Chittagong চট্টগ্রাম-আঁরা চাটগাঁইয়া

Chittagong চট্টগ্রাম-আঁরা চাটগাঁইয়া ╔═════ஜ۩۞۩ஜ═════╗
(( == WELCOME == ))
╚═════ஜ۩۞۩ஜ═════╝

The port city of Chittagong, second largest city in Bangladesh, is located in this district.

Chittagong District located in the south-eastern region of Bangladesh.North of India and Tripura State,South of Cox's Bazar district,Before Bandarban,Rangamati & Khagrachari District and on the west,the Bay of Bengal. The Mughals establish Chittagong as a district in 1666.′
Division:-Chittagong Division. Coordinates:-22°28′N 91°52′E
Area:-5,282.98 km2 (2,039.77 sq mi). Population(2011):-7,509,000

.Time zone:-BST (UTC+6)City Corporation:-Chittagong City Corporation(CCC)It is 209.66 sq: m:

There are 14 Upazilas and 10 Paurasabhah.

*The upazilas are:-
1.Anwara Upazila
2.Banshkhali Upazila
3.Boalkhali Upazila
4.Chandanaish Upazila
5.Fatikchhari Upazila
6.Hathazari Upazila
7.Lohagara Upazila
8.Mirsharai Upazila
9.Patiya Upazila
10.Rangunia Upazila
11.Raozan Upazila
12.Sandwip Upazila
13.Satkania Upazila
14.Sitakunda Upazila.

*The Paurasabhah are:-
1.Mirasarai
2.Baraiyarahat
3.Sitakunda
4.Sandbipa
5.Raozan
6.Rangunia
7.Patiy
8.Bamsakhali
9.Satakaniya
10.chandanaish

*Union:-194.
*Village:-1267.

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এ জেলাটি নদী, সাগর ও পাহাড় ঘেরা। এই জেলায় দেশের বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর অবস্থিত। ১টি সিটি কর্পোরেশন, ১০ টি পৌরসভা ও ১৪ টি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত এ জেলায় প্রায় ৭০ লক্ষ অধিবাসীর জন্য এবং উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী দপ্তর/প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান।
বন্দর নগরী চট্টগ্রাম প্রাচীন কাল থেকেই বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। অনন্য প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এই জেলা চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত। আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম জেলার সৃষ্টি হয় ১৬৬৬ সালে।
আয়তনঃ ৫,২৮৩ বর্গ কিঃ মিঃ।
অবস্থান: উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য,দক্ষিণে কক্সবাজার জেলা,পূর্বে বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলা এবং পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর।

সিটি কর্পোরেশনঃ ১ টি (চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন) ২০৯.৬৬ বর্গ কি:মি:
উপজেলাঃ ১৪ টি (মীরসরাই, সীতাকুন্ড, সন্দ্বীপ, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, পটিয়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, সাতকানিয়া)।
পৌরসভাঃ ১০ টি (মীরসরাই, বারইয়ারহাট, সীতাকুন্ড, সন্দ্বীপ, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, পটিয়া, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ।)
ইউনিয়নঃ ১৯৪ টি।
গ্রামঃ ১২৬৭ টি।

