06/05/2026
১৯৭১ সালে মুজিব বাহিনী গঠিত না হলে বাংলাদেশ কখনোই স্বাধীন হতো না । ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য ও জাতীয় কিংস পার্টির সদস্য নাহিদুল ইসলাম যে শিশুসুলভ মিথ্যাচার জাতির সামনে করলেন, তার জবাবে এই লিখাটি তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব আপনাদের সবার ।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল সুজন সিং উবান এর নাম বাংলাদেশের অধিকাংশ তরুণ হয়তো জীবনেও শুনেনি । তাই তাদের ১০ হাজার সদস্যের মুজিব বাহিনীর কথা ও মুক্তিযুদ্ধে তাদের আত্মত্যাগের গল্প শুনে আসমান থেকে পড়তে হয়।ওরা ভাবে, আসমান থেকে ওহি এসেছে ,আর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেল !
জাসদের কথা এই দেশের তরুণ প্রজন্ম জানলেও সিরাজুল আলম খান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তা বোধহয় এই দেশের অধিকাংশ তরুণ জানে না । ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের নায়ক তোফায়েল আহমেদের নাম শুনে থাকলে একটা আহম্মেকের পর্যন্ত এটা বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয় যে, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান না হলে ৭০ এর নির্বাচন ও ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ হয়ে কোনদিনও বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না । ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের পেছনে আরও দুজন ছাত্রনেতার ভুমিকা খুব উল্লেখযোগ্য ছিলো । ৬২ র শিক্ষা আন্দোলন , ৬৬ এর জয় দফা ও ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের আরেক নায়ক ছিলেন ১৯৬৫-১৯৬৭ সাল পর্যন্ত পরপর দুইবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়া আব্দুর রাজ্জাক ।
১৯৬০ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শেখ ফজলুল হক মনি ।
৬২ এর শিক্ষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা মনি ভাই । এদের ইতিহাস অস্বীকার করা মানে কি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করা নয় ⁉️
নিউক্লিয়াস নামটি কখনো শুনেছেন ⁉️
নিউক্লিয়াস না জানলে মুক্তিযুদ্ধ আপনাদের কাছে গালগল্প মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক । ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমান এসে on behalf of our great national leader Bongobandhu Sheikh Mujibur Rahman বলে মাইক হাতে নিলেন , আর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেল ‼️ ভাইলোক্স, আপনারা স্বপ্নদোষের কল্পনার শহরে বসবাস করছেন । এজন্য মুক্তিযুদ্ধ শব্দটা কানে এলেই আপনাদের শাউ মাউ হাদী হয়ে বারবার স্বপ্নদোষ হয় ।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সামরিক ভিত্তি তৈরি হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের ৯ বছর আগে ১৯৬২ সালে " নিউক্লিয়াস " প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে । ছাত্রলীগ নেতা কাজী আরেফ , সিরাজুল আলম খান ও ছাত্রলীগের পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক এর নেতৃত্বে এই নিউক্লিয়াস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অস্ত্র হাতে জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য । বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য ১৯৬৮ -৭০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সকল মহকুমা শহরে নিউক্লিয়াস গঠিত হয় । বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক জনসভায় - " প্রত্যেক মহল্লায়, প্রত্যেক গ্রামে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল" এই কথাগুলো মনে আছে ?
বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ভাষণ দিলেন , আর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেলো ! ভাইলোক্স, আপনারা নাহিদ ইসলাম , বদরুদ্দীন উমর , ফ্রড মজহার ও পিনাকী নামক বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন ।
১৯৬৪ সালে ছাত্রলীগ নেতা কাজী আরেফের পৈতৃক নিবাস পুরান ঢাকার দাস লেনে সাইকোস্টাইল মেশিন স্থাপন করা হয়।ফটোকপি মেশিন ও কম্পিউটার প্রিন্টার আবিস্কারের আগে স্টেনসিল ব্যবহার করে নথি ও প্রচার পত্রের কপি বের করা হতো এই সাইকোস্টাইল ডুপ্লিকেট মেশিনের মাধ্যমে । এখানে থেকেই ১৯৬৪ সালে তথা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সাত বছর আগে থেকেই ছাত্রলীগের নেতারা " জয় বাংলা " , " বিপ্লবী বাংলা " ও " স্বাধীনতার ইশতেহার " প্রচার করা হতো ।আজ স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর এসে বলছেন ,
▪️ মুজিব বাহিনী মুক্তিযুদ্ধ করেনি!
▪️ ছাত্রলীগ মুক্তিযুদ্ধ করেনি!
