুলো । এক অদ্ভূত অন্ধকারে আজ ছেয়ে গেছে এই পৃথিবীর সবকিছু। মুল্যবোধ , মানবিকতা, সততা সব কিছুই আজ খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে পুঁজিবাদী ,দেহ সর্বস্ব শয়তানের সভ্যতার ভয়াল স্রোতে । যাদের গভীর আস্থা আছে আজও মানুষের প্রতি , আজও যাদের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয় মহৎ সত্য বা রীতি কিংবা শিল্প বা সাধনা – শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাঁদের হৃদয়।
আজকের মতো অসভ্য অশ্লীল কলুষিত বাতাস হয়তো পৃথিবীর অজস্র বছরের ইতিহাসে আর কখনো প্রবাহিত হয়নি। পর্নমুভির কথা ছেড়েই দিলাম [১] টিভির বিজ্ঞাপন, বিলবোর্ড, ম্যাগাজিন, মুভি, মিউজিক, আইটেম সং, সাহিত্য, কবিতা সবকিছুই আজ হাইপার সেক্সুয়ালাইজড। সব খানেই কেবল নারীকে পন্য করা , নারীর শরীরকে পূঁজি করা। নারী পুরুষের পবিত্র ভালবাসা আজ পশুর মতো যতত্রত যার তার সাথে দৈহিক মিলনে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। পুরুষরা আজ নারীদের চোখের তারায় ভালোবাসা খোঁজে না, তারা ভালবাসা হাতড়ে বেড়ায় নারীর শরীরের ভাঁজে।
সমকামিতা, অজাচার (আ’উজুবিল্লাহ) এর মতো জঘন্য বিষয়গুলোও আজ মানবাধিকারের পর্যায়ে পড়ে। এরকম এক প্রতিকূল পরিবেশে কী অস্থিরতার মধ্যে যে কিশোর, তরুণদের জীবন কাটাতে হয় তা আমাদের আগের জেনারেশান কখনো ঠিক মতো বুঝতে পারবে কিনা সন্দেহ!
আমাদের বাবা মারা হয়তো কখনোই জানতে পারবেন না যে তাদের আদরের , নিরীহ , ভদ্র ছেলেটার পিসির হার্ড ডিস্ক শত শত জিবি পর্ন মুভিতে বোঝাই। বাবা মা’রা কি আদৌ বিশ্বাস করতে পারবেন – আমাদের এই জেনারেশানের এই ছেলেমেয়েরা একসঙ্গে জামাত বদ্ধ হয়ে পর্ন মুভি দেখে, বিয়ের আগেই শারীরিক মিলন এদের কাছে ডালভাত, গ্রুপ সেক্সও খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার ? যেই ছেলেটার দুধের দাঁতও সবকয়টা পড়েনি সেও এখন ওরাল সেক্স টাইপের টার্ম গুলোর সাথে পরিচিত ?
একাদশ/ দ্বাদশ শতাব্দীর ঐ সময়টাতে ক্রুসেডাররা (মূলত ইংল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স) চেয়েছিল ইসলামকে পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে ধুলিস্যাৎ করে দিতে। আক্রমণের পর আক্রমণ চালিয়েছিল তারা মুসলিম ভূমিগুলোতে। উম্মাহর সিংহ নুরুদ্দীন যিংকি (রহঃ), সালাউদ্দিন আইয়ুবী’রা (রহঃ) প্রত্যেকবারই ক্রুসেডারদের নাকের জল আর চোখের জল এক করে ছেড়েছিলেন । ক্রুসেডাররা যখন দেখল– মুসলিমদেরকে কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না যুদ্ধের ময়দানে– তখন তারা কাপুরুষের মতো আশ্রয় নিল নীচতার। ইহুদীদের সাথে মিলে মুসলিমদের মাঝে ছড়িয়ে দিল ব্যাপক অশ্লীলতার , লাস্যময়ী খৃস্টান , ইহুদী তরুনী এসপিওনাজ এজেন্টদের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলতে শুরু করল মুসলিম তরুণদের, মাদকদ্রব্যে সয়লাব করে দিল পুরো মুসলিম ভূমি। এই সময়ই সালাহউদ্দিন আইয়ুবী (রহঃ) করলেন তাঁর সেই কালজয়ী উক্তি, ‘কোন জাতিকে যদি যুদ্ধ ছাড়াই ধ্বংস করতে চাও , তাহলে তাদের তরুণদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দাও’।
