চিলমারী নদী বন্দর

চিলমারী নদী বন্দর ‘‘হাঁকাও গাড়ি তুই চিলমারী বন্দরে”- বন্দরের কারণে সবাই না চিনলেও এই গানের কারণে পরিচিত।
(1)

নাব্যতা সংকটে দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর ফের চালু হচ্ছে  চিলমারী-রৌমারী রুটে ফেরি চলাচল। ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়া...
13/05/2026

নাব্যতা সংকটে দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর ফের চালু হচ্ছে চিলমারী-রৌমারী রুটে ফেরি চলাচল। ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিআইডব্লিউটিসি ও বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ ফেরি পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল ১৪ মে (বৃহস্পতিবার) দুপুর নাগাদ রৌমারী থেকে ফেরি ‘কদম’ চিলমারীর উদ্দেশে ছেড়ে আসবে।

চিলমারী নদী বন্দরের এই বটগাছ জানে কত নৌকার আগমন-প্রস্থান, আর মানুষের জীবনযাত্রার অনন্ত চলার কাহিনি!
03/05/2026

চিলমারী নদী বন্দরের এই বটগাছ জানে কত নৌকার আগমন-প্রস্থান, আর মানুষের জীবনযাত্রার অনন্ত চলার কাহিনি!

চিলমারী নদী বন্দর প্রকল্পে দৃশ্যমান পোর্ট অপারেশন বিল্ডিং এবং পরিদর্শন বাংলো।
01/05/2026

চিলমারী নদী বন্দর প্রকল্পে দৃশ্যমান পোর্ট অপারেশন বিল্ডিং এবং পরিদর্শন বাংলো।

চিলমারী-রৌমারী রুটে ফের ফেরি চলাচল শুরু হচ্ছে।চিলমারী নদী বন্দর ঘাটে নতুন করে ফেরি ঘাট এবং রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। এছ...
30/04/2026

চিলমারী-রৌমারী রুটে ফের ফেরি চলাচল শুরু হচ্ছে।
চিলমারী নদী বন্দর ঘাটে নতুন করে ফেরি ঘাট এবং রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে।

এছাড়াও রৌমারী প্রান্তে খেড়ুয়ার চর নামক জায়গায় ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান।

বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, আগামী সপ্তাহখানেকের মধ্যেই ব্রহ্মপুত্র নদের নতুন চ্যানেল দিয়ে চিলমারী-রৌমারী রুটে ফের ফেরি চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে।

আজ চিলমারী নদী বন্দর স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণের  ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ২য় দফায় ২২ জনকে চেক বিতরণ...
29/04/2026

আজ চিলমারী নদী বন্দর স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ২য় দফায় ২২ জনকে চেক বিতরণ করা হয়। প্রকল্প এলাকায় ক্যাম্প বসিয়ে এ সময় অন্যান্যদের চেক প্রাপ্তির জন্য আরো কি কি কাগজপত্র লাগবে সে সম্পর্কে অবহিত করে করা হয়। এ সময় প্রকল্প পরিচালক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভূমি হুকুম দখল কর্মকর্তা, বন্দর কর্মকর্তা, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও ক্ষতিগ্রস্তরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গতকাল আই এম ই ডি কর্তৃক নিয়োজিত ইনডেপ্থ মনিটরিং এর পরামর্শক দল প্রকল্প এলাকায় কর্মশালা আয়োজন করেন।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পসমূহ এবং ভবিষ্যতে বাস্তবায়িতব্য সম্ভাব্য প্রকল্প তালিকায় চিলমারী-রৌমারী ব্...
28/04/2026

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পসমূহ এবং ভবিষ্যতে বাস্তবায়িতব্য সম্ভাব্য প্রকল্প তালিকায় চিলমারী-রৌমারী ব্রহ্মপুত্র নদের উপর সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি নেই।

ব্রহ্মপুত্র নদের উপর সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্লানে চিহ্নিত অন্যান্য সম্ভাব্য প্রকল্পের তালিকায় রয়েছে। তাই আপাতদৃষ্টিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ক্ষীণ।

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত এবং প্রক্রিয়াধীন উল্লেখযোগ্য প্রকল্প। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলছে।আগামী ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের সু...
28/04/2026

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলছে।
আগামী ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে এবং বর্তমানে এই সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত উল্লেখযোগ্য প্রকল্প।

