সবাই শৈশবে ফিরে যেতে চায়

সবাই শৈশবে ফিরে যেতে চায় All Friend found this data page. It's fun for friend an another people etc.

11/09/2018

যে ব্যাক্তি যত শিক্ষিত তার চিন্তা চেতনা তত উন্নত 👌

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।"একটা অনুরোধ দয়া করে কেউ গান শুনবেন না"একজন বৃদ্ধ শায়খ গল্পটা শুনিয়েছেন।যিনি আরবের একটি...
12/01/2017

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।
"একটা অনুরোধ দয়া করে কেউ গান শুনবেন না"

একজন বৃদ্ধ শায়খ গল্পটা শুনিয়েছেন।
যিনি আরবের একটি মসজিদের ইমাম।
তিনি বলেন-একদিন ফজর নামাজ পড়ে বসে আছি এমন সময় তেরো চৌদ্দ বছরের একটি বালক দৌঁড়ে আসল হন্তদন্ত হয়ে। হাফাতে হাফাতে সে আমাকে বলল,আমার আব্বা দ্রুত আপনাকে আমাদের বাসায় নিয়ে যেতে বলেছেন।
আমি তার সাথে দ্রুতপদে তাদের বাসায় গেলাম।
দেখলাম,ছেলেটির বাবা আমার অপেক্ষায়
দাডিয়ে আছে। পঞ্চাশোর্ধ একজন লোক। অস্থির
হয়ে আমাকে তিনি বললেন, হুজুর! আমার মেয়ে মৃত্যুপথযাত্রী। তাকে একটু তালকীন করুন।
আমি ঘরের ভেতর প্রবেশ করলাম।দেখলাম বোরকাবৃত করে রাখা হয়েছে তরুণীমেয়েটিকে। তার অবস্থা দেখেই বুঝতে পারলাম আরবেশি সময় বাকি নেই।শেষ নিঃশ্বাস গুলো শেষ হতে যতক্ষণ।
আমি অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে বললাম, মা!
বলো- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ
কয়েকবার এভাবে তালকীন করলাম।
সে কালিমা তো পড়লোই না, উল্টো চিৎকার করে
আমাকে বলল, আমার বুক ভেঙ্গে আসছে, আমার
পাজরের হাড্ডিগুলো মচরে যাচ্ছে।
আমি আবার কালিমার তালকিন করলাম। এবার সে
এমন একটি বাক্য বলল যা বজ্রের মতো শোনাল আমার কানে। মেয়েটি বলল, ঐ যে আমার জাহান্নামআমাকে দেখানো হচ্ছে। খোদার কসম আমি আমার দোযখ দেখতে পাচ্ছি।
এ-কয়টা কথা বলেই সে চলে গেল।হয়তো যে ভয়ংকর স্থান তাকে দেখানো হয়েছিল সেদিকেই নিয়ে যাওয়া হলো কিশোরিমেয়েটির রুহকে। কারণ, যে যে স্থানের অধিবাসী মৃত্যুর পূর্বে তাকে সে স্থানটিই দেখানো হয়।
আমি প্রচণ্ড আঘাত পেলাম।ভয়ে দেহ কাপতে লাগল। মনটা বিষণ্ন হয়ে উঠল। এমন একজন মানুষকে আমাকে দেখানো হলো যে কি না জাহান্নামে যাচ্ছে।আমাদেরকে জানিয়ে। এর চেয়ে দুঃখের ও আক্ষেপের বিষয় আর কী হতে পারে!
আমি সবিনয়ে তার বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম,আচ্ছা
ভাই! সে কী এমন করতো যে জন্য আজ তার এমন ভয়াবহ পরিণতি হলো?
মেয়েটির বাবা ডুকরে কেদে উঠলেন। বললেন,হুজুর!আমার মেয়ে সবসময় কানে এয়ারফোন দিয়ে গানশুনতো।এই গান-বাজনায় ডুবে সে কোন এবাদতই করতো না।নামাজ- রোজার প্রতি তার ছিল প্রচণ্ড অনিহা।
বৃদ্ধ ইমাম সাহেব বলেন-বুঝতে পারলাম গুনাহ ও পাপের প্রতি নির্ভিক আসক্তি ও এবাদতের প্রতি অবহেলা প্রদর্শনের
কারণেই মৃত্যুর সময় কালিমা পড়ে দেয়ার পরও
মেয়েটি কালিমা পড়তে পারছিল না। তার বুক
সংকীর্ণ হয়ে ভেঙ্গে আসছিল।
যাদের গান শুনার শখ আছে তাদের কাছে অনুরোধ
গান শুনা থেকে বিরত থাকুন।সেই সময় হেডফোন দিয়ে কোরআনের তেলওয়াত শুনুন।হামদ,নাতে রাসুল (সঃ) শুনুন।বড় বড় আলেম ওলামাদের ওয়াজ,লেকচার শুনুন, যা নিজের জীবনের জন্য পথেয় হয়ে থাকবে।বা মোবাইলে কোরআন, হাদিসের এপস নিয়ে পড়ুন।
আল্লাহ্ আমাদেরকে সঠিক পথে চলার বুঝ ও
তৌপিক দান করেন।
আমিন।

