শহীদ রুমী স্মৃতি পাঠাগার

শহীদ রুমী স্মৃতি পাঠাগার " মানবিক, মুক্তবুদ্ধি সম্পন্ন, রাজনৈতিক ও সমাজ সচেতন মানুষ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য "

এরা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমায় না।সরকারি লাইনের গ্যাসের ব্যবস্থা করে না  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের লাগাম টেনে ধরে না,ন...
08/04/2026

এরা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমায় না।সরকারি লাইনের গ্যাসের ব্যবস্থা করে না সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের লাগাম টেনে ধরে না,নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলে না,আইনের সুশাসন নিশ্চিতে করণীয় নিয়ে কথা বলে না।এমন তেলবাজী নেতাগুলোর সংসদে বসে কথা বলা দেখলে ও শুনলে নিজের কপালের উপর দোষ দিয়ে সান্ত্বনা পাই আরকি!!!

আজ রুমীর জন্মদিন।এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে ধরা পড়েন শাফী ইমাম রুমী। তাঁর বয়স ছিল কুড়ি বছর। তিনি ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্...
30/03/2026

আজ রুমীর জন্মদিন।

এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে ধরা পড়েন শাফী ইমাম রুমী। তাঁর বয়স ছিল কুড়ি বছর। তিনি ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতেও তিনি ভর্তি হন। তিনি যুদ্ধে যেতে চান, মা তাঁকে যেতে দেবেন না। কিন্তু রুমী নাছোড়। এটা কেমন স্বার্থপরতা যে দেশের মানুষ যখন মুক্তির জন্য লড়ছে আর মরছে, তখন তিনি যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে? শেষে মা বললেন, যা, তোকে দেশের জন্য কোরবানি করে দিলাম। এই একটা কথা চিরকাল জাহানারা ইমামকে দগ্ধ করেছে, আহা, সেদিন যদি বলতাম, যা, বিজয়ী হয়ে ফিরে আয়।

ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষের বাড়ি থেকে ধরা পড়েন বদিউল আলম। ভীষণ ভালো ছাত্র ছিলেন। ১৯৬৪ সালে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ থেকে আইএ পরীক্ষায় বোর্ডে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে পড়তেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে শেষ বর্ষে। এনএসএফ করতেন বলে বন্ধুরা তাঁকে নিতে চাননি আগরতলা যাত্রীদলে। তিনি পকেট থেকে ব্লেড বের করে নিজের আর ছাত্র ইউনিয়ন করা শহীদুল্লাহ খান বাদলের আঙুল কেটে রক্ত মিশিয়ে নেন। বলেন, যা, আজ থেকে আমরা রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। ফ্রম টুডে উই আর ব্লাড ব্রাদার্স। ভীষণ সাহসী যোদ্ধা ছিলেন বদি।

আলতাফ মাহমুদ ছিলেন ওই সময়ে দুই পাকিস্তান মিলেই একজন ভীষণ শক্তিশালী সুরকার এবং সংগীত পরিচালক। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানটির সুরকার। একাত্তর সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধের গান রেকর্ড করে পাঠাতেন ভারতের মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। নিজের বাড়িতে অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন। তাঁর বাড়িতে পাকিস্তানি মিলিটারি হানা দেন ভোরবেলা। মিউজিক ডিরেক্টর সাব কৌন হ্যায়। তাঁকে দিয়ে কোদাল চালিয়ে নেয় তারা, উঠান খুঁড়ে অস্ত্র বের করায়। তাঁর কপালে বেয়নেট চালালে চোখের ওপরের চামড়া খুলে ঝুলে পড়ে চোখের ওপর।

