Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর

Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর 𝗙𝗼𝘂𝗻𝗱𝗲𝗿 & 𝗖𝗵𝗮𝗶𝗿𝗺𝗮𝗻- 𝗘𝗻𝗴𝗿. 𝗠𝗱. 𝗔𝘇𝗵𝗮𝗿 𝗨𝗱𝗱𝗶𝗻

পঁ/চে-গলে যাওয়ায় পারভীন আক্তারের লা/শ নিলো না স্বামী-সন্তানেরা, দাফন হবে বাতিঘরের উদ্যোগে!ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বির...
30/05/2026

পঁ/চে-গলে যাওয়ায় পারভীন আক্তারের লা/শ নিলো না স্বামী-সন্তানেরা, দাফন হবে বাতিঘরের উদ্যোগে!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিরাসার এলাকায় পারভীন আক্তার (৫৫) নামে এক নারীর পঁ/চাগলিত ম/রদেহ স্বামী-সন্তান ও স্বজনরা গ্রহণ না করায় মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে দাফন করা হবে৷

শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল ৫টার দিকে পারভীন আক্তারের ম/রদেহ দাফনের জন্য প্রথমে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। পরে ম/রদেহটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আগামীকাল শনিবার (৩০ মে) বিকেলে শহরের পূর্ব মেড্ডা তিতাস নদী সংলগ্ন বে/ওয়ারিশ লা/শের ক/বরস্থানে Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে পারভীন আক্তারের ম/রদেহটি সম্মানের সঙ্গে দাফন করা হবে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের দিন সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের বিরাসার গ্রামের পাল্লা পুকুরপাড় এলাকার খোদেজা বেগমের তিনতলা ভবনের নিচতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে পারভীন আক্তারের ম/রদেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে ম/রদেহটি পড়ে থাকায় সেটি সম্পূর্ণ পঁ/চে-গলে যায় এবং শরীরে কি/রা-পোঁ/কা ধরে যায়। চারদিকে পঁ/চা দু/র্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে বাড়ির মালিক পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ম/রদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ম/র্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে ম/রদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলেও অতিরিক্ত পঁ/চন, কি/রা-পোঁ/কা ও অতিরিক্ত দু/র্গন্ধের কারণে সাবেক স্বামী বাচ্চু মিয়া, দুই মেয়ে রত্না ও ফাতেমা এবং বড় মেয়ের জামাই কবির মিয়াসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পারভীন আক্তারের ম/রদেহ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে বাচ্চু মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের কাছে পারভীন আক্তারের ম/রদেহটি হস্তান্তর করে দাফনের অনুরোধ জানান।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পারভীন আক্তার কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার মৃত রেজ্জাক মিয়ার মেয়ে। প্রায় ৩৫ বছর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের বারুইচিড়া গ্রামের দুর্গাপুর এলাকার মৃ/ত সনু মিয়ার ছেলে বাচ্চু মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে জন্ম নেয়। পরে সড়ক দু/র্ঘটনায় ছেলেটির মৃ/ত্যু হয়। বড় মেয়ে রত্না বেগমের (২৭) বিয়ে দেওয়া হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ঘাটুরা এলাকার কবির মিয়ার সঙ্গে। পরবর্তীতে পারভীন আক্তার প্রথম স্বামী বাচ্চু মিয়াকে তালাক দিয়ে আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর এলাকার চাকরিজীবী ইসহাক মৃধাকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় সংসারে তাদের একটি কন্যাসন্তান ফাতেমার (১৮) জন্ম হয়। দীর্ঘদিন ভালোভাবেই সংসার চললেও হঠাৎ স্ট্রো/ক করে দ্বিতীয় স্বামী ইসহাক মৃধার মৃ/ত্যু হয়। এরপর পারভীন আক্তারও একাধিকবার স্ট্রো/কে করেম। তার ছোট মেয়ে ফাতেমার বিয়ের পর দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিরাসার একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করতেন। জীবিকার তাগিদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কোর্ট এলাকায় একটি ভাসমান দোকান চালিয়ে জীবনের সংগ্রাম চালিয়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত নিঃসঙ্গভাবেই তার জীবনের সমাপ্তি ঘটে।

