প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন

প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন অরাজনৈতিক সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংঘটন।

হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যার প্রধান লক্ষণ হলো তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত), সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এব...
30/03/2026

হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যার প্রধান লক্ষণ হলো তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত), সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং এরপর সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়া [১, ২, ১২]। সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের ১০-১৪ দিন পর লক্ষণগুলো দেখা দেয় [৪]। এর আগে মুখে, বিশেষ করে গালে, ছোট সাদা দাগ (Koplik spots) দেখা যেতে পারে [১২]।

হামের প্রধান লক্ষণসমূহ:
উচ্চ জ্বর: হঠাৎ ১০৩°-১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত জ্বর উঠতে পারে [১২, ১৩]।
সর্দি ও কাশি: নাক দিয়ে পানি পড়া এবং শুকনো কাশির সমস্যা [৬, ১১]।
চোখ লাল হওয়া ও পানি পড়া: চোখ লাল হওয়া, জ্বালা করা, এবং আলোতে সংবেদনশীলতা (কনজাঙ্কটিভাইটিস) [১, ৬]।
লালচে ফুসকুড়ি (Rash): লক্ষণ শুরু হওয়ার ৩-৫ দিন পর প্রথমে কানের পেছনে ও মুখের রেখা বরাবর লালচে দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা পরে ধীরে ধীরে ঘাড়, বুক, পিঠ এবং সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে [৯, ১২]।
মুখে সাদা দাগ (Koplik spots): ফুসকুড়ি ওঠার ২-৩ দিন আগে মুখের ভেতরে বা গালে ছোট ধূসর-সাদা দাগ দেখা দেয় [১২, ১৩]।
অন্যান্য: গলা ব্যথা, পেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি এবং খাওয়ার অরুচি [১, ৬]।
সতর্কতা: হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে, তাই লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে আলাদা রাখা এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এমএমআর (MMR) টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত ।

মহান স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহিদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।মহান আল্লাহ যেন সকল শহিদের জান্নাত দান ক...
26/03/2026

মহান স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহিদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।
মহান আল্লাহ যেন সকল শহিদের জান্নাত দান করেন।
আমিন।

সৌজন্য - প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন
নবিপুর- সেনবাগ- নোয়াখালী।

আজকের এই ইদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান আমাদের জন্য শুধু একটি আয়োজন না, বরং ভালোবাসা, ঐক্য আর ভ্রাতৃত্বের এক সুন্দর মিলনমেলা। ❤️...
21/03/2026

আজকের এই ইদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান আমাদের জন্য শুধু একটি আয়োজন না, বরং ভালোবাসা, ঐক্য আর ভ্রাতৃত্বের এক সুন্দর মিলনমেলা। ❤️
যারা সরাসরি উপস্থিত থেকে আমাদের এই আয়োজনকে প্রাণবন্ত করেছেন, এবং যারা দূরে থেকেও আমাদের পাশে থেকে ভালোবাসা ও সাপোর্ট দিয়েছেন—সবার প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অফুরন্ত ভালোবাসা। 🤲
আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা আর সহযোগিতাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও আমরা একসাথে থেকে সমাজের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
সবাইর জন্য রইলো দোয়া—আল্লাহ আমাদের এই ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধনকে আরো মজবুত করে দিন। 🌙✨
— প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন

21/03/2026

আস্সালামু আলাইকুম 🌙

প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদের ভালোবাসা 🤍

ইদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে সকল সদস্য, স্বেচ্ছাসেবী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সন্ধ্যা ৮ :৩০ মিনিটের সময় আমাদের অফিসে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

আসুন, আমরা সবাই একসাথে মিলিত হয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও মজবুত করি 🤝✨

আপনাদের উপস্থিতিই আমাদের আয়োজনকে সফল ও সুন্দর করে তুলবে, ইনশাআল্লাহ।

— প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন

20/03/2026

আস্সালামু আলাইকুম 🌙
প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সকল সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং আমাদের প্রিয় প্রবাসী ভাই-বোনদের জানাই আন্তরিক ভালোবাসা ও ঈদের শুভেচ্ছা — ঈদ মোবারক 🤍
দূরে থেকেও যারা পরিবারের হাসি-খুশির জন্য নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করছেন, আপনাদের ত্যাগ আর ভালোবাসাই আমাদের শক্তি। এই ঈদে হয়তো সবাই একসাথে থাকতে পারিনি, কিন্তু হৃদয়ের বন্ধন সব সময়ই এক থাকে।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের ত্যাগ কবুল করুন, সকল কষ্ট দূর করে দিন, আর আমাদের জীবন ভরে দিন শান্তি, সুখ আর বরকতে। 🤲
প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য রইলো ভালোবাসা, দোয়া আর অফুরন্ত শুভকামনা।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন—এই দোয়া করি সব সময়।
🌙 ঈদ মোবারক 🌙

আসসালামু আলাইকুম 🖤"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্নি ওয়া মিনকুম"🌙দেশের বাহিরে অবস্থানরত সকল প্রবাসি রেমিটান্স যোদ্ধা ভাইদের জানাই...
20/03/2026

আসসালামু আলাইকুম 🖤
"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্নি ওয়া মিনকুম"🌙
দেশের বাহিরে অবস্থানরত সকল প্রবাসি রেমিটান্স যোদ্ধা ভাইদের জানাই পবিত্র ঈদুল ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ঈদ মুবারক।
দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাদের সবাইকে সুস্থ রাখেন ভালো রাখেন আপনাদের ঈদ কাটুক হাসি খুশি আনন্দে।

ঈদ মুবারক

শুভেচ্ছান্তে
প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন
নবিপুর- সেনবাগ নোয়াখালী।

আজ ২০ রমজান। ইসলামের ইতিহাসে এক গৌরবময় ও স্মরণীয় দিন।এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর অশেষ রহমতে মক্কা বিজয় কর...
10/03/2026

আজ ২০ রমজান। ইসলামের ইতিহাসে এক গৌরবময় ও স্মরণীয় দিন।
এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর অশেষ রহমতে মক্কা বিজয় করেন।
এই বিজয় ছিল না প্রতিশোধের,
এই বিজয় ছিল ক্ষমা, দয়া ও মানবতার বিজয়।
যারা একসময় তাঁকে কষ্ট দিয়েছিল, নির্যাতন করেছিল—
তাদের প্রতিও তিনি ঘোষণা করেছিলেন সাধারণ ক্ষমা।
এটাই ছিল ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য—
ক্ষমা, ন্যায় ও মানবতার শিক্ষা।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সেই মহান শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হওয়ার তাওফিক দান করুন।
ইয়া আল্লাহ, আমাদের অন্তরকে ঈমানের আলোয় আলোকিত করুন।
আমিন 🤲

10/03/2026

‎‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল ক্বদ্‌রের অনুসন্ধান কর।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২০১৭
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

বদর যুদ্ধ: ইতিহাসের বাঁক বদলের ঘটনামদিনা থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে বদর প্রান্তর। আজ থেকে প্রায় ১৪০০ বছর আগে এই স্থান...
07/03/2026

