02/05/2026
সালাম সবাই কে, সম্মানিত বিষ্ণুপুর, পত্তন,পাহাড়পুর এবং সিঙ্গারবিলবাসী। ছতরপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৪ ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠান নিয়ে সাধারণ জনতার মধ্যে আলোচনা উক্ত আয়োজনের স্পন্সর করছে মাদক কারবারীরা। মাদক ব্যবসায়ীরা স্পন্সর করেছে কারন তারা যেহেতু নতুন অভিভাবক এবং অফিসার পাচ্ছে। এসব আয়োজন সাধারণত রেইট বাড়ানোর জন্য হয়। নির্বাচনের আগে প্রতিটা মিটিং মিছিলে তারা ইনভেস্ট করেছে। থানার ওসি এবং দারোগাকে তারা লালন পালন করে। এই মাদক কারবারিরা থানা চালায়, এমপি চালায়, রাজনৈতিক নেতা এবং পাতি নেতাকে চালায়। থানার ওসি আর রাজনৈতিক নেতারা করবে মাদক নির্মূল? সাধারন জনগণকে বোকা ভেবে লোক দেখানো এসব অনুষ্ঠান হয়। ফলাফল হলো রাজনৈতিক নেতা ও থানার ওসি-দারোগার ঘুষের রেইট বেড়ে গেল। এখন তারা আরো বেপরোয়া হবে। গ্রামের প্রতিটা মোড়ে মোড়ে মাদক বিক্রি করে। বিক্রি শেষে সন্ধ্যার পর দোকানে এক কাপ চা আর বিস্কুট খাইয়ে দেয় রাজনৈতিক পাতি নেতাকে। কেউ দেখার নেই, কেউ বলার নেই। কোন এমপি এবং সংশ্লিষ্ট থানার ওসি যদি চাই মাদক ব্যবসা চলবে না, তাহলে এক দিনেই বন্ধ করা সম্ভব। নির্বাচের পর সারা বাংলাদেশে মাদক কারবারিদের ধর পাকর করলেও শুধু বিজয়নগরে ব্যবসার মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিছে। সেই সুযোগে রাজনৈতিক নেত ও থানার ওসি-দারোগাট রেইট বাড়ানোর জন্য দ্রুত একটা সমাবেশ করে ফেলল। বিপরীতে জনগণকে বোকা বানালো।
আরেকটি বিষয় সীমনা- বিবাড়ীয়া সড়কে ১- ২ জন শ্রমিক দিয়ে দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ একটা ব্রীজ নির্মাণ করছে, এবং আরো একযোগ লেগে যেতে পারে। এটা কেন হচ্ছে না, এই কথা জিগানোর জন্য এমপি থেকে পাতি নেতা পর্যন্ত কোন লোক নেই। এই হচ্ছে বিজয়নগর। তারপরও আমরা আশাবাদী বিজয়নগরের মানুষ মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে।