বাঁশখালীপলিটেকনিকইনস্টিটিউট

বাঁশখালীপলিটেকনিকইনস্টিটিউট পলিটেকনিক বন্ধু

19/12/2020

দয়া করে পোস্ট টা সবাই পড়বেন.....

প্রিয় সম্মানিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়,,,আপনার ঘরে পেট ভরে খেয়ে আরামে ঘুম হওয়ার মতো জিনিস আসে,বাট আমরা প্রত্যেক টা রাতে না খেয়ে ঘুমাই,,পড়া লেখা শেষ করে,বড় বোনের বিয়ে দিবো,,ছোট ভাইকে একটা ভালো জামা কিনো দিবো,,আব্বু কে বলবো আব্বু তুমি তো অনেক শরীর ঘাম জড়িয়ে পরিবার চালোচ্ছো,,আজ থেকে আমি টানবো তুমি একটু আরাম করো,,আর আম্মুর তো কোন কিছু না থাকা সত্যে ও বলবে কোন কিছু লাগবে না,,জোড় করলে ও নিবে না,তারপর ও মাকে একজন ভালো ডক্টর দেখাতে হবে,এই সপ্ন গুলা দেখতে দেখতে একটা ছেলে কিংবা একটা মেয়ে কত যে চোখের পানি ফেলে,, এই ইমোশন টা বুঝার হয়তো আপনাদের সময় নেই,,,আরে এ ভাই আমরা তো এই দেশে উড়ে উড়ে আসি নাই,,আমরা তো এই দেশের মানুষ,কেন আমরা অবহেলিত,,স্বপ্ন সবাই দেখতে পারে না,,আর যারা দেখে তারা হয়তো এই ভাবে অবহেলিত,,,কিছু বলার ভাষা নাই,,আপনাদের বিবেক আপনাদের সর্বোচ্চ আদালত,,জাস্ট একটু অনুরোধ কথা টা একটু ভেবে দেখবেন,,আর ভালোবাসা রইলো বাংলাদেশের অবেহিলত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রিয় সম্মানিত শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি।

তীব্র আন্দোলন ছাড়া এভাবে কোন ভালো খবর আশা করা যাবে না,,,রাস্তায় নেমে কাধে কাধ মিশিয়ে আন্দোলন করতে হবে,,এই আন্দোলন কোন লীগ কিংবা কোন দলের আন্দোলন না,, এই আন্দোলন নিজের স্বার্থ আর স্বপ্ন বাস্তবায়নের আন্দোলন,,ঘরে আর বসে থাকার সময় নেই,,ভার্চুয়াল শহরে পোস্ট করে লাভ নাই,,এগুলো তাদের কর্নে পৌছাবে না,,চলো রাস্তায় নেমে পড়ি,,তীব্রতর থেকে তীব্রতর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।চলো কাধে কাধ মিলাই,, রাজপথে নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যে।

#বানীতে বাংলাদেশের কারিগরী বোর্ডের এক অবহেলিত শিক্ষার্থী।

26/11/2020
উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন না ৯০% ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। কারণ বিএসসি ডিগ্রি পেতে আমাদের  জন্য রয়েছে মাত্র একটি সরকারি প্রতি...
26/11/2020

উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন না ৯০% ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। কারণ বিএসসি ডিগ্রি পেতে আমাদের জন্য রয়েছে মাত্র একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। কারিগরি শিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে দেশে সরকারি ৪৯টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারি ইনস্টিটিউট রয়েছে প্রায় ৪৫০টি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বছর প্রায় ১৭ হাজার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বের হন। ডিপ্লোমা শেষ করে আমাদের ভালোমানের বিভিন্ন চাকরির জন্য অর্জন করতে হয় বিএসসি ডিগ্রি। কিন্তু এই ডিগ্রি লাভের সুযোগ পাচ্ছিনা আমরা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার রা। আমাদের জন্য মাত্র একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান থাকার কারণেই এ অবস্থা হচ্ছে। এই একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান হলো গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। দেশে সরকারি বিভিন্ন প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও সেগুলোয় আমাদের ডিপ্লোমাধারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া হয় না। সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও আমাদের কোনো ‘প্রবেশাধিকার’ রাখা হয়নি।