30/11/2016

একটি রোহিঙ্গা পরিবারের আত্মকাহিনী ।
– মা, আমরা কোথায় যাচ্ছি?
– এইতো মা, ওপারে(বাংলাদেশে)!
– ওরা কি মারবে না মা?
– না মা, ওরা তোমার ভাই!
– আমাদের শরীরে আগুন দেবে না
তো?
– না রে মা! ওরা তোর বাবার মতো।
তোকে আদর করবে। আর
খেলতে যখন ইচ্ছে হবে তোর,
ঘুরতে নিয়ে যাবে ঐ দূর মাঠে।
গতরাত থেকে এত ঝড়-ঝাপটা
গিয়েছে যে কিছুই মনে ছিল না
বাচ্চাটির। হঠাৎ তার বাবার কথা মনে হল
যেন।
– মা গো! বাবা কোথায় আমার? দুদিন
ধরে দেখি না কেন বাবাকে?
অশ্রু জমে ওঠে মায়ের চোখে।
মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়।
কপালে এঁকে দেয় আলতো চুমু –
"তোর বাবা নতুন বাড়ি ঠিক করতে
গেছে মা।"
মা ঠিক জানে, মেয়ের বাবা আর ফিরবে
না কখনো। দু'দিন আগেই চলে
গেছে না ফেরার দেশে। তাঁর শেষ
কথা ছিল - 'বাঁচতে চাইলে আমার
মেয়েকে নিয়ে পালাও।'
৭টি নৌকা এগিয়ে চলেছে সন্তর্পণে।
নাফ নদীর বুক চিরে। ঐ তো
বাংলাদেশ!
হঠাৎ কিসের যেন শোরগোল। বিজিবি
ঘিরে ধরেছে নৌকা। ঢুকতে দেয়া
যাবে না এদের। "পুশব্যাক" করাতে
হবে। উপরের নির্দেশ।
এদিকে অভুক্ত, অসহায় নৌকার যাত্রীরা
উৎকন্ঠিত। ফিরিয়ে দেবে না তো?
ইতিমধ্যে নৌকার বুকে গুঞ্জন
শোরগোলের রুপ নিয়েছে।
"আমাদের বাঁচতে দিন।"
"আপনারা তাড়িয়ে দিলে আল্লাহর দুনিয়ায়
আমাদের কোন স্থান থাকবে না
হয়তো।"
এক বৃদ্ধাকে হাউমাউ করে কাঁদতে
দেখা গেল। এগিয়ে এলেন সেই মা।
শুকিয়ে যাওয়া চোখে টলমল করছে
অশ্রু –
"আমরা ফিরে যাচ্ছি। কিন্তু দয়া করা আমার
বাচ্চাটিকে নিয়ে যান। ওকে বাঁচতে
দিন।"
বিনিময়ে নির্মম, কঠোর চাহনি ফিরে
পেলেন মা। কোলে তার সেঁটে
যাওয়া ভীরু সন্তান। নৌকা চললো ফের
আরাকানের দিকে।
"মা গো! আমরা কোথায় যাচ্ছি?"
মা নীরব।
"ওরা কি আমার ভাই নয়? তুমি না বললে ওরা
আমার বাবার মতো!"
মায়ের চোখে নিথর দৃষ্টি। চোয়াল
শক্ত করে বললেন, "তোর ভাইয়েরা
মরে গেছে। পৃথিবীর কোথাও
তোর ভাই নেই।"
"বাবার নতুন বাড়ির কি হবে মা?"
"আমরা সেই বাড়িতেই যাচ্ছি মা। তোর
বাবার কাছে!"
টপটপ করে ঝরে পড়ছে অশ্রুমালা।
মায়ের এ অশ্রু শুকাবার নয় ।পৃথিবীর বিবেক নষ্ট হয়ে গেছে।।।

