Daulatpur,Baniachong

Daulatpur,Baniachong It is small&peaceful place.The rate of education increasing day by day.

11/07/2022
জনসচেতনতামূলক পোস্ট !বন্যা ও বর্ষাতে চারেদিকে পানির কারণে সাপ ঘরে আশ্রয় নিতে পারে...বন্যা কবলিত এলাকায় বিষাক্ত সাপের উপ...
18/06/2022

জনসচেতনতামূলক পোস্ট !
বন্যা ও বর্ষাতে চারেদিকে পানির কারণে সাপ ঘরে আশ্রয় নিতে পারে...

বন্যা কবলিত এলাকায় বিষাক্ত সাপের উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে শয়ন কক্ষে অথবা ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে লাল রঙের লাইফবয় সাবান টুকরা টুকরা করে ছিটিয়ে রাখুন চারপাশে। কারন, লাইফবয় সাবানে কার্বক্সালিক এসিড/কার্বনিল এসিড থাকায় সাপ কাছে আসতে পারেনা। অথবা কার্বলিক এসিডের ছিপি খুলে ঘরের কোনে রাখতে হবে। কার্বলিক সাবান অথবা কার্বলিক এসিড পাওয়া না গেলে সজিনার ডাল অথবা রসুন কেটে টুকরো টুকরো করে ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে দিতে হবে। এতে ঘরে সাপ ঢুকবে না। অথবা লাল মরিচ পুড়িয়া দিন ঘরে সাপ থাকলে বেরিয়ে যাবে।

© প্রচারে: জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

জরুরী বিজ্ঞপ্তি : (SYLHET) | SHARE PLEASEসিলেটের পাওয়ার গ্রীড স্টেশনে এর বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী বন্যার পানির লেভেল আরও ব...
17/06/2022

জরুরী বিজ্ঞপ্তি : (SYLHET) | SHARE PLEASE
সিলেটের পাওয়ার গ্রীড স্টেশনে এর বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী বন্যার পানির লেভেল আরও বৃদ্ধি পেলে পুরো সিলেট বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। গ্রীড স্টেশন বন্ধ হওয়া মানে অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প, ফ্যাক্টরি, মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি সবই বন্ধ থাকবে। এতে চাইলেও কেউ দূর্গত এলাকায় মানুষ এর সাথে যোগাযোগ রক্ষা ও ত্রাণ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে না পরিবহণ ব্যবস্থা অকেজো হওয়ার কারণে। নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা পুরো কলাপ্স করবে। সিলেটের সাথে অন্যান্য জেলার কোনো মানুষ যোগাযোগ করতে পারবে না। অলরেডি সুনামগঞ্জের অনেকের মোবাইলে চার্জ আছে। কিন্তু নেটওয়ার্ক না থাকার কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।
পাওয়ার গ্রীড স্টেশনের কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, উনাদের কর্মজীবনের ইতিহাসে কখনো গ্রীড স্টেশন বন্যার জন্য বন্ধ করতে হয়নি। কিন্তু এবার এটা করতে হবে তাদের কাছে মনে হচ্ছে। একবার গ্রীড স্টেশনে পানি ঢুকে গেলে সেটা পুনরায় চালু করতে অনেক বেশি বেগ পেতে হবে।
সুনামগঞ্জের মানুষদের অবস্থা বর্ণণাতীত। তারা এখন বুভুক্ষের মত ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছে। অতীতের কোনো বন্যাতে যাদের বাড়িতে পানি ঢুকার রেকর্ড নাই তারাও পানির নিচে। আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে মানুষ কাকভেজা হয়ে, অনাহারে, অনিদ্রায় দাঁড়িয়ে আছে। এলাকার যুবসমাজ যারা মোটামুটি শ্রম দিয়ে সাহায্য করছিল তারাও হাঁপিয়ে গেছে। ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস রেসপন্স এগিয়ে না গেলে মানুষগুলো এমনিতেই মারা যাবে। ফসলের মায়ায় যারা গতকাল রাত পর্যন্ত পানি কমার অপেক্ষায় ছিল তারাও আজকে জীবনের মায়ায় সব ছেড়েছুড়ে নিরাপদ আশ্রয় খোঁজে বেড়াচ্ছে।
________________________________________
প্রস্তুতি :
১. বন্যায় যদি ঘরবাড়ি ডুবে যায়, নিকটস্থ কোন উঁচু স্থানে বা বাঁধে অথবা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহন করুন।

