দোহাজারী থানা শাখা

দোহাজারী থানা শাখা দোহাজারী পৌরসভা,
ধোপাছড়ি ও খাগরিয়া ইউনিয়নের সমন্বয়
দোহাজারী থানা শাখা
চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।

15/07/2024

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।



12/07/2024
07/07/2024

১৪৪৬ হিজরি নববর্ষের শুভেচ্ছা

03/07/2024

প্রকাশিত হয়েছে ছাত্র সমাজের মুখপত্র 'ছাত্রসংবাদ' জুলাই ২০২৪' সংখ্যা।

ছাত্রসংবাদের হার্ড কপি সংগ্রহ করতে ছাত্রশিবিরের স্থানীয় দায়িত্বশীল ভাইদের সাথে যোগাযোগ করুন। অনলাইনে পড়তে পারবেন ছাত্রসংবাদের ওয়েবসাইট থেকে।

24/06/2024

২৬৬ বছর আগে এ দিনে পলাশীর আম বাগানে ইংরেজদের সঙ্গে এক যুদ্ধে বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে অস্তমিত হয় বাংলার স্বাধীনতার শেষ সূর্য। পরাজয়ের পর নবাবের বেদনাদায়ক মৃত্যু হলেও উপমহাদেশের মানুষ নবাবকে আজও শ্রদ্ধা জানায়। তার সঙ্গে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল তাদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। ইতিহাসবিদ নিখিল নাথ রায়ের লেখা 'মুর্শিদাবাদ কাহিনী' থেকে জানা যায়, নবাবের সেনা বাহিনীর তুলনায় ইংরেজদের সেনা সংখ্যা ছিল অনেক কম। সেখানে বিশ্বাসঘাতকতা না হলে নবাবের বিজয় ছিল সুনিশ্চিত।

ষোল শতকের শেষের দিকে ওলন্দাজ, পর্তুগীজ ও ইংরেজদের প্রাচ্যে ব্যাপক বাণিজ্যের প্রসার ঘটে। এক পর্যায়ে ইংরেজরা হয়ে যায় অগ্রগামী। এদিকে বাংলার সুবেদার-দিওয়ানরাও ইংরেজদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। ১৭১৯ সালে মুর্শিদকুলী খাঁ বাংলার সুবেদার নিযুক্ত হন। তার মৃত্যুর পর ওই বছরই সুজাউদ্দিন খাঁ বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার সিংহাসন লাভ করেন। এই ধারাবাহিকতায় আলীবর্দী খাঁর পর ১৭৫৬ সালের ১০ এপ্রিল সিরাজউদ্দৌলা বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার সিংহাসনে আসীন হন। তখন তার বয়স মাত্র ২২ বছর। তরুণ নবাবের সাথে ইংরেজদের বিভিন্ন কারণে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এছাড়া রাজ সিংহাসনের জন্য লালায়িত ছিলেন সিরাজের পিতামহ আলীবর্দী খাঁর বিশ্বস্ত অনুচর মীর জাফর ও খালা ঘষেটি বেগম। ইংরেজদের সাথে তারা যোগাযোগ স্থাপন করে নবাবের বিরুদ্ধে নীলনকশা পাকাপোক্ত করে।

দিন যতই গড়াচ্ছিল এ ভূখন্ডের আকাশে ততই কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছিল। ১৭৫৭ সালের ২৩ এপ্রিল কলকাতা পরিষদ নবাবকে সিংহাসনচ্যুত করার পক্ষে প্রস্তাব পাস করে। এই প্রস্তাব কার্যকর করতে ইংরেজ সেনাপতি লর্ড ক্লাইভ রাজদরবারের অভিজাত সদস্য উমিচাঁদকে ‘এজেন্ট' নিযুক্ত করেন। এ ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের যে নায়ক মীর জাফর তা আঁচ করতে পেরে নবাব তাকে প্রধান সেনাপতির পদ থেকে অপসারণ করে আব্দুল হাদীকে অভিষিক্ত করেন। কূটচালে পারদর্শী মীর জাফর পবিত্র কুরআন শরীফ ছুঁয়ে শপথ করায় নবাবের মন গলে যায় এবং মীর জাফরকে প্রধান সেনাপতি পদে পুনর্বহাল করেন। সমসাময়িক ঐতিহাসিক বলেন, এই ভুল সিদ্ধান্তই নবাব সিরাজের জন্য ‘কাল' হয়ে দাঁড়ায়।

