পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, Political organisation, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, Chittagong.

১৯৮৯ সালের ৪ঠা মে লংগুদু গণহত্যার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ঢাকার রাজপথ কাঁপিয়ে জন্ম নেয় পাহাড়ী ছাত্রদের একমাত্র লড়াকু ছাত্র সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ। আত্ম-নিয়ন্ত্রনাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য আদায়ে আমরা রব আবিচল। অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আপনাদের পাশে নিয়ে আমাদের সংগ্রাম চলবে যতদিন কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জিত না হয়। জয় হোক জুম্ম জাতীয়তাবাদের, জয় হোক মানবতার ।

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬International Day of the World’s Indigenous Peoplesআদিবাসীদের ঐতিহ্যগত জ্ঞানের প্রতি সম্মান...
30/07/2026

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬
International Day of the World’s Indigenous Peoples

আদিবাসীদের ঐতিহ্যগত জ্ঞানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন: জীবন সুরক্ষা ও কল্যাণময় ভবিষ্যৎ গঠন
“Honouring Indigenous Midwives: Sefeguarding Life and Well-being”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান,
আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা

৯ আগষ্ট ২০২৬, রবিবার, বিকাল ৩ ঘটিকা
বৌদ্ধ মন্দির চত্বর, নন্দন কানন, চট্টগ্রাম

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, চট্টগ্রাম অঞ্চল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি২৫ জুলাই ২০২৬চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়চবিতে পিসিপি’র উদ্যোগে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধন...
25/07/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৫ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চবিতে পিসিপি’র উদ্যোগে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ সম্পন্ন

গতকাল ২৪ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার) “জুম পাহাড়ের নবীন প্রাণ, শেকড়ের তরে শিক্ষাই হোক মোদের মুক্তির গান” স্লোগানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে বিকাল ৩:০০ ঘটিকায় নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা—২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাঞ্চন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সদস্য শ্রী সুমন মারমা, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আনন্দ বিকাশ চাকমা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পাহাড়ি এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি শ্রীমতি গৈরিকা চাকমা, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অন্তর চাকমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক উলিসিং মারমা প্রমুখ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রিয় জ্যোতি চাকমা (রিবেক)-এর সঞ্চালনায় এবং সহ-সভাপতি এনতেস চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রিশন চাকমা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বরণমাল্য পাঠ করেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী লিলি পাংখোয়া এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রীতি স্মারক পাঠ করেন পালি বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রেয়া তালুকদার। প্রধান অতিথি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন মহোদয়ের কাছ থেকে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র গ্রহণ করেন মনিষা তঞ্চঙ্গ্যা এবং ফুল ও বিদায়ী স্মারক গ্রহণ করেন একই শিক্ষাবর্ষের উসাহ্লা মারমা। বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. কাঞ্চন চাকমার কাছ থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র গ্রহণ করেন বিপুল তঞ্চঙ্গ্যা এবং ফুল ও সংবর্ধনা স্মারক গ্রহণ করেন একই শিক্ষাবর্ষের কনক চাকমা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. আনন্দ বিকাশ চাকমার কাছ থেকে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র গ্রহণ করেন লাল জুঁই লুসাই এবং ফুল ও সংবর্ধনা স্মারক গ্রহণ করেন একই শিক্ষাবর্ষের দর্শনা চাকমা।

মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ আল-আমীন মহোদয় বলেন, আদিবাসী শিক্ষার্থীরা স্ব স্ব জনগোষ্ঠীর অগ্রসর শিক্ষিত অংশ। কাজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে সমাজ, জাতি তথা দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। পাহাড়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অপরিসীম। জানার জন্য পড়তে হবে, নিজেকে আলোকিত করতে হবে। অর্জিত শিক্ষা সমাজের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সকল ধরনের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আগামীতেও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যেও যারা পিছিয়ে তাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে আসার জন্য রাষ্ট্র তথা মূল স্রোতধারার জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি আদিবাসীদের অগ্রসর অংশকেও সর্বাত্মক চেষ্টা করে যেতে হবে। প্রান্তিক অনেক জনগোষ্ঠী এখনো শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। সকলের শিক্ষার সুযোগ যেন নিশ্চিত হয় তার জন্য সকলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত।

অধ্যাপক ড. কাঞ্চন চাকমা বলেন, পড়াশোনায় মনযোগী হওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক মান এগিয়ে নিতে হবে। আদিবাসী শিক্ষার্থীদের গবেষণার দিকেও এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জিত শিক্ষা ও মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আগত জীবন ও সমাজের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা রাখতে হবে। আদিবাসী শিক্ষার্থীরা তাদের ভাষা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় যেন তাদের দায়িত্ববোধকে ভুলে না যায়।