৩১ আগস্ট ১৯৮৫ সালে, শহীদ আজাদের মা সাফিয়া বেগম মারা যান। পরের দিন সেপ্টেম্বরের ১ তারিখে জুরাইনে মুক্তিযোদ্ধারা তাঁকে সমাহিত করেন। রুমীর আম্মা জাহানারা ইমাম তখন গাড়িতে গোরস্থানের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারা আমাকে বলেছেন, দুপুরবেলা যখন আজাদের মাকে কবরে শোয়ানো হয়, তখন হঠাৎ রোদের মধ্যে বৃষ্টি পড়তে থাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের কারও কারও মনে হয় যে শহীদ রুমী, শহীদ বদি, শহীদ জুয়েল, শহীদ আলতাফ মাহমুদ, শহীদ আজাদ—বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদ এই বীর মায়ের জন্য পুষ্পবৃষ্টি বর্ষণ করছেন।
আর আজাদের মায়ের মৃত্যুর ১৪ বছর আগে, ১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট দিবাগত রাতে, মানে ৩১ আগস্টের প্রথম প্রহরেই আজাদকে পাকিস্তানি সৈন্যরা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। একই সময়ে ঢাকা শহরের ২২টা মুক্তিযোদ্ধা-শেল্টার ঘেরাও করে পাকিস্তানি বাহিনী।

ধরে নিয়ে যায় আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানের সুরকার আলতাফ মাহমুদকে। ধরে নিয়ে যায় রুমীকে, তাঁর ভাই জামী আর তাঁর বাবা শরীফ সাহেবকে। ধরে নিয়ে যায় জুয়েলকে, ধরে নিয়ে যায় বদিকে। ধরে নিয়ে যায় শহীদ বাকের, শহীদ আশফাকুজ্জামান, শহীদ আবুল বাশারকে—কী বিষণ্ন থোকা থোকা নক্ষত্রপুঞ্জের মতো এক গোছা নাম।

আজাদ ছিলেন বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। তাঁর বাবা ছিলেন ভীষণ বড়লোক, বাড়িতে হরিণ ছিল, সরোবর ছিল, মসলার বাগান ছিল। সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে আজাদ যখন পড়েন ক্লাস সিক্সে, তাঁর বাবা আরেকটা বিয়ে করলে মা প্রতিবাদস্বরূপ আজাদকে নিয়ে স্বামীর গৃহ ত্যাগ করে বস্তিঘরে আশ্রয় নেন। অনেক কষ্টে আজাদকে লেখাপড়া শেখান। আজাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করেন। ১৯৭১ সাল। আজাদের বন্ধু ছিল জাহানারা ইমামের ছেলে রুমী, ক্রিকেটার জুয়েল, বাস্কেটবল খেলোয়াড় কাজী কামাল প্রমুখ। বন্ধুরা সবাই আগরতলায় গিয়ে মেজর খালেদ মোশাররফের ক্যাম্পে ট্রেনিং নিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন। ঢাকায় তাঁরা গেরিলা অপারেশন পরিচালনা করেন। ফার্মগেট অপারেশন, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল অপারেশন—পাকিস্তানি সৈন্যদের ত্রস্ত করে তুলেছেন তাঁরা। তাঁরা আজাদকে বললেন, তুইও আমাদের সঙ্গে চল, অপারেশনে যাই। তোর বাবার বন্দুক ছিল, তুই তো বন্দুক চালাতে জানিসই। আজাদ মায়ের কাছে অনুমতি নেন। আজাদদের বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধারা আশ্রয় নেন। আজাদ বন্ধুদের সঙ্গে একটি-দুটি অপারেশনে গিয়েওছিলেন। ১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট রাতে আজাদদের মগবাজারের বাড়ি ঘিরে ফেলে পাকিস্তানি সৈন্যরা। আজাদ, কাজী কামাল, জুয়েল, বাশারেরা তখন খালি গায়ে ক্যারম খেলছিলেন। ভীষণ গরম পড়েছিল সেই রাতে। কাজী কামাল একজন সৈন্যের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে গুলি করতে করতে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। ধরা পড়েন বাকিরা।

ধরা পড়েন জুয়েল। আবদুল হালিম চৌধুরী জুয়েল। ’৭১ সালে বয়স ছিল ২১ বছর। তিনি ছিলেন মারকুটে ক্রিকেটার। আজাদ বয়েজ আর মোহামেডান ক্লাবে খেলতেন। ধরা পড়ার আগে একটা অপারেশনে গুলিতে তাঁর হাতের একটা আঙুল জখম হয়েছিল। ভীষণ হাসিখুশি এক তরুণ ছিলেন জুয়েল। সবাইকে হাসাতে পারতেন। উইকেট কিপিংও করতেন মাঠে।

