অন্তরালের সাক্ষ্য

অন্তরালের সাক্ষ্য Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অন্তরালের সাক্ষ্য, Library, Barishal.

09/02/2024
07/07/2022
'ইউনিভার্স ২৫' বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়ানক একটি গবেষনা, যেখানে ইদুঁরের কলোনির উপর পরীক্ষানিরীক্ষার উপর ভিত্তি করে মান...
17/06/2022

'ইউনিভার্স ২৫' বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়ানক একটি গবেষনা, যেখানে ইদুঁরের কলোনির উপর পরীক্ষানিরীক্ষার উপর ভিত্তি করে মানব সভ্যতাকে বোঝার চেষ্টা করেন বিজ্ঞানীরা।

এই 'ইউনিভার্স ২৫' এর চিন্তাটি আসে মার্কিন বিজ্ঞানী জন ক্যালহোনের কাছ থেকে। তিনি একটি 'আদর্শ দুনিয়া' নির্মাণ করেন যেখানে ইঁদুরেরা থাকবে এবং বংশবৃদ্ধি করবে। আরও ভালোভাবে বলতে, ক্যালহোন ইদুরের স্বর্গ নামের একটা বিশেষ পরিবেশ তৈরি করেন, যেখানে অঢেল খাবার, পানি ও থাকার জন্য প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জায়গা ছিলো। শুরুতে সেখানে তিনি চার জোড়া ইঁদুর রাখেন, যেগুলা উপযুক্ত পরিবেশে অল্প সময়ের মধ্যে বংশবৃদ্ধি শুরু করে এবং সেটাও বেশ দ্রুত গতিতে।

অবাক করা ব্যাপার হল, ইঁদুরদের সেই স্বর্গে রাখার মাত্র ৩১৫ দিন পরেই বংশবৃদ্ধির হার কমে যায়। যখন ইঁদুরের সংখ্যা ৬০০ তে পৌছালো তখন সেখানে দুটি জাত তৈরি হয় ভালো ও 'বিকৃত' ইঁদুরের। এর পর থেকে দূর্বল ইঁদুর গুলো আক্রমণের শিকার হয় এবং অনেক পুরুষ ইঁদুর 'মানষিকভাবে ভেঙে পড়ে'।

ইঁদুরের স্বর্গে থাকার ফল নারীদের ভেতরে পড়েছিল অন্যভাবে। নারীরা নিজেদের আত্মরক্ষা থেকে সরে আসে এবং তাদের সন্তানদের প্রতি আক্রমনাত্মক হয়ে উঠে। নারী ইদুরদের মাঝে এই আক্রমনাত্মক মনোভাব ক্রমে ক্রমে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে শিশু জন্মহার ক্রমেই কমতে শুরু করে এবং বিপরীতে শিশু মৃত্যুহার বেড়ে যায়।

পুরুষদের মাঝে একটি নতুন জাতের ইঁদুরের উৎপত্তি হয় যারা কিনা 'সুন্দরী ইঁদুর'। তারা নারীদের সাথে বংশবৃদ্ধি ও জায়গার জন্য 'লড়াই' কর‍তে অস্বীকৃতি জানায়। তারা স্রেফ খাদ্য ও ঘুম নিয়ে চিন্তিত হয়। একসময় যেয়ে সুন্দরী পুরুষ ও আক্রমণাত্মক নারীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

ক্যালহোনের মতে, মৃত্যুর দুটি ধাপ ছিলো। 'প্রথম মৃত্যু' ও 'দ্বিতীয় মৃত্যু'। শেষটি হচ্ছে যখন জীবনের অর্থহীন হয়ে পড়ে অর্থাৎ বংশবৃদ্ধির ইচ্ছার অভাব তৈরি, সন্তান পালনের প্রতি অনিহা এবং সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করতে এগিয়ে না যাওয়া। সময়ের সাথে সাথে শিশু ইঁদুরদের মাঝে মৃত্যুর হার ১০০% ছুয়ে যায় এবং বংশবৃদ্ধি শূণ্যতে গিয়ে ঠেকে।

ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা ইঁদুর গুলোর মাঝে সমকামী তৈরি হয়, এবং তারা নিজেরাই নিজেদের খেতে শুরু করে (Homosexuality, Cannibalism)। এই বিকৃত মস্তিষ্কদের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে, যদিও সেখানে খাবারের কোনো অভাব ছিলো না।

এই গবেষণা শুরুর দুই বছর পর শেষ ইঁদুরটি জন্ম নেয়৷ ১৯৭৩ সালের মধ্যে 'ইউনিভার্স ২৫' প্রজেক্টের শেষ ইঁদুরটি মারা যায়।

জন ক্যালহোন এই পরীক্ষাটি আরো পঁচিশবার করেন, এবং সবগুলো পরীক্ষাতেই একই ফলাফল আসে৷ ক্যালহোনের এই বৈজ্ঞানিক কাজের মাধ্যমে নাগরিক সমাজ ও সভ্যতার অবক্ষয় সম্পর্কে টের পাওয়া যায় এবং শহুরে জীবন সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়।

~•~

Reference : Universe 25: The Mouse "Utopia" Experiment That Turned Into An Apocalypse, iflscience.

মূল মৌলিক অনুবাদ : Fardeen Hassan
মূল লেখা : Wren Barnes

মা খুব মনে পড়ছে তোমায়
11/12/2017

মা খুব মনে পড়ছে তোমায়

19/04/2017
আমার বয়স যখন মাত্র ষোল বছর। তখন বিয়ে করিএক ১৩ বছরের মেয়েকে।বাবা মার ইচ্ছেতেই বিয়ে হয়েছিল আমাদের।নিজেই লুঙ্গি সামলে রাখতে...
02/04/2017