শ্রী সুমন মারমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে জুম্ম জনগণের সমাজব্যবস্থা এখনো পশ্চাৎপদ হওয়ায় আমাদের মধ্যে শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস লালন করার প্রবণতা আশংকাজনকভাবে কম দেখা যায়। ব্রিটিশরা সর্বপ্রথম পার্বত্য চট্টগ্রাম সরাসরি দখলের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের ওপর শোষণ-বৈষম্যের সূচনা করেছিল। এই অঞ্চলের মানুষ তখনকার সময় থেকেই তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। বর্তমান সময়েও পাহাড় ও পাহাড়ের মানুষের অবস্থান পূর্বের মতোই থেকে গেছে আত্ম পরিচয়ের সংকট ও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চনার পরিবেশ নিয়ে।

তিনি আরও বলেন, প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সেই শিক্ষাকে জাতি ও সমাজের প্রয়োজনে কাজে লাগাতে হবে। শিক্ষার উদ্দেশ্য হবে আমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি লাভ করা। পার্বত্য অঞ্চলে জুম্ম জনগণ সমাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে মুক্ত নয়। ১৯৯৭ সালের জুম্ম জনগণের পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যকার স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি এখনো অবাস্তবায়িত রাখা হয়েছে। যার ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের জন্য ন্যায্যতা নিশ্চিত হয়নি। চুক্তির শতভাগ বাস্তবায়ন হলে পাহাড়ের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা বহুগুণে সমাধান হতো।

অধ্যাপক ড. আনন্দ বিকাশ চাকমা বলেন, পাহাড়ের পূর্বের তুলনায় বহুগুণে শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও আমাদের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে। সমতল থেকে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া ক্যাম্পাসের বৈচিত্র্যের সৌন্দর্যকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার স্রোত থেকে বিচ্যুত হওয়া যাবে না। সকলে মিলে আমরা যেন এই ক্যাম্পাসে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের ভিত্তি রচনা করতে পারি। সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই শিক্ষা গ্রহণকে সবার আগে প্রাধান্য দিতে হবে।

শ্রীমতি গৈরিকা চাকমা বলেন, পাহাড়ে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করতে গিয়ে আমি বহুকিছু স্মৃতিচারণ করতে পারি। এই দায়বোধ থেকে পাহাড়ের বাতিঘর খ্যাত মোনঘরকে আমি ছেড়ে যেতে পারিনি। পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শিক্ষা না থাকলে আমরা কন্ঠস্বর উঁচুতে তুলতে পারবো না। সামগ্রিক ভাবে এগিয়ে যেতে পারবো না। তাই আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সবার আগে নিজের জাতি ও শেকড়কে ভালোবাসতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অন্তর চাকমা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সমাজের অগ্রসর ও অগ্রগামী অংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানের জগতে আপনারা পদার্পণ করে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলবেন। মুক্তবুদ্ধি চর্চার ক্ষেত্র হিসেবে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শেখার বহুকিছু আছে। বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে আপনারা জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবেন। সেই জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে বিলিয়ে দিবেন সমাজের জন্য। সবকিছুর পাশাপাশি আমাদের সকলকে পাহাড় নিয়ে অবদান রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে সমাজ ও দেশের কল্যাণে নিজেকে সমর্পিত করার চেষ্টা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মানবেন্দ্র লারমারা তৎকালীন সময়ে আত্মমুখী চিন্তা না করে জাতির কল্যাণে কাজ করে গিয়েছেন। নিজের শেকড়কে বাঁচিয়ে রাখতে তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমাদের সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে অবদান রাখা উচিত।