পারভীন আক্তারের এই নীরব বিদায় যেন সমাজের সামনে এক নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরে। অর্থ, ক্ষমতা, দম্ভ কিংবা প্রভাব সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী। একদিন সবকিছু ফেলে মানুষকে চলে যেতে হয়। শেষ সময়ে মানুষ খোঁজে না সম্পদ কিংবা প্রভাবের পরিচয়, খোঁজে শুধু একটু ভালোবাসা, আপনজনের স্নেহ আর সামান্য মানবিকতা।

শেষ যাত্রায় সঙ্গে যায় না কোনো দালান-কোঠা বা অর্থসম্পদ। থেকে যায় শুধু কিছু স্মৃতি, কিছু ভালোবাসা কিংবা না-পাওয়ার গভীর শূন্যতা। পারভীন আক্তারের মৃ/ত্যু আমাদের মনে করিয়ে দেয়, জীবনের শেষ সময়ে মানুষ কেবল মানুষকেই খোঁজে। আর সেই মানবিক উপস্থিতির বিকল্প পৃথিবীতে আর কিছুই নয়।

শোকাহত ও মর্মাহত:
ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন,
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান-
Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
মোবা: 01798-091721

অ/জ্ঞাত বৃদ্ধের ম/রদেহের পরিচয় শনাক্তে মানবিক আহ্বান!ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের বহিঃবিভাগের লিফট...
29/05/2026

অ/জ্ঞাত বৃদ্ধের ম/রদেহের পরিচয় শনাক্তে মানবিক আহ্বান!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের বহিঃবিভাগের লিফটের সামনে থেকে অ/জ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃ/ত বৃদ্ধের বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেও তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

গত বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে হাসপাতালের আউটডোর ভবনের লিফটের সামনে তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ম/রদেহটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

জানা যায়, দিবাগত রাতে হাসপাতালের লিফটম্যান জাবেদ মিয়া হাসপাতালের পুলিশ বক্সে দায়িত্বরত দুই কনস্টেবলকে সঙ্গে নিয়ে ৪র্থ তলায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে আউটডোরের লিফটের সামনে যান। সেখানে গিয়ে তারা এক বৃদ্ধকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক ইসিজি পরীক্ষা করে তার মৃ/ত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। চিকিৎসকদের ধারণা, স্ট্রো/কজনিত কারণে তার মৃ/ত্যু হয়ে থাকতে পারে। গত বুধবার থেকে বহিঃবিভাগ বন্ধ থাকায় ওই লিফটটি চালু ছিল না। হাসপাতালের ভেতরের লিফট ব্যবহার করেই রোগী ও দর্শনার্থীরা যাতায়াত করছিলেন। রাতের দিকে আউটডোর ভবনের লিফটের সামনে গিয়ে ওই বৃদ্ধের ম/রদেহ দেখতে পাই। পরিচয় শনাক্তের উদ্দেশ্যে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করলেও আঙুলের ছাপের মাধ্যমে অ/জ্ঞাত বৃদ্ধের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

হাসপাতালে অবস্থানরত কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, বৃদ্ধকে গত কয়েকদিন ধরেই হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি রাতে হাসপাতালেই অবস্থান করতেন।

যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি ছবিটি দেখে তার পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে ম/রদেহটির পরিচয় শনাক্ত না হলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে অ/জ্ঞাতনামা বা বে/ওয়ারিশ হিসেবে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন, যাতে দ্রুত এই অ/জ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

অনুরোধক্রমে:
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আজহার উদ্দিন,
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান-
Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
মোবা: 01798-091721

পবিত্র ঈদুল আযহার দিনে, অ/জ্ঞাত ভ/বঘুরে ব্যক্তির ২৫৪ তম বে/ওয়ারিশ লা/শ দাফন সম্পন্ন!ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে আবার...
29/05/2026

পবিত্র ঈদুল আযহার দিনে, অ/জ্ঞাত ভ/বঘুরে ব্যক্তির ২৫৪ তম বে/ওয়ারিশ লা/শ দাফন সম্পন্ন!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে আবারও অ/জ্ঞাত ভ/বঘুরে ব্যক্তির বে/ওয়ারিশ লা/শ দাফন কাজ সম্পন্ন করেছি৷

