বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি বড় সন্তান শেখ ফজলে শামস্ পরশ। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া এবং বেড়ে উঠা শেখ ফজলে শামস্ পরশ খুব কাছ থেকেই দেখেছেন ১৯৭৫ সালের ট্রাজেডি। পঁচাত্তরের ট্রাজেডিতে বাবা-মাকে হারানো শেখ ফজলে শামস্ পরশ ধানমন্ডি সরকারি বালক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেয়ার পর দেশে ফিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। সরাসরি রাজনীতি থেকে দূরে থাকলেও রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেব রাজনীতির দীক্ষা নিয়েছেন খুবই কাছ থেকে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ঘটনা শেখ পরশের মনে বড় ধরনের ক্ষতের সৃষ্টি করেছিল। শেখ ফজলে শামস্ পরশের বাবা এদেশের তরুণ-যুব সমাজের আলোক বর্তিকা শেখ ফজুলুল হক মনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। এই সংগঠনটিই আজ উপমহাদেশের সর্ব বৃহৎ যুব সংগঠন হিসেবে পরিচিত। বাবার হাতে গড়া সংগঠনের প্রতি বিশেষ মায়া এবং দায়িত্ববোধ সর্বদাই শেখ পরশের মনে বাজতো। তাই ফুফু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব তিনি সযত্নে গ্রহণ করেছেন। গত ২৩ নভেম্বর, ২০১৯ইং তারিখে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে যুবলীগের সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসের দ্বিতীয় সভায় চেয়ারম্যান হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় শেখ ফজলে শামস্ পরশের।
'আমার চেষ্টা থাকবে যুব সমাজ যেন আই হেটস্ পলিটিকস্ থেকে বেরিয়ে এসে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলে দেশের কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখে'
শেখ ফজলে শামস্ পরশ
নির্বাচিত হয়েই শেখ ফজলে শামস্ পরশের প্রথম প্রতিজ্ঞা প্রকাশ করেন এভাবে “যুবলীগের একজন চেয়ারম্যান হিসেবে নয়, একজন কর্মী হিসেবে আপনাদের পাশে থেকে কাজ করব। আপনারা আমার শক্তি হবেন। আমার বাবা শেখ ফজলুল হক মনি বঙ্গবন্ধুর ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের পক্ষে যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য এই সংগঠন করেছিলেন।” তিনি আরও বলেন, “বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও তার কন্যার দেশের প্রতি হৃদয়ের ভালবাসা থেকে আমি সাহস পাই। “