তো এসব কি জামায়াত শিবির ও বিএনপির নেতৃত্বে হয়েছে ⁉️
মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭৫ সালে, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে আমেরিকার নির্দেশে ও পাকিস্তানী আইএসআই এর প্রোপাগান্ডা মেশিন হিসেবে ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জামায়াত ও বিএনপি মিলে মুজিব বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা প্রোপাগান্ডা শুরু করে । সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আমেরিকার স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করতে খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমান নামক সেনাবাহিনী শাসিত পুতুল সরকার ক্ষমতায় বসিয়ে আমেরিকা এসব গোয়েবলসীয় প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে , যা আজও অব্যাহত আছে ।
মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে বাংলাদেশের পতাকা ও মানচিত্র তৈরি , ২ রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ , জাতীয় সঙ্গীত নির্বাচন ও জয় বাংলা বাহিনী গঠন এসব ছিলো ছাত্রলীগের নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠন নিউক্লিয়াসের পরিকল্পিত কাজ ।এরপর ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ এসেছে।আজ যদি কেউ বলে , ছাত্রলীগ ও মুজিব বাহিনী যুদ্ধ করেনি , তবে স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে -
👉 মুক্তিযুদ্ধ কি তবে তোর বাপ / দাদা করেছিল ?
বিখ্যাত সাংবাদিক লরেন্স লিফশুলজ " নিউক্লিয়াস " সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন , ১৯৭০ সালের ১২ আগষ্ট ছাত্রলীগের বর্ধিত সভায় " সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ" এর প্রস্তাব করা হয় ।
বাংলাদেশের সংবিধানের সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা , বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্র এসব একদিনে আসেনি । বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নিউক্লিয়াস ছিলো মুজিববাদ।এই মুজিববাদকে অস্বীকার করা মানে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করা ।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চার খলিফা ছিলেন যথাক্রমে ছাত্রলীগের নেতা সিরাজুল আলম খান, ফজলুল হক মনি , আব্দুর রাজ্জাক ও তোফায়েল আহমেদ । বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছাত্রলীগ নেতা তথা " নিউক্লিয়াস" এর সাথে আলোচনা করেই করা হয়েছিল। বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য ২৫ মার্চের আগেই মুজিব বাহিনী " বিএলএফ " গঠন করেছে। মুক্তিযুদ্ধ কোন হলিউড অ্যাকশন মুভির ৩ ঘন্টার চলচ্চিত্র নয় । মুক্তিযুদ্ধ সাড়ে সাত কোটি বাঙালির দীর্ঘ সাড়ে নয় মাসের রক্ত , ত্যাগ ও সংগ্রামের ২৩ বছরের ইতিহাস।এই ইতিহাসের একটি পাতাকেও অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে , মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে রাষ্ট্রদ্রোহীতা করা । ১৯৬৫ সাল থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রায় সব আন্দোলনের ঘোষণা নিউক্লিয়াস থেকে আসতো । ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করার পর পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলায় প্রচারে গেলেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তাকে গ্রেফতার করতো । এর প্রতিবাদে ১৯৬৬ সালে ৮ মে লক্ষ লক্ষ ছাত্রলীগের জনসমাবেশে ছাত্রলীগের নেতাদের স্লোগান ছিল -
" জাগো জাগো - বাঙালি জাগো।
পিণ্ডি না ঢাকা - ঢাকা - ঢাকা"
আজ যে তথাকথিত স্বাধীনতাবিরোধীরা " দিল্লী না ঢাকা" স্লোগান দেয় এটা বাংলাদেশের ছাত্রলীগের স্লোগান থেকে চুরি করে দেয় । লুঙ্গির তলার শিবিরের মতো মাওলানা ভাসানীর ধানের শীষ চুরি করেছে বিএনপি । এজন্য চোরদের প্রোপাগান্ডা ছাড়া আর কোন সত্য ইতিহাস নাই । ১৯৭০ সালে ন্যাপের মাওলানা ভাসানীর ধানের শীষ চুরি করে ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান বিএনপির প্রতীক " ধানের শীষ" করেছিলেন । চুরি বিদ্যা যাদের জন্মগত বিদ্যা যাদের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা , মুজিব বাহিনীর অবদান অস্বীকার করাই স্বাভাবিক ।
👉 অতঃপর তোমারা " নিউক্লিয়াস" এর কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে ⁉️