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকার তিতাস নদী সংলগ্ন বে/ওয়ারিশ লা/শের ক/বরস্থানে ম/রদেহটি দাফন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া (সদর সার্কেলের) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম রকীব উর রাজা।

গত শুক্রবার (২২ মে ২০২৬) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের উত্তর জগৎসার গ্রামের খোয়াজুদ্দিনের বাড়ির পাশের একটি পুকুরের পাকা ঘাট থেকে অ/জ্ঞাতনামা (৫২) এক ভ/বঘুরে ব্যক্তির ম/রদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ম/রদেহটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, মৃ/ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ভ/বঘুরে ও মা/নসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন। স্থানীয় কেউ তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত থেকে শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৮টার মধ্যে কোনো এক সময়ে অ/সুস্থতাজনিত বা অ/জ্ঞাত কারণে তার মৃ/ত্যু হয়েছে। মৃ/ত ব্যক্তির মুখে দাঁড়ি-গোঁফ ছিল এবং তিনি একটি জিন্স প্যান্ট পরিহিত ছিলেন। পরিচয় শনাক্তের উদ্দেশ্যে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করলেও আঙুলের ছাপের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি বলে ৬দিন পর আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকাল ৪টার দিকে Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে অ/জ্ঞাত ব্যক্তি ম/রদেহকে বে/ওয়ারিশ লা/শ দাফন কাজ সম্পন্ন করেছি।

পবিত্র ঈদুল আযহারর মতো আনন্দমুখর দিনেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের বে/ওয়ারিশ লা/শ দাফন কার্যক্রম থেমে থাকেনি। ঝড়-বৃষ্টি, তুফান কিংবা যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে৷ ইনশাআল্লাহ্।

সূত্র- সদর মডেল থানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জিডি নং- ১৫৩৯, তারিখ- ২২.০৫.২০২৬ ইং।

আলহামদুলিল্লাহ্।
এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে ২৫৪ টি বে/ওয়ারিশ লা/শ দাফন কাজ সম্পন্ন করেছি।

# #
ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন,
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান-
Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
মোবা: 01798-091721

পবিত্র ঈদুল আযহার দিন, আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকাল ৪টায় Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে ব্রাহ্...
28/05/2026

পবিত্র ঈদুল আযহার দিন, আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকাল ৪টায় Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পূর্ব মেড্ডা, তিতাস নদীর পাড়ে অবস্থিত বে/ওয়ারিশ লা/শের ক/বরস্থানে ২৫৪ তম অ/জ্ঞাত এক ব্যক্তির বে/ওয়ারিশ ম/রদেহ দাফন সম্পন্ন করা হবে।

উক্ত দাফন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী সকলকে নির্ধারিত সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে অথবা সরাসরি পূর্ব মেড্ডা, তিতাস নদীর পাড়ে অবস্থিত বে/ওয়ারিশ ক/বরস্থানে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

বে/ওয়ারিশ ম/রদেহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
গত শুক্রবার (২২ মে ২০২৬) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের উত্তর জগৎসার গ্রামের খোয়াজুদ্দিনের বাড়ির পাশের একটি পুকুরের পাকা ঘাট থেকে অ/জ্ঞাতনামা (৫২) এক ভ/বঘুরে ব্যক্তির ম/রদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ম/রদেহটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, মৃ/ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ভবঘুরে ও মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন। স্থানীয় কেউ তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত থেকে শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৮টার মধ্যে কোনো এক সময়ে অ/সুস্থতাজনিত বা অ/জ্ঞাত কারণে তার মৃ/ত্যু হয়েছে। মৃ/ত ব্যক্তির মুখে দাঁড়ি-গোঁফ ছিল এবং তিনি একটি জিন্স প্যান্ট পরিহিত ছিলেন। পরিচয় শনাক্তের উদ্দেশ্যে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করলেও আঙুলের ছাপের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঈদের দিনেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের বে/ওয়ারিশ লা/শ দাফন কার্যক্রম থেমে থাকবে না। ঝড়-তুফান, বৃষ্টি কিংবা যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে৷ ইনশাআল্লাহ।

আমন্ত্রণে:
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আজহার উদ্দিন,
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান-
Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
মোবা: 01798-091721