ডুয়েটে প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আসন রয়েছে প্রায় ৫৫০টি। ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে একজন ভর্তিচ্ছু তিনবার ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারেন এখন তা পরিবর্তন করে দুই বার করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতিযোগীর সংখ্যা আরও বেড়ে গিয়েছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি বিভাগে ডিপ্লোমাধারী ছাত্রা ছাত্রীদের বিএসসি করতে ভর্তির আবেদন সুযোগ থাকলেও এই ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে। ভর্তির প্রশ্নাবলিও দেওয়া হয় কলেজের সিলেবাস থেকেই। এই সিলেবাসের অধীনে করা প্রশ্নে ভালো করতে পারেন না ডিপ্লোমাধারীরা।

বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করার সুযোগ থাকলেও এখানে চলে কেবলই টাকার খেলা। এ ক্ষেত্রে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই নামমাত্র শিক্ষা দিয়ে গলা কাটা ফি আদায় করা হয়। চার বছরের কোর্স শেষ করতে হলে গুনতে হয় ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা। অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের ভর্তি নেওয়া হয় না। অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রয়োজনীয় উপকরণও নেই। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে পাঠ সম্পন্ন করা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের উচ্চশিক্ষার সংকট আমাদের দেশে অথচ এই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়েই দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেন, কিছুটা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে প্লেন চালানোর মতো অবস্থা। কিন্তু দিন শেষে আমরা কি হেরে যাবো.? নাকি অন্য পথ অনুসন্ধান করবো.?

এতো এতো অবহেলা আর অপ্রাপ্তি বুকে জমা রেখে আমিও আপনাদের মতো হতাশায় দিন পার করতাম,কিন্তু এক পথ বন্ধ হলে হাজারো পথ খুলে যাই, আর আমরা সেই বন্ধ পথ ধরেই কান্না করি, কিন্তু আমরা চেয়ে দেখিনা যে এর থেকেও ভালো পথ আমাদের জন্য অপেক্ষা করতেছে।

দেশে আমাদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ না থাকলেও বিদেশে আমাদের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রিতে বিশ্বমানের ইউনিভার্সিটিতে পড়ার অনেক সুযোগ রয়েছে কিন্তু সঠিক গাইড লাইন আর সঠিক পথ না জানার কারনে আমরা আজো পিছিয়ে আছি। কিন্তু আর নয় এখন সময় এসেছে আমাদের বদলাবার, পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয় আপনি ইচ্ছে করলেই সব ঘরে বসেই জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। শুধু ইচ্ছা শক্তিটা আপনার থাকতে হবে,তাই ডিপ্লোমা স্টুডেন্টদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিনা মূল্যে সকল তথ্য ও উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করার লক্ষে আমরা Higher Study for Diploma Students - HSDS নামে এই গ্রুপটি ওপেন করেছি, যেখানে একজন ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট সম্পূর্ণ ফ্রিতে, এজেন্ট এবং দালাল মুক্ত ভাবে কিভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহন করবেন। এখানে নিম্ন মধ্যে থেকে শুরু করে সকলকে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করাই আমাদের লক্ষ।
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা

Ibrahim Hosain Prince
South China University of Technology
Department CST

26/11/2020

প্রথমে আমার সিনিয়রদের কে নম্ষকার।
আমি এক জন ঢাকা পলিটেকনিকে RAC টেকনোলজী 2019-2020 সালের ছাত্র।গত প্রথম বর্ষে Exam এ আমার ফিজিক্স তা খারাপ হয়,এখন রুতিনে দেখেছি সামনে মাচে ১তারিখ Exam..আসলে কি ১ তারিখ Exam হবে কি না কিছুই জানিনা।যদি সঠিক তথ্য দিয়ে আমাকে সাহায্য কারে পারতেন।তাহলে আমার ভালো হতো।