বদর যুদ্ধ: ইতিহাসের বাঁক বদলের ঘটনা
মদিনা থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে বদর প্রান্তর। আজ থেকে প্রায় ১৪০০ বছর আগে এই স্থানেই সংঘটিত হয়েছিল ইসলামের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী যুদ্ধ—বদর যুদ্ধ। সামরিক দিক থেকে এই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈন্যদের সংখ্যা ছিল খুব কম, কিন্তু এর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। কোরআনে আছে. ‘আরও জেনে রাখো যে তোমাদের গনিমতে (যুদ্ধে যা লাভ করা হয় তার এক-পঞ্চমাংশ) আল্লাহর, রাসুলের, রাসুলের স্বজন, পিতৃহীন দরিদ্র ও পথচারীদের জন্য, যদি তোমরা বিশ্বাস কর আল্লাহ এবং তার ওপর যা ফুরকানের দিন (বদরের যুদ্ধের দিন) আমি আমার দাসের ওপর অবতীর্ণ করেছিলাম, যখন দুই দল পরস্পরের মোকাবিলা করছিল। আর আল্লাহ্ তো সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।’ (সুরা আনফাল, আয়াত: ৪১)
এই দিনকে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা ‘সিদ্ধান্তের দিন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বদরের যুদ্ধ শুধু একটি যুদ্ধ ছিল না, এটি ছিল মদিনার মুসলিম রাষ্ট্রের রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠার মাইলফলক।
বদর প্রান্তর, সৌদি আরব
স্থানটির নামকরণ ‘বদর’ করার পেছনে
বদর প্রান্তরটি ডিম্বাকৃতির সুবিশাল এক এলাকা, যার প্রস্থ প্রায় সাড়ে চার মাইল। স্থানটি ছিল ইয়েমেন থেকে সিরিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত বাণিজ্য পথের কেন্দ্রবিন্দু। মক্কা ও মদিনা থেকে আসা দুটি পথ এখানে মিলিত হতো, যা এই স্থানটিকে বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। লোহিত সাগরের নিকটবর্তী হওয়ায় এই স্থানটি আরও বেশি কৌশলগত গুরুত্ব বহন করত।
স্থানটির নামকরণ ‘বদর’ করার পেছনে একটি জনপ্রিয় ধারণা হলো, বদর বিন ইয়াখলাদ নামে এক লোক এখানে একটি কূপ খনন করেন। কূপটির পানি ছিল অত্যন্ত স্বচ্ছ; কথিত আছে যে, এখানে চাঁদের প্রতিফলন দেখা যেত। আরবি ভাষায় চাঁদকে ‘বদর’ বলা হয়, তাই এই স্থানের নাম হয় ‘বদর’। প্রাক-ইসলামি যুগে এখানে প্রতি বছর একটি বড় উৎসবও অনুষ্ঠিত হতো।
বদর যুদ্ধের পেছনে কারণ
মদিনায় হিজরতের আগে মক্কার নেতৃস্থানীয়রা মুসলমানদের বিরোধিতা করেছিলেন। তবে বদর যুদ্ধের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করেছিল। দ্বিতীয় হিজরি সনের রজব মাসে মক্কার এক গোত্র প্রধান আমর বিন আল-হাদরামি দুর্ঘটনাবশত মুসলমানদের হাতে নিহত হন। নবীজি (সা.) এই হত্যার জন্য ক্ষতিপূরণ দিলেও মক্কার কুরাইশ নেতারা এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন। ইতিহাসবিদ ইবনে খালদুনের মতে, এই ঘটনাই বদর যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করে।
এরপর শাবান মাসে আরেকটি ঘটনা ঘটে। সিরিয়া থেকে মক্কায় আসা কুরাইশদের একটি বাণিজ্যিক কাফেলা সম্পর্কে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে মুসলমানরা এটিকে আক্রমণ করতে চায়। কাফেলার নেতা আবু সুফিয়ান সাহায্যের জন্য মক্কায় খবর পাঠান। মক্কা থেকে কুরাইশদের একটি বড় দল মদিনার দিকে অগ্রসর হয়। যদিও কাফেলা নিরাপদে মক্কায় পৌঁছে গিয়েছিল, তবুও আবু জাহলের প্ররোচনায় কুরাইশরা মদিনার দিকে যাত্রা অব্যাহত রাখে। ১৬ রমজান তারা বদর প্রান্তরে শিবির স্থাপন করে। তাদের সৈন্য সংখ্যা ছিল প্রায় নয় শ থেকে এক হাজার।
বদর যুদ্ধের গুরুত্ব
১৭ রমজান, ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ মার্চ, মহানবী (সা.) ৩১৩ জন সঙ্গী নিয়ে বদর প্রান্তরে পৌঁছান। যুদ্ধের আগে কুরাইশদের মধ্যে কিছু শান্তিকামী ব্যক্তি যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু আবু জাহেলের একগুঁয়েমির কারণে তা সম্ভব হয়নি।
যুদ্ধ শুরু হয় একক লড়াইয়ের মাধ্যমে, যাতে তিনজন কুরাইশ যোদ্ধা নিহত হন। এরপর শুরু হয় মল্লযুদ্ধ। মুসলিম বাহিনীর দুজন তরুণ যোদ্ধা মুয়াওজ ও মুয়াজ মক্কার নেতা আবু জাহেলকে হত্যা করেন। সংখ্যায় কম হলেও মুসলিম বাহিনী কৌশলগতভাবে কুরাইশদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়, যা যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। মক্কার কুরাইশ দলের যুদ্ধে ৭০ জন নিহত এবং ৭০ জনকে বন্দী করা হয়। বন্দীদের মুক্তিপণ হিসেবে চার হাজার চার শ দিরহাম বা দশজন আনসার শিশুকে শিক্ষাদানের শর্ত দেওয়া হয়।
বদর যুদ্ধের গুরুত্ব শুধু সামরিক বিজয়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। এর রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। মক্কার কুরাইশদের পরাজয় তাদের আত্মবিশ্বাস ও মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করে। যুদ্ধের পর বদরের বাণিজ্য পথ ব্যবহারের ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা মক্কার অর্থনীতিকে ব্যাপক প্রভাবিত করে। কুরাইশদের বাণিজ্য পথ অনিরাপদ হয়ে পড়ে, ফলে অন্যান্য গোত্রের কাছে তাদের গুরুত্ব কমে যায়।
এই যুদ্ধ মুসলিম সম্প্রদায়ের আত্মবিশ্বাস ও ঐক্যকে শক্তিশালী করে। এটি ইসলামের প্রসার ও মদিনার মুসলিম রাষ্ট্রের ভিত্তি মজবুত করে। বদর যুদ্ধ শুধু একটি যুদ্ধ নয়, এটি ছিল ইতিহাসের এক বাঁক বদলকারী ঘটনা, যা বিশ্ব ইতিহাসে ইসলামের অবস্থানকে চিরস্থায়ী করে দিয়েছে।