আজাদকে ধরে প্রথমে নেওয়া হয় রমনা থানায়। আজাদের মা ছেলের সঙ্গে দেখা করতে যান থানায়। পাকিস্তানিদের দালালেরা বলে, আপনার ছেলেকে সবকিছু স্বীকার করতে বলেন, ওকে আমরা ছাড়ানোর ব্যবস্থা করছি। আজাদের মা ছেলের সঙ্গে দেখা করে বলেন, শক্ত হয়ে থেকো বাবা, কোনো কিছু স্বীকার করবে না। ছেলে বলেন, মা, কদিন ভাত খাই না, ভীষণ ভাত খেতে ইচ্ছা করছে, আমার জন্য ভাত এনো তো। মা ভাত রেঁধে টিফিন ক্যারিয়ারের বাটিতে সাজিয়ে নিয়ে থানায় আসেন। এসে দেখেন ছেলে নেই। এই ছেলে আর কোনো দিনও ফিরে আসেনি। আর এই মা পরবর্তী ১৪টা বছর আর কোনো দিনও ভাত খাননি। তিনি বিছানায়ও শুতেন না। সব সময় মেঝেতে শুতেন। কারণ তিনি দেখেছিলেন, তাঁর ছেলে আজাদ রমনা থানায় শোয়ার জন্য বিছানা পাননি।

জুরাইনে তাঁর কবরটা এখনো আছে। গত বছরও আমি আর আজাদের খালাতো ভাই ফেরদৌস আহমেদ জায়েদ কবরে গিয়েছিলাম। সেখানে লেখা আছে: মোসাম্মৎ সাফিয়া বেগম, শহীদ আজাদের মা।

বীরের এ রক্তস্রোত, মাতার এ অশ্রুধারা

এর যত মূল্য সে কি ধরার ধুলায় হবে হারা।

রবীন্দ্রনাথের কবিতার এই লাইন দুটোর আগে-পরে বারবার পড়ি:

বীরের এ রক্তস্রোত, মাতার এ অশ্রুধারা

এর যত মূল্য সে কি ধরার ধুলায় হবে হারা।

স্বর্গ কি হবে না কেনা।

বিশ্বের ভাণ্ডারী শুধিবে না

এত ঋণ?

রাত্রির তপস্যা সে কি আনিবে না দিন।

রাত্রির তপস্যা দিন আনবে না?

(শহীদ রুমীর ছবি আনিসুল হক)

শহীদ শাফী ইমাম রুমী (১৯৫১-১৯৭১) বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের এক অকুতোভয় গেরিলা যোদ্ধা ও বীর বিক্রম। তিনি জাহানারা ইমামের জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং 'ক্র্যাক প্লাটুন'-এর সদস্য ছিলেন ।ঢাকা কলেজে পড়ার সময় এবং বুয়েটে ভর্তির পর মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে ঢাকার ভেতরে একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেন । ১৯৭১ সালের ২৯ আগস্ট পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন এবং পরবর্তীতে শহীদ হন ।
শহীদ রুমী সম্পর্কে মূল তথ্য:
জন্ম ও পরিচয়: ১৯৫১ সালের ২৯ মার্চ সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন, বাবা শরীফ ইমাম ও মা জাহানারা ইমাম ।
মুক্তিযুদ্ধ ও ক্র্যাক প্লাটুন: ঢাকা কলেজের ছাত্র রুমী ১৯৭১ সালে বুয়েটে (তৎকালীন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ) ভর্তি হন, কিন্তু পড়াশোনা ছেড়ে যুদ্ধে যোগ দেন । তিনি ঢাকা শহরের গেরিলা অপারেশনে, বিশেষ করে 'ক্র্যাক প্লাটুন'-এর হয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ওপর সফল আক্রমণ চালাতেন।
গ্রেপ্তার ও শাহাদাত: ২৯ আগস্ট ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে ৩০ আগস্ট বা তার পরপরই তাকে হত্যা করা হয় বলে ধারণা করা হয় ।
স্মরণীয় অবদান: জাহানারা ইমামের বিখ্যাত গ্রন্থ "একাত্তরের দিনগুলি"-র মূল চরিত্র রুমী। তার আত্মত্যাগের জন্য তিনি 'বীর বিক্রম' খেতাবপ্রাপ্ত হন ।
শহীদ রুমী বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক মহান প্রতীক। আমাদের শহীদ রুমী স্মৃতি পাঠাগার এর প্রত্যেক ছেলে মেয়ে যেন শহীদ রুমীর প্রতীক হয়ে ওঠে।

