Notary Public Bangladesh

নোটারি কী ও কেন২৮ জানুয়ারি ২০১৫, ১৬:৪৫ | আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০১৫, ১৬:৪৮জাকের হোসেন         নোটারি করার আগে কিছু জিনিস ...
09/11/2015

নোটারি কী ও কেন
২৮ জানুয়ারি ২০১৫, ১৬:৪৫ | আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০১৫, ১৬:৪৮
জাকের হোসেন

নোটারি করার আগে কিছু জিনিস জেনে নেয়া ভালো। ছবি: সংগৃহীত
সরকারি কর্মকর্তাকে দিয়ে ছবি সত্যায়িত করার অভিজ্ঞতা নিশ্চয় আছে আপনার? নোটারিও সত্যায়িত করার ব্যাপার, তবে ছবি নয়, আপনার বিভিন্ন দলিল বা ডকুমেন্ট সরকারিভাবে সত্যায়িত করাকেই নোটারি বা নোটারি পাবলিক বলা হয়।

নোটারি পাবলিককে সংক্ষেপে নোটারি বলা হয়ে থাকে। নোটারি শব্দের মূল নামপদ ‘note’ এবং ‘ary’ অনুসর্গ নিয়ে গঠিত। শব্দটি এসেছে লাতিন ভাষার nota+arius থেকে, এর অর্থ শর্টহ্যান্ড লেখক, কেরানি ইত্যাদি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নোটারির প্রচলন রয়েছে। বাংলাদেশের আইন অঙ্গনেও নোটারি পাবলিক এক অতি পরিচিত নাম‌‌‌। কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিল বা ডকুমেন্টকে সত্যায়িত করতে গেলেই নোটারি পাবলিকের প্রয়োজন পড়ে। আমাদের দেশে সাধারণত নোটারি পাবলিকের কাজ অনুমোদিত আইনজীবীরাই করে থাকেন। এ বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত হয় নোটারিস অর্ডিন্যান্স এবং নোটারিস রুলস-১৯৬৪ দ্বারা।

নোটারি কেন করা হয়

গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজে ডকুমেন্ট উপস্থাপন করতে হলে সাধারণত নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সত্যায়িত করে জমা দিতে হয়। বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই সত্যায়িত করা বাধ্যতামূলক। জমিজমা সংক্রান্ত দলিল-দস্তাবেজ, হলফনামা, বিবাহবিচ্ছেদ, গাড়ি বেচাকেনা, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র, চারিত্রিক সনদপত্র, জন্ম-মৃত্যুর সনদপত্র এবং বিদেশে নাগরিকত্বের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে নোটারি পাবলিক দিয়ে সত্যায়িত করা বাধ্যতামূলক।

এ ছাড়া পেমেন্ট অথবা ডিমান্ডের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জোরদার করতে, বটম্‌রি এবং রেসপনডেনটিয়া বন্ড (bottomry and respondantia bonds ), চার্টার পার্টি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক দলিলপত্র তৈরিতে নোটারির ব্যবহার রয়েছে।

কীভাবে করতে হয়

নোটারি পাবলিক করতে গেলে আইনজীবী আপনার মূল কাগজপত্র যাচাই করে দেখবেন। এরপর তিনি নিশ্চিত হলে তা সত্যায়িত করবেন। মূল কাগজপত্র বলতে বোঝানো হচ্ছে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জন্ম ও মৃত্যুর সনদ, চারিত্রিক সনদ ইত্যাদি। আর আপনি যদি বিয়ে, তালাক কিংবা হলফনামা তৈরি করতে চান তাহলে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে আপনার নোটারি করতে হবে। নোটারি বিধিমালা (৬০ক) অনুযায়ী, একজন নোটারিয়ান বা যিনি নোটারি করে দেন তাঁর নির্দিষ্ট কার্যালয় থাকতে হবে। আর নোটারি করার সাইনবোর্ড কার্যালয় ছাড়া অন্য কোথাও ঝোলানো যাবে না।

