পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি,পানছড়ি থানা শাখা।

  • Home
  • Bangladesh
  • Comilla
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি,পানছড়ি থানা শাখা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি,পানছড়ি থানা শাখা। পিসিজেএসএস পানছড়ি শাখার মূখপত্র।

19/02/2026

এটা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিশ্লেষকেরাও বলছেন, এটা চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

27/12/2025

কল্যাণি চাকমাকে সভাপতি, শেফালি চাকমাকে সাধারণ সম্পাদক ও দীপা চাকমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়।

১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকল বীর শহীদদের স্মরণে   পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন,পানছড়...
16/12/2025

১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকল বীর শহীদদের স্মরণে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন,পানছড়ি থানা শাখা'র পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও বিনম্র শ্রদ্ধা।

29/11/2025

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, পানছড়ি থানা কমিটি'র সংগ্রামী সভাপতি শ্রী বিমুলেন্দু চাকমার মৃত্যু শেষকৃত্য দাহকার্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- সহ- সভাপতি শ্রী: রণজীবন চাকমা।

আমরা তাহার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাভিভূত পরিবারকে সান্ত্বনা ও সমবেদনা জানাচ্ছি ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি,- এর কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা  কমিটি'র সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি'র,কেন্দ্রীয় কমি...
17/09/2025

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি,- এর কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটি'র সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি'র,কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শ্রীমতি দূর্গারাণী চাকমা(৬০)'র লিভার ক্যান্সার রোগে মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন সমূহ,পানছড়ি থানা কমিটি।

16/09/2025

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস), কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটি'র সংগ্রামী সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শ্রীমতি দুর্গারাণী চাকমা (৬০)'র মৃ/ত্যু/তে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি'র শোক।

ঘাতকেরা এমএন লারমা'র আর্দশকে হত্যা করতে পারেনি।পানছড়ি প্রতিনিধিসোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ইংজুম্ম জাতীয় জাগরণের অগ্রদূত ...
15/09/2025

ঘাতকেরা এমএন লারমা'র আর্দশকে হত্যা করতে পারেনি।

পানছড়ি প্রতিনিধি
সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ইং

জুম্ম জাতীয় জাগরণের অগ্রদূত মহান নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা'র ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি পানছড়ি থানা কমিটি'র উদ্যোগে এক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। আজ সোমবার পানছড়ি সদরের মানিক্যা পাড়ায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত আলোচনা সভায় যুব নেতা জুমান চাকমা'র সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ পানছড়ি থানা শাখার সভাপতি রিমেশ চাকমা

আলোচনায় সভায় বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুমতি বিকাশ চাকমা। তিনি বলেন পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা মহান নেতা- এমএন লারমা'র আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমাদের সকলকে এগিয়ে যেতে হবে। পাহাড়ে শিক্ষার আলো বিস্তার করে নতুন প্রজন্মকে জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার্থে হাল ধরা ছাড়া জাতির কোন মুক্তি নেই। একমাত্র মুক্তি ও অধিকার ছিনিয়ে নিতে পারে তরুণ-যুবরা।আপনারা হতাশা মানেই জাতির দূর্দশা। জাতিকে বাঁচাতে হলে আমাদের আন্দোলন ছাড়া কোন বিকল্প নেই।

এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন লতিবান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য বাবু-শাখেন্দু বিকাশ চাকমা, পানছড়ি শরনার্থী সমিতির সদস্য বাবু সমীর কান্তি দেওয়ান, ৩নং পানছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু উচিত মনি চাকমা, উল্টাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বাবু সম্প্রীতি খীসা। তেনারা বলেন এমএন লারমা মানে জুম্ম জনগণের সংগ্রামের ইতিহাস। পাহাড়ে তিনি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সকল জাতিগোষ্ঠীকে একত্রিত করে মুক্তির লড়াইয়ে অনুপ্রেরণা দিয়ে গেছেন। তাই ইতিহাসে তিনি অমর, তার রেখে যাওয়া আদর্শ, মত-পথ আমাদের চেতনাকে উজ্জীবিত করে তুলে। তার আর্দশ, নীতি, শৃঙ্খলা সবকিছুই অতুলনীয়। আমরা তার আর্দশকে এখনো শ্রদ্ধাচিত্তে স্মরণ করি। তিনি জুম্ম জনগণের মাঝে এবং সারা বিশ্বে অমর হয়ে থাকবেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, পানছড়ি থানা কমিটির সহ-সভাপতি বাবু রণজীবন চাকমা, গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফের পানছড়ি শাখার সভাপতি বাবু পিযুষ কান্তি চাকমা প্রমূখ।