২. নিজ বসতবাড়িতে অবস্থান করা সম্ভব না হলে বাড়ির কাছাকাছি কোথাও অবস্থান করুন।

৩. প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ঘরের চালের নিচে পাটাতনে রাখার ব্যাবস্থা করুন।

৪. কোন মতেই দালাল বা টাউটদের পরামর্শ শুনে নিজ গ্রাম ছেড়ে পরিবার পরিজন সহ শহরে যাবেন না।

৫. নিজ গ্রামে থাকা কোনমতেই সম্ভব না হলে, পার্শ্ববর্তী গ্রামসমূহে, যা বন্যা কবলিত নয়, আশ্রয় গ্রহন করুন বা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক স্থাপিত আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহন করুন।

৬. টিউবওয়েলের পানি পান করুন। টিউবওয়েলের পানি পাওয়া না গেলে পানি ফুটিয়ে পান করুন অথবা পানি বিশুদ্ধকরন ট্যাবলেট বা ফিটকিরি ব্যাবহার করুন।

৭. বন্যার সময় বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে, এগুলির প্রতিষেধক টিকা বা ইনজেকশন গ্রহন করুন। আপনার এলাকায় কার্যরত মেডিক্যাল টিমের অবস্থান সম্পর্কে জেনে নিন এবং প্রয়োজনে তাদের সাহায্য নিন।

৮. আপনার ঘরে রক্ষিত কার্বলিক এসিড এর বোতলের ছিপি খুলে রাখুন। এতে সাপ আপনার ঘরে ঢুকবে না।

৯. সরকারি ও বেসরকারি ত্রান বণ্টনকারীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করুন।

১০. ত্রাণসামগ্রী যা পাওয়া যায় তা দিয়ে অভাব মিটানোর চেষ্টা করুন।

১১. বন্যার পরেই বন্যাকবলিত জনিতে কি ফসল ফলানো যায়, তার চিন্তাভাবনা করুন বা এ বিষয়ে কৃষি কর্মির সাথে আলোচনা করুন।

১২. বন্যাকবলিত এলাকার দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কমিটির সাথে যোগাযোগ করে প্রতিটি বন্যা কবলিত গ্রামের নিরাপত্তা রক্ষার্থে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গঠন করুন এবং সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

১৩. ফসলের বীজ নিরাপদ স্থানে সংরক্ষন করুন।
১৪. বন্যা প্লাবিত পুকুর বা দিঘিতে ডালপালা ফেলে মাছ ধরে রাখার ব্যাবস্থা করুন।
________________________________________
বন্যার সময় নারীদের করনীয় :
১. যেদিকে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে দুর্যোগের জন্য আগে থেকেই অর্থ সঞ্চয় করুন।

২. বন্যার আগেই রান্নাবান্নার জন্য আলগা চুলা ও জ্বালানি জোগাড় করে রাখুন।

৩. ছেলে মেয়েদের সাঁতার শেখান।

৪. অতিরিক্ত বন্যায় যাতে বাচ্চারা কষ্ট না পায় সেইজন্য আগে থেকেই নিরাপত্তা আশ্রয় হিসেবে আত্মীয় বা প্রতিবেশীর বাড়ি আশ্রয় কেন্দ্র হিসাবে চিহ্নিত করে রাখুন।

৫. গর্ভবতী নারীর জন্য নিরাপদ আশ্রয় ঠিক করে রাখুন এবং এলাকার ধাই ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। বাড়িতে নিরাপদে সন্তান প্রসবের উপকরণ জোগাড় করে রাখুন।

৬. বন্যার সময়ে সম্ভাব্য মেয়েলি রোগ- ব্যধি প্রতিকারের জন্য বন্যার আগে
স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক, ডাক্তার, সরকারি, বেসকারি সংস্থার স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিন এবং সেই মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করুন।