31/12/2015

আপু!
তোর মনে আছে কিনা জানিনা,
বেশ কয়েকবছর আগে সম্ভবত
থার্টি ফার্স্ট নাইট পালন
করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
টিএসসিতে এক মেয়ে শ্লীলতাহানীর
শিকার
হয়। রাতের ১২
টা বাজে অর্থাৎ
মধ্যরাতে তখন হাজার হাজার
যুবক যুবতী যৌবনের
আবেগে গা ডলাডলি করে মিলিত
হয়েছিল নতুন বছরকে বরণ
করে নিতে। সেই নারী পুরুষের
অবাধ মিলনমেলার আধুনিকতার
বলি হয় সেই মেয়েটি। তার
জীবনের সবচে মূল্যবান
সম্পদে একটা পশুর ঘন কেশযুক্ত
কালো হাতের স্পর্শ লাগে।
আমি শতভাগ নিশ্চিত, কয়েক
মুহূর্তের সেই
দুঃস্বপ্নটি আজো ঘুমাতে দেয়না মেয়েটিকে।
আপু দ্যাখ! সময় বয়ে যায়,
মুছে যায় স্মৃতি। সেই দিনের
ঘটনা সারা দেশে আলোড়ন
তুলেছিল। সোচ্চার হয়েছিল
সবাই। কিন্তু ঐ যে, সময়
বয়ে গেছে?
আমরাও
ভুলে গেছি সে দিনের ঘটনা।তেমনি তোর কিছু হলেও
কিছু দিন পরে আমরা ঠিকই ভুলে যাব।কিন্তু
পারবি কি তুই ভুলতে??
চেয়ে দেখ
ভুলে গেছে আমাদের হাজার
হাজার লাখ লাখ বোন,
আজ যারা ৩১ তারিখ
আবার মিলিত হবে সেই আদিম
মিলনমেলায়। ছেলে মেয়ের
সীমান্তের কাঁটাতার সেদিন
উঠে যাবে।
গায়ে গা লাগিয়ে,
জড়াজড়ি করে,
নেচে গেয়ে আবার নারী পুরুষ
একে অন্যতে বিলীন হবে।
তারপর ফিরে আসবে সেই
কেশযুক্ত কালো হাত।
খুঁজে বেড়াবে আমাদেরই
কারো বোনের সবচে মূল্যবান
সম্পদ। অতঃপর
ঘুমাতে দেবেনা তাকে আমৃত্যু।
আপু! তুই আমার কল্পনার বোন।
আপু! তুই এইসব
থেকে শত হাত দূরে থাকিস।
আমি পুরুষ। আমি জানি আল্লাহ
আমাদের
কিভাবে সৃষ্টি করেছেন।
কিন্তু তুই জানিস না। বিশ্বাস
কর! তুই একটুও জানিস না!
পুরুষ যখন হাতের কাছে তার
সবচে কামনীয় বিষয়
পেয়ে যায়, তখন সে হায়েনার
চাইতেও হিংস্র হয়ে ওঠে।
তুই বলবি সব পুরুষই তো এমন না।কিন্তু কে পুরুষ আর
কে পশু তুই কেমনে তা বুঝবি?? পরেতো পুরুষ জাতিকেই
পশু বলবি।আর সেই জাতির সদস্য তোর ভাইটা।
ভাইটাকে পশু ভাবতেকি খারাপ লাগবে না তোর???
হ্যাঁ আপু। সব পুরুষ এমন না।
যারা এমন পশু না, তারা কখনই
এমন কোথায় যাবেনা,
যেখানে নারী পুরুষের কোন
ব্যবধান থাকেনা। তারা এমন
কোথাও থাকবেনা,
যেখানে কোন মেয়ের
সাথে তাদের
ছোঁয়া লেগে যায়। তারা এমন
কোথাও যাবেনা,
যেখানে মেয়েরা বেপর্দা হয়ে তাদের
গায়ের
পাশে নেচে নেচে নিজেকে “এভেইলেভেল”
প্রমাণ করে। তুই তাদের
একটাকেও এসব জায়গায়
পাবিনা আপু! একটাকেও না!
তারা আল্লাহকে ভয় করবে।
তারা আল্লাহকে সিজদা করবে,
নিজের কামনাকে না।
যারা মনের দিক থেকে পশু,
যাদের কামনা পাশবিক,
তাদের তুই এইসব যায়গায়
লাখে লাখে পাবি।
তারা তোকে হাত
দিয়ে না পারলেও চোখ
দিয়ে খুবলে খুবলে খাবে।
বিশ্বাস কর আপু! তোর
সাথে তারা সাধু
ব্যক্তি হয়ে কথা বলবে ঠিক!
কিন্তু তোর
আড়ালে তারা তোকে নিয়ে
কি ভাবছে যদি শুনতে পেতি,
তুই মরে যেতি বোন। তুই
মরে যেতি।
আপু! তুই প্লিজ এইসব
থেকে শতহাত দূরে থাকিস !
আপু! তুই আল্লাহকে ভয় করিস।

