26/08/2022
সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
------------------------------------------------
একটি আদর্শচ্যুত, বিপদগামী, দুর্নীতিবাজ ও সুযোগ-সন্ধানী চক্র গত কয়দিন ধরে বঙ্গবন্ধু পরিষদের নাম ব্যবহার করে একটি ভুয়া কমিটি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। তারা সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন সদস্যকেসহ সোনালী ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও বানোয়াট তথ্য শুনিয়ে ও পদ দেয়ার লোভ দেখিয়ে তাদের তথাকথিত ভুয়া কমিটিতে ভেড়ানোর চেষ্টা করছে।
সবার সদয় অবগতির জন্য নিম্নে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা হলঃ
বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ১নং উপদেষ্টা শ্রদ্ধেয় ডাঃ এস এ মালেক স্যার কর্তৃক স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে কিছুদিন আগে বিতর্কিত 'বঙ্গবন্ধু পরিষদ, সোনালী ব্যাংক কেন্দ্রীয় কমিটি' -কে স্থগিত করা হয়েছে এবং সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদককে আহ্বায়ক করে ১৫ দিনের মধ্যে সবার সাথে আলোচনার ভিত্তিতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি গঠন করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ইতোমধ্যে ১৫ দিন অতিক্রান্ত হলেও তিনি কারো সাথে আলোচনা করেননি, আহ্বায়ক কমিটিও গঠিত হয়নি। যদি ভবিষ্যতে আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়ও, উক্ত কমিটির একমাত্র কাজ হল সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন। কোন জেলা বা বিভাগীয় কমিটিকে অনুমোদন দেয়ার এখতিয়ার উক্ত গঠিতব্য আহ্বায়ক কমিটির নেই, পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন হলে তারাই কেবল বিভাগীয় বা জেলা কমিটি অনুমোদন করতে পারবে। সুতরাং কতিপয় চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, ধান্দাবাজ কর্তৃক সোনালী ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলে একটি ভুয়া কমিটি গঠন করে ঢাকা থেকে অনুমোদন করিয়ে নেয়ার বর্তমানে কোন সুযোগই নেই।
প্রিয় সাথীবৃন্দ, আপনারা সকলে জানেন কতিপয় ধান্দাবাজ, চাঁদাবাজ, ট্রান্সফার বাণিজ্যকারী, লুটেরাদের হাত থেকে সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলকে রক্ষা করা, সংগঠনের হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনা, বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত আদর্শকে বাস্তবায়নের ব্রত নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত আদর্শের ধারক-বাহক ত্যাগী লোকদের নিয়ে গত ২৮ আগস্ট, ২০২১ তারিখে সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের কমিটি গঠন করে আমরা প্রায় ১ বছর ধরে সংগঠন পরিচালনা করে আসছি।
প্রিয় সাথীরা, গত এক বছরে আমাদের সাফল্য হল আমরা আমাদের প্রিয় ব্যাংক সোনালী ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলকে চাঁদাবাজী মুক্ত, দুর্নীতি মুক্ত করতে পেরেছি। এখন বৃহত্তর চট্টগ্রামের ব্রাঞ্চ ম্যানেজারগণসহ সর্ব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চাঁদাবাজীর আতংকে ভুগে না, চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের গালিগালাজ ও হুমকি-ধামকিতে ভয় পায় না।
আসুন সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের আকাঙ্ক্ষায় নিজ নিজ কর্মস্থলে নিঃশঙ্ক চিত্তে কাজ করি, চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজ চক্রকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করি।
প্রিয় ভাই-বোনেরা, আপনারা মনে রাখবেন রাত যত গভীর হয়, ভোর তত নিকটবর্তী হয়। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানীদের ষড়যন্ত্র, নির্যাতন সহ্য করেছেন, কিন্তু কখনও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি, বঙ্গবন্ধুর সৈনিকেরাও কখনও অন্যায়-অবিচার, দমন-পীড়নের কাছে মাথা নত করবে না, আদর্শ থেকে বিচ্যুত হবে না। এক মাঘে শীত যায় না।
জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
জান মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্, সভাপতি
খালেদ রশিদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি
রানা অমিতাভ দাশ গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক
সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ
বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল।