28/05/2026
ফুলের হাসি স্কুল (শি.বি.খা)
শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য
বাংলাদেশের একমাত্র বয়স্কদের স্কুল, শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য (ফুলের হাসি স্কুল) কর্মসূচি ফুলের হাসি ফাউন্ডেশন সংগঠন নিয়েছে।
“যার নাই শিক্ষা, তার নাই রক্ষা
সৎ পথে চলবো, সুন্দর জীবন গড়বো” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ফুলের হাসি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তসলিম হাসান হৃদয় এই ব্যাতিক্রম উদ্যোগ নেন। যেখানে পরতে লাগবেনা কোনো খরচ, বিনামূল্যে শিক্ষা ও শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য দেয়া হবে। ফুলের হাসি স্কুলের মূল উদ্দেশ্য হলো, সমাজের সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পাশাপাশি বয়স্কদের অক্ষর জ্ঞান শিক্ষা দেয়া।
“মানবতার কল্যাণে কাজ করে ফুলের হাসি ফাউন্ডেশন।
ফুলের হাসি স্কুল হলো মূলত সুবিধাবঞ্চিত এবং বয়স্ক মানুষদের শিক্ষার আলো দেওয়ার জন্য পরিচালিত একটি ব্যতিক্রমী সামাজিক শিক্ষামূলক উদ্যোগ। ফুলের হাসি ফাউন্ডেশন এর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে এই কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়ে থাকে পুরোপুরি বিনামূল্যে।
এই স্কুলটির মূল কার্যক্রম এবং শাখাগুলোর বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:
ঢাকা শাখা (মুগদা)
• অবস্থান: ঢাকার মুগদায় অবস্থিত জে.এস গ্রামার হাইস্কুল প্রাঙ্গণ।
• কার্যক্রম: এই শাখায় স্থানীয় সুবিধাবঞ্চিত ও বয়স্ক মানুষদের জন্য নৈশকালীন বা বিশেষ সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
চট্টগ্রাম শাখা
• অবস্থান: চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই ফাউন্ডেশনের স্থায়ী ও অস্থায়ী শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। পাহাড়তলী, অগ্রদূত ক্লাব, সি.আর.বি ও মাদার বড়ি রেইলগেট।
• কার্যক্রম: বয়স্কদের জন্য বিশেষ শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবে ঈদের উপহার সামগ্রী, কম্বল বিতরণ, ইফতার সামগ্রী বিতরণ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া সফলভাবে কোর্স শেষ করা প্রবীণ শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট ও সম্মাননা দেওয়া হয়।
স্কুলের মূল উদ্দেশ্য
• বয়স্ক শিক্ষা: যেসকল মানুষ বয়সের কারণে বা অতীতে সুযোগের অভাবে পড়াশোনা করতে পারেননি, তাদের অক্ষরজ্ঞান দেওয়া।
• জীবনমুখী শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রদান করা।
• সামাজিক উন্নয়ন: সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা।
--------------------
ফুলের হাসি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তসলিম হাসান হৃদয় বলেন, “ফুলের হাসি স্কুল দেশের একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা কার্যক্রম, যেখানে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য প্রদান করা হয়। আমরা চাই এই মানবিক উদ্যোগ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক।” আমার ইচ্ছে বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় এই বয়স্কদের (স্কুল শি.বি.খ) শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে। সরকার যদি এই সুবিধা বয়স্কদের কথা চিন্তা করে নিরক্ষর মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চায় তাহলে বয়স্কদের স্কুলের কার্যক্রম প্রতি সুনজর দিবে আশা করি।