বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ

বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ সম্প্রীতির আলোকিত বান্দরবানের অভিযাত্রী

01/03/2026

আড়াই একরের ইসলামি আদর্শ : জামাত আমিরের মুখের কথা মিন্টো রোডের গেটেই শেষ হলো

স্বঘোষিত ইসলামের রক্ষাকর্তা জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান নির্বাচন প্রচারণা চালানোর সময়ে নিজের মুখে বলেছিলেন, তাদের এমপিরা রাষ্ট্রের প্লট নেবেন না, বিলাসী গাড়ি নেবেন না, কোনো বিশেষ সুবিধা নেবেন না। কথাটা তিনি বলেছিলেন নির্বাচনের আগে, যখন নিজেদের "ইসলামি আদর্শের" দল হিসেবে উপস্থাপন করার দরকার ছিল। এখন নির্বাচন হয়ে গেছে, সংসদে বসা হয়ে গেছে, আর এখন ২৯ মিন্টো রোডের সেই ঐতিহাসিক বাড়িতে মেরামত চলছে। আসবাবপত্র কেমন লাগবে সেটাও ঠিক হচ্ছে। প্রতিশ্রুতিটা কোথায় গেল? কেউ জিজ্ঞেস করলে জামায়াতের নেতারা বলছেন, এটা "নিয়ম অনুযায়ী" বরাদ্দ হয়েছে। নিয়মের কথা এখন মনে পড়ছে। কিন্তু যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষের কাছে ভোট চাওয়া হলো, সেটার কথা নিয়ম হলো না?

এই নির্বাচনটা নিয়েই আসল কথাটা বলা দরকার। বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এই নির্বাচনে অংশ নেয়নি। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ, অনেকে বর্জন করেছে। মাঠে যারা ছিল, তারা ছিল মূলত জামায়াত আর তাদের মতো কিছু দল, যারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাথে একটা সুবিধাজনক সম্পর্কে ছিল। ভোটার উপস্থিতি কতটুকু ছিল সেটা নিয়ে কথা না বাড়ালেও চলে, কারণ যে নির্বাচনে দেশের বড় অংশের মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো নেই, সেই নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই প্রশ্নটা পাশে রেখেও যদি শুধু জামায়াতকে দেখি, তাহলেও যা দেখা যাচ্ছে সেটা অত্যন্ত পরিচিত একটা দৃশ্য।

জামায়াত বরাবর নিজেদের ইসলামি আদর্শের ধারক বলে পরিচয় দেয়। কিন্তু ইসলামে মোনাফেকি, অর্থাৎ মুখে এক কথা বলে কাজে অন্যটা করাকে সবচেয়ে গুরুতর অধঃপতন হিসেবে ধরা হয়। একটা দল যদি সত্যিই ইসলামি মূল্যবোধে চলত, তাহলে তার আমিরের দেওয়া প্রতিশ্রুতিটা প্রতিশ্রুতিই থাকত। রাষ্ট্রের বরাদ্দ বাড়ি ফিরিয়ে দিয়ে বলত, না, আমরা কথা দিয়েছিলাম। কিন্তু সেটা হয়নি। হওয়ার কথাও ছিল না, কারণ জামায়াতের রাজনীতিতে ইসলাম একটা হাতিয়ার, ভোট পাওয়ার এবং ক্ষমতায় থাকার হাতিয়ার। দলটির ইতিহাস এটাই বলে।

১৯৭১ সালে এই দল মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, গণহত্যায় পাকিস্তানি বাহিনীকে সহায়তা করেছিল, আলবদর-আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে বুদ্ধিজীবী হত্যায় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিল। এই অপরাধের জন্য দলটির একাধিক শীর্ষ নেতার ফাঁসি হয়েছে বাংলাদেশের ট্রাইব্যুনালে। সেই দলটি এখন বাংলাদেশের সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসে আছে। এটা কোনো স্বাভাবিক রাজনৈতিক উত্থান না, এটা একটা ভয়াবহ ঐতিহাসিক বিপর্যয়।