নব্য ক্রুসেডাররাও বেশ তৎপর এই পৃথিবীর বাতাসটাকে অশ্লীলতার নীল বিষে বিষাক্ত করে ফেলার জন্য । প্রতি ৩৯ মিনিটে আমেরিকা একটা করে নতুন পর্ন মুভি আপলোড করছে , বিশ্বের মোট পর্ন মুভির শতকরা ৮৫-৮৯ ভাগ বানাচ্ছে আমেরিকা একাই [২]। পর্ন মুভি বানানোয় প্রথম ১০টা দেশের মধ্যে বেশীরভাগই পাশ্চাত্যের [৩]।
হলিউড, মিউজিক ভিডিও, রিয়েলিটি শো, ফ্যাশন শো, সুন্দরী প্রতিযোগিতা, রেসলিং এইগুলার কথা না হয় নাই বললাম। রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠা মুসলিম তরুণ, তরুণীরা যখন হুট করেই দুই তিনটা মাউসের ক্লিকের মাধ্যমেই এই বিপুল অশ্লীলতার জগতে প্রবেশ করার সুযোগ পাচ্ছে তখন সমাজটা যে কোন দিকে আগাবে এবং আগাচ্ছে তা বোঝার জন্য রকেট সায়েন্টিস্ট হওয়া লাগে না ।
আমরা চাই না, আমাদের দেশটা আমেরিকার মতো ব্যর্থ একটা দেশ হয়ে যাক – যারা নারীদের সম্মান করতে জানে না, নারীদের নিরাপত্তা দিতে জানে না, যে দেশে ১০৭ সেকেন্ডে একটা করে ধর্ষণ হয়[৪], যেই দেশের তরুনরা এতোটাই পশু যে প্রতি ৪ জন নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন ধর্ষিত হয় তাদেরই পুরুষ ক্লাসমেটদের দ্বারা [৫], প্রতি ৬ জন নারীর মধ্যে ১ জন এবং প্রতি ৩৩ জন পুরুষের মধ্যে একজন তাদের লাইফটাইমে একবার হলেও ধর্ষণের শিকার হয়।[৬] ১৮ বছরে পা দেবার আগেই প্রতি ৪ জন মেয়ে শিশুর ১জন এবং প্রতি ৬ জন ছেলে শিশুর ১ জন যৌন নির্যাতনের শিকার হয় [৭]
আমরা চাই না,আমাদের দেশের মানুষগুলোও পাশ্চাত্যের মানুষদের মতো ভাদ্র মাসের কুত্তা হয়ে যাক। বাবার হাতে মেয়ে, ভাইয়ের হাতে বোন ধর্ষণের শিকার হোক। [৮,৯]
আমরা চাই না , আমাদের মা বোনেরা অফিসে আদালতে, রাস্তা ঘাটে যৌন নির্যাতনের শিকার হোক। [১০,১১,১২]
আমরা চাই না, সেক্স ইন্ডাস্ট্রীর জন্য মানব পাচারের শিকার হোক আমাদের কোন বোন, কোন ছোট ভাই, কোন মায়ের বুক খালি হয়ে যাক। [১৩,১৪,১৫]
আমরা চাই না, ক্রুসেডারদের নীল নকশায় পা দিক আমাদের ভাই বোনেরা, আমাদের ভাই বোনদেরকে বলির পাঁঠা বানাক। অশ্লীলতার অন্ধকার জগতে ডুবে যেয়ে ভুলে যাক আল্লাহ (সুবঃ) দুনিয়াতে তাকে কি মিশন দিয়ে পাঠিয়েছেন ।
পাশ্চাত্যের বানানো সিস্টেমে আর কালচারে কোন শান্তি নেই , মানবতা প্রতিনিয়ত ধুঁকে ধুঁকে মরে তাদের তথাকথিত “peace” আর “Freedom” এর আড়ালে । জানি ভাই , নফসের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে আপনি ক্লান্ত ,অবসন্ন। অশ্লীলতা আর বেহায়াপনার এই বিষাক্ত বাতাসে আপনাদের হাঁসফাঁস অবস্থা , টিকে থাকা দায় । আর কতকাল জিল্লতের জীবন কাটাবেন?আর কতবার পরাজিত হবেন নফসের কাছে ? মেঘের পরিচালনাকারী, সাত আসমানের স্রষ্টা আপনার রবের ওপর ভরসা করে মুক্ত বাতাসের খোঁজে বেরিয়ে পড়ার সময় কি এখনো আসেনি…… ?
“আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে, তিনিই তার জন্যে যথেষ্ট।” (সূরা আত তালাক: ৩)
---
লস্ট মডেস্টি অফিসিয়ালঃ
Website- www.lostmodesty.com
Youtube Channel- www.youtube.com/lostmodesty
page- www.fb.com/lostmodesty
Instagram- www.instagram.com/lostmodesty
Telegram- https://t.me/lostmodesty
SoundCloud- https://soundcloud.com/lostmodesty
Audiomack- https://audiomack.com/artist/lostmodesty
লস্টমডেস্টির মেইল- [email protected] See less