ঈদ শুধু ধনী বা বিত্তবান মানুষের আনন্দের উৎসব নয়; ঈদের প্রকৃত সৌন্দর্য নিহিত রয়েছে সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মা...
28/05/2026

ঈদ শুধু ধনী বা বিত্তবান মানুষের আনন্দের উৎসব নয়; ঈদের প্রকৃত সৌন্দর্য নিহিত রয়েছে সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্যেই। পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের ত্যাগ, সহমর্মিতা, মানবতা ও সাম্যের শিক্ষা দেয়।

কোরবানি কখনোই শুধুমাত্র বড় পশু জবাই, বাহ্যিক প্রদর্শন কিংবা মাংস জমিয়ে রাখার নাম নয়। ইসলামের মূল শিক্ষা হলো নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানি করা এবং সেই কোরবানির আনন্দ আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, এতিম, মিসকিন ও অসহায় এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়া। সমাজে যেন বৈষম্য সৃষ্টি না হয়, সেদিকে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

অর্থের অভাব ও সংসারের টানাপোড়েনের কারণে অনেক মানুষ এবার কুরবানী দিতে পারেননি। তাই কুরবানীর আসল শিক্ষা যেন শুধু নিজের ঘরে মাংস জমা করে রাখায় সীমাবদ্ধ না থাকে। আমাদের উচিত কুরবানীর মাংস অসহায়, গরীব ও মিসকিন মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া। এক টুকরা মাংসের আশায় অনেক দরিদ্র মানুষ দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ায়। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে কাঁচা কিংবা রান্না করা মাংস দান করুন। ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবতার এই শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। তবেই কুরবানীর প্রকৃত আত্মতৃপ্তি ও সৌন্দর্য প্রকাশ পাবে।

হালাল উপার্জনের মাধ্যমে কোরবানি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আল্লাহ তাআলা মানুষের অন্তরের তাকওয়া ও নিয়তকে বেশি মূল্যায়ন করেন। অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ কষ্ট ও অভাবের মাঝেও সম্মিলিতভাবে কোরবানি আদায় করেন, তাদের আন্তরিকতা ও ত্যাগ অবশ্যই মহান আল্লাহর নিকট মহিমান্বিত।

পবিত্র ঈদুল আযহার মূল শিক্ষা শুধু পশু কোরবানিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নিজের অহংকার, হিংসা, লোভ ও কুপ্রবৃত্তিকে ত্যাগ করাও প্রকৃত ইবাদত। আসুন, আমরা সবাই মানবতা, ভালোবাসা ও সাম্যের বার্তা ছড়িয়ে দিই এবং কোরবানির মাংস ন্যায়সঙ্গতভাবে বণ্টনের মাধ্যমে ঈদের আনন্দ সবার মাঝে পৌঁছে দিই।

প্রবাসে অবস্থানরত সকল রেমিট্যান্স যোদ্ধা, দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ, শ্রমজীবী অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী, এবং দেশ-বিদেশের সকল মানবিক ও স্বেচ্ছাসেবী মানুষের প্রতি রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মুবারক।

শুভেচ্ছান্তে-
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আজহার উদ্দিন,
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান-
Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
মোবাইল: 01798-091721

নিকেশ ঘোষের পরিবারের সন্ধানে জরুরি মানবিক আহ্বান!ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল/সদর হাসপাতালে বর্তমানে অ/জ্ঞাত ...
26/05/2026