উলিসিং মারমা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নিজেদের শেকড় ও সংস্কৃতি চর্চার ও তুলে ধরার জায়গা। এই মহাবিশ্বে আমাদের জাতীয় সত্ত্বা যেন সমুন্নত রাখতে পারি সেভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। আমরা অনেকেই সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে রাজনৈতিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত থাকতে চাইনা। যদিও আমাদের প্রত্যেকের জীবনে রাজনৈতিক প্রভাব বিদ্যমান থাকে। সেজন্য অন্তত রাজনীতি সচেতন হওয়াটা আমাদের জরুরি। সমাজ ও সামগ্রিকতার কথা চিন্তা করে শিক্ষিত সমাজকে এখানে অর্জিত জ্ঞানকে নিজ জাতি ও দেশের স্বার্থে কাজে লাগাতে হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি এনতেস চাকমার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ এর আলোচনা সভা পর্বের সমাপ্তি ঘটে। আলোচনা সভা শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আদিবাসী শিক্ষার্থীবৃন্দ ও রঁদেভূ শিল্পীগোষ্ঠী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা ও অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বার্তা প্রেরক,
রিশন চাকমা
তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
পিসিপি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্দ্যোগে আয়োজিত আজকের নবীণ বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২...
24/07/2026

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্দ্যোগে আয়োজিত আজকের নবীণ বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন।

উক্ত অনুষ্ঠানে আপনারা সকলে সবান্ধব আমন্ত্রিত।

সময় : দুপুর ২:৩০ ঘটিকা।
সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তন,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশেষ ঘোষণা:সুধী, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ ...
14/07/2026

বিশেষ ঘোষণা:

সুধী,
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। আগামী ২২ জুলাই ২০২৬ (বুধবার) সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিতব্য “নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা - ২০২৬” অনুষ্ঠানটি অনিবার্য কারণবশত দুই দিন পিছিয়ে আগামী ২৪ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার) পূর্বতন স্থান ও সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে অনুষ্ঠানটি সাফল্যমণ্ডিত করতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

শুভেচ্ছান্তে,
রিবেক চাকমা
সাধারণ সম্পাদক,
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির পার্বত্য চট্টগ্রামের মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর অর্ধ-বার্ষিক (জানুয়ারি-জুন ২০২৬) প্রতিব...
01/07/2026

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির পার্বত্য চট্টগ্রামের মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর অর্ধ-বার্ষিক (জানুয়ারি-জুন ২০২৬) প্রতিবেদন।

“জুম পাহাড়ের তরুণ প্রাণ,শেকড়ের তরে শিক্ষাই হোক মোদের মুক্তির গান”নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা - ২০২৬সুধী,পার্বত্য চট্টগ্রাম...
30/06/2026

“জুম পাহাড়ের তরুণ প্রাণ,
শেকড়ের তরে শিক্ষাই হোক মোদের মুক্তির গান”

নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা - ২০২৬

সুধী,
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। আগামী ২২ জুলাই ২০২৬, বুধবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন আদিবাসী শিক্ষার্থীদের বরণ এবং ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমিন। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগ্রামী সহ-সভাপতি এনতেস চাকমা।

উক্ত অনুষ্ঠানে আপনার সবান্ধব উপস্থিতি ও সহযোগিতা অনুষ্ঠানকে সুন্দর ও সার্থক করবে এবং আমাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

শুভেচ্ছান্তে,
প্রিয় জ্যোতি চাকমা(রিবেক)
সাধারণ সম্পাদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি২৭ জুন ২০২৬চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চবিতে শহীদ মনতোষ, সমর বিজয়, সুকেশ ও রুপম চাকমার ৩০তম শহীদ দিবসে স্মরণস...
27/06/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৭ জুন ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চবিতে শহীদ মনতোষ, সমর বিজয়, সুকেশ ও রুপম চাকমার ৩০তম শহীদ দিবসে স্মরণসভা ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন অনু্ষ্ঠিত

আজ ২৭ জুন ২০২৬ (শনিবার) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ মনতোষ, সমর বিজয়, সুকেশ ও রুপম চাকমার ৩০তম শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক প্রেনঙি ম্রো'র সঞ্চালনায় এবং সহ-সভাপতি এনতেস চাকমার সভাপতিত্বে স্মরণসভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পিসিপি, চবি শাখার সদস্য বিপুল তঞ্চঙ্গ্যা। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ চবি শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিজক চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক রিবেক চাকমা প্রমুখ।

সভার শুরুতে জুম্ম জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই-সংগ্রামে এযাবৎ যারা যারা শহীদ হয়েছেন তাঁদের সকলের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

রিবেক চাকমা বলেন, জুম্ম জনগণের লড়াই সংগ্রামকে স্থিমিত করার অংশ হিসেবে কল্পনা চাকমা অপহরণ ও তার প্রতিবাদে অবরোধ করতে গিয়ে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়িতে ভিডিপি ও স্যাটেলারদের দ্বারা মনতোষ, সুকেশ, সমর বিজয় ও রুপম চাকমাদের হত্যা ও ঘুমের শিকার হতে হয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে জাতি ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধের অংশ হিসেবে নিজেদের জীবনকে বিলিয়ে দিয়ে সংগ্রামী চেতনার নজির তারা স্থাপন করে গেছেন।

তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত জুম্ম জনগণের লড়াই-সংগ্রাম পরিচালিত করতে গিয়ে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন পাহাড়ের বহু হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। এই লড়াইয়ের এক পর্যায়ে পার্বত্য চুক্তির মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ সরকার আমাদের অস্তিত্ব ও স্বতন্ত্রতাকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হলেও সরকার চুক্তি বাস্তবায়নে জুম্ম জনগণের মতো উদারতা দেখাতে পারেনি। যার কারণে পাহাড়ের মানুষের আজও ভাগ্যে কোন পরিবর্তন আসেনি। পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বেদখল,জাতিগত নিপীড়ন, হত্যা, ধর্ষণ চুক্তির পূর্বের ন্যায় এখনো বহাল রয়েছে। পরিস্থিতি দিনে দিনে আরো জটিল থেকে জটিলতর আকার ধারণ করছে। পাহাড়ী অধিবাসী জনগণকে পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু থেকে সংখ্যালঘুতে পরিণত করা হচ্ছে। বর্তমান জুম্ম সমাজের এই কঠিন পরিস্থিতিতে অগ্রসর অংশ হিসেবে ছাত্র সমাজকে অবশ্যই এগিয়ে এসে তার ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। জুম্ম জনগণকে শাসকগোষ্ঠী যে গলা টিপে রেখেছে এই বন্ধনকে ছিন্ন করতে হবে।

বিজক চাকমা বলেন, যুগে যুগে নিপীড়িত জুম্ম জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণোধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তরুণ প্রজন্ম তার লড়াকু ভূমিকা পালন করে গিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ঘটে যাওয়া কল্পনা চাকমার অপহরণ ঘটনার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধে সমর বিজয় ও সুকেশ চাকমারা হত্যা ও ঘুমের শিকার হন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে তাদের দমে না যাওয়া সংগ্রামের ভূমিকা তরুণ প্রজন্মকে লড়াইয়ে আরো অনুপ্রাণিত করে। বর্তমান সময়েও জুম্ম জনগণের ভাগ্যের আকাশে ঘনঘটা আরো ঘনীভূত হবে যদি না যুব সমাজ লড়াই-সংগ্রামে তার ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করা থেকে বিরত থাকে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৭ সালে সাক্ষরিত পার্বত্য চুক্তির বহু বছর গড়িয়ে গেলেও বাংলাদেশের উগ্র জাত্যভিমানী ও সাম্প্রদায়িক সরকারের অনীহা ও জুম্ম স্বার্থ পরিপপন্থী গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্রের কারণে জুম্ম জনগণের রাজনৈতিক অধিকার এখনো প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। শাসকগোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক বিভাজন ধরিয়ে জুম্ম জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে চাই। এই ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে পাহাড়ের তরুণ প্রজন্মকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সর্বদা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান গ্রহন করতে হবে। পাহাড়ে একদিন আলো জ্বলবে এই বিশ্বাস ও আস্থা আমাদের রাখতে হবে। শহীদদের আত্মবলিদানকে স্মরণ করে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমাদের ঐক্য ও লড়াইকে আরো সুদৃঢ় করতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে বিপুল তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে অসংখ্য বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছে। এসব হত্যাকান্ডের মাধ্যমে যেসব বীরদের আমরা হারিয়েছি তার মধ্যে কল্পনা চাকমা অন্যতম। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তাঁকে নিজ বাসা থেকে অপহরণ করা হয়। তারই প্রতিবাদে অবরোধ পালনকালে হত্যা ও গুমের শিকার হন শহীদ মনতোষ, সুকেশ, সমর বিজয় ও রুপমেরা। বর্তমানেও জুম্ম জনগণের সাম্প্রতিক বাস্তবতায় ১৪ টি জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্ব রক্ষার সনদ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করতে ছাত্র ও তরুণ প্রজন্মকে লড়াইয়ের কোন বিকল্প নেই। বহুমূখী সংগ্রামের অংশ হিসেবে আমাদেরকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারুণ্যের উদ্যম ও শক্তিকে জুম্ম জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে কাজে লাগাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামের গণমানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। লড়াই-সংগ্রাম করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন তাঁরা শিখিয়ে গেছেন জুম্ম জনগণকে টিকে থাকতে হলে লড়াই-সংগ্রাম ব্যতীত অন্যকোন পথ আমাদের মাঝে অবশিষ্ট নেই।