পার্বত্য চট্টগ্রামে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মহান নেতা এম'এন লারমাকে হারিয়ে জাতি আজ অসহায়। তৎকালীন ৮৩ সনে ক্ষমা করো, ভুলে যাওয়া নীতির পরিচালনার মধ্য দিয়েও গিরী, দেবেন, পলাশ-প্রকাশসহ ক্ষমতা লিপ্সুরা তাঁকে বাঁচতে দেয়নি। বিভেদপন্থীরা শাসকের চক্রান্তের ফাঁদে পড়ে এম'এন লারমাকে হত্যা করে। কিন্তু ঘাতকেরা এমএন লারমা'র আর্দশকে হত্যা করতে পারিনি। ইতিহাসে তিনি এখনো অমর। মানুষের জনে জনে মনে মনে চিরকাল থাকবেন। তাঁকে কখনো মুছা যাবে না।

তেনারা আরো বলেন আপনারা জানেন নিশ্চয়ই বর্তমান রাজনীতির প্রেক্ষাপট বলতে গেলে খুবই হতাশাজনক। পাহাড়ে চারটি আঞ্চলিক দল রয়েছে। চার আঞ্চলিক দলের মধ্যে তিন দল চুক্তি পক্ষে হলেও বাকি এক পক্ষ পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের অধিকারের কথা বলে। নানা রুপে সেঁজে সংঘাতকে জিইয়ে রেখেছে। তারা দীর্ঘ ২৭ বছর চুক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পূর্ণস্বায়শাসনের দাবি তুলে আসছে। আজ পর্যন্ত সে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের রুপরেখা তারা দেখাতে পারেনি। আমরা মনে করি আন্দোলনের নামে অযথা তাঁদের ভাঁওতাবাজি ছাড়া কিছু নয়। তাদের সময় বেশি নেই পাহাড়ের জুম্মজনগণ সব জেনে গেছে। মিথ্যার আশ্রয়ে রাজনীতি দীর্ঘ নয় বরং পতন অনিবার্য।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রত্না তঞ্চঙ্গ্যা। তিনি বলেন, আমাদের পাহাড়ে বাঁচতে হলে নারীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করা দরকার। পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও সমানভাবে এগিয়ে যেতে হবে। যেমন- নারীদের উপর সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনা প্রবাহ নিয়ে আমাদের সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। পাহাড়ের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিপ্লবী-কল্পনা চাকমা গড়ে উঠা এবং তার আর্দশে আমাদের সংগ্রামী হওয়া দরকার। আমাদের ধীরগতিতে এগিয়ে গেলে হবেনা, বেঁচে থাকতে অধিকার দরকার। সংগ্রাম ছাড়া আমাদের জাতির কোন মুক্তি নেই। তাই নারী -পুরুষ সমানতালে এগিয়ে যেতে হবে।

"যে জাতি বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে জানে না,পৃথিবীতে তাদের বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই"।নিপীড়িত, নির্যাতিত গণমানুষের স...
14/09/2025

"যে জাতি বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে জানে না,পৃথিবীতে তাদের বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই"।

নিপীড়িত, নির্যাতিত গণমানুষের সংগঠন "পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি'র" প্রতিষ্ঠাতা,জুম্ম জাতীয় চেনতার অগ্রদূত অবিসংবাদিত নেতা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম-১ আসন থেকে প্রথম সাবেক সংসদ সদস্য শ্রী: মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা'র ৮৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা।

স্থান: মানিক্যা পাড়া , পানছড়ি সদর।
তারিখ-১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং, সকাল-১০ঘটিকা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, পানছড়ি থানা কমিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।

আদিবাসী শ্রমজীবী কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠনসিএইচটি ভ্যানগার্ডশুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ -...
12/09/2025

আদিবাসী শ্রমজীবী কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন
সিএইচটি ভ্যানগার্ড

শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ - ০৬:৩৩ PM
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি'র অঙ্গ সংগঠন আদিবাসী শ্রমজীবী কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে জ্ঞান বকুল চাকমা ও সদস্য সচিব হিসেবে স্বপন চাকমাকে মনোনীত করা হয়। আজ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রি. খাগড়াছড়ি সদরের তেঁতুলতলাস্থ পিসিজেএসএস কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দিনব্যাপী এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন পিসিজেএসএস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক সুদর্শন চাকমা ও পিসিজেএসএস কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমজীবী বিষয়ক সম্পাদক সোহাগ চাকমা। আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের পিসিজেএসএস প্রতিনিধি সুজন চাকমা (ঝিমিট) ও সুনয় চাকমা। আলোচনা সভায় আদিবাসী শ্রমজীবি কল্যাণ সমিতি'র চট্টগ্রাম মহানগরের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। উক্ত আলোচনা সভায় ৪র্থ আদিবাসী শ্রমীজীবী কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর শাখা মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায়গ কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করে সকলের সম্মতিক্রমে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এতে জ্ঞান বকুল চাকমা আহ্বায়ক ও স্বপন চাকমাকে সদস্য সচিব করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি'র অঙ্গ সংগঠন আদিবাসী শ্রমজীবী কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে জ্ঞান বকুল চাকমা ও সদস্য সচিব হিসেবে স্বপন চাকমাকে মনোনীত করা হয়।

আজ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রি. খাগড়াছড়ি সদরের তেঁতুলতলাস্থ পিসিজেএসএস কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দিনব্যাপী এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন পিসিজেএসএস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক সুদর্শন চাকমা ও পিসিজেএসএস কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমজীবী বিষয়ক সম্পাদক সোহাগ চাকমা। আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের পিসিজেএসএস প্রতিনিধি সুজন চাকমা (ঝিমিট) ও সুনয় চাকমা। আলোচনা সভায় আদিবাসী শ্রমজীবী কল্যাণ সমিতি'র চট্টগ্রাম মহানগরের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত আলোচনা সভায় ৪র্থ আদিবাসী শ্রমীজীবী কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর শাখা মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয় এবং সকলের সম্মতিক্রমে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এতে জ্ঞান বকুল চাকমাকে আহ্বায়ক ও স্বপন চাকমাকে সদস্য সচিব করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

08/09/2025

'৯৪ এর ১৫ জুন ছাত্র রাজনীতি থেকে বিদায় নেয়ার পর প্রসিত গ্রুপিংএর মাধ্যমে গণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদটি দখল করে নেয় এবং পাহাড়ী গণ পরিষদের নাম পরিবর্তন করে "জুম্ম ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট" বা "ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট" করে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে একটি পূর্ণাঙ্গ পার্টিতে রূপ দেয়ার চেষ্টা করেন প্রসিত.........

বিস্তারিত কমেন্টে............

জেএসএস নেতা তাতিন্দ্র লাল চাকমা’র ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ  আগস্ট ১৩, ২০২৫সিএইচটি ভ্যানগার্ডজুম্ম জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকা...
13/08/2025

জেএসএস নেতা তাতিন্দ্র লাল চাকমা’র ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আগস্ট ১৩, ২০২৫
সিএইচটি ভ্যানগার্ড

জুম্ম জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব, বর্ষীয়ান জুম্ম রাজনীতিবিদ, সাবেক গেরিলা নেতা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’র প্রয়াত সভাপতি শ্রী তাতিন্দ্র লাল চাকমা’র (মেজর পেলে) ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২০ সালের আজকের এই দিনে সকাল ৯.১৫ টা সময়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফুসফুস সংক্রমণজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি ১৯৫২ সালের, ১৬ই ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা উপজেলার ২নং বোয়ালখালী ইউনিয়নের কামুক্কোছড়া গ্রামে এক মধ্যবিত্ত চাকমা পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম মৃতঃ দেব মোহন চাকমা ও মাতার নাম মৃতঃ নন্দরাণী চাকমা। ৬ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক কন্যা ও জামাতা, দুই পুত্র ও দুই নাতি সহ রেখে গেছেন অসংখ্য অনুসারী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