৭. চলাফেরার জন্য ছোট ডিংগি নৌকা তৈরি বা কলাগাছের ভেলা তৈরির জন্য বাড়িতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কলাগাছ লাগান।

৮. নারীদের বন্যাজনিত সমস্যার সমাধানে পুরুষরা যাতে এগিয়ে আসে সে ব্যাপারে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করুন৷

Cts: ©Bangladesh Civilian Force(Page)
পরিমার্জন: ©BWOT

সিলেটে ভূমিকম্প কিসের পূর্বাভাস?সিলেটে অল্প সময়ের ব্যবধানে ৪-৮ টি ভূমিকম্প শুধু সিলেট না সম্ভবত সারা বাংলাদেশের জন্য আশী...
29/05/2021

সিলেটে ভূমিকম্প কিসের পূর্বাভাস?

সিলেটে অল্প সময়ের ব্যবধানে ৪-৮ টি ভূমিকম্প শুধু সিলেট না সম্ভবত সারা বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ বা সৌভাগ্য বয়ে আনল বলে মনে করি।

জাতিসংঘের বৃত্তি নিয়ে ইতালির The Abdus Salam International Centre for Theoretical Physics থেকে Earth System Physics বিষয়ে ১ বছর মেয়াদী যে Post Graduate Diploma (মাস্টার্সের সমমান) করেছি তার ৫০% ছিলও আবহাওয়া পদার্থ বিজ্ঞান ও ৫০% ছিলও ভূমিকম্প বিজ্ঞান। সেই পড়ালেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে চাই আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আর কোন ভূমিকম্প না হয় (সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না) তবে পুরো বাংলাদেশের মানুষ কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পরে। কারণ এই ভূমিকম্পের মাধ্যমে ডাউকি ফল্টে ১৮৯৭ সালের পর থেকে জমা হওয়া শক্তির কিছু অংশ আজ ক্ষয় হয়ে গেল।

হিমালয় অঞ্চলের ভূমিকম্প সম্বন্ধে বিশ্বের সবচেয়ে নামকরা ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ রজার বিলহ্যাম এর মতে সিলেটের পাশে মেঘালয়ের ডাউকি ফল্টে ৮ মাত্রার অধিক ভূমিকম্প হওয়াটা শুধু সময়ের ব্যাপার। বিশ্ববিখ্যাত নেচার বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন যদি একটি মাত্র বড় ভূমিকম্পের মাধ্যমে জমা হওয়া সকল সঞ্চিত শক্তি ছেড়ে দেয় তবে তার ফলাফল হবে অকল্পনীয়। আরও নির্দিষ্ট করে বললে বলতে হয় ঢাকা ও সিলেট শহরের অবস্থা হবে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমানবিক বোমার পরে যে ধ্বংশযোগ সাধিত হয়েছিল সেই একই মানের। কিন্তু যদি ছোট-ছোট ভূমিকম্পের মধ্যমে জমা হওয়া শক্তি ক্ষয় হয় তবে তা হবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য আশীর্বাদ।

বিপরীত ক্রমে এই ছোট-ছোট ভূমিকম্প যদি পুরো ডাউকি ফল্টকে অস্থিতিশীল করে দেয় তবে সিলেট কিংবা পুরো বাংলাদেশে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হবে অকল্পনীয়। তাই আগামী ১ সপ্তাহ বিশেষ করে আগামী ২৪ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবাই প্রার্থনা করুন যেন এই ছোট-ছোট ভূমিকম্পগুলোই যেন শেষ ভূমিকম্প হয় আজ ও এই সপ্তাহ।

©লেখক : Mostofa Kamal Palash Sir

আমরা কিছু ছাত্র এবং প্রবাসী ভাইদের পক্ষ থেকে দৌলতপুর স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন এর সহযোগিতায়। আমাদের দৌলতপুর গ্রামের অসহায়,গরীব...
22/05/2020