দ্বিতীয় যমুনা সেতুর তিনটি অ্যালাইনমেন্টের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী। সেগুলো হলো বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা-জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার মধ্য দিয়ে যমুনা নদীর ওপর; গাইবান্ধার বালাসী ঘাট হতে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত এবং আরেকটি করিডর হতে পারে গাইবান্ধা ফুলছড়ির চর সাথালিয়া হতে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ।

গত রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জামালপুর-০৩ আসনের সংসদ সদস‌্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে সেতুমন্ত্রী আরো জানান, বিদ্যমান যমুনা সেতু সংকীর্ণ চার লেনের হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে যানজট হচ্ছে, যা নিরসনে যমুনা নদীর ওপর একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। সেতু বিভাগের আওতাধীন সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পসমূহ এবং ভবিষ্যতে বাস্তবায়িতব্য সম্ভাব্য প্রকল্প তালিকায় কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী-রৌমারী সড়কে ব্রহ্মপুত্র নদের উপর সেতু নির্মাণ প্রকল্পের নাম নেই।

"ঘাট ইজারা টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি"২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ-এর চিলমারী নদী বন্দরের অধীন...
20/04/2026

"ঘাট ইজারা টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি"
২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ-এর চিলমারী নদী বন্দরের অধীন চিলমারী, রৌমারী, রাজিবপুর, বালাসী, বাহাদুরাবাদ, কামারজানীসহ বিভিন্ন ঘাট, টোল স্টেশন ও মালামাল হ্যান্ডলিং পয়েন্ট ১ বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হবে (১ জুলাই ২০২৬–৩০ জুন ২০২৭)।

১ম দফার টেন্ডার ২৮ এপ্রিল ২০২৬ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে। একই দিনে দুপুর ১:০৫ টায় টেন্ডার বাক্স খোলা এবং বিকাল ৩টায় খাম খোলা হবে (উপস্থিত টেন্ডারদাতাদের সামনে)।

গতকাল ০৮ এপ্রিল চিলমারী নদী বন্দর স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণকৃত ৭.৫ একর ভূমিতে নির্মাণ কাজ শুরু সংক্রান্ত জ...
09/04/2026

গতকাল ০৮ এপ্রিল চিলমারী নদী বন্দর স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণকৃত ৭.৫ একর ভূমিতে নির্মাণ কাজ শুরু সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুগ্মসচিব ও কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিচালন ও পরিকল্পনা) জনাব সাজেদুর রহমান মহোদয় প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক, কুড়িগ্রাম জনাব অন্নপূর্ণা দেবনাথ; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জনাব মোঃ জাকির হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মহোদয় স্থানীয় জনগণের সাথে আলোচনা করেন এবং নির্মাণ কাজে অননুমোদিতভাবে বাধা প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সরকারি আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া সদস্য (পরিঃ ও পরিঃ) মহোদয় চিলমারীতে ক্যাম্প পরিচালনার মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিতে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের চেক প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক, সিপিএস, নির্বাহী প্রকৌশলী (সিরাজগঞ্জ), বন্দর কর্মকর্তাসহ বন্দরের সকল শ্রেণীর কর্মকর্তা কর্মচারীগণসহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

'চিলমারী-রৌমারী ব্রহ্মপুত্র সেতু'গত ০২ এপ্রিল সংসদের প্রথম অধিবেশনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমা...
04/04/2026

'চিলমারী-রৌমারী ব্রহ্মপুত্র সেতু'
গত ০২ এপ্রিল সংসদের প্রথম অধিবেশনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ব্রহ্মপুত্র নদের উপর চিলমারী-রৌমারী সেতু বাস্তবায়নের দাবি উত্থাপন করেন।

২০২১ সালে বাংলাদেশ সরকার JV Consultant- TYPSA, BCL, DevCon, DDC, Nippon Koei এবং Dohwa কে ২০২০-২০৫০ সময়কালের জন্য বাংলাদেশের একটি সমন্বিত পরিবহন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের দায়িত্ব দেয়, যার লক্ষ্য ছিল আগামী ৩০ বছরের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো প্রকল্প নির্ধারণ ও অগ্রাধিকার দেওয়া। এই প্রকল্পের আওতায় কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী সড়কে ব্রহ্মপুত্র নদে সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ২০২২ সালে শুরু হয়ে ২০২৪ সালের এপ্রিলে সম্পন্ন হয়।