নিকেশ ঘোষের পরিবারের সন্ধানে জরুরি মানবিক আহ্বান!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল/সদর হাসপাতালে বর্তমানে অ/জ্ঞাত পরিচয়ে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর নাম নিকেশ ঘোষ বলে জানা গেলেও এখনো পর্যন্ত তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁর আনুমানিক বয়স প্রায় ৩৫ বছর।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেল ৫টার দিকে নিকেশ ঘোষ তার বাম পায়ের মা/রাত্মক মকটস রোগ (ঘা বা আলসার) নিয়ে তাঁকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা নিয়মিত তাঁর চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। পাশাপাশি Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর তত্ত্বাবধানে এবং হাসপাতালের সহযোগিতায় তাঁর প্রয়োজনীয় ওষুধ, ইনজেকশন ও খাবারের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তিনি স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছিলেন না। তবে ধীরে ধীরে কিছু তথ্য জানাতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর পিতার নাম নিত্যন্দ ঘোষ এবং মাতার নাম সুপ্রভা ঘোষ। তাঁদের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার আরিতলা বা বাংলা বাজার এলাকায় হতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, তাঁদের পরিবারে তিন ভাই ও দুই বোন রয়েছেন। নিকেশ ঘোষ অবিবাহিত এবং তাঁর দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। এছাড়া তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর তেমন যোগাযোগ নেই। এর বাইরে নির্ভরযোগ্য আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তিনি হবিগঞ্জ থেকে পারাবত ট্রেনে ঢাকায় যান। সেখানে তাঁর কাছে থাকা প্রায় ৩৪ হাজার টাকা ছিনতাই করা হয়। পরে নানা কষ্ট সহ্য করে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে এসে নামেন। পরে এক ব্যক্তি তাঁকে উদ্ধার করে বিকেল ৫টার দিকে হাসপাতালে রেখে যান৷

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিকেশ ঘোষ আখাউড়ার খরমপুর মাজারসহ সিলেটের বিভিন্ন মাজারে ঘুরে বেড়াতেন। এভাবেই তাঁর জীবন চলছিল। প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর ধরে তাঁর পায়ে পঁ/চন ও ঘা রয়েছে। দীর্ঘদিন যথাযথ চিকিৎসার অভাব, অবহেলা এবং দেখভালের মতো কোনো স্বজন না থাকায় তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবার বা দায়িত্ব নেওয়ার মতো কেউ পাশে না থাকায় তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকেও দীর্ঘদিন বঞ্চিত ছিলেন।

নিকেশের পরিবারের সন্ধানে মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয়ভাবে তাঁর পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানের চেষ্টা চলছে।

এদিকে, তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করতে আগামীকাল বুধবার (২৭ মে) সকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর মাধ্যমে তাঁর ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা অন্যান্য তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে তাঁর পরিবারের সন্ধান করার চেষ্টা করা হবে।

যাচাই-বাছাই শেষে পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নিকেশ ঘোষের পরিবারের কোনো সদস্য যদি এই সংবাদটি দেখে থাকেন অথবা তাঁর সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

এছাড়াও, কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি নিকেশ ঘোষের পরিচয় বা তাঁর পরিবারের সন্ধান সম্পর্কে তথ্য জানেন, অনুগ্রহ করে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন, যাতে দ্রুত তাঁর পরিবারের সন্ধান পাওয়া যায় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

অনুরোধক্রমে:
ইঞ্জি. মো. আজহার উদ্দিন,
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান-
Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
মোবা: 01798-091721

বাবার পরিচয় নেই, তবুও নবজাতক ছেলে সন্তানকে নিয়ে ফিরলেন আখাউড়া রেলস্টেশনের আশ্রয়ে মা রুপা!নবজাতক ছেলে শিশুর মা আছে, কিন্ত...
25/05/2026

বাবার পরিচয় নেই, তবুও নবজাতক ছেলে সন্তানকে নিয়ে ফিরলেন আখাউড়া রেলস্টেশনের আশ্রয়ে মা রুপা!

নবজাতক ছেলে শিশুর মা আছে, কিন্তু নেই বাবার পরিচয়। তারপরও মায়ের কোলেই ঠাঁই হলো তার। অনিশ্চয়তা আর সংগ্রামে ভরা সেই পুরোনো আশ্রয়স্থল আখাউড়া রেলস্টেশনের ১ নম্বর প্লাটফর্মের ওভারব্রিজের নিচে।

Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৫টার দিককে নবজাতক ছেলে সন্তানকে বুকে জড়িয়ে সেখানে ফিরে যান অসহায় মা মাহমুদা আক্তার রুপা (২০)। যে জায়গায় একসময় ভাসমান জীবন কাটাতেন তিনি, সেখানেই এখন শুরু হলো তার নবজাতক ছেলে শিশুর জীবনযুদ্ধ।