আমরা কিছু ছাত্র এবং প্রবাসী ভাইদের পক্ষ থেকে দৌলতপুর স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন এর সহযোগিতায়। আমাদের দৌলতপুর গ্রামের অসহায়,গরীব কিছু পরিবারের মধ্যে ঈদের বাজার উপহার দেয়। বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাট খারাপ থাকায়,আমাদের সদস্যদের কিছুটা অসুবিধায় পড়তে হয়েছিল। বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেয়ার কারণ হইল যাতে করে যোগ্য লোকের কাছে আমাদের উপহার টা পৌছায়। উপহারগুলো দেয়ার সময় ভাল লেগেছে আবার সবাইকে না দিতে পেরে কিছুটা খারাপ লেগেছে। আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে সম্ভব হয়নি। ইনশাআল্লাহ। আপনাদের দোয়ায় এভাবেই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।

বিঃদ্রঃ পোষ্ট করার একটায় উদ্দেশ্য যাতে করে ধনী,বিত্তশালীরা অসহায় মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে।
(সংগ্রহীত)

20/05/2020

একটি ভ্যাকসিন প্রস্তুত করতে কত সময়ের প্রয়োজন....??? আসুন দেখে নেই বিগত ৫০ বছরের পরিসংখ্যান:-

১। জিকা ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ১৯৪৭ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত।
সময়কাল = ৭৩ বছর গড়িয়ে গেছে, result Zero.

২। চিকেনপক্স
প্রথম সনাক্ত = ১৯৫৩ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = ১৯৯৫ সাল।
সময়কাল = ৪২ বছর।

৩। হেপাটাইটিস বি ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ১৯৬৫ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = ১৯৮১ সাল।
সময়কাল = ১৬ বছর।

৪। ইবোলা ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ১৯৭৬ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = ২০১৯ সাল।
সময়কাল = ৪৩ বছর।

৫। এইচ.আই.ভি ভাইরাস (এইডস)
প্রথম সনাক্ত = ১৯৮১ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত।
সময়কাল = ৩৯ বছর গড়িয়েছে, Result Zero..

৬। সার্স ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ২০০৩ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণা ক্যানসিলড করা হয়েছে।
সময়কাল = ১৭ বছর।

৭। মার্স ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ২০১২ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত।
সময়কাল = ৮ বছর গড়িয়েছে, Result Zero.

৮। কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস)
প্রথম সনাক্ত = ২০১৯ (ডিসেম্বর)
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত
সময়কাল = চিন্তা করতে থাকুন..

পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে আজ অবধী যতো ভাইরাস আক্রমন করেছে তার মধ্যে সবচেয়ে dangarous ভাইরাস এই (Covid 19) করোনা ভাইরাস। একটি ভ্যাকসিন ডেভেলপ করতে সচরাচর ৮ থেকে ২০ বছর সময়ের প্রয়োজন। আর সেখানে কয়েক ঘন্টা পর পর ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়েছে বলে ফেসবুকের নিউজফিড ফ্লাড কইরেন না। বাংলাদেশ এখন ৩য় স্টেজ এ অবস্হান করছে। অতএব কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে গেছে। এখনই যদি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা না হয়, কাশি শিষ্টাচার, খাদ্য অভ্যাসে পরিবর্তন, বার বার হাত ধৌতকরন, এইগুলো না মানা হলে ৪র্থ স্টেজ এ পৌছাতে আর বেশি সময় লাগবে না। তখন চারিদিকে থাকবে হাহাকার, লাশ নিয়ে যাওয়ার কোন লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না। আসুন সচেতন হই। নিজে বাঁচি, নিজ পরিবারকে বাঁচাই। নিজের দেশকে বাঁচাই।

(সংগ্রহীত)

সাল ২০৫০-একদা পৃথিবীতে এক জাতি ছিল বাঙালি,বাজার করার কারণে বিলুপ্ত হয়েগেছে।স্থান-কারওয়ান বাজার।
15/04/2020

সাল ২০৫০-একদা পৃথিবীতে এক জাতি ছিল বাঙালি,বাজার করার কারণে বিলুপ্ত হয়েগেছে।
স্থান-কারওয়ান বাজার।