02/09/2015

*********প্লিজ সবাই পড়ুন***********
একদিন একজন গরিব লোক রাস্তায় ১০টি টাকা পেল। সে ভাবতে লাগল এই ১০ টাকায় কি কিনা যায়? সারাদিন এই ১০টি টাকার চিন্তায় সে সময় নষ্ট করে দিল। অবশেষে সে ১০টি টাকা ফেলে দিল এবং বলল হে আল্লাহ এই ১০ টাকার জন্য আমি আজ সারা দিন আপনাকে ১ বার ও স্মরন করি নি। সে সব লোক আপনাকে কিভাবে স্মরন করে যাদের লক্ষ টাকা আছে? আল্লাহ সুদকে হারাম করে দিয়েছেন আমরা ব্যাংক বানিয়েছি,আল্লাহ জীবনকে সীমিত করেছেন আর আমরা ঘড়ি বানিয়েছি। আল্লাহ পর্দার হুকুম দিয়েছেন আর আমরা টি ভি,ভি সিডি দিয়ে বেহায়ামি সর্বসাধারনের জন্য করে দিয়েছি। আল্লাহ বলেন কুরআনে তোমাদের সফলতা আমরা অক্সর্ফোডের বইকে সফলতা বানিয়ে নিয়েছি। আল্লাহ মিথ্যা কথা বলা নিষেধ করেছেন আর আমরা এপিসি পালন করা শুরু করেছি। আল্লাহ বৃদ্ধ বয়সে মা বাবার সেবা যত্ন করতে বলেছেন আর আমরা বৃদ্ধা আশ্রম বানিয়ে নিয়েছি। আজ মুসলমান এই জন্য দুশ্চিন্তায় যে যাকে খুশি করার তাকেই তো রাগিয়ে ফেলেছি। দয়া করে সবাইকে ফরওয়াড করুন। একটু ভাবুন আযান যখন হয় তখন টি ভির ভলিঅম কমানো হয় কিন্তু নজর টি ভিতেই থাকে আর মনে মনে বলি আযান যেন তাড়াতাড়ি শেষ হয়। এটাই কি আযানের মর্ম?? আপনি নিজেই আপনার মনকে প্রশ্ন করুন? আযানের জবাব দেওয়ার চেষ্টা করুন, যাতে মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হয়। বন্ধুরা আমাদের দাওয়াতে কেউ যদি না আসে আমরা রাগান্নিত হয়। আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য প্রতিদিন ৫ বার দাওয়াত আসে আর আমরা নামায পরি না । তাতে কি আল্লাহ আমাদের উপর রাগান্নিত হন না?? এটি শুধু মেসেজ না বাস্তবতা । দয়া করে নামায আদায় করুন এবং অন্যকে উৎসাহিত করুন।।

