আ'লা হযরত ইসলামী পাঠাগার

আ'লা হযরত ইসলামী পাঠাগার একটি ইসলামিক লাইব্রেরী

ইমাম আহমাদ রেজা খান র. এর জীবনী পড়ুন এবং অন্যকে উপহার দিন।
10/09/2023

ইমাম আহমাদ রেজা খান র. এর জীবনী পড়ুন এবং অন্যকে উপহার দিন।

10/07/2023
অতীত আর ভবিষ্যৎ নিয়ে কেনই বা আমি এত চিন্তায় মগ্ন হবো , যখন প্রভুর ভালবাসার স্বর্গীয় আলো বর্তমানে জ্বলজ্বল করছে!মাওলান...
18/08/2022

অতীত আর ভবিষ্যৎ নিয়ে কেনই বা আমি এত চিন্তায় মগ্ন হবো , যখন প্রভুর ভালবাসার স্বর্গীয় আলো বর্তমানে জ্বলজ্বল করছে!

মাওলানা: জালালউদ্দিন রুমি (রহ:)

31/05/2021

"পুকুরে ডুব দিলে শরীর পরিস্কার হয় অন্তর নয়,
অন্তর পরিস্কার করতে হলে হক্কানী অলির দরবারে যাও,
আল্লামা জালালুদ্দীন রুমী (রহঃ)

25/05/2021

🔘গুরুত্বপূর্ণ ৪টি নফল #সালাত ও তার ফজিলতঃ

১।তাহাজ্জুদ
২।ইশরাক ৩।চাশত ৪।যাওয়াল

♦️ তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম ও তার ফজীলতঃ

নফল নামাযসমুহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তাহাজ্জুদ নামায।
পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরজ হওয়ার পূর্বে এ নামায ফরজ ছিলো। পরবর্তীতে তা নফল গণ্য হয়।

এ নামায সম্পর্কে নবী কারীম (সা.) ইরশাদ করেন,
"ফরজ নামাযের পর শ্রেষ্ঠ নামায হলো রাতের নামায (তাহাজ্জুদ)।" (জামি তিরমিযী, ১: ৯৯)

শেষ রাতে ত্রিপ্রহরের সময় (সাহরীর সময়) থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত এ নামাযের সময়।
তবে দিনের কঠোর পরিশ্রমে যাদের শেষ রাতে ওঠা অনিশ্চিত হয়, তারা ইশার পর ঘুমানোর পূর্বে তাহাজ্জুদের নিয়তে ২/৪ রাকআত নামায পড়ে নিতে পারেন। এরপর সম্ভব হলে আবার শেষ রাতে ওঠে তাহাজ্জুদ পড়বেন। আর তখন না ওঠতে পারলে প্রথম রাত্রির সেই নামাযের কারণে তাহাজ্জুদের ফজীলত থেকে একেবারে মাহরূম হবেন না আশাকরি।

♦️ ইশরাক নামাজের নিয়ম ও তার ফজীলতঃ

ফজরের নামায পড়ার পর দুনিয়ার কাজকর্ম ও কথাবার্তা থেকে বিরত থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত স্বীয় নামাযের জায়গায় বা (পুরুষগণ) মসজিদে অন্যকোন জায়গায় বসে কুরআন তিলাওয়াত, যিকির-আযকার তাসবীহ-তাহলীল ইত্যাদিতে লিপ্ত থাকবেন।
অতঃপর সূর্যোদয়ের ১২/১৩ মিনিট পর সূর্য একটু উপরে উঠলে তখন ইশরাকের সময় হয়। ঐ সময় দুই রাক‘আত ইশরাকের নামায পড়লে এক হজ্ব ও এক উমরার সমান ছাওয়াব লাভ হবে বলে হাদীসে রয়েছে। (জামে তিরমিযী ১: ১৩০) এতব্যতীত আরো দুই রাক‘আতসহ মোট চার রাক‘আত পড়লে আল্লাহ তা‘আলা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার এদিনের সকল কাজের জিম্মাদার হয়ে যান বলে অপর হাদীসে উল্লেখ আছে। (জামি তিরমিযী, ১: ১০৮)

অবশ্য যদি কেউ ফজরের নামাযের পর দুনিয়াবী কাজে লিপ্ত হয়ে যায় এবং সূর্য ওঠার পর ইশরাক পড়ে, তাও জায়িয আছে।
এতেও ইশরাক আদায় হবে।

♦️ চাশত নামাজের নিয়ম ও তার ফজীলতঃ

সূর্য যখন আকাশে এক চতুর্থাংশ ওপরে উঠে এবং সূর্যের তাপ প্রখর হয়, তখন থেকে দ্বিপ্রহরের আগ পর্যন্ত (৯টা থেকে ১১টার মধ্যে) চাশতের সময়।
তখন দুই, চার বা আট রাক‘আত নামায পড়বেন। একে চাশতের নামায বলে।