❤❤❤❤
26/11/2020

❤❤❤❤

এই যে আঙুলের ছাপ দিয়েই খুলে যাচ্ছে মোবাইলের লক, গেটের তালা,অফিসের উপস্থিতি, ফিঙারপ্রিন্ট নিয়েই যাচাই করা যাচ্ছে কে অপরাধ...
26/11/2020

এই যে আঙুলের ছাপ দিয়েই খুলে যাচ্ছে মোবাইলের লক, গেটের তালা,অফিসের উপস্থিতি, ফিঙারপ্রিন্ট নিয়েই যাচাই করা যাচ্ছে কে অপরাধী, এই ফিঙারপ্রিন্ট ডিটেকশান সিস্টেম প্রথম কে আবিষ্কার করেছিল জানেন?

তিনি ছিলেন একজন বাঙালী,নাম খান বাহাদুর কাজী আজিজুল হক।বাড়ি খুলনা জেলার কসবার পায়গ্রামে।কাজ করতেন তৎকালীন বেঙল পুলিশে।

ফিঙারপ্রিন্ট নিয়ে অনেকেই আগে কাজ করেছেন কিন্তু এর প্র‍্যাকটিক্যাল ইউজ কি,কিভাবে যাচাই করা যায়,কিভাবে ফিঙারপ্রিন্ট দিয়ে আলাদা করা যায় মানুষকে সেটা প্রথম আবিষ্কার করেন আমাদের দেশের কাজী আজিজুল হক।

ব্রিটিশ আমলে বেঙল পুলিশের আইজি ছিলেন এডওয়ার্ড রিচার্ড হেনরি। তিনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে গবেষণার জন্য নিয়োগ করেন দুই বাঙালী প্রতিভাকে, একজন গণিতবিদ কাজী আজিজুল হক, আরেকজন হেম চন্দ্র বোস।

কাজী আজিজুল হক ও হেমচন্দ্র বোস ৭০০০ ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর এক বিশাল সংগ্রহ গড়ে তোলেন। অনেক পরিশ্রম করে একটা গাণিতিক সূত্র দাড়া করলেন যেটা দিয়ে ফিঙারপ্রিন্ট যাচাই এর মাধ্যমে মানুষ সনাক্ত করা যায়।আধুনিক বিজ্ঞানের এক বিশাল বড় আবিষ্কার। এই পদ্ধতির নাম হওয়া উচিত ছিল "বোস-হক আইডেন্টিফিকেশান সিস্টেম"। কিন্তু ওখান থেকেই ইংরেজদের বেঈমানী শুরু।

পুলিশের আইজি হেনরী সাহেব এবার সবার কাছে প্রচার করা শুরু করলেন যে এই ফিঙারপ্রিন্ট ডিটেকশন সিস্টেম আবিষ্কার করেছেন উনি নিজেই। এমন কি কাজী আজিজুল হক-কে কোন রকম স্বীকৃতি দিতেই অস্বীকার করলেন। তিনি চুপি চুপি একটা পেপার পাবলিশ করেও ফেললেন নিজের নামে।ব্যাস, বাংলাদেশের কাজী আজিজুল হক আবিষ্কৃত সিস্টেম এর নাম হয়ে গেল "হেনরী ক্লাসিফিকেশন সিস্টেম"

"হেনরি ক্লাসিফিকেশন সিস্টেম " এখন জগৎ বিখ্যাত, মোবাইলের টাচে, অফিসে, অপরাধী সনাক্তকরণে বলতে গেলে যত্ত জায়গায় ফিঙারপ্রিন্ট ব্যবহৃত হচ্ছে, তত জায়গায় এই হেনরি ক্লাসিফিকেশন সিস্টেম-ই ব্যবহার করা হচ্ছে। কাজ করে গেল আমার দেশের সূর্য্য সন্তান, কিন্তু নাম হচ্ছে এক বেঈমান ব্রিটিশ এর।

