Hasadah our village

Hasadah our village Hasadah,Jibannagar,Chuadanga. it's the old village in the district of chuadanga. there are many remarkable place here.

most important part of this village are school,college(madrasha) and many more...

রঙ লাগলে বনে বনে, ঢেউ জাগলে সমীরণে, আজ ভুবনের দুয়ার খোলা, দোল দিয়েছে বনের দোল- আজ পহেলা ফাল্গুন। আগুনরাঙা বসন্ত আজ।প্রকৃ...
13/02/2016

রঙ লাগলে বনে বনে, ঢেউ জাগলে সমীরণে, আজ ভুবনের দুয়ার খোলা, দোল দিয়েছে বনের দোল- আজ পহেলা ফাল্গুন। আগুনরাঙা বসন্ত আজ।

প্রকৃতি আজ খুলে দেবে দখিন দুয়ার। সে দুয়ারে বইবে ফাগুনের হাওয়া। বসন্তের আগমনে কোকিল গাইবে গান। ভ্রমরও করবে খেলা। গাছে গাছে ছড়িয়ে পড়বে পলাশ আর শিমুলের মেলা। প্রকৃতি সাজবে নতুনরূপে। শীতের খোলসে ঢুকে থাকা কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, নাগলিঙ্গম এখন অলৌকিক স্পর্শে জেগে উঠেছে। মৃদু-মন্দ বাতাসে ভেসে আসা ফুলের গন্ধে বসন্ত জানিয়ে দিচ্ছে, সত্যিই সে ঋতু রাজ বসন্ত। ‘ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক, আজ বসন্ত’ কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের অমীয় বাণীটি ঋতুরাজকে আলিঙ্গনের আহ্বান জানায়।

ফুল ফোটার পুলকিত এই দিনে বন-বনান্তে কাননে-কাননে পারিজাতের রঙের কোলাহলে ভরে উঠবে চারদিক। কচিপাতায় আলোর নাচনের মতোই বাঙালির মনেও লাগবে দোলা। হৃদয় হবে উচাটন। পাতার আড়ালে-আবডালে লুকিয়ে থাকা বসন্তের দূত কোকিলের মধুর কুহু কুহু ডাক, আকুল ব্যাকুল করে তুলবে অনেক বিরহী অন্তর। সকল কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে, বিভেদ ভুলে, নতুন কিছুর প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে এসেছে বসন্ত। লাল-হলুদের বাসন্তী রঙে প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের সাজিয়ে আজ বসন্তের উচ্ছলতা ও উন্মাদনায় ভাসবে প্রতিটি বাঙালি।

natural life of our farmer .... when they carry their valuable asset...
20/12/2014

natural life of our farmer .... when they carry their valuable asset...

winter....!!! the best moment of taking datesjuice
20/12/2014

winter....!!! the best moment of taking datesjuice

13/12/2014

বিজয়ের মাস:মুক্ত চুয়াডাঙ্গা

দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। তারও নয় দিন আগে ৭ ডিসেম্বর শত্রুমুক্ত হয় তৎকালীন মহকুমা শহর চুয়াডাঙ্গা। এর আগে ৪ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও দর্শনাকে শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের দামাল ছেলেরা মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় ৪ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যায়ক্রমে চুয়াডাঙ্গাকে হানাদারমুক্ত করে।

মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি হানাদারদের অনেকে মারা যায়, বাকিরা পালিয়ে জীবন রক্ষা করে। রাজাকার-আলবদররা আত্মসমর্পণ করতে থাকে। শত্রুমুক্ত ঘোষণার পর জনতা রাস্তায় নেমে আসে। করতে থাকে আনন্দ মিছিল। হাজারো মানুষ কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে গগনবিদারী আওয়াজ তোলে, ‘জয় বাংলা’।
মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার শফিউদ্দিন মংলা জানান, ডিসেম্বর মাসের প্রথম থেকেই চুয়াডাঙ্গা মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। ৪ ডিসেম্বর জীবননগর ও দর্শনায় মুক্তিবাহিনীর কাছে পরাজয় স্বীকার করে পাকিস্তানি সেনারা চুয়াডাঙ্গায় শক্ত ঘাঁটি গড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধারা ৬ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গার আশপাশে জড়ো হতে থাকে। দিনভর চরম উত্তেজনা চলে। পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর উপর্যুপরি আক্রমণ চালানো হয়। আক্রমণের মুখে ওই দিন রাতেই তারা চুয়াডাঙ্গা ছেড়ে কুষ্টিয়ার দিকে চলে যায়। যাওয়ার আগে শহরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করে এবং মাথাভাঙ্গা সেতুর পূর্ব প্রান্ত ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। ৭ ডিসেম্বর ভোর চারটার দিকে মুক্তিযোদ্ধারা বীরের বেশে চুয়াডাঙ্গায় প্রবেশ করেন।
মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান বলেন, ৭ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা মুক্ত ঘোষণার পর শহরে ব্যাপক মাইকিং করা হয়। মাইকিং শুনে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। ওই সময় রাস্তায় রাস্তায় খণ্ড খণ্ড মিছিল বের হয়। মিছিল থেকে একটাই আওয়াজ ওঠে, ‘জয় বাংলা’। মানুষ মুক্তিযোদ্ধাদের বীরোচিত সম্মান জানায়।
মুক্তিযোদ্ধা আবু হোসেন জানান, চুয়াডাঙ্গা মুক্ত ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়ে। আনন্দের মাঝেও অনেকেই অজানা আতঙ্কে ভুগতে থাকে। মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের মতো করে প্রশাসন গড়ে তোলেন। ব্যাংকসহ সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাতে কোনোরকম লুটপাট না হয়, সেদিকে সতর্ক নজর রাখা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী বলেন, ১২ আগস্ট মদনা গ্রামে সাতজন পাকিস্তানি সেনা সম্মুখযুদ্ধে নিহত হয়। পাকিস্তানি সৈন্যরা গ্রামটিতে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। সর্বশেষ ৪ ডিসেম্বর ভোরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধারা উপর্যুপরি আক্রমণ করলে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার-আলবদররা দর্শনা ছেড়ে পালায়। যাওয়ার সময় লোকনাথপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে মেজর রানাসহ ১২ জন শত্রুসেনা মারা যায়।
মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম জানান, ক্যাপ্টেন মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী ধোপখালী হয়ে জীবননগরে প্রবেশ করে। শুরু হয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। পাকিস্তানি সৈন্যরা জীবননগর ছেড়ে যশোরের দিকে চলে যায়। জীবননগরের মাটিতে পত পত করে ওড়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা।

08/11/2014

বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাবার ও বস্তুর নাম

"৩৬) চুয়াডাঙ্গা ————- পান, তামাক,
ভুট্টা....."
০১) নাটোর — ———– কাঁচাগোল্লা,
বনলতা সেন
০২) রাজশাহী — ——— আম,
রাজশাহী সিল্ক শাড়ী
০৩) টাঙ্গাইল — ———- চমচম, টাংগাইল
শাড়ি
০৪) দিনাজপুর ———— লিচু, কাটারিভোগ
চাল, চিড়া, পাপড়
০৫) বগুড়া — ———— দই
০৬) ঢাকা—————— বেনারসী শাড়ি,
বাকরখানি
০৭) কুমিল্লা ————— রসমালাই, খদ্দর
(খাদী)
০৮) চট্রগ্রাম ————– মেজবান , শুটকি
০৯) খাগড়াছড়ি———- হলুদ
১০) বরিশাল ————- আমড়া
১১) খুলনা —————- সুন্দরবন, সন্দেশ,
নারিকেল, গলদা চিংড়ি
১২) সিলেট — ———— কমলালেবু, চা,
সাতকড়ার আচার
১৩) নোয়াখালী———– নারকেল নাড়,
ম্যাড়া পিঠা (?)
১৪) রংপুর — ————- তামাক, ইক্ষু
১৫) গাইবান্ধা — ——— রসমঞ্জরী
১৬) চাঁপাইনবাবগঞ্জ —– আম,
শিবগঞ্জের চমচম, কলাইয়ের রুটি
১৭) পাবনা — ———– -ঘি, লুঙ্গি,
পাগলাগারদ
১৮) সিরাজগঞ্জ — ——- পানিতোয়া,
ধানসিড়িঁর দই
১৯) গাজীপুর — ———- কাঁঠাল, পেয়ারা
২০) ময়মনসিংহ — ——- মুক্তা-গাছার
মন্ডা
২১) কিশোরগঞ্জ — ——– বালিশ মিষ্টি
২২) জামালপুর — ——— ছানার পোলাও,
ছানার পায়েস
২৩) শেরপুর — ———- – ছানার পায়েস,
ছানার চপ
২৪) মুন্সীগঞ্জ—————- ভাগ্যকুলের
মিষ্টি
২৫) নেত্রকোনা ———– – বালিশ মিষ্টি
২৬) ফরিদপুর — ——— খেজুরের গুড়
২৭) রাজবাড়ী ———– — চমচম, খেজুরের
গুড়
২৮) মাদারীপুর ———— খেজুর গুড়,
রসগোল্লা
২৯) সাতক্ষীরা — ———- সন্দেশ
৩০) বাগেরহাট ————-চিংড়ি, ষাটগম্বুজ
মসজিদ, সুপারি
৩১) যশোর — ————- খই, খেজুর গুড়,
জামতলার মিষ্টি
৩২) মাগুরা — ————- রসমালাই
৩৩) নড়াইল ————— পেড়ো সন্দেশ,
খেজুর গুড়, খেজুর রস
৩৪) কুষ্টিয়া — ———— তিলের খাজা,
কুলফি আইসক্রিম
৩৫) মেহেরপুর — ——— মিষ্টি সাবিত্রি,
রসকদম্ব
৩৬) চুয়াডাঙ্গা ————- পান, তামাক,
ভুট্টা
৩৭) ঝালকাঠি ————- লবন, আটা
৩৮) ভোলা —————- নারিকেল, মহিষের
দুধের দই
৩৯) পটুয়াখালী ———— কুয়াকাটা
৪০) পিরোজপুর –———– পেয়ারা,
নারিকেল, সুপারি, আমড়া
৪১) নরসিংদী—————- সাগর কলা
৪২) নারায়নগঞ্জ— ——— আইভি আফা
৪৩) নওগাঁ — ————– চাল, সন্দেশ
৪৪) মানিকগঞ্জ————– খেজুর গুড়
৪৫) রাঙ্গামাটি————— আনারস,
কাঠাল, কলা
৪৬) কক্সবাজার ———— মিষ্টিপান
৪৭) বান্দরবান————– হিল জুস, তামাক
৪৮) ফেনী —————— মহিশের দুধের ঘি,
সেগুন কাঠ, খন্ডলেরমিষ্টি
৪৯) লক্ষীপুর —————- সুপারি
৫০) চাঁদপুর —————– ইলিশ
৫১) ব্রাহ্মণবাড়িয়া———- তালের বড়া,
ছানামুখী,
রসমালাই
৫২) মৌলভিবাজার ——— ম্যানেজার
স্টোরের রসগোল্লা