জাসদের প্রতিষ্ঠাতা সিরাজুল আলম খান ১৯৬৩-৬৪ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন । ছাত্রলীগের নেতা হয়েই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন । মুক্তিযুদ্ধের সময় ছাত্রলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মনি ও তোফায়েল আহমেদের সাথে এক হয়ে তিনি " বিএলএফ " তথা মুজিব বাহিনী গঠন করে মুক্তিসংগ্রামে নেতৃত্ব দেন ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলুল হক মনি মুজিব বাহিনীর সেনাপতি হয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম , কুমিল্লা , নোয়াখালী , সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন । ছাত্রলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মুজিব বাহিনীর সেক্টর কমান্ডার ও ৪ নম্বর সেক্টরে মেজর সি আর দত্তের অধীনে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেন । মুক্তিযুদ্ধের সময় বরিশাল , পটুয়াখালী , যশোর , কুষ্টিয়া ও পাবনা জেলা মুজিব বাহিনীর সমন্বয়ক ছিলেন ছাত্রলীগের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ ।
" Bangladesh Liberation Force" বিএলএফ ছিলো ছাত্রলীগের নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা বাহিনী। ভারতের স্পেশাল ফোর্সের ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল এস. এস. উবান ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত তাঁর " ফ্যান্টমস্ অব চিটাগাং" গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনীর ভুমিকা ও জনাব আব্দুল মালেক ( লোহা মালেক) ভুমিকা নিয়ে লিখেছেন ।
বাংলাদেশের ২২৩ টি থানায় মুজিব বাহিনীর কার্যক্রম ছিল। ডক্টর জাফর উল্লাহ চৌধুরীরা দীর্ঘদিন ধরেই মুজিব বাহিনীর বিরুদ্ধে নানামুখী মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত ছিলো ।" মুজিব বাহিনী মুক্তিযুদ্ধ করেনি, লুটপাটে ব্যস্ত ছিলো" এমন ভয়াবহ মিথ্যাচার ছড়ানো হয়েছে যুগের পর যুগ । ভারতের ঝাড়খন্ডের দেরাদুন ছিল মুজিব বাহিনীর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র । এখান থেকেই মুক্তিযুদ্ধের দুর্ধর্ষ গেরিলা যোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার হারুন , লোহা মালেক ও শ্রী অমল মিত্ররা চট্রগ্রাম বিভাগে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে অসংখ্য দুর্ধর্ষ গেরিলা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন ।
৭০- এর নির্বাচনের পর পাকিস্তানের জুলফিকার আলী ভুট্টো ও ইয়াহিয়া গং বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে না নিলে ও ক্ষমতা হস্তান্তর করতে না চাইলে বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালে নিউক্লিয়াসের চার ছাত্রনেতা কে তার বাসভবনে ডেকে নিয়ে গিয়ে বলেন,
" ওরা আমাদের ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না, ক্ষমতায় আমাদেরকে যুদ্ধ করে যেতে হবে । এজন্য তোমাদেরকে আমি দীর্ঘমেয়াদি গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছি"
তানভীর মোকাম্মেলের " মেগা ডকুমেন্টারি ফিল্ম ১৯৭১ " দেখলে এই বিষয়ে আপনারা আরও পরিষ্কার ধারণা পাবেন ।
এম আসগর খানের বই " উই হ্যাভ লার্ন নাথিং ফ্রম হিস্ট্রি : পাকিস্তান পলিটিকস অ্যান্ড মিলিটারি পাওয়ার " এর " হাও বাংলাদেশ ওয়াজ বর্ন" অধ্যায়টি পড়লে এই বিষয়ে আপনারা আরও পরিষ্কার ধারণা পাবেন ।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ১৭ হাজার নেতাকর্মী গেরিলা যুদ্ধ করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে জীবন দিয়েছেন ।
১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের সংগ্রামের ইতিহাসকে অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা । মুক্তিযুদ্ধ ৩ ঘন্টার হলিউড মুভি নয় , মুক্তিযুদ্ধ সুদীর্ঘ ২৩ বছর তথা ৮৪০৫ দিন , ২ লাখ ১ হাজার ৭২০ ঘন্টা ও ৭২ কোটি ৬১ লাখ , ৯২ হাজার সেকেন্ডের সাড়ে সাত কোটি বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প।এই সত্য গল্পের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । এই সত্য গল্পকে সত্য করার পেছনের অন্যতম কারিগর হচ্ছে নিউক্লিয়াস বা মুজিব বাহিনী ।
০৪-০৫-২০২৬
১৯৭১ সালে মুজিব বাহিনী গঠিত না হলে বাংলাদেশ কখনোই স্বাধীন হতো না । ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য ও জাতীয় কিংস পার্টির সদস্য নাহিদুল ইসলাম যে শিশুসুলভ মিথ্যাচার জাতির সামনে করলেন, তার জবাবে এই লিখাটি তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব আপনাদের সবার ।
🇧🇩