03/09/2024

একজন ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন পুরুষ হতে চাও? কিভাবে হবে জানতে চাও?
তোমাদের জন্যই ষোলো ম্যাগাজিনে আছে হাসান আলী ভাইয়ের লেখা - আর আমি তোমাদের শেখাব কীভাবে পুরুষ হতে হয়!

কিশোর ম্যাগাজিন "ষোলো"।ইন্টারনেটের এই যুগে বইয়ের পাতায় কিশোর কিশোরীদের আটকে রাখা বিরল ব্যপার।এই অসাধ্য সাধন করতে পারে ষ...
07/06/2024

কিশোর ম্যাগাজিন "ষোলো"।
ইন্টারনেটের এই যুগে বইয়ের পাতায় কিশোর কিশোরীদের আটকে রাখা বিরল ব্যপার।
এই অসাধ্য সাধন করতে পারে ষোলো। বই পড়ার অভ্যাস করতে চান, কিন্তু কেন যেন সম্ভব হয়ে উঠছে না, আপনার ছেলেটা সারাক্ষণ ফোন নিয়ে পড়ে থাকে বই ধরতেই চায় না। এমন রোগ যাদের আছে তাদের হাতে ধরিয়ে দিন এই চমৎকার এই কিশোর ম্যাগাজিন।
তারপর মজা দেখুন...

আর তোমরা যারা টিনেজার, এটা একবার হাতে নিয়েই দেখো না। শেষ না করে উঠতেই চাইবে না।
বই পড়া বিদঘুটে কিংবা রসকষহিন কোনো ব্যাপার যে নয় সেটা বুঝতে পারবা।

- ষোলো ম্যাগাজিন নিয়ে বই পোকাদের আড্ডাখানা গ্রুপে রিভিউ দিয়েছেন Tanjib Zaman ভাই। মূল লিংক কমেন্টে।