আমার বয়স যখন মাত্র ষোল বছর। তখন বিয়ে করি
এক ১৩ বছরের মেয়েকে।
বাবা মার ইচ্ছেতেই বিয়ে হয়েছিল আমাদের।
নিজেই লুঙ্গি সামলে রাখতে পারতামনা, রাতে ঘুমুলে
গিট্টু দিতাম। অথচ সেই আমি তখন চেষ্টা করতাম
ছোট্ট বউটাকে শাড়ি পরিয়ে দিতে।
নিজেই পেতামনা পকেট খরচের টাকা, অথচ বউয়ের
জন্য আচার কিনতে হত।
খুব সুন্দর ছিলো দিনগুলি। ভালবাসা যেন অজান্তেই
তৈরি হয়েগেল মনের ভিতর। প্রথম কেউ বলতে
সেই ছিল আমার জীবনে।
সে ছিল খুব ছোট,হাসত খেলত। বাবা মা তার কান্ড
দেখে হাসতেন।
আমিও হাসতাম এইভেবে যে এটাই আমার বউ।
ছোট্ট মিষ্টি সোনা বউ। সারাদিন হৈহুল্লোড়ে
থেকে যখন রাতে সে বলত মাথা ব্যাথা করছে,মাথা
টিপে দিতাম। পা দুটোও টিপে দিতাম। আমার বউতো,
আমিই তো তারসব। আজ অবুজ কালতো বুঝবেই।
তখন আরোবেশি ভালবাসবে আমাকে।
,
দিন যেতে থাকলো। বউয়ের বয়স যখন
সতের,এখন আর সে হাসেনা খেলেনা। এখন
অনেক কিছুই বোঝে সে। শ্বশুর বাড়িতে
গেলে একাকি থাকতাম আমি।
সে আমায় বলত, তুমি আমার সাথে বেড়ুবেনা,আমার
লজ্জা করে।
কিছু বলতামনা, কষ্ট লুকিয়ে রাখতাম।
আসার সময় বায়না ধরত তাকে রেখেযেতে।
রেখে আসতাম। বাড়ি এসে প্রতিদিন ফোন করতাম
তাকে। প্রতিটা কলই ওয়েটিং থাকত।মেসেজ গুলোর
উত্তর না পেয়ে লজ্জায় আর মেসেজ করতামনা।
তিনমাস পর যখন শ্বশুরবাড়ি যেতাম বউয়ের
প্রথমবাক্য ছিলো তিনদিন থেকে চলেযাবে।
রাতের আধারে চুপিচুপি তার ফোনটা অনকরে
দেখতাম
প্রতি মিনিটে কারো প্রেমময় মেসেজে চাপা
পরেছে আমার মেসেজগুলো।
কষ্ট পেতে থাকলাম আমি। সবাইকে বলে শাসন
করাহল তাকে। সেই থেকেই শুরু।
,
তারপর আমার বউয়ের বয়স যখন উনিশ, আমার বয়স
তখন বাইশ। একটা মেয়ে এল কোলজুড়ে।
আনন্দের সীমা ছিলনা আমার, আমার পরিবারের।
তারপর মেয়ের বয়স যখন মাত্র ছমাস। আধো
আধো দুএকটা শব্দে ডাকে আমার মেয়ে।যখনি বাবা
বলে ডাকদিত কলিজা যেন ঠান্ডা হয়েযেত আমার। বউ
তখন অন্য দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত। তখনো ফোনে কথা
বলত বুঝতাম।আমার প্রতি দুর্ব্যবহারই সেটা প্রমাণ
করেদিত। কিন্তু মেয়ের কথাভেবে কিছু বলতামনা।
তারপর এলো সেদিন,যেদিন আমি কেঁদেছিলাম। স্বামী হয়ে তার দুটো পা জড়িয়ে ধরেছিলাম। ভিক্ষে
চেয়েছিলাম মেয়ের মা ডাকার অধিকার। কিন্তু সে
আমাকে ত্যাগকরে চলেগেল। ৩ টা ৩৮ মিনিটে সই
করলাম ডিভোর্স পেপারে। সে নতুন ভালবাসার
মানুষকে নিয়ে চলেগেল অনেক দুরে। মা হারা হল
আমার মেয়েটা।
,
আমার মেয়ের বয়স যখন দশবছর। নিজহাতে তাকে
আমি শাড়ি পরাতাম। ও যখন ছোটতে কাঁদত মারজন্যে
ওকে কোলে তুলে নিজেও কাঁদতাম। মার অভাব কি
কখনো পুরনহয়?। নিজের মাকে ডাকতে গিয়ে
কান্না আসত আমার। আমার মেয়ের যে মা নেই।ও
ডাকবে কাকে?
রান্না করতাম,সাজিয়ে দিতাম নিজে। আমি আর মেয়ে
এই আমার দুনিয়া।
এই আমার পৃথিবী। আর বিয়ে করিনি। কারন ভালবাসতাম
তাকে,তখনো এখনো।
মেয়ের বিয়ের কথা চলছে।আমি আবার একাহয়ে
যাবো। মেয়ের অনিচ্ছা সত্বেও ওর মাকে খবর
দিয়েছি।
কাল এসেছিলো সে।অনেকদিন পর দেখলাম
তাকে। ছমাস তিনদিন, বাইশ মিনিট কম চব্বিশ বছর
পরদেখলাম। কল্পনায় ভেবেছিলাম এখনো সেই
ছোট্টই আছে। কিন্তু নাহ,আমার মতই চুলে পাক
ধরেছে ওর। দুটো ছেলের মা আজ ও।
আমি সেদিন ভালোবাসার কাছে হারমেনে
জিজ্ঞেস করেছিলাম কেমন আছো? আজো কি
তোমার মাথা, পা ব্যাথা করে? সে শুধু মাথা
নেড়েছিল। কি বুঝিয়েছে তা দেখতে পাইনি। কারন
চোখদুটো তখন জলে ভেজা ছিল।তাছাড়া বয়স
তো আর আগের মতনেই।
কিন্তু আমার মেয়ে দেখা করেনি ওরসাথে।পর্দার
আড়াল থেকেই একটা প্রশ্ন করেছিল আমার
মেয়ে,
আমার বাবার চব্বিশটা বছর ফিরিয়ে দিতে পারবেন কি?
যদি না,পারেন তাহলে এসোনা কোনদিন।আমার বাবাই
আমার মা।আমি প্রাউড ফিল করি বাবা ডেকে। মা ডাকার
কোন ইচ্ছে নেই আমার,

Address

Barishal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অন্তরালের সাক্ষ্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category