সভাপতির বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আয়োজিত মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও স্মরণসভাটির সমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য যে, ১৯৯৬ সালের ১২ জুন পাহাড়ের নারী নেত্রী কল্পনা চাকমা বাঘাইছড়ির নিউ লাল্যাঘোনা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ফেরদৌস, ভিডিপি সদস্য সালেহ আহমেদ ও মোঃ নুরুল হক কর্তৃক অপহৃত হন। কল্পনা চাকমা হিল উইমেন্স ফেডারেশনের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তাঁকে অপহরণের ঘটনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম সহ সারাদেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। ১৯৯৬ সালের ২৭ জুন কল্পনা চাকমা অপহরণের প্রতিবাদে ও কল্পনার সন্ধান চেয়ে পাহাড়ী গণ পরিষদ, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের আহ্বানে বাঘাইছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা নৌ ও সড়ক পথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। অবরোধ পালনকালে রুপম চাকমা (১৬) ভিডিপি’র গুলিতে শহীদ হন। অন্যদিকে মনতোষ চাকমা (২০), সমর বিজয় চাকমা (১৮) ও সুকেশ চাকমা (১৬) সেটেলার বাঙালি কর্তৃক গুমের শিকার হন। তাঁদের লাশ আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

বার্তা প্রেরক,
রিশন চাকমা
তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
পিসিপি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

পিসিপি’র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত কেওক্রডং ম্যাগাজিন পাওয়া যাচ্ছে গৌরবময় সংগ্রামের ৩৭ বছর উপলক্ষ্যে পিস...
22/06/2026

পিসিপি’র ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত কেওক্রডং ম্যাগাজিন পাওয়া যাচ্ছে

গৌরবময় সংগ্রামের ৩৭ বছর উপলক্ষ্যে পিসিপি'র মুখপত্র “কেওক্রডং” এর বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। এই সংখ্যাতে সংযোজিত হয়েছে পিসিপি'র প্রাক্তন ও বর্তমান নেতৃবৃন্দের বিভিন্ন লেখনী যেখানে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংগ্রামের ইতিহাস, পাহাড়ের বাস্তবতার চিত্র, মতামত ও বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধ, দ্রোহী কবিতা।

শুভেচ্ছা মূল্য: ২০০ টাকা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে কেওক্রডং ম্যাগাজিন সংগ্রহ করতে যোগাযোগ:
• 01571229368-রিবেক
• 01575680219-প্রেনঙি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি১২ জুন ২০২৬, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কল্পনা চাকমা অপহরণের তিন দশকঃ অপহরণ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শ...
12/06/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১২ জুন ২০২৬,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

কল্পনা চাকমা অপহরণের তিন দশকঃ অপহরণ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে চবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

আজ ১২জুন ২০২৬ কল্পনা চাকমা অপহরণের তিন দশক পূর্তিতে অপহরণ ঘটনায় অভিযুক্ত লে. ফেরদৌস, মো. সালেহ আহমেদ, মো. নুরুল হক গংদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট চত্বরে বিকাল ৪:০০ ঘটিকায় এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চবি শাখার সহ-সভাপতি এনতেস চাকমার সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক প্রেনঙি ম্রো'র সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পালি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অর্ক বড়ুয়া।

এছাড়াও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চবি শাখার সাধারণ সম্পাদক রিবেক চাকমা, ছাত্র ইউনিয়ন, চবি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক জেস চাকমা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দীপেন বিকাশ ত্রিপুরা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী জাল্লাং এনরিকো কুবি ও সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী কথি ম্রো প্রমুখ।