আর সেই বিপর্যয়ের মাঝখানে ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িতে রঙ লাগছে, রাস্তার কাজ হচ্ছে, আসবাব ঠিক হচ্ছে। যে আমির বলেছিলেন বিশেষ সুবিধা নেবেন না, তিনি নিচ্ছেন। যারা এখন এর পক্ষে সাফাই দিচ্ছেন তারা বলছেন "নিয়ম মেনেই হয়েছে।" নিয়মের কথা ঠিকই আছে। কিন্তু নিয়ম মানলে তো কথাটা দেওয়ার দরকার ছিল না। কথাটা দিয়েছিলেন কারণ তখন সেটা দরকার ছিল। এখন দরকার নেই, তাই কথাটাও নেই।

এটাই জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির আসল চেহারা। ইসলাম এদের কাছে একটা ব্র্যান্ড। ক্ষমতার বাইরে থাকলে আদর্শের কথা বলো, ক্ষমতার কাছাকাছি আসলে সুবিধাটা নিয়ে নাও।

01/03/2026

রক্তঝরা মার্চ
আবার এসেছে ফিরে
অজেয় অক্ষরে
"জয় বাংলা"

01/03/2026

স্বায়ত্তশাসনসহ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির ছয়টি দাবি নিয়ে, ১৯৬৬ সালে, ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। এর অল্প সময়ের মধ্যেই দলের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। চষে বেড়াতে শুরু করেন বাংলার মাঠ-প্রান্তর। এসময় 'ছয় দফা: আমাদের বাঁচার দাবি' শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে দেশজুড়ে বিলি করা হয়। তুমুল গণজোয়ার শুরু হয় ছয় দফার পক্ষে। তা দেখে ভয় সৃষ্টি হয় পাকিস্তানি জান্তাদের মনে। ছয় দফা ঘোষণার পরের তিন মাসে দেশজুড়ে ৩২টি জনসভা করেন বঙ্গবন্ধু এবং প্রায় প্রতিবারই তাকে আটক করা হয়। অবশেষে বাঙালির জাগরণ দমানোর জন্য দীর্ঘ মেয়াদের জন্য জেলে ঢোকানো হয় জাতির স্বপ্নপুরুষ শেখ মুজিবকে। কিন্তু লাভ হয়নি। ছয় দফা ঘোষণা করে জাতীয় মুক্তির যে বীজমন্ত্র তিনি রোপণ করেছিলেন, তা ততদিনে শাখা-প্রশাখায় ছড়িয়ে গেছে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে।

এই ছয় দফাকে কেন্দ্র করেই স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর হয়ে ওঠে পুরো জাতি। যার প্রভাব পড়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের মোট ৩১৩ আসনের মধ্যে ১৬৭ আসনে জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আওয়ামী লীগ। নৌকা প্রতীকের কাণ্ডারি হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে হয়ে ওঠেন অখণ্ড পাকিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা। কিন্তু পাকিস্তানি জান্তা ও নির্বাচনের পরাজিত পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিকরা ষড়যন্ত্র করতে থাকে। অনেক টালবাহার পর, ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, স্বৈরাচার জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১ মার্চ দুপুরে, সেই অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। এরপরই ফুঁসে ওঠে আপামর বাঙালি। চূড়ান্ত আন্দোলন শুরু করার নির্দেশ দেন বঙ্গবন্ধু।

মূলত, মার্চের প্রথম দুপুর থেকেই এই আন্দোলনের সূচনা। প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে পাকিস্তানি হানাদারদের অসহেযোগিতা করার নির্দেশ দেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু জান্তারা সেই আন্দোলনে গুলি চালিয়ে শতাধিক মানুষের রক্তে রাজপথ রক্তাক্ত করে তোলে। ক্রমেই কঠোর থেকে কঠোর অবস্থানের নির্দেশনা দেন বাঙালির সর্বোচ্চ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান।