বিদায়ের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের পক্ষ থেকে নবজাতকের জন্য ৫ সেট জামা-প্যান্ট, ৫ সেট গেঞ্জি-প্যান্ট, ৫ সেট সেন্টু গেঞ্জি, একটি বেডশিট, বালিশ, কুল-বালিশ, একটি বড় প্যাম্পার্স, একটি ভেজা টিস্যুর বক্স, দুইটি তোয়ালে, একটি মশারি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করা হয়। এছাড়াও রুপাকে দেওয়া হয় দুই সেট নতুন কাপড় ও প্রয়োজনীয় সহায়তা। হাসপাতাল থেকে তার ৭০ শতাংশ ওষুধ সরবরাহ করা হয় এবং বাকি ওষুধ কিনে দেয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর। ভবিষ্যতেও রুপা ও তার সন্তানকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

তবুও শত কষ্টের মাঝেও নিজের সন্তানকে কারও হাতে তুলে দিতে রাজি নন রুপা। প্রতারণা, অবহেলা আর অনিশ্চয়তার অন্ধকারে থেকেও তিনি স্বপ্ন দেখেন, একদিন তার সন্তান মানুষের মতো মানুষ হবে। বিয়ের প্রলোভনে পড়ে সাব্বির নামের এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে অন্তঃসত্ত্বা হন রুপা। কিন্তু গর্ভধারণের পরই বদলে যায় সবকিছু। অভিযোগ রয়েছে, সন্তানকে নিজের বলে স্বীকার না করে রুপাকে ছেড়ে চলে যান সাব্বির। সমাজের নির্মম বাস্তবতায় তখন একা হয়ে পড়েন এই তরুণী।

মানবতার সবচেয়ে সুন্দর দৃষ্টান্তটি দেখা যায় সেই কঠিন সময়েই। গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত থেকে প্রসববেদনায় কাতর রুপাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়। গভীর রাতজুড়ে অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা অসহায় এই মায়ের পাশে দাঁড়ান হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর। নিজের দায়িত্বের বাইরে গিয়েও তারা নিশ্চিত করেছেন রুপার চিকিৎসা, ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও খাবারের ব্যবস্থা।।পরিস্থিতির অবনতি হলে গত শুক্রবার (২২ মে) ভোররাত ৩টার দিকে জরুরি সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে রুপা জন্ম দেন একটি সুস্থ ছেলে সন্তানের। অপারেশন পরিচালনা করেন গাইনি কনসালটেন্ট ডা. কামরুন্নাহার বেগম এবং অ্যানেসথেসিয়ার দায়িত্বে ছিলেন ডা. হাবিবুর রহমান শামীম। হাসপাতালের নার্স ও অপারেশন থিয়েটারের স্টাফদের আন্তরিক সহযোগিতায় নিরাপদে পৃথিবীর আলো দেখে নবজাতক শিশুটি। সিজারের পর মা ও সন্তান দু’জনই সুস্থ ছিলেন।

রুপার জন্ম কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় হলেও ছোটবেলা থেকেই তার বেড়ে ওঠা আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় ভবঘুরে জীবন কাটিয়ে। সেখানেই পরিচয় হয় সাব্বিরের সঙ্গে। প্রেম, বিয়ের স্বপ্ন আর বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে একসময় তাকে একা ফেলে চলে যাওয়া হয়। অথচ অনাগত সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছেন রুপা।

অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসার জন্য আখাউড়া রেলস্টেশন কিছু মানুষ যে টাকা তুলে দিয়েছিলেন, তা-ও আত্মসাৎ করে একজন নারী রুপাকে হাসপাতালে রেখেই চলে যান। কিন্তু মানবতা হারিয়ে যায়নি। চিকিৎসক, নার্স, পুলিশ প্রশাসন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের মানবিক সহায়তায় সঠিক চিকিৎসা ও সেবাযত্ন পেয়েছেন রুপা। তাদের আন্তরিকতা না থাকলে হয়তো মা ও নবজাতকের জীবন আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারত।

আজ নবজাতক শিশুটির পরিচয়ে বাবার নাম নেই, আছে শুধু মায়ের ভালোবাসা আর সংগ্রামের ইতিহাস। সমাজের অবহেলা, প্রতারণা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এক অসহায় মা প্রমাণ করে দিয়েছেন মাতৃত্ব কখনও পরাজিত হয় না। আর মানবিক মানুষগুলো এখনো আছেন বলেই পৃথিবীটা পুরোপুরি নিষ্ঠুর হয়ে যায়নি।