#ষোলো

20/04/2024

প্রেমের সাথে হাত ধরাধরি করে আসে মাদকও। প্রেমে বা ব্রেকআপের ভয়াবহ স্ট্রেস থেকে সাময়িক মুক্তি পাবার জন্য অনেকেই মাদকের শরণাপন্ন হয়। [1] কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ন্যাশনাল সেন্টার অন অ্যাডিকশান অ্যান্ড সাবস্ট্যান্স অ্যাবিউস-এর চালানো এক গবেষণায় দেখা যায় গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের সাথে যে যতো বেশি সময় কাটায় সে ততো বেশি মদ, গাঁজা, বিড়ি সিগারেটের নেশায় পড়ে যায়। [2]অনেকেই হয়তো প্রেম চলার সময় মাদকে আসক্ত হয় না। কিন্তু ব্রেকআপের পর ছ্যাঁকার কষ্ট ভুলতে মাদকে আসক্ত হয়ে যায়। প্রেম পিছু ছাড়লেও মাদক পিছু ছাড়ে না।
স্রেফ এই মাদকই একটা জাতিকে ধ্বংস করে দেবার জন্য যথেষ্ট। জাতির যুবশক্তিকে মাদক একেবারে ভেতর থেকে কুরে কুরে খেয়ে নিঃশেষ করে দেয়। মাদককে কেন্দ্র করে সমাজে ব্যাপক অপরাধ সংঘটিত হয়। মাদকের টাকা জোগাড় করার জন্য বাবা-মাকে খুন করা, চুরি, ছিনতাই করা, ভাড়াটিয়া খুনি হিসেবে কাজ করা, মাদকের প্রভাবে ধর্ষণ করা–এগুলো নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। [3] সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম সরকার বলেন, আমাদের সমাজে ৮০ শতাংশ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে মাদকের কারণে। সমাজ পুরোপুরি মাদকমুক্ত করতে পারলেই অপরাধ এমনিতেই কমে যাবে। [4]
চলবে ইনশা আল্লাহ্...
প্রবন্ধ: ঘুণপোকা-3
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্ট মডেস্টি টিম
সম্পাদক: আসিফ আদনান
#আকাশের_ওপারে_আকাশ


রেফারেন্স কমেন্টে দেয়া হলো...

31/03/2024

ব্রেকআপের এবং ঝগড়ার ভয়াবহ এক দিক হলো এটা প্রেমিক প্রেমিকাদের আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মান একেবারে ধ্বসিয়ে দেয়। মধুর মধুর কথা বলে ঝগড়া বা ব্রেকআপ হয় না। ঝগড়ায় থাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, মারাত্মক অপমানজনক কথা। এসব শুনতে শুনতে ও বলতে বলতে মন বিষিয়ে যায়। প্রেমিক/প্রেমিকার কথায় মানুষ অনেক বেশি প্রভাবিত হয়। তুই সুন্দর না, তুই শেওড়া গাছের পেত্নী, তুই হট না, তুই একটা ভোটকা, তুই একটা ক্ষ্যাত, তুই জীবনে কিছুই করতে পারবি না, আয়নায় চেহারা দেখছিস নিজের, তোর সাত পুরুষের ভাগ্য আমার মতো মানুষ তোর সাথে প্রেম করে, আমি চলে গেলে তুই কোনো মেয়ে পাবি না–ব্রেকআপ বা ঝগড়ার সময়ে এই জাতীয় কথাগুলো অত্যন্ত গভীর প্রভাব ফেলে মানুষের মনের উপর।
এ ধরনের কথা হয়তো ১০% সত্য কিন্তু বাকি ৯০% একেবারেই মিথ্যা। কিন্ত রাগের মাথায় পরিস্থিতির কারণে বলে ফেলা এই মিথ্যাগুলোই অপরপক্ষ সত্য বলে বিশ্বাস করে নেয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রিয় মানুষের মুখে নিজের সম্পর্কে এই নেতিবাচক মূল্যায়ন তার আত্মবিশ্বাসকে একেবারেই গুঁড়িয়ে দেয়। তীব্রভাবে বিশ্বাস করে নেয় যে, সে একজন ব্যর্থ মানুষ। জীবনের পথচলা বিজয় সরণির সিগনালে আটকে যায়। নিজের চেহারা, শরীর, আচার-আচরণ, ব্যক্তিত্ব নিয়ে মানুষ তখন চরম অস্থিরতা, উদ্বেগে ভোগে। মানুষজনের সামনে সহজ হতে পারে না। সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় ভাবে নিজের উপর প্রেশার নিয়ে নিজেকে বদলে ফেলতে চায়। কেউ না খেয়ে, ডায়েট করে, বমি করে শুকনো হতে চায়। রূপচর্চায় পানির মতো টাকা খরচ করে, অশালীন পোশাক-আশাক পরে হট হতে চায়। কেউ বাইক কিনে, বিড়ি সিগারেট বাবা ধরে, ডিএসএলআর দিয়ে মাঞ্জা মারা ছবি তুলে নম্রতা, ভদ্রতা, শালীনতা, সততার আদর্শ ভুলে গিয়ে চাপাবাজি আর প্রতারণার কৌশল শিখে নিজেকে ক্ষ্যাত থেকে স্মার্ট বানাতে চায়।
চলবে ইনশা আল্লাহ্...
প্রবন্ধ: প্রেম কয়েদি-5
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্ট মডেস্টি টিম
সম্পাদক: আসিফ আদনান
#আকাশের_ওপারে_আকাশ