নোটারি করতে খরচ

নোটারি পাবলিক করতে কত খরচ হয়? অনেকে মনে করেন, নোটারি পাবলিকের জন্য হাজার খানেক টাকা লাগে। এটি ভুল। এমন ভুল ধারণা ছড়ানোর অবশ্য কারণও রয়েছে। এক শ্রেণীর দালাল নোটারি পাবলিকের ব্যবসা খুলে সাধারণের কাছ থেকে হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু এ কাজের জন্য সরকারের নির্ধারিত ফি রয়েছে। সরকার নির্ধারিত ফি সত্যায়নের কাজে ১০ টাকা, আর যেকোনো স্ট্যাম্পে হলফনামা, চুক্তিপত্রের ক্ষেত্রে ২০-২৫ টাকা খরচ হয়। অথচ অনেক নোটারি পাবলিক প্রার্থীদের কাছ থেকে ৫০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকেন।

প্রতারণা থেকে সাবধান

নিয়মানুযায়ী কাগজপত্র নোটারি করার সময় আপনার নিজের আইনজীবীর সামনে উপস্থিত থাকতে হবে। অনেক সময় প্রার্থীর অনুপস্থিতিতে নোটারির কাজ সম্পাদন ও ভুয়া কাগজপত্রের ভিত্তিতে নোটারি করা হয়। নোটারির কাজ হয় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। অনেক অবৈধ নোটারি পাবলিক নিজেরাই সিলমোহর বানিয়ে প্রতারিত করে থাকেন। কাজেই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া মারা গেছেন এমন নোটারি পাবলিকের সিলমোহর ব্যবহার করেও অনেকে প্রতারিত করতে পারেন। বয়সের মিথ্যা তথ্য দেওয়া সনদ, বিবাহবিচ্ছেদ ও মামলার কাজে মিথ্যা হলফনামা, পেছনের তারিখে দলিল তৈরি, মৃত ব্যক্তিকে জীবিত বানিয়ে আমমোক্তারনামা বানানো, মিথ্যা চুক্তিপত্র, ভুয়া আপসনামাসহ বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা সনদ এবং দলিল সম্পাদনার কাজ করছেন এক শ্রেণীর অবৈধ নোটারি পাবলিক। ভুয়া নোটারিরা অনেক ক্ষেত্রে সাদা কাগজে নোটারির কাজ সম্পন্ন করে অপরাধী চক্রকে বিভিন্নভাবে অপরাধ করতে সহযোগিতা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অতএব নোটারি করার আগে নোটারি পাবলিক সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন।

কারা নোটারি করতে পারবেন

নোটারিস অর্ডিন্যান্স এবং নোটারিস রুলস-১৯৬৪ দ্বারা বাংলাদেশে নোটারি পাবলিকের বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত হয়। সাধারণত কোনো ব্যক্তি, যিনি কমপক্ষে সাত বছর আইনজীবী হিসেবে কর্মরত আছেন অথবা বিচার বিভাগের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে পাঁচ বছর কর্মরত ছিলেন অথবা সরকারের আইনি খসড়া এবং সরকারের আইন প্রণয়নকাজে নিয়োজিত ব্যক্তি নোটারি পাবলিক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার যোগ্য।

নোটারি কী ও কেন২৮ জানুয়ারি ২০১৫, ১৬:৪৫ | আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০১৫, ১৬:৪৮জাকের হোসেন         নোটারি করার আগে কিছু জিনিস ...
09/11/2015

নোটারি কী ও কেন
২৮ জানুয়ারি ২০১৫, ১৬:৪৫ | আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০১৫, ১৬:৪৮
জাকের হোসেন

নোটারি করার আগে কিছু জিনিস জেনে নেয়া ভালো। ছবি: সংগৃহীত
সরকারি কর্মকর্তাকে দিয়ে ছবি সত্যায়িত করার অভিজ্ঞতা নিশ্চয় আছে আপনার? নোটারিও সত্যায়িত করার ব্যাপার, তবে ছবি নয়, আপনার বিভিন্ন দলিল বা ডকুমেন্ট সরকারিভাবে সত্যায়িত করাকেই নোটারি বা নোটারি পাবলিক বলা হয়।

