হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট - ই, সি নং -১৪০৭৬

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট - ই, সি নং -১৪০৭৬

হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট - ই, সি নং -১৪০৭৬ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট - ই, সি নং -১৪০৭৬, Social service, গ্রাম: পশ্চিম অলিনগর, ডাকঘর : করেরহাট, থানা : জোরারগন্জ, উপজেলা : মিরশরাই, চট্টগ্রাম।, Chittagong.

হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট (ই, সি নং -১৪০৭৬): চট্টগ্রাম জেলার মিরশরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের পূর্ব ও পশ্চিম অলিনগর মৌজায় অবস্থিত একটি ট্রাস্টে রাখা এবং দাতব্য বা ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সম্পত্তির একটি ইসলামিক দান।

29/04/2026
28/04/2026

♻️ ইমানের ট্রানফিউশন।

▪️দেশের মানুষ ইমানি শক্তি পায় শহিদদের রক্তদান থেকে। রক্তশূন্য মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে হলে রক্তের ট্রানফিউশন জরুরি নইলে সে বাঁচে না। তেমনি ইমানশূন্য জাতিও ইমানের ট্রানফিউশন চায়। নইলে সে জাতির মাঝেও ইসলাম বাঁচে না। জাতি সে ট্রানফিউশন পায় শহিদের রক্তের মাধ্যমে। তাই যে দেশে শহিদ জন্ম দিতে জানে না সে দেশে ইমানি বলে বলীয়ান মানুষ বেড়ে উঠে না। তখন বাড়ে আজাব আসে ইসলামের পরাজয়। অধিকৃতি বাড়ে শয়তানি শক্তির। এজন্যই অতীতে মুসলিম শাসকগণ নিজ দেশের ওপর কোন অমুসলিমদের হামলা না হলে নিজেরাই কাফির অধ্যুষিত দেশে হামলা করত। নইলে বাংলাদেশ অবধি কি ইসলাম আসত? শহিদদের রক্তের বলেই সম্পদের দরিদ্র আফগানিস্তান আজ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। দেশটির জনসংখ্যা বাংলাদেশের ৬ ভাগের এক ভাগের এক ভাগেরও কম। দেশটির মুজাহিদগণ সোভিয়েত রাশিয়ার মত একটি বিশ্বশক্তিকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ৪০টি দেশের সম্মিলিত ন্যাটো বাহিনীকে। সমগ্র মুসলিম ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রক্ত দিয়েছিল আরবের মুসলমানগণ। ফলে তাদের সাহায্যে আল্লাহর ফেরেশতাগণও সবচেয়ে বেশি সংখ্যা য় সে আরব ভূমিতে নেমে এসেছেন। হলে অন্যদের পক্ষে তাদের পরাজিত করা সম্ভব হয়নি। তাদের রক্তের বদৌলতেই পারস্য ও রোমান-এ উভয় সাম্রাজ্যকে পরাজিত করে মরুবাসী দরিদ্র মুসলমানগণ আবির্ভূত হয়েছেন সবচেয়ে শক্তিশালী বিশ্বশক্তি রূপে। বাংলাদেশও একইভাবে বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ শক্তিরূপে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে অন্যভাবে নয়।
এতকাল বাংলাদেশে মসজিদ মাদরাসা বিপুলভাবে বেড়েছে কিন্তু বাড়েনি আল্লাহর রাস্তায় শহিদের সংখ্যা। ফলে জনসংখ্যা বাড়লেও শক্তি বাড়েনি। প্রচণ্ড অপূর্ণতা রয়ে গেছে দেশবাসীর ইমানে। সে ভয়ানক অপূর্ণতা নিয়েই দেশটি বিশ্বের তাবত দেশকে হারিয়ে দুর্নীতিতে বিশ্বে ৫ বার প্রথম হয়েছে। সে ইমানি অপূর্ণতা নিয়ে মানুষ আওয়ামী লীগের মত ইসলামের চিহ্নিত শত্রুকে ভোট দেবেএবং তার নেতাকে বাংলার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ মানুষ রূপে গণ্য করবে-সেটিই কি স্বাভাবিক নয়? সে ইমানশূন্যতার কারণে ১৭৫৭ সালে সামান্য কয়েক হাজার ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণের মুখে বাংলার ৫০ হাজার সৈন্য একটি গুলিও ছোড়েনি। কোনোরূপ যুদ্ধই করেনি। সব দোষ কি শুধু মীরজাফরের ঘাড়ে চাপানো যায়? বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার মুসলিম রাজধানী মুর্শিদাবাদ দখলের পর সেখানে ইংরেজ বাহিনী যখন বিজয় মিছিল করছিল, শহরের মুসলমানগণ তখন শত্রুর সে বিজয় মিছিলও আনন্দচিত্তে উপভোগ করেছিল। যেন রথ যাত্রা দেখছিল। তাদের যে মহা ক্ষতিটা হয়ে গেল সেটুকু বোঝার সামর্থ্যও তাদের ছিল না। ইমানের একই রূপ অপূর্ণতার কারণে বাঙালি মুসলমানেরা একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় ভারতীয় কাফির বাহিনীর বিজয়কে নিজেদের বিজয় মনে করে উৎসব করেছে। এবং প্রতিবছরই সেটি করে থাকে। যেন পাকিস্তান বাহিনীকে তারা পরাজিত করেছিল। মিথ্যাচার আর কাকে বলে। অথচ সম্পূর্ণ বিপরীত ঘটনা ঘটেছিল আফগানিস্তানে ও ইরানে। ইংরেজ বাহিনী দুটি দেশেই বিপুল প্রস্তুতি নিয়ে হামলা করেছিল। কিন্তু দুটি দেশের সাধারণ জনগণ হাতের কাছে যা ছিল তা দিয়ে ইংরেজ বাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ফলে তাদের রণে ভঙ্গ দিতে হয়েছে। কাবুলের ওপর প্রথমবারের হামলায় সমগ্র সেনাবাহিনীর মাঝে মাত্র একজন ইংরেজ সৈনিক প্রাণ নিয়ে ফিরে আসতে পেরেছিল।
মদিনার জনসংখ্যা সাহাবায়ে কেরামের সময় বাংলাদেশের একটি ইউনিয়নের চেয়ে অধিক ছিল না। কিন্তু সেই মদিনা মাত্র দশ বছরে যত শহীদ জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ কি গত হাজার বছরেও দিয়েছে?
সে সময় মদিনার প্রতিটি গৃহ থেকে শহিদ পয়দা হয়েছে। যখনই আল্লাহর পথে মুসলমানের জানমালের কুরবানি দেওয়া শুরু হয় তখনই তাদের পেছনে আল্লাহর নিজের বিনিয়োগও শুরু হয়। তখন তাদের সাহায্যে মহান আল্লাহর ফেরেশতারাও নেমে আসে। শুধু দুআর কারণে ফেরেশতা নেমে আসার ঘটনা খুব কম। দুআর সাথে মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দার কুরবানিও দেখতে চান। আফগান মুজাহিদদের সাথে আল্লাহর ফেরেশতাগণও যে জিহাদ লড়েছে সেটি বিশ্বাস না করলে কি ইমান থাকে? কারণ আফগানিস্তানের জিহাদ যে শতভাগ খালেস জিহাদ ছিল তা নিয়ে কি কোন মুসলমানের সামান্যতম সন্দেহ আছে? সে বিশ্বাস নিয়েই হাজার হাজার মাইল দূর থেকে মুসলমান ছুটে এসেছে সে জিহাদে।

ইসলাম শান্তি চায় তবে সেটি শত্রুর সামনে জিহাদ শূণ্য আত্মসমর্পণ বা পরাজয়ের শান্তি নয়। কাফির বা মুনাফিকের জীবনে যুদ্ধ বা লড়াই থাকলেও জিহাদ বলে কিছু নাই। অথচ ইমানদারের প্রতিটি যুদ্ধকেই জিহাদ হতে হয়। নইলে মহান আল্লাহর সাহায্য আসে না। নবিজি (সা.) র জীবনে তাই প্রায় প্রতি বছর জিহাদ এসেছে। কোন কোন বছর একটি নয় তাঁকে অনেকগুলো জিহাদ লড়তে হয়েছে। মদিনায় ১০ বছরের জীবনে তিনি ৫০ টির বেশি জিহাদ লড়েছেন। আজও মুসলমানদের জীবনে ভিন্ন রীতি থাকতে পারে কি? ছাত্রের জীবনে প্রতি বছর যেমন পরীক্ষা থাকে তেমনি মুমিনের জীবনেও নিয়মিত পরীক্ষা থাকে। জিহাদ তো সে পরীক্ষা। পবিত্র কুরআনে তাই বলা হয়েছে "তোমরা কি মনে কর যে এমনিতেই জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ তোমাদের মধ্যে কে জিহাদ করেছে এবং কে ধৈর্যশীল সে বিষয়টি আল্লাহ এখনও প্রকাশ করেন নাই।"-সুরা ইমরান আয়াত ১৪২