12/04/2020

গত ২৪ ঘন্টায় ১২৫১ জনের (৬৬১ জন ঢাকার ও ৫৯০ জন বাকি জেলা থেকে) নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ১৩৪০ টি পরিক্ষা করা হয়েছে। পরিক্ষা করার পর নতুন করে কভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছেনঃ ১৩৯জন।

৯৬ জন পুরুষ ও ৪৩ জন নারী।
ঢাকার ৬২ জন। বাকিরা ঢাকার বাইরের জেলার।

২৪ সুস্থ হয়েছেনঃ ৩ জন। ২ জন পুরুষ, ১ জন নারী। ১জন চিকিৎসক রয়েছেন তাঁদের মধ্যে।

লক্ষীপুর লালমনিরহাট ঝালকাঠি নতুন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।

২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছেঃ ৪ জন। ৩০-৪০ বয়সের ২জন, ৬০-৭০ বয়সের ১ জন, ৭০-৮০ বয়সের ১ জন। ২ জন ঢাকার, ২ জন বাইরের জেলার।

সর্বমোট
আক্রান্তঃ ৬২১ জন।
সুস্থ হয়েছেনঃ ৩৯ জন।
মৃত্যু বরণ করেছেনঃ ৩৪ জন।

- আইডিসিআর

11/04/2020

বিভিন্ন জেলা থেকে আগত যাত্রিবাহী যানবাহন ও জনসাধারণের প্রবেশ নিয়ন্ত্রনের লক্ষে হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রবেশ পথে চেকপোস্ট স্থাপন করে জেলা পুলিশ হবিগঞ্জ কাজ করে যাচ্ছে। এইক্ষেত্রে জেলা পুলিশ হবিগঞ্জকে সহায়তা প্রদানকারী সকল নাগরিকদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। চেকপোস্ট স্থাপনকৃত বিভিন্ন মূল প্রবেশ পথ ব্যতিত বিভিন্ন পায়েহাটা পথে বাহিরের জেলা থেকে মানুষজন হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রবেশ করে থাকতে পারে। এ ধরণের কোন তথ্য আপনাদের জানা থাকলে আগত ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ নাম ঠিকানা মোবাইল নাম্বারসহ নিকটবর্তী থানা অথবা পুলিশ সুপারের নিকট প্রেরণ করার জন্য আপনাদের আন্তরিক সহায়তা কামনা করা হচ্ছে।
- পুলিশ সুপার, হবিগঞ্জ।

11/04/2020

হবিগঞ্জ জেলায় করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত যেকোন তথ্যপ্রদান ও সহায়তা পেতে নিম্নোক্ত মোবাইল নাম্বারগুলোতে যোগাযোগ করুন:

01721047467
01716402148
01779976706
01766119600

উপজেলাভিত্তিক যোগাযোগ:
🔵01730331140 (বানিয়াচং)
01730331146 (নবীগঞ্জ)
01735381898 (মাধবপুর)
01730331143 (হবিগঞ্জ সদর)
01712149302 (চুনারুঘাট)
01730331141 (বাহুবল)
01730331139 (আজমিরীগঞ্জ)
01730331138 (শায়েস্তাগঞ্জ)
01730331144 (লাখাই)

*জেলা প্রশাসন,সিভিল সার্জন,উপজেলা প্রশাসন এর নাম্বার এইগুলো

*বাসায় থাকুন,সতর্ক থাকুন,সুস্থ থাকুন।

11/04/2020

হবিগঞ্জে নারায়ণগঞ্জ থেকে ফেরা একজনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত।নারায়ণগঞ্জ থেকে ফেরা মানুষদের বাসা থেকে বের হতে দিবেন না।এদের আলাদা করে ১৪ দিন রাখুন।

১১ই এপ্রিল প্রেস ব্রিফিং,হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
11/04/2020

১১ই এপ্রিল প্রেস ব্রিফিং,হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

Address

Baniyachong
DAULATPUR,HABIGONJ,SYLHET

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daulatpur,Baniachong posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Daulatpur,Baniachong:

Share