কে কে খেলছ ছোট বেলায়?
16/08/2015

কে কে খেলছ ছোট বেলায়?

24/05/2015

01799722533 call den

25/04/2015
01/04/2015

1.Harddisk samsung sata =320GB
2.Key board A4 tech USB
3.Monitor samsung
4.Mother board intel dg41wv
5.Mouse a4 tech
6.Asus DVD rw 24x sata
7.Processor intel dual core 3.06 GHz
8.RAM transcend 2 GB DDR-3
9.UPS macgreen 650 va mg650
Phone : 01918394821 & 01725747239

19/03/2015

আমরা জিতেছি কিন্তু হেরেগেছে
ক্রিকেট, ধর্ষনের নগরীর এক পাল ধর্ষকের
হাতে ধর্ষিত হয়েছে সভ্য ক্রিকেট ।
আমার দেশের ক্রিকেট!?
ধিক্কার জানাই তোদের কে.....

17/03/2015

মা
মাকে বলেছিলাম, প্যান্টটা একটু
ধুয়ে দিতে!
মা ঠিকই প্যান্টটা ধুয়ে
শুকিয়ে রেখেছিলেন।
মাকে বলেছিলাম, শার্টটা একটু
আয়রন
করে রাখতে! মা ঠিকই শার্টটা
আয়রন
করে রেখেছেন।
শার্টের একটা বোতাম
খুলে গিয়েছিলো! পরবর্তীতে
শার্ট পরার সময়
দেখলাম মা সেটাও ঠিক করে
দিয়েছেন।
মাকে বলেছিলাম, পায়েস রান্না
করতে! মা ঠিকই
পায়েস
রান্না করে রেখে দিয়েছিলেন।
মাকে বলেছিলাম, সময় পেলে
পড়ার
টেবিলটা গুছিয়ে রাখতে! মা
ঠিকই যত্ন
করে টেবিলটা পরিপাটি করে রেখে
দিলেন। মার
কাছে কিছু টাকা চেয়েছিলাম
সেদিন! সংসারের বাজার
খরচ থেকে অল্প অল্প
টাকা গুছিয়ে আমাকে
দিয়েছিলেন।
মাকে বলেছিলাম ঘাড় ব্যথার কথা!
মা ঠিকই
বালিশটা মনে করে রোদে
দিয়েছিলেন। নিজের
বিছানা সর্বদা এলোমেলো করলেও
প্রতিবারই
পরোক্ষণে সেটা আবার গুছিয়েই
পাই।
নিজের মানিব্যাগ
সর্বদা আমি একটা জায়গায় রাখি
আর খুজেঁ দেন মা।
অথচ,
মা আমাকে একটি "সুই " এবং "কালো
রঙের সূতা "
আনতে বলেছিলেন আর সেটাই
আনতে ভুলে গেলাম!!
মা সমস্যা নাই, পরে হলেও
চলবে বলে এড়িয়ে গেলেন!!
কতোটা ফালতু
আমি!!
"মায়েরা সন্তানদের ছোট্ট
ছোট্ট ইচ্ছে,
কথাগুলো, দরকার গুলো সহজেই
মনে রেখে ইচ্ছে গুলো পূরন করলেও
আমরা সন্তানেরা তাদের ছোট্ট
ছোট্ট কাজ
করতেই ভুলে যায়! " পৃথিবীর সব
মায়েরা ভালো হলেও সব
সন্তানেরা ভালো না!!
সন্তানেরা একটু বেশি ভোলা মন
হয় আর
মায়েরা সেটা "পরে হলেও চলবে "
বলে এড়িয়ে যান।
মায়েরাই এটা পারেন!!
বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই পারেন!!