অনুরোধক্রমে:
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আজহার উদ্দিন,
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান-
Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
মোবা: 01798-091721

25/05/2026

এবার যাবে বাড়ি, মায়ের মুখে হাসি।

নবজাতক ছেলে শিশুটি বাবার পরিচয় ছাড়াই আগামীকাল মায়ের হাত ধরে ফিরে যাবে আখাউড়া রেলস্টেশনের সেই শেষ আশ্রয়স্থলে। যেখানে ভাসমান জীবন কাটাতেন তার মা রুপা। সেই অনিশ্চিত জীবনেই এখন ঠাঁই হবে নবজাতক শিশুটিরও।

তবুও নিজের সন্তানকে কারও কাছে তুলে দিতে রাজি নন রুপা। শত কষ্ট আর সংগ্রামের মাঝেও তিনি একক মা হিসেবে সন্তানকে মানুষ করার স্বপ্ন দেখছেন।

বিয়ের প্রলোভনে পড়ে সাব্বিরের সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন রুপা। আজ সব প্রতারণা আর অনিশ্চয়তার শেষে, পৃথিবীতে আসা এই পিতৃহীন সন্তানই যেন তার জীবনের একমাত্র ভরসা।

অ/জ্ঞাত ব্যক্তির ম/রদেহের পরিচয় শনাক্তে মানবিক আহ্বান!ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের উত্তর জগৎসার গ্রাম থ...
24/05/2026

অ/জ্ঞাত ব্যক্তির ম/রদেহের পরিচয় শনাক্তে মানবিক আহ্বান!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের উত্তর জগৎসার গ্রাম থেকে এক অ/জ্ঞাতনামা ভ/বঘুরের ম/রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃ/ত ব্যক্তির আনুমানিক বয়স ৫২ বছর। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেও তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

গত শুক্রবার (২২ মে ২০২৬) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের উত্তর জগৎসার গ্রামের খোয়াজুদ্দিনের বাড়ির পাশের একটি পুকুরের পাকা ঘাট থেকে ম/রদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ম/রদেহটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, মৃ/ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ভবঘুরে ও মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন। স্থানীয় কেউ তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত থেকে শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৮টার মধ্যে কোনো এক সময়ে অ/সুস্থতাজনিত বা অ/জ্ঞাত কারণে তার মৃ/ত্যু হয়েছে। মৃ/ত ব্যক্তির মুখে দাঁড়ি-গোঁফ ছিল এবং তিনি একটি জিন্স প্যান্ট পরিহিত ছিলেন। পরিচয় শনাক্তের উদ্দেশ্যে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করলেও আঙুলের ছাপের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি ছবিটি দেখে তার পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে ম/রদেহটির পরিচয় শনাক্ত না হলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে অ/জ্ঞাতনামা বা বে/ওয়ারিশ হিসেবে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন, যাতে দ্রুত এই অ/জ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

অনুরোধক্রমে:
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আজহার উদ্দিন,
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান-
Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
মোবা: 01798-091721

সদর হাসপাতালে গভীর রাতে ভবঘুরের সিজার, নবজাতকের মা আছে, বাবার পরিচয় নেই! মানবতা এখনো বেঁচে আছে, তারই এক জীবন্ত উদাহরণ অস...
22/05/2026

সদর হাসপাতালে গভীর রাতে ভবঘুরের সিজার, নবজাতকের মা আছে, বাবার পরিচয় নেই!

মানবতা এখনো বেঁচে আছে, তারই এক জীবন্ত উদাহরণ অসহায় মা মাহমুদা আক্তার রুপা (২০) ও তার নবজাতক ছেলে সন্তান। গভীর রাতের অন্ধকারে, অসহ্য প্রসব যন্ত্রণায় কাতর এক ভাসমান তরুণীর পাশে দাঁড়িয়েছেন চিকিৎসক, নার্স ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় পৃথিবীর আলো দেখেছে এক নবজাতক ছেলে শিশু। বর্তমানে মা ও সন্তান দু’জনই সুস্থ আছেন। তবে সন্তানের বাবা পরিচয় নেই কিন্তু একক মা-ই তার পরিচয়।