হাদীস শরীফে আছে- চাশতের দুই রাক‘আত নামাযে শরীরের সর্বমোট ৩৬০টি জোড়ার সদকা আদায় হয়ে যায় এবং সমুদ্রের ফেনার সমান গুনাহ (সগীরা) হলেও মাফ হয়ে যায়।

অপর হাদীসে আছে- তার জন্য জান্নাতে একটি বালাখানা তৈরী করা হয়। এছাড়াও হাদীসে চাশতের নামাযের আরো অনেক ফজীলত বর্ণিত হয়েছে।

♦️ যাওয়াল নামাজে নিয়ম ও তার ফজিলতঃ

'যাওয়ালের নামায' নামে একটি ফজীলতপুর্ণ নফল নামায রয়েছে।
এ নামায দুপুরে সূর্য পশ্চিম দিকে ঢলে পড়ার সাথে সাথে আদায় করতে হয়।

যেমন, নামাযের স্থায়ী সময়সূচি ক্যালেন্ডারে যোহরের যে শুরু ওয়াক্ত দেয়া হয়, সেটাই সূর্য ঢলার সময়।
সেই সময় হওয়ার সাথে সাথে যাওয়ালের নামায হিসেবে চার রাক'আত নফল নামায পড়তে হয়। এ সমযের নামাযের ফজীলত হলো, এ সময় আল্লাহ তা'আলা আসমানের সব দরজা খুলে দেন এবং আছানীর সাথে সব ইবাদত-বন্দেগী ও দু’আ কবুল হয়। (জামে তিরমিযী, হাদীস নং ৪৭৮)

♦️ নিয়ত কি এবং কিভাবে করতে হবে?

নিয়ত অর্থ হচ্ছে “কোন কাজ করতে ইচ্ছা করা” বা “সংকল্প করা”।
নিয়ত করতে হবে অন্তরে, মুখে উচ্চারণ করে না। এর জন্য কোনো দুয়া পড়তে হবেনা বা মুখে কোনো কিছু বলতে হবেনা। নামায পড়ার জন্য আপনি কোন ওয়াক্তের কত রাকাত কি নামায (ফরয/সুন্নত/নফল) পড়ছেন অন্তরে শুধুমাত্র এই ধারণা বা ইচ্ছা থাকলেই নিয়ত করা হয়ে যাবে। প্রত্যেক কাজের শুরুতে এইরকম অন্তরে নিয়ত করে নেওয়া “ফরয”।

আল্লাহ আমাদের কে সহিহভাবে আমলগুলো করার তৌফিক দিন, আমিন।
সংগৃহীত।

ভূঁইয়া মোল্লাপাড়া আশরাফিয়া শাহী জামে মসজিদের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।
13/05/2021

ভূঁইয়া মোল্লাপাড়া আশরাফিয়া শাহী জামে মসজিদের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।

সাহাবাদের ২৫ টি প্রশ্ন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর।১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পত...
08/05/2021

সাহাবাদের ২৫ টি প্রশ্ন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর।

১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে।

২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে।

৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে।

৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর।

৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর।

৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর।

৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।

৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।

৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।

১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷

১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও।

১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।

১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।

১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর।

১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।

১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো।

১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।

১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।

১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।

২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন,
ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য)
খ) বিনয়।
গ) অসুস্থতা।

২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।

২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।

২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা।

২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য।

২৫. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর।

আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন…।
#কপি

প্রত্যেক নামাজের শেষে একটা আফসোস হয়।কখনই শতভাগ দিতে পারি না। মনটা এদিক ওদিক এলো মেলো হয়েই যায়। আজ জুমাতুল বি'দা, দোয়ায় স...
07/05/2021

প্রত্যেক নামাজের শেষে একটা আফসোস হয়।কখনই শতভাগ দিতে পারি না। মনটা এদিক ওদিক এলো মেলো হয়েই যায়। আজ জুমাতুল বি'দা, দোয়ায়
স্বরণ রাখবেন

মৃতরা কীভাবে বুঝতে পারে যে তারা মারা গেছে?ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন !!!মৃত ব্যক্তি বুঝতে পারে না যে তিনি শুর...
07/05/2021

মৃতরা কীভাবে বুঝতে পারে যে তারা মারা গেছে?

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন !!!

মৃত ব্যক্তি বুঝতে পারে না যে তিনি শুরুতেই মারা গিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে মৃত্যুর স্বপ্ন দেখে মনে করে, সে নিজেকে কাঁদছে, গোসল করছে, নিজেকে কাফনের কাপড়ে বাধছে এবং কবরে নামছে।

যখন তাকে মাটিতে শুয়ে ফেলা হচ্ছে তখনো তিনি সপ্নের ঘোরে থাকেন আর মনে করতে থাকেন এটি একটি সপ্ন। তারপরে সে চিৎকার করে কিন্তু কেউ তার চিৎকার শুনে না।