যদিও কিছুদিন আগে ব্রিটেনের "দ্যা ফিঙারপ্রিন্ট সোসাইটি" চালু করেছে "The Fingerprint society Azizul Huque & Hemchandra Bose prize"।ওদিকে যে সিস্টেমের নাম হতে পারত "হোক-বোস সিস্টেম " তা আজ-ও "হেনরি ক্লাসিফিকেশন সিস্টেম"-ই রয়ে গেছে।আর অজানায় থেকে গেছেন আমাদের আজিজুল হক।
ালেক্টেড

26/11/2020

📛গ্রুপে থাকা সকল নবীনদের দৃষ্টি আর্কষণ করছি📛

⛔যারা কিনা এ বছর ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এ নতুন ডিপ্লোমা ইন-ইন্জিনিয়ারিং ভর্তি হয়েছেন।
বর্তমানে প্রথম সেমিস্টারে আছেন।
তারা গতকালকের নোটিশ দেখে অনেকেই ভাবছেন তাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে, আসলে বিষয়'টা তা না।

যারা বর্তমানে "২য়" সেমিস্টারে আছে, তাদের বিগত সেমিস্টারে যে সকল সাবজেক্ট গুলোতে রেফার্ড আছে, শুধুমাত্র তাদেরই এই পরিপূরক পরীক্ষা নেওয়া হবে।✅

আশা করি মূল বিষয়টা সকলেই বুঝতে পেরেছেন ও ক্লিয়ার হয়েছেন।

ধন্যবাদ সকলকে।❤️

25/11/2020

আজ দুপুর 12:00 সময় শিক্ষামন্ত্রী লাইভে আসবে.. শিক্ষা সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ রইল diploma in engineering এর বছর লস হয়ে যাচ্ছে , সঠিক সিদ্ধান্ত জন্য প্রশ্ন করেন একাধিক বার ।

পলিটেকনিক বা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীরা ক্লাস শুরু বা পরীক্ষার কোন সম্ভাবনা না থাকায় বইয়ের সাথে সম্পর্কের বেশ দূ...
25/11/2020

পলিটেকনিক বা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীরা ক্লাস শুরু বা পরীক্ষার কোন সম্ভাবনা না থাকায় বইয়ের সাথে সম্পর্কের বেশ দূরত্ব তৈরি করে ফেলেছে। পরিপূরক পরীক্ষার ঘোষণা আসার পরও যদি ঘুম থেকে না জেগে পড়ালেখা শুরু না করে তাহলে ভয়াবহ ফলাফল তাকে বরণ করার অপেক্ষায়। আজই পড়ার টেবিলে বসুন। পড়া শুরু করুন।

১ম ও ৩য় পর্বের পরিপূরক পরিক্ষার  রুটিন৷
25/11/2020

১ম ও ৩য় পর্বের পরিপূরক পরিক্ষার রুটিন৷

25/11/2020

আমি অবাক!
আমার সোনার বাংলার শিক্ষানীতি সত্যি অসাধারণ .

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আপনিও বলুন উন্নত বিশ্বের আমাদের থেকে শিক্ষা ব্যবস্থা শিখে নেওয়া উচিৎ
ইন্টার শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি ছিল তাও করোনার কারনে পরীক্ষা হয়নি* তাদের 1বছর লস হবে বলে অটোপাশ* আর আমাদের করোনার ভয়ে 1বছর লস দিয়ে এখন পরীক্ষার রুটিন* এখন কি করোনা মুক্ত দেশ* পরীক্ষা নিতে তো আমরা না করিনি , তবে আমাদের 1 বছরের মুল্য কি মন্ত্রী আপনি দিতে পারবেন?
আমরা অপ্ল কম সময়ে পড়া শেষ করব বলে ডিপ্লোমাতে ভর্তি হই
পারবেন 1বছর আমাদের লস দেওয়ায় আমাদের পরিবারের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে?
আমি আবার ও বলছি পরীক্ষা আমরা দিতে চাই, তবে 1বছর লস দিতে চাই না

বাঁশখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
25/11/2020

বাঁশখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

Address

Chittagong
4391

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাঁশখালীপলিটেকনিকইনস্টিটিউট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category