নোটারি পাবলিককে সংক্ষেপে নোটারি বলা হয়ে থাকে। নোটারি শব্দের মূল নামপদ ‘note’ এবং ‘ary’ অনুসর্গ নিয়ে গঠিত। শব্দটি এসেছে লাতিন ভাষার nota+arius থেকে, এর অর্থ শর্টহ্যান্ড লেখক, কেরানি ইত্যাদি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নোটারির প্রচলন রয়েছে। বাংলাদেশের আইন অঙ্গনেও নোটারি পাবলিক এক অতি পরিচিত নাম‌‌‌। কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিল বা ডকুমেন্টকে সত্যায়িত করতে গেলেই নোটারি পাবলিকের প্রয়োজন পড়ে। আমাদের দেশে সাধারণত নোটারি পাবলিকের কাজ অনুমোদিত আইনজীবীরাই করে থাকেন। এ বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত হয় নোটারিস অর্ডিন্যান্স এবং নোটারিস রুলস-১৯৬৪ দ্বারা।

নোটারি কেন করা হয়

গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজে ডকুমেন্ট উপস্থাপন করতে হলে সাধারণত নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সত্যায়িত করে জমা দিতে হয়। বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই সত্যায়িত করা বাধ্যতামূলক। জমিজমা সংক্রান্ত দলিল-দস্তাবেজ, হলফনামা, বিবাহবিচ্ছেদ, গাড়ি বেচাকেনা, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র, চারিত্রিক সনদপত্র, জন্ম-মৃত্যুর সনদপত্র এবং বিদেশে নাগরিকত্বের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে নোটারি পাবলিক দিয়ে সত্যায়িত করা বাধ্যতামূলক।

এ ছাড়া পেমেন্ট অথবা ডিমান্ডের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জোরদার করতে, বটম্‌রি এবং রেসপনডেনটিয়া বন্ড (bottomry and respondantia bonds ), চার্টার পার্টি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক দলিলপত্র তৈরিতে নোটারির ব্যবহার রয়েছে।

কীভাবে করতে হয়

নোটারি পাবলিক করতে গেলে আইনজীবী আপনার মূল কাগজপত্র যাচাই করে দেখবেন। এরপর তিনি নিশ্চিত হলে তা সত্যায়িত করবেন। মূল কাগজপত্র বলতে বোঝানো হচ্ছে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জন্ম ও মৃত্যুর সনদ, চারিত্রিক সনদ ইত্যাদি। আর আপনি যদি বিয়ে, তালাক কিংবা হলফনামা তৈরি করতে চান তাহলে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে আপনার নোটারি করতে হবে। নোটারি বিধিমালা (৬০ক) অনুযায়ী, একজন নোটারিয়ান বা যিনি নোটারি করে দেন তাঁর নির্দিষ্ট কার্যালয় থাকতে হবে। আর নোটারি করার সাইনবোর্ড কার্যালয় ছাড়া অন্য কোথাও ঝোলানো যাবে না।

নোটারি করতে খরচ

নোটারি পাবলিক করতে কত খরচ হয়? অনেকে মনে করেন, নোটারি পাবলিকের জন্য হাজার খানেক টাকা লাগে। এটি ভুল। এমন ভুল ধারণা ছড়ানোর অবশ্য কারণও রয়েছে। এক শ্রেণীর দালাল নোটারি পাবলিকের ব্যবসা খুলে সাধারণের কাছ থেকে হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু এ কাজের জন্য সরকারের নির্ধারিত ফি রয়েছে। সরকার নির্ধারিত ফি সত্যায়নের কাজে ১০ টাকা, আর যেকোনো স্ট্যাম্পে হলফনামা, চুক্তিপত্রের ক্ষেত্রে ২০-২৫ টাকা খরচ হয়। অথচ অনেক নোটারি পাবলিক প্রার্থীদের কাছ থেকে ৫০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকেন।