তার শিক্ষা জীবন শুরু হয় দীঘিনালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তিনি ১৯৬৯ সনে দীঘিনালা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক পাস করেন এবং ১৯৭২ সনে রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ থেকে আই এ পাশ করেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি পাহাড়ি ছাত্র সমিতি’র রাজনীতির সাথে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ১৯৭৩ সনে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’র সশস্ত্র শাখা শান্তিবাহিনী গঠিত হওয়ার পর শান্তিবাহিনীতে যোগদান করেন। দীর্ঘ সময়ের পরিক্রমায় এক সময় শান্তিবাহিনীতে মেজর পদে আসীন হন। তার নেতৃত্বে শত্রুদের শিবিরে চরম আঘাত হানা হতো। তার কথা শুনলে শত্রুবাহিনী তরতর করে কেঁপে উঠতো । পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণের সশস্ত্র সংগ্রামের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র গেরিলা যোদ্ধা যিনি শত্রুবাহিনীর ৪৭ টি আগ্নেয়াস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছিলেন।

সুদীর্ঘ ২৪ বছরের অধিক সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর জুম্ম জনগণের পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সম্পাদিত হলে তিনিও অস্ত্র সমর্পণের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। চুক্তি সম্পাদনের পর তিনিও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’র গণতান্ত্রিক রাজনীতির সাথে যুক্ত থেকে চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলনে নিজেকে সঁপে দেন। ২০০৭ সালে এক এগারোর সময় দেশে জরুরী অবস্থা সৃষ্টি হলে পার্বত্য চট্টগ্রামেও এর প্রভাব পড়তে থাকে। তৎসময়ে তিনিও গ্রেফতার হন। অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’র আজন্ম ত্যাগী, সৎ, নীতিবান ও সংগ্রামী কর্মীদের পার্টি থেকে সরিয়ে দেওয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে পার্টির সিনিয়র পর্যায়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়। অগণতান্তিক, অগঠনতান্ত্রিকভাবে পার্টির সহসভাপতি, শ্রীযুক্ত সুধাসিন্ধু খীসা, শ্রীযুক্ত রুপায়ন দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক শ্রীযুক্ত চন্দ্র শেখর চাকমা, সহ সাধারণ সম্পাদক শ্রীযুক্ত তাতিন্দ্র লাল চাকমা (পেলে), ইঞ্জিনিয়ার মৃণাল কান্তি ত্রিপুরা, এ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা, কেন্দ্রীয় নেতা শ্রীযুক্ত বিনয় কৃষ্ণ খীসা, কেন্দ্রীয় নেতা শ্রীযুক্ত উদয় কিরণ ত্রিপু্রাসহ অনেক মধ্যম-নিম্ন সারির নেতাকর্মীদের বহিষ্কার ও মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করে জনসংহতি সমিতি’র একটি অংশ। ফলত পার্টি খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীক বিভক্ত হয়ে পড়ে।

২০১০ সালের, ২৯-৩১ মার্চ একতরফা ও অগঠনতান্ত্রিকভাবে রাঙ্গামাটিতে ৯ম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত করে জেএসএস এর একটি অংশ। পার্টির নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সমাজের সচেতন মানুষদের জেএসএসকে ঐক্যবদ্ধ রাখার সকল আবেদন অবজ্ঞাভরে ঠেলে দেওয়া হয়। ফলত পার্টির অপর অংশও ২০১০ সালের, ১০ এপ্রিল দীঘিনালা বড়াদাম হাইস্কুল প্রাঙ্গনে এক বিশেষ কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’র নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে। এতে প্রয়াত শ্রী তাতিন্দ্র লাল চাকমা সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর ২০১৩ সালের ১০-১২ জুলাই ১০ম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে পার্টির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন, ২০১৭ সালের ১৭-১৯ মার্চ ১১তম জাতীয় সম্মেলনেও পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তাতিন্দ্র লাল চাকমা এবং সর্বশেষ ২০২০ সালের ১৫-১৮ ফেব্রুয়ারী ১২ তম জাতীয় সম্মেলনে তিনি সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। আমৃত্যু তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতির পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলন, জুম্ম জাতীয় অস্তিত্ব ও জন্মভূমির অস্তিত্ব রক্ষা তথা আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে একজন অগ্রণী সৈনিক ছিলেন।

10/08/2025

৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী সাংবিধানিক স্বীকৃতি দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল।

Address

Comilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি,পানছড়ি থানা শাখা। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share