চতুর্দিকে ভালোবাসার আকাল দেখে তুমি হতাশ হবে না। যদি তুমি পবিত্র থাকো, যদি তোমার ভালোবাসা, জীবনসঙ্গিনীর জন্য অপেক্ষা মৌলি...
16/03/2024

চতুর্দিকে ভালোবাসার আকাল দেখে তুমি হতাশ হবে না। যদি তুমি পবিত্র থাকো, যদি তোমার ভালোবাসা, জীবনসঙ্গিনীর জন্য অপেক্ষা মৌলিক হয় তাহলে আল্লাহ তোমাকে নিশ্চিত ভালো একজন মেয়ের সাথে জুরি বেঁধে দিবেন। জীবনের ভালোবাসা হয়তো কোন এক ভোরে চুপ করে কড়া নাড়বে তোমার দরজায়।
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক টিম: লস্ট মডেস্টি
Courtesy: Najiba Khan & (DHD)
#আকাশের_ওপারে_আকাশ
#মুক্ত_বাতাসের_খোঁজে

23/02/2024

আমরা কি ‘বাঙালি’ নাকি ‘মুসলিম’ ?

ডিজাইনার - আমাতুল্লাহ আয়িশাহবই: আকাশের ওপারে আকাশলেখক: লস্টমডেস্টি #চলচিত্র  #আকাশের_ওপারে_আকাশ #প্রেমাতাল
03/03/2023

ডিজাইনার - আমাতুল্লাহ আয়িশাহ
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্টমডেস্টি
#চলচিত্র
#আকাশের_ওপারে_আকাশ
#প্রেমাতাল

01/03/2023

চুপিচুপি একটা কথা বলি। মেয়েরা এই আসল পুরুষদেরই পছন্দ করে। এভাবেই তাদের বানিয়েছেন আল্লাহ তা’আলা। পরিবার, সমাজ, সংস্কৃতির কারণে তাদের অনেকেই আসল পুরুষ চিনতে পারে না, বোহেমিয়ান পুরুষদের সাথে দু’দিন প্রেম করতে পারে, ভুল করে ঘর বাঁধতে পারে কিন্তু মনেপ্রাণে তারা এই আসল পুরুষদেরই খুঁজে বেড়ায়।
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
লেখক: লস্ট মডেস্টি
#চলচিত্র
#আকাশের_ওপারে_আকাশ

সালাফকথন!বই: আকাশের ওপারে আকাশ প্রকাশনায় : Ilmhouse PublicationDesign : Muhammad Ashraful  #চলচিত্র  #প্রেমাতাল  #আকাশের...
22/02/2023

সালাফকথন!
বই: আকাশের ওপারে আকাশ
প্রকাশনায় : Ilmhouse Publication
Design : Muhammad Ashraful
#চলচিত্র
#প্রেমাতাল
#আকাশের_ওপারে_আকাশ

আজকের সব কিশোরী মেয়েরাই রুমের আয়নায় নিজেকে দেখে হয়তো ভাবে কেন সে দেখতে সিলেব্রেটিদের মতো নয়। শোনো হে মেয়ে, এটা আমাদের কা...
22/02/2023