ইংরেজ কর্তৃক পূর্ণিয়ার শওকত জঙ্গকে সাহায্য করা, মীরজাফরের সিংহাসন লাভের বাসনা ও ইংরেজদের পুতুল নবাব বানানোর পরিকল্পনা, ঘষেটি বেগমের সাথে ইংরেজদের যোগাযোগ, নবাবের নিষেধ সত্ত্বেও ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ সংস্কার, কৃষ্ণ বল্লভকে কোর্ট উইলিয়ামে আশ্রয় দান প্রভৃতি কারণে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে সকাল সাড়ে ১০টায় ইংরেজ দের সাথে নবাবের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়। মীর মদন ও মোহন লালের বীরত্ব সত্ত্বেও জগৎশেঠ, রায় দুর্লভ, উমিচাঁদ, ইয়ার লতিফ প্রমুখ কুচক্রী প্রাসাদ ষড়যন্ত্রকারীদের বিশ্বাসঘাতকতার ফলে নবাবের পরাজয় ঘটে। সেই সাথে বাংলার স্বাধীনতার লাল সূর্য পৌনে দু'শ বছরের জন্য অস্তমিত হয়।

ঐতিহাসিক মেলেসন পলাশীর প্রান্তরে সংঘর্ষকে ‘যুদ্ধ' বলতে নারাজ। তার মতে, ‘নবাবের পক্ষে ছিল ৫০ হাজার সৈন্য আর ইংরেজদের পক্ষে মাত্র ৩ হাজার সৈন্য। কিন্তু প্রাসাদ ষড়যন্ত্রকারী ও কুচক্রী মীরজাফর, রায় দুর্লভ ও খাদেম হোসেনের অধীনে নবাব বাহিনীর একটি বিরাট অংশ পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কার্যত কোনো অংশগ্রহণই করেনি। এই কুচক্রীদের চক্রান্তে যুদ্ধের প্রহসন হয়েছিলো।' আরেক ঐতিহাসিক ড. রমেশ চন্দ্র বলেন, ‘নবাব ষড়যন্ত্রকারীদের গোপন ষড়যন্ত্রের কথা জানার পর যদি মীর জাফরকে বন্দি করতেন, তবে অন্যান্য ষড়যন্ত্রকারী ভয় পেয়ে যেতো এবং ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হলে পলাশীর যুদ্ধ হতো না।'

নবাব সিরাজউদ্দৌলা প্রায় লাখ সেনা নিয়ে ক্লাইভের স্বল্পসংখ্যক সেনার কাছে পরাজিত হন মীর জাফরের মোনাফেকীতে। অতি ঘৃণ্য মীর জাফরের কুষ্ঠরোগে মৃত্যু হয়। কিন্তু আমাদের জন্য ট্রাজেডি এই যে, মীর জাফরেরা বার বার গোর থেকে উঠে আসে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় মীর জাফর ও ঘষেটি বেগম প্রচন্ড ক্ষমতালোভী ছিলেন। ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাদের উত্তরসূরীরাও একই আচরণ অব্যাহত রেখেছে। তারা এ দেশকে ‘কলোনি' বানাবার স্বপ্নে বিভোর।

15/06/2024

“একটি হলেও বৃক্ষরোপণ
করবো জনে জনে
সবুজ দেশের সুস্থ বাতাস
লাগুক সবার প্রাণে”

বৃক্ষরোপণ অভিযান ২০২৪
(১৫ জুন-১৪ জুলাই)

আমাদের কর্মসূচি :

- সংগঠনের সকল পর্যায়ে গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হবে।
- প্রত্যেক জনশক্তি ১টি করে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করবেন।
- প্রত্যেক জনশক্তি ২টি করে গাছের চারা বিতরণ করবেন।
- প্রত্যেক সাংগঠনিক থানা শাখার পক্ষ থেকে নূন্যতম ১০০টি করে গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ নিশ্চিত করা হবে।
- বৃক্ষ নিধন রোধ ও বৃক্ষরোপণের ব্যাপারে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মসজিদের আঙিনায় অনুমতি সাপেক্ষে গাছের চারা রোপণ করা হবে।
- নদী ভাঙ্গনসহ যেকোনো ভাঙ্গন রোধে এবং বেড়িবাঁধে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
- বাড়ির আঙিনায় বা ছাদে গাছের চারা রোপণ করা হবে। বিশেষ করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাসার বারান্দা ও ছাদে বাগান তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
- বিগত বছরের রোপিত চারা গাছের পরিচর্যা করা হবে। ছাত্রশিবিরের শহীদদের নামে বাগানসমূহ পরিচর্যা ও নতুন গাছ লাগানোর বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
- গাছের চারা রোপণের পর তার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় তত্ত্বাবধান চালানো হবে।




প্রকাশিত হয়েছে ছাত্র সমাজের মুখপত্র 'ছাত্রসংবাদ' জুন ২০২৪' সংখ্যা। ছাত্রসংবাদের হার্ড কপি সংগ্রহ করতে ছাত্রশিবিরের স্থান...
10/06/2024

প্রকাশিত হয়েছে ছাত্র সমাজের মুখপত্র 'ছাত্রসংবাদ' জুন ২০২৪' সংখ্যা।

ছাত্রসংবাদের হার্ড কপি সংগ্রহ করতে ছাত্রশিবিরের স্থানীয় দায়িত্বশীল ভাইদের সাথে যোগাযোগ করুন। অনলাইনে পড়তে পারবেন ছাত্রসংবাদের ওয়েবসাইট থেকে।

06/06/2024

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দোহাজারী থানা শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share