পুণ্যবান নবীপত্নীরারাসূল (সা.) এর স্ত্রী ছিলেন ১১ জন। ইসলাম প্রচার ও উম্মতের বৃহত্তর প্রয়োজনে তিনি এসব বিয়ে করেন। তাদের ...
12/03/2015

পুণ্যবান নবীপত্নীরা

রাসূল (সা.) এর স্ত্রী ছিলেন ১১ জন। ইসলাম প্রচার ও উম্মতের বৃহত্তর প্রয়োজনে তিনি এসব বিয়ে করেন। তাদের মধ্যে দুজন খাদিজা ও জয়নব (রা.) মহানবীর জীবদ্দশায় ইন্তেকাল করেন। বাকিরা সবাই নবীজি (সা.) এর দুনিয়া ত্যাগের পর মারা যান।

খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ (রা.) : তিনি মহানবী (সা.) এর প্রথম স্ত্রী। নবীজির চারিত্রিক গুণাবলিতে মুগ্ধ হয়ে খাদিজা (রা.) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। উভয় পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে খাদিজা (রা.) এর চাচা আমর ইবনে আসাদের প্রস্তাবে দেনমোহর ৫০০ দিরহাম নির্ধারণ করা হয়। বিয়ের সময় রাসূল (সা.) এর বয়স ছিল ২৫ আর খাদিজা (রা.) এর বয়স ৪০ বছর। তার জীবদ্দশায় তিনি আর বিয়ে করেননি। কেবল ইবরাহিম ছাড়া মহানবী (সা.) এর ছয় সন্তানই তিনি গর্ভে ধারণ করেছেন।

সাওদা বিনতে জামআ (রা.) : খাদিজা (রা.) এর মৃত্যুর পর অকস্মাৎ সন্তানাদি ও সংসারের সব দায়িত্ব এসে চাপে মহানবীর কাঁধে। অপরদিকে সাওদা (রা.) এর স্বামী মারা যাওয়ায় তিনিও অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। এমতাবস্থায় রাসূল (সা.) এর খালা খাওলা বিনতে হাকিমের মধ্যস্থতায় এ বিয়ে হয় দশম হিজরিতে। মোহরানা ছিল ৪০০ দিরহাম। সাওদা (রা.) এর বয়স তখন ৫৫ বছর।

আয়েশা বিনতে আবু বকর (রা.) : একই বছর শাওয়াল মাসে আয়েশা (রা.) কে বিয়ে করেন রাসূল (সা.)। আরবে কুসংস্কার ছিল বন্ধুর কন্যাকে বিয়ে করা যাবে না। রাসূল (সা.) তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু আবু বকর (রা.) এর কন্যা আয়েশা (রা.) কে বিয়ে করে এ কুসংস্কারের মূলোৎপাটন করেন। আয়েশা (রা.) বলেন, 'আমাকে যখন নবী (সা.) বিয়ে করেছেন তখন আমার বয়স ছয় বছর, আমাকে তাঁর সংসারে যখন নিয়েছেন তখন আমার বয়স নয় বছর।' (বোখারি : ৩৮৯৪)। তাকে ছাড়া নবী (সা.) আর কোনো কুমারী নারীকে বিয়ে করেননি।