আজকের সব কিশোরী মেয়েরাই রুমের আয়নায় নিজেকে দেখে হয়তো ভাবে কেন সে দেখতে সিলেব্রেটিদের মতো নয়। শোনো হে মেয়ে, এটা আমাদের কারো আসল চেহারা নয়, আমরা কেউ এভাবেই ঘুম থেকে উঠি না, কোনো অভিনেত্রীই এমন না।
প্রতিটি পাবলিক এপেয়ারেন্সের আগে আমাকে ৯০ মিনিট মেকআপ চেয়ারে বসে থাকতে হয়। আমার চুল ঠিক করা আর মেকাপ ঠিক করার পেছনে ৩-৬ জন মানুষ কাজ করে। একজন পেশাদার বিউটিশিয়ান আমার নখ নিয়ে কাজ করে। প্রতি সপ্তাহে আমার আইব্রো প্লাগ করতে হয়, থ্রেডিং করতে হয়। মুখের দাগ আর ডার্ক স্পটগুলো আড়াল করার জন্য আমার শরীরে বিশেষ কসমেটিকের ব্যবহার হয়।
প্রতিদিন সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে সাড়ে ৬টায় আমি জিমে চলে যাই। সেখানে ৯০ মিনিট ধরে এক্সারসাইজ করি, কখনও সন্ধায় আবার কখনও ঘুমানোর আগেও এভাবে চলে। আমি কি খাব আর কি খাব না এটা ঠিক করার জন্য একজন ফুল টাইম লোক নিয়োগ করা আছে। যতটুকু আমি খাই, তার চেয়ে বেশি আইটেমের মেকআপ আমার মুখে লাগাতে হয়। আমার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ও আকর্ষনীয় পোশাকটি বাছাই করার জন্য একটি টীম সবসময় নিযুক্ত থাকে।
এতকিছুর পরও আমি যথেষ্ট নিখুঁত হতে পারি না। এরপর আছে ফটোশপের দারুণ সব কারসাজি।
একথা আমি আগেও বলেছি, আবারও বলছি, যে অভিনেত্রীকে পর্দায় দেখে তুমি ঈর্ষায় ভাজা ভাজা হয়ে যাচ্ছ, তাকে এরকম বানাতে একটা বিশাল টীম, কাড়ি কাড়ি টাকা, প্রচুর সময় দরকার হয়। এর কোনোকিছুই বাস্তব নয়, এটা এমন কিছু নয় যা তোমাকেও অর্জন করতে হবে। এটা এক আর্টিফিশিয়াল জগৎ।"
(একজন বলিউড অভিনেত্রীর লেখা থেকে ভাবানুবাদ করা হয়েছে)
- ইউসুফ আহমেদ

“মুক্ত বাতাসের খোঁজে” বইটা নিয়ে আমার একটি ভালোলাগার স্মৃতি আছে। বইটা বের হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালের জানুয়ারিতে। আমি তখ...
22/02/2023