প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই এই ভূখণ্ডের সরকারি-বেসরকারি প্রশাসনের একক নেতৃত্ব চলে আসে বঙ্গবন্ধুর হাতে। দ্বিতীয় সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই পুরো দেশ চলতে শুরু করে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ মেনে। বাস্তব অর্থে, শুধু সামরিক ছাউনিগুলো ছাড়া আর কোথাও পাকিস্তানিদের নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের সরকার ব্যবস্থা। বঙ্গবন্ধুই তখন বাংলাদেশের অঘোষিত রাষ্ট্রপ্রধান এবং ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি পরিণত হয় 'বিকল্প রাষ্ট্রপ্রধান'-এর সদর দফতরে। অবস্থা বেগতিক দেখে, পাকিস্তানি জান্তা ও রাজনীতিকরা ঢাকায় এসে বঙ্গবন্ধুকে আলোচনার আহ্বান জানান। রাজনৈতিক কারণে বঙ্গবন্ধু তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন, কিন্তু দেশজুড়ে অসহযোগ আন্দোলনের কার্যক্রমও গতিশীল রাখেন।

পাকিস্তানিদের ষড়যন্ত্রে পা না দিয়ে, সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে নির্দেশনা দিতে থাকেন বঙ্গবন্ধু। সেসসব নির্দেশ মেনে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে মুক্তির স্বপ্নে মগ্ন সাত কোটি জনতা। অবশেষে ২৫ মার্চ কালরাতে হানাদার বাহিনী ঘুমন্ত বাঙালির ওপর আক্রমণ চালালে, বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তাকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে বন্দি করে রাখা হয়। কিন্তু তার নামেই পরিচালিত হতে থাকে মুক্তিযুদ্ধ।
--

The seed Bangabandhu sow in historic six-point demand in 1966 got fulfilled with the 1970 general elections. Awami League gained a landslide majority bagging 167 seats out of 313 in the national cabinet of Pakistan. Sheikh Mujibur Rahman became the supreme leader of united Pakistan.

But Pakistani military junta and defeated politicians did not handover the power to the Bengali majority, rather they started making excuses from the very beginning of 1971. Even the autocratic General Yaha cancelled the national cabinet assembly, supposed to be held on March 3. This made the Bengali people furious immediately after the announcement on March 1.

Bangabandhu called upon the nation for a peaceful non-cooperation movement against the Pakistani force. But military junta shot hundreds of people dead on the streets during the movement. Then Bangabandhu took to hard lines.
In line with Bangabandhu’s instruction, people enforced the general strike on March 2 and 3. Student leaders hoisted the flag of the new independent Bangla on the Dhaka University campus on March 2. Bangabandhu held a mass rally in Paltan on March 3 where the manifesto of independence was readout. The manifesto stipulated matters regarding the national flag, national anthem, geographical boundary of Bangladesh, basic principles of the state and overall outline of the state.

The strike and protests continued till March 6 and many of the freedom seekers died in the bullets of the Pakistani forces in different major cities.
Bangabandhu delivered his final directives about independence in the historic March 7 speech at the rally at Suhrawardy Udyan. He asked people to shut down all offices, courts, educational institutions for an indefinite period, which made Pakistan’s rule ineffective. Volunteer groups from Awami League marched throughout the cities to avoid any chaos.

Seeing the situation going out of control, Pakistani autocratic ruler Yahya Khan announced his Dhaka visit on March 9. And the remarks of Bangabandhu, in an interview, was: “... We are not willing to compromise.”
On March 13, the Sangram Committee was formed in every locality of the country, leading to uncertainty of the Pakistani administration.

Bangabandhu, in a statement on March 14, said: “We will continue our revolt until we achieve freedom. The spirit of freeing Bangladesh cannot be put off.”
Pakistani autocratic ruler Yaha Khan arrived in Dhaka on March 15. Talks, in name of wasting time and reinforcing their military forces and arms, started on the following day on March 16. When things were getting visible, Bangabandhu asked people to observe ‘Revolt Day’ on Pakistan’s national day on March 23. He also hoisted the flag of independent Bangla on that day on his Dhanmondi residence. The mass boycotting of Pakistani products also started across the country.
Soon after news that Yahya Khan left Dhaka in a white dress on March 25, Bangabandhu started receiving independence messages from party leaders and activists from all over the country. Pakistani forces began their brutality, mass killings and genocide over the peaceful Bengali people on the dark night. Bangabandhu declared the country’s independence in the wee hours of March 26.
The Times, The Guardian, the Financial Times, The Telegraph among other international newspapers on March 27 published the news of the declaration of independence. Following the declaration of the Supreme Leader, people from all walks of lives joined the Liberation War. Bangabandhu is the greatest person in Bengal history who made the two thousand-year-long dream come true.

#বঙ্গবন্ধু #শেখমুজিব #অগ্নিঝরামার্চ

27/02/2026

বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অভ্যুথান হয়েছে। সেই সব দেশ অভ্যুথানের সকল হ*ত্যাকান্ডের বিচার করেছে এবং করছে। তাহলে বাংলাদেশে হবে না কেন?

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি
20/02/2026

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে
সকল ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর পক্ষ থেকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছাপবিত্র রমজান মুসলিম উম্মাহর জন্য এক মহান বরকতময় মাস। এই মাস আত...
18/02/2026

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর পক্ষ থেকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা

পবিত্র রমজান মুসলিম উম্মাহর জন্য এক মহান বরকতময় মাস। এই মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস। মহান আল্লাহ এই মাসেই পবিত্র কুরআন নাজিল করেছেন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য। তাই রমজান শুধু রোজা রাখার মাস নয়, বরং আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ।

সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মানুষ ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কষ্ট অনুভব করে, যা তাকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল করে তোলে। রোজা আমাদের ধৈর্য, সহনশীলতা ও আত্মসংযমের শিক্ষা দেয়। মিথ্যা, গীবত, হিংসা ও অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকার অঙ্গীকারই রমজানের প্রকৃত শিক্ষা।
এই মাসে ইবাদতের সওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তারাবির নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও লাইলাতুল কদরের সন্ধান—সব মিলিয়ে রমজান এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ইফতার ও সেহরির আনন্দ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিকে আরও দৃঢ় করে তোলে।
পবিত্র রমজানের এই মহিমান্বিত মাসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের সকল মুসলিম ভাই-বোনের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাচ্ছে। আমরা কামনা করি, এই রমজান সবার জীবনে শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক। রমজানের শিক্ষা ধারণ করে আমরা যেন একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি—এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে আওয়ামীলীগের দামি পাঞ্জাবি পরা নেতাদের জন্য তরুন প্রজন্মের কেউ জায়গা পেত না । উন্মুক্ত থাকলেও তর...
16/02/2026

ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে আওয়ামীলীগের দামি পাঞ্জাবি পরা নেতাদের জন্য তরুন প্রজন্মের কেউ জায়গা পেত না । উন্মুক্ত থাকলেও তরুন প্রজন্মের কাছে আগ্রহের বস্তুতে পরিণত করতে ব্যর্থ হয় আওয়ামীলীগ।

নতুন প্রজন্মের অনেকেই ৩২ নম্বর সম্পর্কে জানতো না, ৫ আগস্টের পর নতুন করে ইতিহাস জেনেছে। এই ঐতিহাসিক বাড়ি থেকে যাবে সবার অন্তরে।

৫ আগস্টের পর বারবার ধ্বংস করার অপচেষ্টা করতে গিয়ে ৩২ নম্বরকে তরুন প্রজন্মের কাছে আরো জনপ্রিয় ও ভালোবাসার জায়গায় পরিনত করেছে স্বাধীনতা বিরোধীরা৷

বান্দরবানের সর্বজনপ্রিয় ক্রীড়া সংগঠক জনাব রূপন কুমার দত্ত চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  পরলোকগমন করেছে...
15/02/2026

বান্দরবানের সর্বজনপ্রিয় ক্রীড়া সংগঠক জনাব রূপন কুমার দত্ত চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগমন করেছেন। উনার প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

14/02/2026
12/02/2026

Address

Bandarban VIP Road
Bandarban

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ:

Share