10/03/2026

ইফতারের আগে শিশু সদস্যদের পরিবেশনা
"ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলোরে দুনিয়ায় আয়রে সাগর আকাশ বাতাস দেখবি যদি আয়... "

পাঠাগারের ক্ষুদে সদস্যদের আজ চলচ্চিত্র দেখানো হয়েছে। চলচ্চিত্র: দামাল
06/03/2026

পাঠাগারের ক্ষুদে সদস্যদের আজ চলচ্চিত্র দেখানো হয়েছে।
চলচ্চিত্র: দামাল

অভিনন্দন টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি পাঠাগারের সবাইকে!!!গতকাল ৬ ফ্রেব্রুয়ারি ভাষার মাস উপলক্ষে মোহাম্ম...
07/02/2026

অভিনন্দন টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি পাঠাগারের সবাইকে!!!

গতকাল ৬ ফ্রেব্রুয়ারি ভাষার মাস উপলক্ষে মোহাম্মদপুরের বসিলায় 'আন্তঃপাঠাগার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬' অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে বসিলার আহমদ ছফা গণপাঠাগার'। টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি পাঠাগার। রানার্স-আপ আহমদ ছফা গণপাঠাগার।

এই টুর্নামেন্টে আয়োজকসহ মোট চারটি পাঠাগার অংশ নেয়। আহমদ ছফা গণপাঠাগার (বসিলা), শহীদ রুমী স্মৃতি পাঠাগার (কড়াইল), শহীদ আজাদ স্মৃতি পাঠাগার (দনিয়া) ও শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি পাঠাগার (নাখালপাড়া)।
আমাদের পাঠাগারের খেলোয়াড়রা ভাল খেলেছে। অভিনন্দন সকল পাঠাগারের সদস্য ও পরিচালনা টিমকে।

অভিনন্দন রানার্স-আপ দল আহমদ ছফা গণপাঠাগারকে। অভিনন্দন শহীদ রুমী স্মৃতি পাঠাগার ও শহীদ আজাদ স্মৃতি পাঠাগারকে, যারা টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে।

ধন্যবাদ আয়োজক আহমদ ছফা গণপাঠাগারকে এমন একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করার জন্য।

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম ২ বছরের চুক্তিতে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন গত ৫ সেপ্টেম্ব...
21/01/2026

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম ২ বছরের চুক্তিতে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে। পরিচালক হওয়ার পরে অসংখ্য ভুয়া পাঠাগারের নিবন্ধন বাতিল করেছেন। প্রান্তিক পর্যায়ের পাঠাগারগুলোকে সক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছেন। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের কাজের পরিধি বাড়িয়ে প্রতিষ্ঠানকে কর্মচঞ্চল করেছেন। গতকাল কোন প্রকার কারণ ছাড়াই সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় আফসানা বেগমকে অপসারণ করলো। এই সিদ্ধান্তকে শহীদ রুমী স্মৃতি পাঠাগার অযৌক্তিক এবং অগণতান্ত্রিক মনে করে। আমাদের পাঠাগারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে তাঁকে স্বপদে বহাল রাখার আহ্ববান জানাই।

01/01/2026

নতুন কুঁড়িদের গানের চর্চা
আমরা ভয় জানিনা ভয় জানিনা...

নতুন সদস্যদের গল্প শোনানোর আসর। বিষয়: ম্যাক্সিম গোর্কির মা উপন্যাস
24/12/2025

নতুন সদস্যদের গল্প শোনানোর আসর।
বিষয়: ম্যাক্সিম গোর্কির মা উপন্যাস

বিজয় দিবস ২০২৫ উদযাপনবিয়য় দিবসের র‍্যালী, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী।'৭১ স্মরণে শিশু...
22/12/2025

বিজয় দিবস ২০২৫ উদযাপন
বিয়য় দিবসের র‍্যালী, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।
মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী।
'৭১ স্মরণে শিশুদের চিত্রাঙ্গন ও পুরষ্কার বিতরণ।

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
16/12/2025

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

Address

Banani Model Town
1213

Telephone

01924585487

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শহীদ রুমী স্মৃতি পাঠাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to শহীদ রুমী স্মৃতি পাঠাগার:

Share

Category