“মুক্ত বাতাসের খোঁজে” বইটা নিয়ে আমার একটি ভালোলাগার স্মৃতি আছে। বইটা বের হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালের জানুয়ারিতে। আমি তখন অনার্স থার্ড ইয়ারে উঠব উঠব ভাব। মানে সেকেন্ড ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা চলছিল আরকি!
বইটা আমি পেয়েছিলাম ফেব্রুয়ারি কিংবা মার্চ মাসে। আমার এক কাজিনের কাছ থেকে হাদিয়া নিয়েছিলাম। হাদিয়া নিয়েছিলাম বলতে, সে আমাকে একটা বই হাদিয়া দিতে চাচ্ছিল। আমি তখন বললাম, “মুক্ত বাতাসের খোঁজে” দাও। বই পাওয়ার অল্প কয়েক দিনের মাঝেই পড়ে শেষ করে ফেলি। অনেক বিষয় নতুন জেনেছিলাম। কিছু বিষয়ে আমি বেশ উপকৃতও হয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ্।
যাই হোক, সে বছরের মাঝামাঝি আমি আমার এক ক্লোজ ফ্রেন্ডকে বইটার এক কপি হাদিয়া দিই। সে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত—এমনটা ভেবে হাদিয়া দিয়েছি এমন না। এমনি দিয়েছিলাম। সে ছিল আমার মাদ‘উ। মানে, আমি তাকে দাওয়াহ’র অংশ হিসেবে বইটা হাদিয়া দিয়েছিলাম। যেন এর মাধ্যমে আমাদের দুজনের সম্পর্কের হৃদ্যতা বাড়ে। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন, ‘হাদিয়া আদান-প্রদানে ভালোবাসা বাড়ে’।
তো, বইটা পেয়ে আমার বন্ধু অনেক খুশি হয়। সে তখন আমাকে একটি ব্যাপার শেয়ার করে। তার জীবনে পরিবারের বাহিরে কারও কাছ থেকে এই প্রথম কোনো গিফট বা হাদিয়া পেল সে। এটা শুনে আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম। আবার দারুণ একটা ভালোলাগাও কাজ করছিল এটা ভেবে যে, আমি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটা ঘটনার অংশ হয়ে গেলাম। আলহামদুলিল্লাহ্।
বইটা পড়া শুরু করার পর সে আমাকে বলল, ‘তুমি আমাকে বইটা কী জন্য দিসো? তোমার কি এটা মনে হইসিল যে, আমি এসবে (পর্নোগ্রাফিতে) আসক্ত?’
আমি বললাম, ‘না, এমনিই দিয়েছি; বন্ধু হিসেবে।’
তখন সে বলল, ‘এই বইটা আমার আরও পাঁচ বছর আগে প্রয়োজন ছিল। তাহলে হয়তো জীবন থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে যেত না।’
তার এই কথাটা শুনে খারাপ লেগেছিল। আবার ভালোও লাগছিল এটা ভেবে যে, সে বইটা দ্বারা উপকৃত হয়েছে এবং আমি তার এই পরিবর্তনের সহযোগী হতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ্।
কিছুদিনের মাঝেই সে পুরো বইটা পড়ে শেষ করে। এরপর আমাকে ম্যাসেঞ্জারে নক দিয়ে বলে, ‘তোমার টাইমলাইনে পোস্ট অপশন খুলে দেও। আমি একটা পোস্ট দিব।’ আমি পোস্ট অপশন খুলে দিলাম। “মুক্ত বাতাসের খোঁজে” বইটির ছবি দিয়ে ক্যাপশনে কয়েক লাইনের ছোট্ট একটি কবিতা লিখে পোস্ট করে সে। কবিতাটা ছিল আমার প্রতি তার ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে! 🙂
আমি যখন তাকে এই বইটি হাদিয়া দিয়েছিলাম, সে তখন বলতে গেলে প্র্যাক্টিসিং ছিল না। শুধু সালাতে নিয়মিত ছিল। বাকি টুকটাক ফ্রি-মিক্সিং, মাঝেমধ্যে একটুআধটু গান শোনার অভ্যাসো ছিল। সময়ের সাথে সাথে সে এগুলো সব ছেড়ে দেয়। কুরআন পড়া শিখে, আরও বইপত্র পড়া শুরু করে। এক সময় দাড়িও রেখে দেয়। আল্লাহর রহমতর এখনও পর্যন্ত সে দ্বীনের ওপর আছে। আলহামদুলিল্লাহ্।
“মুক্ত বাতাসের খোঁজে” বই নিয়ে আরও কিছু ভালোলাগার ঘটনা আছে আমার। তবে এটা ছিল সবচেয়ে বেশি ভালোলাগার ঘটনা। নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে দ্বীনে ফিরতে দেখার মতো আনন্দাদায়ক ব্যাপার খুব কমই আছে। আর সেখানে যদি আমার নিজেরও নগণ্য কিছু ভূমিকা থাকে, তাহলে তো আনন্দের তীব্রতা বেড়ে যায় কয়েকশ গুণ!
তার এই পরিবর্তনে আমিও আল্লাহর কাছ থেকে কিছু সাওয়াব পাব বলে আশা করি। কিন্তু পর্দার আড়াল থেকে আরও কিছু মানুষও গুণোত্তর ধারায় সাওয়াব পেতে থাকবে। তারা হলো “মুক্ত বাতাসের খোঁজে” বইটির লেখক লস্ট মডেস্টি টিম। এটা ভাবলে মাঝেমধ্যে লস্ট মডেস্টি টিমকে ঈর্ষা হয়!
-
রিভিউটি লেখেছেন- যে বইটি আপনার অবশ্যই পড়া উচিত

Address

Chittagong Division
Cox's Bazar
4700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lost Modesty Supporting Team - Cox’s Bazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Lost Modesty Supporting Team - Cox’s Bazar:

Share

Category