রিবেক চাকমা বলেন, কল্পনা চাকমা অপহরণের ঘটনা পাহাড়ি নারী তথা পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের এক নির্মম দৃষ্টান্ত। ত্রিশটা বছর পরও রাষ্ট্র কল্পনা চাকমার খোঁজ দিতে পারেনি, চিহ্নিত অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনতে পারেনি। যা দেশের বিচারব্যবস্থার দৈন দশাকে ইঙ্গিত করে। একইসাথে জুম্ম জনগণের ওপর রাষ্ট্রের মনোভাবকেও তুলে ধরে।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা, ভূমি বেদখল, ইসলামীকরণ, রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক তল্লাশির নামে হয়রানিসহ প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা সংগঠিত হচ্ছে। কিন্তু শুধুমাত্র জনরোষকে শান্ত করার জন্য অপরাধীদের আটক করে দুইদিন পর জামিনে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। অপরাধীরা দিবালয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় কিন্তু প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে অপরাগ। যা পাহাড়ি জনগণকে আরও নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং অপরাধীদের এমন অপরাধ সংঘটিত করতে উৎসাহ যোগাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় পাহাড়ের জুম্ম জনগোষ্ঠীর অধিকার ফিরে পায়নি। চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো অবাস্তবায়িত রেখে রাষ্ট্রব্যবস্থার অভ্যন্তরের একটি গোষ্ঠী চুক্তি বাস্তবায়নে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তারা চুক্তিকে নিয়ে নানা অপপ্রচার চালিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছে এবং চুক্তি বিরোধী গোষ্ঠীকে মদদ দিয়ে যাচ্ছে নানা ভাবে। যা জুম্ম জনগণের অস্তিত্বকে আরও সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জেস চাকমা বলেন, কল্পনা চাকমার অপহরণের পর চাপে পড়ে সরকার একটি প্রহসনের তদন্ত করেছে। পাহাড়ের মানুষ প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় বিশ্বাস রেখে সুবিচার পাওয়ার আশা করেছিলো। কিন্তু আজ এতো বছর পর সেই আশার মর্যাদা রাষ্ট্র রাখতে পারেনি। একইভাবে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বরও জুম্ম জনগণের সাথে করা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিও সরকার বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেনি। সরকার বারবার পাহাড়ি জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করেছে।

দীপেন বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমরা অধিকার ও মর্যাদার সাথে বেঁচে থাকতে চাই। কিন্তু রাষ্ট্র ব্যবস্থা সেটা হতে দিচ্ছে না। আজকে কল্পনা চাকমার অপহরণের তিন দশক আমাদের বুঝিয়ে দেয় পাহাড়ের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়াটা কতোটা কঠিন। রাষ্ট্রের এই বৈষম্য আমরা মেনে নিতে পারি না।

জাল্লাং এনরিকো কুবি বলেন, দীর্ঘ ত্রিশ বছর পরে এসেও আমরা কল্পনা চাকমার হদিস এখনো পাইনি। পাহাড়ে এতো এতো নিপীড়ন,আগ্রাসন সংঘটিত হয়েছে এবং হচ্ছে যে, বছরের পুরোটা কোনো না কোন বিচারের দাবি নিয়ে আমাদের মাঠে নামতে হয়, কথা বলতে হয়। বাংলাদেশ রাষ্ট্র পাহাড়ি মানুষের জন্য কখনো সুবিচার নিশ্চিত করেতে পারেনি। কল্পনা চাকমা অপহরণের ত্রিশ বছরে পরে চিহ্নিত অপহরণকারীদের গ্রেফতার করতে না পারা এদেশের বিচার ব্যবস্থার জন্য সত্যিই লজ্জ্বাজনক।

কথি ম্রো বলেন, কল্পনা চাকমার অপহরণের ত্রিশটা বছর পার হয়ে গেলেও কল্পনা চাকমা কোথায় তার পরিবার আজও জানে না। বর্তমান সরকারকে এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি অবসান করতে হবে। পাহাড়ের জনগণ সত্য ও ন্যায় বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের লড়াই চালিয়ে যাবে।

পরবর্তীতে সভাপতির বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আয়োজিত সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে। সমাবেশ পরবর্তী এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি জিরো পয়েন্ট চত্বর থেকে শুরু হয়ে কাটাপাহাড় রোড হয়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

বার্তা প্রেরক,
রিশন চাকমা
তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

"পার্বত্য চট্টগ্রামে অপারেশন উত্তরণের নামে সেনাশাসন প্রত্যাহার কর"কল্পনা চাকমা অপহরণের ৩ দশকঅপহরণ ঘটনায় অভিযুক্ত লে. ফের...
09/06/2026

"পার্বত্য চট্টগ্রামে অপারেশন উত্তরণের নামে সেনাশাসন প্রত্যাহার কর"

কল্পনা চাকমা অপহরণের ৩ দশক

অপহরণ ঘটনায় অভিযুক্ত লে. ফেরদৌস, মো: সালেহ আহম্মেদ, মো: নুরুল হক এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

১২ জুন ২০২৬, শুক্রবার, বিকাল ৪:০০ ঘটিকা
জিরো পয়েন্ট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ।

Address

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
Chittagong
4331

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা:

Shortcuts

Share