পরে যখন সবাই তাকে কবরের অন্ধকারে ফেলে চলে যায় আর সে মাটির নিচে একা হয়ে যায়, তখন আল্লাহ তার প্রাণ ফিরিয়ে দেন। সে চোখ খুলে তার "খারাপ স্বপ্ন" থেকে জেগে ওঠে। প্রথমে তিনি খুশি এবং কৃতজ্ঞ হয় এই কারনে যে তিনি যা দেখছিলেন তা কেবল একটি দুঃস্বপ্ন এবং তিনি এখন ঘুম থেকে জেগে আছেন।

(আমরা প্রায়শই এমন সপ্ন দেখে থাকি, যেখানে আমাদের দেহ অসাড় হয়ে যায়, আশেপাশের মানুষজনের কথা বার্তা শুনতে পাই কিন্তু নিজে থেকে ওই অর্ধঘুম থেকে উঠতে পারিনা। তখন আমরা ভাবি, হায়রে কেউ যদি আমাকে কেবল একটু নাড়া দিত বা হাত দিয়ে ধরত তাহলেই তো আমি এই অর্ধচেতন থেকে উঠতে পারতাম। কিন্তু কেউই আসেনা। আমরা নিজেরাই একসময় উঠি। হয় না এমন অনুভূতি?
আচ্ছা এটা কি মৃত্যুর মত কোন একটা অনুভুতি? যদি না উঠতে পারি তখন কি আমরা মৃত হয়ে যাব?)

তারপরে সে তার দেহটি স্পর্শ করতে শুরু করে, যা কেবল একটি সাদা কাপড়ে জড়িয়ে রাখা হয়েছিল, তখন সে অবাক হয়ে বলতে থাকে
"আমার শার্ট কোথায়, আমার প্যান্ট কোথায়?"
তারপরে সে আরো অবাক হয়ে বলতে থাকে "আমি কোথায়, এই জায়গাটি কোথায়, সর্বত্র ময়লা-মাটির গন্ধ কেন, আমি এখানে কী করছি?"

তারপরে সে বুঝতে শুরু করে যে সে ভূগর্ভস্থ এবং তিনি যে অভিজ্ঞতা নিচ্ছেন তা স্বপ্ন নয়!
হ্যাঁ, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি সত্যই মারা গেছেন।

তিনি যতটা সম্ভব উচ্চস্বরে চিৎকার শুরু করতে থাকেন এবং তাঁর স্বজনদের ডাকতে থাকেন যারা তাঁর মতে, তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসবেন:
"উমর .... !!!!"
"ওয়েজা .... !!!!"
"আবদুল্লাহি .... !!!!"
"খাদিজা .... !!!!"
"আয়শা .... !!!!"
"উসমান .... !!!!"
তাকে কেউ উত্তর দিবে না। তারপরে সে মনে করে যে এই মুহুর্তে কেবলমাত্র একমাত্র আশা মহান আল্লাহর কাছে। তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার সময় সে কেঁদে ও মিনতি করেন;
"ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন ইয়া আল্লাহ ... !!!

তিনি একটি অবিশ্বাস্য ভয় নিয়ে চিৎকার করেন যা তাঁর জীবদ্দশায় তিনি এর আগে কখনও অনুভব করেননি।
যদি তিনি একজন ভাল ব্যক্তি হন, হাসি মুখে দুজন ফেরেশতা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য তাকে সর্বোত্তম সেবা করবেন।

আর যদি সে খারাপ লোক হয় তবে দু'জন ফেরেশতা তার ভয় বাড়িয়ে দেবে এবং তার কুরুচিপূর্ণ কাজ অনুসারে তাকে নির্যাতন করবে।

ইয়া আল্লাহ, আমার পাপ এবং আমার মা, পিতা, স্ত্রী, সন্তান এবং আমার পরিবার এবং বন্ধুবান্ধব সকলের পাপ ক্ষমা করুন।
* ইয়া আল্লাহ, যতক্ষণ না আমি আমার সেরা এবং আপনার সাথে দেখা করার জন্য প্রস্তুত না হই ততক্ষণ আমার জীবন গ্রহণ করবেন না। *
ইসলামে ভাই ও বোনেরা, আপনার এখানে দুটি বিকল্প রয়েছে:
এই সামান্য লেখাটি কেবল এখানে পড়ুন এবং মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন ।
অথবা
এই জ্ঞানটি আপনার বন্ধুদের এবং অন্যান্য পরিচিত মানুষের সাথে ভাগ করুন আর নিজেকে সংশোধন করুন। লজ্জা লাগলে নিজের ওয়ালে অনলি মি দিয়ে দিয়ে রাখুন। আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুক।

(একটি পেজ থেকে অনুবাদকৃত, পরিমার্জিত এবং এডিতকৃত, আমি অনুবাদে দক্ষ নই, তাই ক্ষমাসুন্দর চোখে পড়ার আবেদন রইল)।

©

Address

Chittagong
4340

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801846645266

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আ'লা হযরত ইসলামী পাঠাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to আ'লা হযরত ইসলামী পাঠাগার:

Share

Category