▪️বিশাল সম্ভাবনা

অতি খুশির কথা এবং সে সাথে অতি আশার কথা অতি দেরিতে হলেও বাংলাদেশেও ইসলামি দলগুলো আন্দোলনমুখী হয়েছে। প্রতিটি জিহাদই উম্মাহর মাঝে প্রচণ্ড সম্ভাবনা নিয়ে আসে। বড় সম্ভাবনা আল্লাহর সাহায্যপ্রাপ্তির। মুসলমানদের হাতে বাংলাদেশও জিহাদ অর্জিত হয়নি। আজও জিহাদ ছাড়া ইসলামের বিপক্ষ শক্তির হাত থেকে মুক্তি মিলবে কি? বরং সত্য তো এটাই মুসলমানদের সমগ্র অতীত ইতিহাসে জিহাদ ছাড়া কিছুই অর্জিত হয়নি। জিহাদ শুধু জান্নাত লাভের দরজাই নয় পার্থিব জীবনে আল্লাহর রহমত লাভের দরজাও। বাংলাদেশের এ জিহাদ কোন সেক্যুলার ব্যক্তিকে ক্ষমতায় বসানোর লড়াই নয় বেতন বৃদ্ধির দাবি নিয়ে সংগ্রামও নয়। কোনো দেশ দখলের জিহাদও নয়। বরং স্রেফ মহান আল্লাহ সুবহানা ওয়া তায়ালা ও তাঁর মহান রাসুলের ইজ্জত রক্ষার জিহাদ। আল্লাহর সাহায্য লাভের এরচেয়ে বড় ওসিলা আর কী হতে পারে? মুরতাদের ফাঁসির দাবির সাথে তাই কোন ইমানদারের গাদ্দারির কোন সুযোগ নাই। এ জিহাদে লক্ষ লক্ষ মানুষ যেমন রাজপথে নেমে এসেছে তেমনি অর্থদান ও প্রাণদানও শুরু হয়েছে। এটি এক বিশাল আশাপ্রদ দিক। এ জিহাদের লক্ষ্য শুধু মুরতাদদের ফাঁসি নয় নিছক শেখ হাসিনার পতন নয় শুধু রাসফেমি আইন প্রবর্তন বা শরিয়তের প্রতিষ্ঠাও নয় বরং আল্লাহর দ্বীনের পরিপূর্ণ বিজয়। বিশ্বের এ প্রান্তটিতে ইসলামি শক্তির উন্মেষ ও মুসলিম সভ্যতার নির্মাণ তো একমাত্র এ পথেই হতে পারে। ইমানদার হওয়ার এ এক বিশাল দায়বদ্ধতা। কোন মুসলমান কি সে দায়ভার অস্বীকার করতে পারে? অস্বীকার করলে সে কি মুসলমান থাকে?

▪️ নুতন বাস্তবতায় নূতন শপথ।

২০০৯-২০২৪ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের নামে স্বৈরাচারের রূপ ধারণ করেছিল। অত্যাচার জুলুম-নিপীড়নের দুঃশাসন চালিয়েছে বাংলাদেশের নিরীহ জনগণের ওপর। হত্যা করেছে শত শত ছাত্রসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ জনগণের রক্তাক্ত বিপ্লবের ফলে স্বৈরাচারী হাসিনাকে চোরের মতো দেশ থেকে ক্ষমতা ছেড়ে পালাতে হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে দেশ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। নূতন এক বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নে পুরো দেশ একটি নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পথে ফিরে যেতে আকুল হয়ে অপেক্ষা করছে। এই নূতন বাস্তবতার নিরিখে দেশের মানুষ আমাদের হারানো সকল সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফিরে পেতে চায়।

(ভারতীয় আধিপত্যবাদের কালো ছায়া বই অবলম্বনে ,লিখক: বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) এইচ আর এম রোকন উদ্দিন,পি এস সি,পি এইচ ডি)

Address

গ্রাম: পশ্চিম অলিনগর, ডাকঘর : করেরহাট, থানা : জোরারগন্জ, উপজেলা : মিরশরাই, চট্টগ্রাম।
Chittagong
4327

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট - ই, সি নং -১৪০৭৬ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to হাজী ছৈয়দের রহমান চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট - ই, সি নং -১৪০৭৬:

Shortcuts

Share

Category