সমীক্ষায় Institute of Water Modeling-এর সুপারিশের ভিত্তিতে চারটি সম্ভাব্য স্থান বিবেচনা করা হয়, যার মধ্যে অপশন-৪ (ফকিরেরহাট, চিলমারী - চরশৌলমারী, রৌমারী) সবচেয়ে উপযুক্ত হিসেবে নির্বাচিত হয়। প্রস্তাবিত সেতুটি হবে ১০.৭৮ কিলোমিটার দীর্ঘ স্টিল ট্রাস সেতু, যার মূল স্প্যান ৮.৯ কিমি এবং অ্যাপ্রোচ স্প্যান ১.৮৮ কিমি; এছাড়া ১৪.৪ কিমি সংযোগ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ৫৪ মাস সময় লাগবে, যার মধ্যে শেষ ১২ মাস পরীক্ষণ ও কমিশনিংয়ের জন্য নির্ধারিত। সমীক্ষা অনুযায়ী যদি প্রকল্পটি ২০২৫ সালে বাস্তবায়ন শুরু হতো, তাহলে সেতুটি ২০৩০ সালে চালু হওয়ার কথা বলা হয়েছিল এবং মোট প্রকল্পকাল ধরা হয়েছিল ৩৫ বছর, যেখানে ৫ বছর নির্মাণ পর্যায় এবং ৩০ বছর পরিচালন পর্যায় হিসেবে বিবেচিত। এ প্রকল্পে মোট বিনিয়োগ ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩,৬৯৯.০৮ কোটি টাকা।

সেতুটির অর্থনৈতিক ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণ (Cost-Benefit Analysis) দুইভাবে করা হয়েছে - একবার ভারতীয় ট্রাফিক ধরে এবং আরেকবার তা ছাড়া।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রকল্পটি দেশের অর্থনীতির জন্য লাভজনক। ভারতের ট্রাফিক অন্তর্ভুক্ত হলে EIRR ১৫.৪৫% এবং BCR ১.৮৯, যা নির্দেশ করে প্রতি ১ টাকার বিনিয়োগে ১.৮৯ টাকার সমপরিমাণ অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়া যাবে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে বিনিয়োগের অর্থ উঠে আসবে। ভারতের ট্রাফিক না থাকলেও প্রকল্পটি অর্থনৈতিকভাবে কার্যকর থাকে, যদিও লাভ কিছুটা কমে যায়।

তবে আর্থিক বিশ্লেষণে প্রকল্পটির দুর্বলতা স্পষ্ট। শুধুমাত্র সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটির F-IRR মাত্র ৫.২১%, যা প্রয়োজনীয় ১২% এর তুলনায় অনেক কম এবং F-NPV ঋণাত্মক। অর্থাৎ প্রকল্পটি নিজস্ব আয়ের মাধ্যমে ব্যয় তুলতে সক্ষম নয়। ঋণসহ (levered) বিশ্লেষণেও F-IRR ৬.৯০% হলেও তা এখনও কাঙ্ক্ষিত মানের নিচে থাকে।

PPP (Public-Private Partnership) কাঠামোয় বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভারতের ট্রাফিক থাকলে প্রয়োজনীয় Viability Gap Funding (VGF) ৩৯.৩%, যা বাংলাদেশের আইনগত সীমা ৪০% এর মধ্যে থাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নযোগ্য। কিন্তু ভারতের ট্রাফিক না থাকলে VGF ৪৩.১% হয়ে যায়, যা অনুমোদিত সীমার বাইরে, ফলে PPP মডেলেও প্রকল্পটি তখন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না।

সার্বিকভাবে বলা যায়, প্রকল্পটি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হলেও আর্থিকভাবে স্বনির্ভর নয়। এর বাস্তবায়ন নির্ভর করছে সরকারি ভর্তুকি, PPP কাঠামো এবং বিশেষ করে ভারতীয় ট্রাফিক বা বিদেশি অর্থায়নের ওপর। তাই শুধুমাত্র বাংলাদেশ সরকারের একক অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা কঠিন, বরং বহুমুখী অর্থায়ন ও আঞ্চলিক ট্রাফিক সংযোগের ওপরই এর সফলতা নির্ভরশীল।
@ব্রহ্মপুত্র, চিলমারী & @চিলমারী নদী বন্দর

ছবি: কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী-রৌমারী সড়কে প্রস্তাবিত ব্রহ্মপুত্র নদের উপর ১০.৭৮ কিলোমিটার দীর্ঘ স্টীল ট্রাস (Steel-Truss) সেতুর নকশা।

Address

Chilmari
Chilmari

Telephone

+8801557896663

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চিলমারী নদী বন্দর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to চিলমারী নদী বন্দর:

Share