চট্টগ্রাম ১৪০০ বছরের পুরনো শহর

অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, কিন্তু ইতিহাস বলছে, চৌদ্দ শ বছরের এক প্রাচীন শহরের নাম চট্টগ্রাম। আমরা জানি, ৯০০ বছরের প্রবীণ নগর লন্ডন, আমাদের রাজধানী ঢাকার রয়েছে ৪০০ বছরের ইতিহাস; আর বছর কয়েক আগে ৩০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বর্ণময় উৎসবের আয়োজন হয়েছিল কলকাতা নগরে। চট্টগ্রামের ইতিহাস এই প্রসিদ্ধ নগরগুলোর চেয়েও দীর্ঘ।
সপ্তদশ শতাব্দীতে ইৎসিঙ নামের একজন চীনা বৌদ্ধ ভিক্ষু প্রথম উল্লেখ করেন ভারতের পূর্ব-দক্ষিণ অঞ্চলে হরিকেল নামে একটি রাজ্য আছে। এই ‘হরিকেল’ই যে চট্টগ্রাম, এই তথ্য উঠে আসে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর বিএন মুখার্জির গবেষণায়। এই খ্যাতিমান মুদ্রাবিশারদ হরিকেল রাজ্যে প্রচলিত মুদ্রা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হন, সমৃদ্ধ এই রাজ্য ছিল কর্ণফুলী নদীর তীরে, যা কালক্রমে চট্টগ্রাম নামে পরিচিতি পায়। বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়ামের জার্নালে এ তথ্য প্রকাশ করেন তিনি।
আরাকান, ত্রিপুরা ও মোগল—এই তিন রাজশক্তির লড়াইয়ের ক্ষেত্র ছিল চট্টগ্রাম। বহুকাল চলেছে এই দখল প্রতিষ্ঠার লড়াই। মোগল সম্রাট আকবরের সেনাপতি মুনিম খান ১৫৭৫ সালের ৩ মার্চ আফগান শাসক দাউদ খার কররানীকে পরাজিত করলে মোগল সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে বাংলা। কিন্তু এরপর আরও প্রায় ৮০ বছর পর্যন্ত চট্টগ্রাম থেকে যায় অধরা। অবশেষে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ জানুয়ারি ‘কর্ণফুলীর যুদ্ধে’ মোগল নৌবাহিনী জয়লাভ করে। আসলে এই লড়াই ও জয়ের মধ্য দিয়েই বঙ্গ বা বাংলার সঙ্গে যুক্ত হয় চট্টগ্রাম। ‘কর্ণফুলীর যুদ্ধে’ মোগলদের জয় নৌ-বাণিজ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে, পাশাপাশি এ অঞ্চলে স্থিতিশীলতাও প্রতিষ্ঠিত হয়।
মোগলেরা চট্টগ্রামের নাম দেয় ‘ইসলামাবাদ’। চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা, চকবাজার, কাতালগঞ্জ, চন্দনপুরা, জামাল খাঁ, ঘাটফরহাদবেগ, বকশীর হাট, সদরঘাট, বিবিরহাট প্রভৃতি এলাকার নামের মধ্যে যেমন মোগল প্রভাব দেখা যায়, তেমনি এ এলাকাগুলোর প্রকৃত পরিচর্যাও হয়েছে মোগল আমলে। এভাবেই আধুনিক চেহারা পাচ্ছিল একটি শহর।
১৭৬০ সালে মীর কাশিম আলী খানের কাছ থেকে এ অঞ্চলটি অধিগ্রহণ করে ব্রিটিশরা এর নাম দেয় ‘চিটাগাং’, সাধারণের কাছে যা চট্টগ্রাম বা চাটিগাঁও নামে পরিচিতি পায়।
বিভিন্ন সময় চট্টগ্রাম অঞ্চলটি আরাকানি, ত্রিপুরি, পর্তুগিজ, মোগল, পাঠান ও ইংরেজদের হাতে শাসিত হওয়ায় এখানকার কৃষ্টি, শিক্ষা, সমাজ, সংস্কৃতির মধ্যে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, যা বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে আলাদা। অনেকেই বলেন, বাংলার চিরায়ত লোকশিল্পের নিদর্শন নকশি কাঁথার ঐতিহ্য যেমন এ অঞ্চলে ছিল না, তেমনি এখানকার মানুষের প্রিয় খাদ্য শুঁটকিও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের খাদ্যতালিকায় যুক্ত হয়েছে অনেক পরে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো পিঠাপুলির ঐতিহ্যও এখানে ছিল না, বরং চট্টগ্রামের মানুষ বেলা বিস্কুটের স্বাদে মজে ছিল দীর্ঘদিন।
আরাকানের রাজসভায় বাংলা সাহিত্যের যে খুব কদর হয়েছিল, তার পেছনে ছিল চট্টগ্রাম থেকে কবিদের সেখানে যাতায়াত। কোরেশী মাগন ঠাকুর বা দৌলত কাজীর মতো কবি, যাঁরা আরাকান রাজসভা আলোকিত করেছিলেন, তাঁদের আদিবাস চট্টগ্রামে। মহাকবি আলাওলের জন্মস্থান নিয়ে বিতর্ক আছে, তবে তিনি যে দীর্ঘকাল চট্টগ্রামে ছিলেন, তাতে সন্দেহ নেই। তাই তাঁর পদ্মাবতী কাব্যের পটভূমি যদিও সিংহল, কিন্তু প্রকৃতির বর্ণনায় কবি যেসব স্থান ও দৃশ্যের কথা তুলে ধরেছেন, তাতে চট্টগ্রামের রূপই যেন ভেসে ওঠে পাঠকের চোখে।
চট্টগ্রাম বন্দরের ইতিহাস আরও দীর্ঘ। খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে বন্দর চট্টগ্রামের উত্থান। সপ্তম শতাব্দীর পর থেকে বাংলার (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ) আরেকটি বন্দর তমলুক বা তাম্রলিপি বিলুপ্ত হয়েছে। কিন্তু হরিকেল রাজ্যটির ভূরাজনৈতিক অবস্থান ও এর সমুদ্রবন্দর দিয়ে ব্যাপক আমদানি-রপ্তানি ব্যবসা প্রসারিত হওয়ায় আরব ভূগোলবিদেরা তখন এর মাটি ছুঁয়ে থাকা বঙ্গোপসাগরকে ‘বহর-এ-হরকন্দ’ (হরিকেলের সমুদ্র) নাম দিয়েছিলেন। সেই বহর-এ-হরকন্দই দীর্ঘ ইতিহাস পাড়ি দিয়ে টিকে আছে চট্টগ্রাম বন্দর নামে।

Address

Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chittagong চট্টগ্রাম-আঁরা চাটগাঁইয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Chittagong চট্টগ্রাম-আঁরা চাটগাঁইয়া:

Share