হাফসা বিনতে ওমর (রা.) : হাফসা (রা.) এর প্রথম স্বামী ছিলেন মহানবী (সা.) এর সাহাবি খুনাইস বিন হুজাইফা সাহমি (রা.)। তিনি বদর যুদ্ধে আহত হয়ে মদিনায় ইন্তেকাল করেন। ওমর (রা.) স্বামীহারা যুবতী কন্যার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হন। ওমর (রা.) বলেন, আমি ওসমান বিন আফফানের কাছে হাফসার প্রসঙ্গ উত্থাপন করলাম। বললাম, তুমি চাইলে আমি তোমার সঙ্গে হাফসার বিয়ে দিতে চাই। তিনি বললেন, আমি বিষয়টা ভেবে দেখব। এরপর আমি কয়েক রাত অপেক্ষা করলাম। তিনি জানালেন, আমার কাছে এ মুহূর্তে বিয়ে করা সঙ্গত মনে হচ্ছে না। এরপর আমি আবু বকরের কাছে গেলাম। বললাম, তুমি চাইলে তোমার সঙ্গে হাফসা বিনতে ওমরের বিয়ে দিতে চাই। আবু বকর মৌনতা দেখালেন। আমি তার নীরবতায় ওসমানের উত্তর অপেক্ষা বেশি কষ্ট পেলাম। এর কয়েক রাত পরে রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। আমি তার সঙ্গেই বিয়ে দিলাম। (বোখারি : ৪০০৫)। বিবাহ সম্পন্ন হয় তৃতীয় হিজরিতে। তার বয়স তখন ২১ বছর।

জয়নব বিনতে খুজাইমা (রা.) : রাসূল (সা.) তাকে হিজরতের ৩১তম মাসের মাথায় বিয়ে করেন। তার স্বামী ওহুদ যুদ্ধে শাহাদাতবরণ করায় তিনি শোকে মুষড়ে পড়েন। তার বাবাও চিন্তায় পড়েন। জানতে পেরে রাসূল (সা.) কয়েকজন সাহাবিকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কেউ প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় তৃতীয় হিজরিতে রাসূল (সা.) নিজেই তাকে বিয়ে করে নেন। জয়নব (রা.) এর বয়স তখন ৩০ বছর। বিয়ের মাত্র তিন মাস পর তিনি ইন্তেকাল করেন।

উম্মে সালামা (রা.) : ওহুদ যুদ্ধে আবু সালামা (রা.) শাহাদাতবরণের পর উম্মে সালামা (রা.) চরম অর্থকষ্টে পতিত হন। তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সন্তান প্রসবের পর আবু বকর (রা.) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি তা ফিরিয়ে দেন। এটা দেখে আর কেউ বিয়ের প্রস্তাব দিতে সাহসী হলেন না। ফলে উম্মে সালামা (রা.) এর সংসারে অচলাবস্থা দেখা দেয়। অনাথ মহিলা ও তার এতিম সন্তানদের দায়িত্ব নিতে রাসূল (সা.) তাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। উম্মে সালামা (রা.) এতে রাজি হন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় তার সব দুঃখ-বেদনা লাঘব হয়। ৪ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের সময় তার বয়স ছিল ৩৫ বছর।

জুয়ায়রিয়া বিনতে হারেস (রা.) : বনু মুসতালিকের যুদ্ধে তিনি মুসলিমদের হাতে বন্দি হন। তিনি দাসী হিসেবে সাবিত বিন কায়েস (রা.) এর ভাগে পড়েন। জুয়ায়রিয়া ছিলেন সর্দারের মেয়ে, তাই তিনি নিজের মুক্তিপণ সম্পর্কে সাবিত (রা.) এর সঙ্গে আলোচনা করে ৯ আওকিয়া স্বর্ণ ধার্য করেন। তার কাছে এ অর্থ না থাকায় তিনি রাসূলুল্লাহর কাছে যান। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকে অর্থ দান করে মুক্ত করে দেন। এ মহানুভবতায় মুগ্ধ হয়ে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। কিন্তু এতে তার পরিবারের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন হয়। তিনি অবর্ণনীয় সমস্যায় পড়েন। তখন রাসূল (সা.) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বিয়ে করেন। এ সময় মুসলিমদের কাছে বনু মুসতালিকের ৬০০ বন্দি ছিল। রাসূল (সা.) এর শ্বশুরের গোত্রের সম্মানার্থে সব যুদ্ধবন্দিকে সাহাবিরা মুক্তি দিয়ে দেন।