প্রতারণা থেকে সাবধান

নিয়মানুযায়ী কাগজপত্র নোটারি করার সময় আপনার নিজের আইনজীবীর সামনে উপস্থিত থাকতে হবে। অনেক সময় প্রার্থীর অনুপস্থিতিতে নোটারির কাজ সম্পাদন ও ভুয়া কাগজপত্রের ভিত্তিতে নোটারি করা হয়। নোটারির কাজ হয় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। অনেক অবৈধ নোটারি পাবলিক নিজেরাই সিলমোহর বানিয়ে প্রতারিত করে থাকেন। কাজেই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া মারা গেছেন এমন নোটারি পাবলিকের সিলমোহর ব্যবহার করেও অনেকে প্রতারিত করতে পারেন। বয়সের মিথ্যা তথ্য দেওয়া সনদ, বিবাহবিচ্ছেদ ও মামলার কাজে মিথ্যা হলফনামা, পেছনের তারিখে দলিল তৈরি, মৃত ব্যক্তিকে জীবিত বানিয়ে আমমোক্তারনামা বানানো, মিথ্যা চুক্তিপত্র, ভুয়া আপসনামাসহ বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা সনদ এবং দলিল সম্পাদনার কাজ করছেন এক শ্রেণীর অবৈধ নোটারি পাবলিক। ভুয়া নোটারিরা অনেক ক্ষেত্রে সাদা কাগজে নোটারির কাজ সম্পন্ন করে অপরাধী চক্রকে বিভিন্নভাবে অপরাধ করতে সহযোগিতা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অতএব নোটারি করার আগে নোটারি পাবলিক সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন।

কারা নোটারি করতে পারবেন

নোটারিস অর্ডিন্যান্স এবং নোটারিস রুলস-১৯৬৪ দ্বারা বাংলাদেশে নোটারি পাবলিকের বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত হয়। সাধারণত কোনো ব্যক্তি, যিনি কমপক্ষে সাত বছর আইনজীবী হিসেবে কর্মরত আছেন অথবা বিচার বিভাগের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে পাঁচ বছর কর্মরত ছিলেন অথবা সরকারের আইনি খসড়া এবং সরকারের আইন প্রণয়নকাজে নিয়োজিত ব্যক্তি নোটারি পাবলিক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার যোগ্য।

21/10/2015
17/09/2015

বাংলাদেশের আইন এর সূচীপত্র
(বর্ণানুক্রমিক)
Index of Laws of Bangladesh
(Alphabetical)
Laws of Bangladesh
BDLAWS.MINLAW.GOV.BD
http://bdlaws.minlaw.gov.bd/alp_index_update.php

http://www.sylhetview24.com/news/details/Life_Style/27358
14/09/2015

http://www.sylhetview24.com/news/details/Life_Style/27358

যুক্তরাজ্যের জন্য ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াইউকে বর্ডার এজেন্সি সকল ইউকে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এজেন্সির ভিসা সেবা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত ভিএফএস গ্লোবাল লিমিটেড এর সাথে অংশীদারীত্বের ভিত্তিতে কাজ করে। ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন টেলিফোনে করতে পারেন , ভিএফএস ভিসা ইনফরমে…

12/09/2015

http://kazilawfirm.simplesite.com/417364419

Notary/Affidavit Service In Bangladesh Notary Public is known as an Officer who is licensed by the Government of the People’s Republic of Bangladesh to perform functions such as the authentication of signatures or documents, and the witnessing of affidavits or statements of persons under oath. ...

http://vinnobarta.com/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%...
08/09/2015

http://vinnobarta.com/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE/

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অবৈধ বাংলাদেশিদের আবারও সুযোগ মিলছে বৈধ হওয়ার। মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের পক্ষে মাই ইজি এই ঘোষণা দিয়েছে। মালয়েশিয়ার দ্য সানসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকায়ও এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে। এর

Advocate-kazi M Iqbalযে উদ্দেশ্যেই বিদেশ যাওয়া হোক না কেন, বিদেশ গমনেচ্ছু ব্যাক্তিদের কিছু বিষয়াবলী সম্পর্কে পূর্বেই স্...
08/09/2015

Advocate-kazi M Iqbal
যে উদ্দেশ্যেই বিদেশ যাওয়া হোক না কেন,
বিদেশ গমনেচ্ছু ব্যাক্তিদের কিছু
বিষয়াবলী সম্পর্কে পূর্বেই স্বচ্ছ ধারণা থাকা প্রয়োজন।
যেমন:

বিদেশ গমনেচ্ছু ব্যক্তির অবশ্যই অন্তত: ১ বৎসর মেয়াদ রয়েছে এরকম পাসপোর্ট থাকতে হবে। আগহী ব্যক্তি যে দেশে যেতে ইচ্ছুক নিকটতম দূরত্বে অবস্থিত সে দেশের দূতাবাস থেকে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে ভিসা গ্রহণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের বেশ কিছু পূর্বশর্ত পূরণ সাপেক্ষে ভিসার আবেদন করতে হয়। ভিসা পাবার যোগ্যতা প্রমানের জন্য আগ্রহী প্রার্থীকে দূতাবাসের ভিসা অফিসারের সামনে সাক্ষৎকার দিতে হয়। এই সাক্ষাৎকারের সময় কৌশলগত অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। প্রাথমিক নির্বাচনের পর যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে ডাকযোগে, ফ্যাক্সের মাধ্যমে অথবা ই-মেইলে যোগাযোগ করতে হবে।
ভিসার শ্রেণীবিভাগ (Immigration Visa)

ইমিগ্রেশন ভিসা:

বিদেশ গমনের জন্য ইমিগ্রেশন ভিসাই শ্রেষ্ঠ ও স্থায়ী পদ্ধতি; আর এ কারনেই পদ্ধতিটি বেশ জটিল ও সময় সাপেক্ষ। যেসব দেশে ইমিগ্রেশনের জন্য সরাসরি আবেদন করা যায় তাদের মধ্যে কানাডা, আষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইটালী ও আমেরিকা অন্যতম। বিভিন্ন ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতার ভিত্তিতে এসব দেশে ভিসার জন্য সরাসরি আবেদন করা যেতে পারে। এসব আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট দেশের ইমিগ্রেশন বিভাগ স্থানীয় হাইকমিশন বা দূতাবাসে যাচাই বাচাই শেষে নির্বাচিত হলে দূতাবাসে তাদের সাক্ষাৎকারের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সন্তোষজনক সাক্ষাৎকারের প্রেক্ষিতে প্রার্থীকে বিস্তারিত ইমিগ্রেশন ফর্ম পূরণ করতে বলা হয়। সবশেষে প্রার্থীর মেডিক্যাল এক্সামিনেশন করা হয়; এতে ফলাফল অনুকূল হলে তাকে সংশ্লিষ্ট দেশে স্থায়ী বসবাসের (Permanent residency) সুযোগ করে দেয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রার্থী শুধু নিজেই নয় বরং পুরো পরিবারকে নিয়ে বিদেশ পাড়ি দিতে পারেন। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে ১-২ বছর সময় লেগে যেতে পারে।



ইমিগ্রেশন ভিসার জন্য যে কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয় সেগুলো নিম্নরূপ:

প্রাথমিক আবেদন
প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত হলে নির্ধারিত ফি প্রদানপূর্বক বিস্তারিত আবেদন।
সাক্ষাৎকার (সাধারণত ১০-১২ মাস পরে)
সাক্ষাৎকার সন্তোষজনক হলে মেডিক্যাল রিপোর্ট, পাসপোর্টসহ ইমিগ্রেশন ফি জমা দিতে হয়।
কাগজপত্রে কোন ভুল ধরা না পড়লে দূতাবাস গ্রীন সিগনাল দেবে প্রার্থী প্রার্থীকে। প্রার্থী তখন এয়ার টিকেট বুকিং দিয়ে বিদেশ যাত্রার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারেন।
বিদেশে পৌঁছানোর ৩-৬ মাস পর প্রার্থী পোষ্যদের জন্য স্পন্সর করতে পারেন।
অষ্ট্রেলিয়া/ কানাডা/ নিউজিল্যান্ড

উপরোক্ত দেশগুলোতে ইমিগ্রেশনের প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করতে আগ্রহী ব্যক্তিকে তার বয়স, শিক্ষা, কাজের অভিজ্ঞতা, ভাষাগত দক্ষতা, বৈবাহিক অবস্থা ইত্যাদির উপরে ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট পয়েন্ট অর্জন করতে হয় যা এসব দেশ কর্তৃক নির্ধারিত করা আছে। যদি একজন ব্যক্তি ন্যূনতম পয়েন্ট অর্জন করে ইমিগ্রেশন আবেদনের প্রাথমিক যোগ্যতা লাভ করেন, তবে তিনি সরাসরি নির্ধারিত ঠিকানায় প্রাথমিক আবেদনপত্র প্রেরণ করবেন এবং উত্তরের জন্য অপেক্ষা করবেন। প্রার্থী যদি হ্যাঁ বোধক উত্তর পান তবে তিনি ভিসার মূল আবেদনপত্র সঠিকভাবে পূরণ করে নিকটস্থ হাইকমিশনে জমা দেবেন। দরখাস্তের সাথে অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ফি ও ফটো ইত্যাদি সংযুক্ত করতে হবে। অতঃপর আবেদনপত্রের সিরিয়াল অনুসারে সাক্ষাৎকারের জন্য ১ থেকে ২ বছর পর্যন্তও অপেক্ষা করতে হতে পারে। প্রার্থীর সিরিয়াল চলে আসলে সংশ্লিষ্ট হাইকমিশন থেকে সাক্ষাৎকারের জন্য প্রার্থীর কাছে আবেদনপত্র বা Invitation Letter প্রেরণ করা হয়।

সাক্ষাৎকার পর্ব

দূতাবাসের ইমিগ্রেশন অফিসারের সাথে সাক্ষাৎকার পর্ব ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। প্রার্থীকে মনে রাখতে হবে একজন ইমিগ্রেশন অফিসারের হাতে সর্বময় ক্ষমতা দেয়া থাকে। ইনি যেসব বিষয়ের উপর ভিত্তি করে প্রার্থীর যোগ্যতা নিরূপন করেন সে বিষয়গুলোতে প্রার্থীকে অবশ্যই সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। ইমিগ্রেশণ অফিসারের সাথে সাক্ষাৎকারের ক্ষেত্রে কিছু অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিচে দেয়া হলো:

১) শালীনতাপূর্ণ মার্জিত পোষাক পরতে হবে। চুল, দাঁড়ির ছাঁট রুচিসম্মতভাবে হতে হবে। চোখের চাহনী এবং অভিব্যক্তিতে আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে।

২) স্বাভাবিক স্বতস্ফুর্ত ভদ্রোচিত আচরন করতে হবে। যেমন: হাসিমুখে গুড মর্নিং বা গুড আফটারনুন বলে কথা শুরু করতে হবে।

৩। ইংরেজী ভাষায় শুদ্ধভাবে ও সংক্ষিপ্ত আকারে কথোপকথন চালাতে হবে। প্রশ্নদাতার কোন প্রশ্ন না বুঝতে পারলে সবিনয়ে বলতে হবে। pardon me বা excuse me, Would you please repeat the question? এর মানে হচ্ছে আমি আপনার প্রশ্নটি বুঝিনি, আপনিকি দয়া করে পুনরায় বলবেন। প্রশ্নের উত্তর স্পস্ট ও যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত হওয়াই বাঞ্চনীয়। মনে রাখতে হবে প্রশ্নটি না বুঝে কখনোই ভুল উত্তর দেয়া যাবে না। প্রশ্নকর্তার accent বুঝতে সমস্যা হলে বলতে হবে Would you please say that again? এটাই বিদেশী রেওয়াজ এবং প্রশ্নের সাথে Would you please বলে অনুরোধ করা এবং অনুরোধ মানলে Thank you বলে কৃতজ্ঞতা জানানো বাঞ্চনীয়।

৩) প্রশ্নকর্তা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে প্রার্থীর মানসিক দৃঢ়তা সম্পর্ক নিশ্চিত হতে চাইবেন। তাই তিনি যে ধরনের প্রশ্নই করুন না কেন কোন অবস্থাতেই উত্তেজিত হওয়া চলবে না, বরং ঠান্ডা মাথায় হাসিমুখে তার প্রশ্নের যৌক্তিক উত্তর দিতে হবে। আর সর্বদাই আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। আর কখনোই এমন মনোভাব প্রদর্শন করা যাবে না যে আপনি তাদের অনুকম্প প্রার্থনা করছেন বরং আপনার কথাবার্তায় যেন তাদের মনে হয় যে এই ব্যাক্তিটি তাদের দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে। শুধু সেক্ষেত্রেই আপনি সফলভাবে সাক্ষাৎকার পর্বে উত্তীর্ণ হতে পারেন।

৪। চাহিবা মাত্র যেন কর্তৃপক্ষকে যে কোন ধরনের কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারেন এজন্য আগে থেকেই প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র, ফিস ইত্যাদি গুছিয়ে রাখতে হবে।

ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক ভ্রমন (Private and Business trip)

ব্যক্তিগত ভ্রমণ ভিসা (Tourist’s Visa) প্রাপ্তি সংক্রান্ত তথ্যগুলো নিম্নরূপ:

কারা পেতে পারেন

১। উচ্চ পদস্থ সরকারী বা স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, পার্লামেন্ট সদস্য, সচিব, মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

২। উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, সামাজিক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে খ্যাতিমান ব্যক্তি ও সংগঠক প্রমুখ।

৩। প্রবাসী আত্মীয় স্বজন দ্বারা আমন্ত্রিত এবং স্পন্সরকৃত আপনজন (যেমন: বাবা-মা, ভাই-বোন, ছেলেমেয়ে ইত্যাদি)।

৪। শিক্ষা সফরে ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং প্রকল্প সম্পর্কিত বিশেষ প্রতিনিধি বা প্রশিক্ষনার্থী।

৫। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, এনজিও (NGO) বা স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও বিদেশ ভ্রমনের ভিসা পাওয়া সহজ তবে ঐসব বিষয়ে ভিসা প্রার্থীদের বিশেষ কিছু কৌশলগত প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। যেগুলো নিম্নরূপ:

সে দেশে কেন যাবেন এবং খরচ কে বহন করবে?
সে দেশে গিয়ে ফিরে আসবেন তার নিশ্চয়তা কি?
আগে কখনও সে দেশে বা অন্য কোন দেশে এ ধরনের কাজে গিয়েছেন কি না?
প্রার্থী প্রকৃতপক্ষে কি পদমর্যাদায় আছেন, তার আয় কত-এ সবকিছুর প্রমান দাখিল করতে হবে।
প্রার্থীর গাড়ি, বাড়ি, টেলিফোন, মোবাইল, ব্যাংক ব্যালেন্স ইত্যাদি আর্থিক স্বচ্ছলতার স্বচ্ছ বিবরণ দিতে হবে অর্থাৎ ভিসা অফিসারের মনে আস্থা আনতে হবে যে আমার দেশে আমি যথেষ্ট প্রতিষ্ঠিত ও স্বচ্ছল অবস্থায় আছি। কাজেই আপনার দেশে গিয়ে ফিরে না আসার কোন কারণ আমার নেই।
কাজেই ভিসা প্রার্থীরা আগেই যদি উপরোক্ত বিষয়গুলি সম্পর্কে সম্যক অবহিত থাকেন এবং যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করেন তাহলে সাক্ষাৎকার পর্বে অংশ নেয়া তার জন্য অনেক সহজ হয়ে যায় এবং ভিসা প্রাপ্তির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

স্টুডেন্ট ভিসা (Students Visa)

কোন বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে ভর্তির যোগ্যতা যাচাই পূর্বক উচ্চ শিক্ষার অনুমতি পেলে ছাত্র-ছাত্রীরা Students Visa পাওয়ার অনুমতি লাভ করে। এই ভিসাকে আমেরিকায় ও -২০, কানাডায় Students Authorization ও অন্যান্য দেশে Students Visa বলে।

কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে ছাত্র-ছাত্রীরা পার্টটাইম কাজ করার অনুমতি পেতে পারে। আর শুধু Graduate Level-এ বৃত্তি পাওয়া যায়। Under Graduate Level-এ সচরাচর কোন বিদেশী ছাত্র/ছাত্রীকে বৃত্তি দেওয়া হয় না। ইউরোপীয়ান দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সে ছাত্র-ছাত্রীদের কোন টিউশন ফি লাগে না। স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী:

আগেই সরাসরি কিংবা এজেন্টের মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করে ভর্তি ফরম পূরণ ও ভর্তির অনুমোদন সংগ্রহ করতে হয়।
অনুমোদনপত্র ও বৃত্তিসংক্রান্ত তথ্যাবলীসহ নিকটস্থ দূতাবাস বা হাইকমিশনে যোগাযোগ করতে হয়।
সন্তোষজনক ভাবে সাক্ষাৎকার পর্ব শেষে ভিসা অনুমোদিত হয়।
কোন কোন ক্ষেত্রে মেডিক্যাল টেস্ট ও পুলিশ রিপোর্ট প্রয়োজন হতে পারে।
ভিসা প্রাপ্ত গ্রাজুয়েট ছাত্র/ছাত্রীর স্ত্রী/ স্বামী (Spouse) ও ছেলেমেয়েরা ভিসা পাবে।
চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ ভিসা (Contract Employee)

বিদেশী কোন প্রতিষ্ঠান পেশা ভিত্তিক দক্ষ বা অদক্ষ জনশক্তি আমদানী করলে প্রথমে চুত্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করে। এ চুক্তির শর্তানুযায়ী নিয়োগকর্তা “Letter of Authorization” পাঠায়। তার আগে এজেন্ট-এর মাধ্যমে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে উপযুক্ত প্রার্থী বাছাই করেন। মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, ইটালী, কোরিয়া ও আফ্রিকার বেশ কিছু দেশে এভাবে “চুক্তি নিয়োগ ভিসা” প্রদান করা থাকে।

ভিজিটর ভিসা (Visitor Visa)

স্বল্পকালীন ভ্রমন (ব্যক্তিগত বা অফিসিয়াল) বা বাণিজ্যিক কাজে ভিজিটরস ভিসা প্রযোজ্য। সরকারী এমপি, মন্ত্রী, উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগণ লাল পাসপোর্ট (Red Passport) পেয়ে থাকেন। এতে যে কোন সময় সরকারী বা ব্যক্তিগত ভ্রমনে ‘ভিসা’ প্রাপ্তির সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। এছাড়া ব্যবসায়ীক কাজে বিত্তশালী বা খ্যাতনামা ব্যবসায়ীগণ সহজেই ‘ভিসা’ পান। পারিবারিক স্পন্সর (Family Sponsor) ডাক্তারী চিকিৎসা (Visa for medical Treatment) এবং কোম্পানী স্পন্সর (Company Sponsor) এর মাধ্যমে ভিসা পাওয়া যায়।

তবে, প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই মনে রাখা প্রয়োজন ভিসা অফিসার (Visa Officer) এর হাতে ঐ দেশের সরকার অসীম ক্ষমতা দিয়ে থাকে। কাজেই ভিসা অফিসারের সাথে সাক্ষাৎকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সাক্ষাৎকারের সময় অবশ্যই ভিসা অফিসারের এটা বুঝাতে হবে যে প্রার্থী প্রকৃতই তার দেশে ভ্রমন করতে যাচ্ছে এবং ভ্রমন শেষে সে নিজ দেশে ফিরে আসবে।

যারা সরাসরি চাকরি নিয়ে বিদেশ যেতে চান তারা
- See more at: http://www.pcnews24.com/details.php?id=19969 .SPpGFxa4.dpuf
Unlike · Comment · Turn Off Notifications · Share · Edit · Just now
You like this.
Advocate-kazi M Iqbal

Write a comment...

Choose File
Album:Timeline Photos
Share with:
Public
Tag This Photo
Add Location
Change Date
Open Photo Viewer
Download
Make Profile Picture
Make Album Cover
Get Link
Move To Other Album
Embed Post
Delete This Photo
People You May KnowSee All
People You May Know

Thirtyone Secondhandsurf
1 mutual friend
Add Friend

Sk Rahul
1 mutual friend
Add Friend

Sajal Nath
3 mutual friends
Add Friend

Nasir Matubbar
1 mutual friend
Add Friend
SponsoredCreate Ad
Sponsored

Build Your Store on FB!
www.shopify.com
Got thousands of Facebook friends? Get thousands of sales.
About Create Ad Create Page

বিদেশ গমনের উদ্দেশ্যচাকুরী (Employment) অভিবাসন (Immigration) উচ্চ শিক্ষা (Higher Studies)আনন্দ ভ্রমন (Excursion)

Address

Ainjibi Bhabon, Room-40, Court Hill, Chittagong
Bandarban
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Notary Public Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share