 #গুনাহ_থেকে_মুক্তির_দুয়া
06/03/2026

#গুনাহ_থেকে_মুক্তির_দুয়া

05/03/2026

🚨 জরুরি মানবিক সাহায্যের আবেদন 🚨
একজন প্রসূতি মায়ের জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন। ডেলিভারির জন্য দ্রুত রক্ত লাগবে। এই কঠিন সময়ে একজন মায়ের জীবন বাঁচাতে আপনার ছোট্ট সহযোগিতাই হতে পারে সবচেয়ে বড় মানবিক কাজ।
💆 রোগীর সমস্যাঃ ডেলিভারি
🩸 রক্তের গ্রুপঃ AB+
💉 রক্তের পরিমাণঃ ১/২ ব্যাগ
📆 রক্তদানের তারিখঃ ০৫/০৩/২০২৬
🏥 রক্তদানের স্থানঃ চৌমুহনী রাবেয়া হসপিটাল
⌚ সময়ঃ আজকেই জরুরি প্রয়োজন
☎ যোগাযোগঃ 01627-621442
🙏 প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের সকল সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি অনুরোধ—
আপনাদের মধ্যে কারো AB+ রক্তের গ্রুপ থাকলে দয়া করে এগিয়ে আসুন। একজন মায়ের জীবন বাঁচাতে আপনার রক্ত হতে পারে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত।
আপনি নিজে রক্ত দিতে না পারলেও পোস্টটি কপি ও শেয়ার করুন, যাতে দ্রুত একজন ডোনার পাওয়া যায়।
🤲 আল্লাহ যেন অসুস্থ মা ও শিশুকে সুস্থতা দান করেন।
— প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউনআয়াতুল্লাহ খামেনির পর এবার মারা গেছেন তার স্ত্রী
02/03/2026

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন

আয়াতুল্লাহ খামেনির পর এবার মারা গেছেন তার স্ত্রী

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category