শুক্রবার (২২ মে) ভোররাত ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি থাকা রুপার জরুরি সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন রুপা। অপারেশন পরিচালনা করেন গাইনি কনসালটেন্ট ডা. কামরুন্নাহার বেগম এবং অ্যানেসথেসিয়ায় দায়িত্ব পালন করেন ডা. হাবিবুর রহমান শামীম। এ সময় হাসপাতালের গাইনি বিভাগের নার্স ও অপারেশন থিয়েটারের স্টাফরা আন্তরিকতার সঙ্গে সহযোগিতা করেন। গভীর রাতে নিজেদের বিশ্রাম ও পরিবারের কথা ভুলে অসহায় এক মায়ের জীবন এবং নবজাতক শিশুটিকে নিরাপদে পৃথিবীর আলো দেখাতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন তারা।

রুপার জন্ম কুমিল্লার বরুড়া থানায় হলেও ছোটবেলা থেকেই তার বেড়ে ওঠা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় ভবঘুরে হিসেবে। সেখানেই পরিচয় হয় সাব্বির মিয়ার সঙ্গে। সাব্বির স্টেশনে তার মামা দিলু মিয়ার দোকানে কাজ করতেন। পরিচয় থেকে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে দুজনের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে রুপার সঙ্গে একাধিক বার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করেন সাব্বির। সেই সম্পর্কের একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন রুপা। কিন্তু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পরই বদলে যায় সবকিছু। অভিযোগ রয়েছে, সন্তানকে নিজের বলে স্বীকার না করে রুপাকে ছেড়ে চলে যান সাব্বির। এরপর থেকেই অসহায় রুপার আশ্রয় হয়ে ওঠে আখাউড়া রেলস্টেশন। জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে সেখানেই দিন কাটাতে থাকে সে। স্টেশনের অনেকেই জানেন রুপার এই হৃদয়বিদারক ও করুণ জীবনের গল্প।

জীবনের কঠিন বাস্তবতার মাঝেও অনাগত সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করে গেছেন রুপা। গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ৮টার দিকে প্রসব ব্যথা উঠলে প্রতিবেশী সুমা তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করান। এ সময় রেলস্টেশন এলাকায় থাকা কিছু মানুষের কাছ থেকে চিকিৎসার জন্য কিছু টাকা সংগ্রহ করা হলেও, অভিযোগ রয়েছে সেই টাকা চিকিৎসায় ব্যয় না করে সুমা নিজেই নিয়ে যান এবং রুপাকে হাসপাতালে রেখেই চলে যান। রাত যত গভীর হচ্ছিল, ততই বাড়ছিল রুপার অসহ্য প্রসববেদনা। প্রথম সন্তান এবং পূর্ণমেয়াদি গর্ভাবস্থার কারণে তিনি যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় হাসপাতালের নার্সরা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে স্বাভাবিক প্রসব করানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যান। এ সময় সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেয় চিকিৎসক-নার্স ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর। রাতেই রুপার প্রয়োজনীয় ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং খাবারের সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করা হয়।

শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে নবজাতক শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় কাপড়সহ বিভিন্ন সামগ্রী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি সদ্য সন্তান জন্ম দেওয়া মায়ের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়।

পৃথিবীর নির্মম বাস্তবতা যেন রুপার জীবনেই প্রতিফলিত হয়েছে। কেউ একটি সন্তানের আশায় সারাজীবন অপেক্ষা করেন, আবার কেউ নিজের সন্তানের দায়িত্ব এড়িয়ে পালিয়ে যান। তবুও সব কষ্ট, অবহেলা আর অনিশ্চয়তার মধ্যেও নবজাতক সন্তানকে বুকে জড়িয়ে নতুন স্বপ্নে বাঁচতে চান এই অসহায় মা রুপা।

মানবিক মানুষদের নিঃস্বার্থ সহযোগিতা, চিকিৎসকদের দায়িত্ববোধ এবং সমাজের কিছু মানুষের ভালোবাসা প্রমাণ করে, মানবতা এখনো হারিয়ে যায়নি।

আন্তরিকতায়-
ইঞ্জিঃ মোঃ আজহার উদ্দিন,
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান-
Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
মোবা: 01798-091721

Address

Brahmanbaria
3400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর:

Share

Category