জয়নব বিনতে জাহাশ (রা.) : আরবে পালিত ছেলেকে নিজের ছেলে ভাবা হতো। ফলে তার পরিত্যাজ্য বা বিধবা স্ত্রীকে বিয়ে করা গর্হিত জ্ঞান করত। এ কুসংস্কার দূর করতে আল্লাহর নির্দেশে রাসূল (সা.) তার পালিত পুত্র জায়েদ ইবনে হারেসা (রা.) এর তালাক দেয়া স্ত্রী জয়নবকে বিয়ে করেন। আল্লাহ বলেন, 'আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর জায়েদ যখন জয়নবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলো, তখন আমি তাকে আপনার সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ করলাম, যাতে মোমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মোমিনদের কোনো অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।' (সূরা আহজাব : ৩৭)। হিজরি ৫ সনে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

উম্মে হাবিবা (রা.) : আবিসিনিয়ায় হিজরতের পর উম্মে হাবিবা (রা.) এর প্রথম স্বামী খ্রিস্টান হয়ে যায় এবং অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে মারা যায়। অপরদিকে তার পিতা তখন মক্কার কাফেরদের সর্দার। ফলে তিনি চরম অসহায় হয়ে পড়েন ও অভাব-অনটনের মধ্যে কাটাতে থাকেন আবিসিনিয়ায়। এ খবর পেয়ে রাসূল (সা.) বিয়ের প্রস্তাবসহ ইবনে উমাইয়া (রা.) কে বাদশা নাজ্জাশির কাছে পাঠান। নাজ্জাশি রাসূলুল্লাহর পক্ষ থেকে মোহরানা আদায় করে বিয়ে দিয়ে দেন। উম্মে হাবিবা (রা.) জাহাজযোগে মদিনায় চলে আসেন। বিয়ে হয় হিজরি ৬ সনে। বিয়ের সময় বয়স আনুমানিক ৩৬ বছর ছিল।

মায়মুনা বিনতে হারেস (রা.) : মায়মুনা (রা.) প্রথম স্বামী কর্তৃক পরিত্যক্ত হন ও পরে দ্বিতীয় স্বামী রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যান। এতে তিনি জীবনের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলেন। তার কিছু হিতাকাঙ্ক্ষী তার দুঃখ-কষ্ট দেখে রাসূল (সা.) কে অনুরোধ করেন তাকে বিয়ে করতে। তাদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে সপ্তম হিজরিতে তাকে বিয়ে করেন।

সুফিয়া বিনতে হুয়াই (রা.) : ৭ হিজরিতে খায়বর যুদ্ধে বন্দি হন। সাহাবি দাহিয়া কালবি (রা.) দাসী হিসেবে গ্রহণ করতে চাইলে জনৈক সাহাবি প্রতিবাদ করে বলেন, বনু নাজির ও বনু কুরাইজার সর্দারের মেয়ে কেবল রাসূলুল্লাহর জন্যই শোভনীয়। তখন সুফিয়া (রা.) ইসলাম গ্রহণ করায় তাকে মুক্তি দিয়ে তিনি উম্মুল মোমিনিনের মর্যাদা দান করেন।

Address

Brahmanbaria
3400

Telephone

01917527299

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সবাই শৈশবে ফিরে যেতে চায় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to সবাই শৈশবে ফিরে যেতে চায়:

Share

Category