maa r momota,,,,
02/11/2014

maa r momota,,,,

02/11/2014
12/10/2014

৩৫ টি অবাক করা মজার তথ্য।
চমকে দিবে আপনাকে!
1) অক্টোপাসের
দেহে তিনটি হৃদপিণ্ড আছে।
তাহলে তো তার অনেক হৃদয়বান
হওয়ার কথা তাইনা?
2) আপেল খেতে যতই স্বাদ লাগুক,
জেনে নিও আপেলের ৮৪ ভাগই
পানি।
3) এ মাত্র যিনি কলা খেলেন তার
প্রতি মশার আকর্ষণ বেশী ।
4) এক কাপ কফিতে ১০০-এরও
বেশি রাসায়নিক পদার্থ আছে।
5) এক ঘণ্টা চুইংগাম
চাবালে শরীরে ৩০ক্যালরি তাপ
ক্ষয়।
6)
গরুকে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠানো যায়
কিন্তু নিচে নামানো যায় না ।
7) চিংড়ি শুধু পিছনের দিকে সাঁতার
দিতে পারে।
8) চোখ খোলা রেখে ব্যাঙ কোন
কিছু গিলতে পারে না।
9) জলের হাতি বা জলহস্তি পানির
নিচে ৩০ মিনিট দম বন্ধ
করে থাকতে পারে।
10) যখন চাঁদ সরাসরি মাথার উপর,তখন
আপনার ওজন সবচেয়ে কম।
11) ডলফিন এক চোখ
খোলা রেখে ঘুমায়।
12) তোমার মতোই শিম্পাঞ্জিরাও
হ্যান্ডশেক করে ভাব বিনিময় করে!
13) তুমি কি জানো, এক পাউন্ড বিশুদ্ধ
তুলা থেকে ৩৩ হাজার মাইল
লম্বা সুতা তৈরি সম্ভব!
14) পিঁপড়ার ঘ্রাণশক্তি কুকুরের
চেয়ে বেশী।
15) পেঙ্গুইন একমাত্র
পাখি যে সাঁতার
কাটতে পারে কিন্তু
উড়তে পারেনা।
16) পৃথিবীতে যে পরিমান
সোনা আছে তা দিয়ে সম্পূর্ণ
পৃথিবী ঢেকে দিলে হাঁটু পরিমান
উচ্চতা হবে।
17) পৃথিবীতে যত লিপস্টিক আছে,
তার বেশিররভাগই তৈরি হয় মাছের
আঁশ দিয়ে।
18) প্রজাপতির চোখের সংখ্যা ১২
হাজার!
19) ফড়িংয়ের কান
মলে দিতে চাইলে কিন্তু একটু
সমস্যা হবে। কারণ ফড়িংয়ের কান
হাঁটুতে!
20) মাছেরও কাশি হয়।
21) মৌমাছির চোখ পাঁচটি।
22) মশার দাঁত ৪৭ টি ।
23) শামুক পা দিয়ে নি:শ্বাস নেয় ।
শামুকের নাক চারটি ।
24) শরীরের পেছন দিক দিয়েও
নিঃশ্বাস নিতে পারে কচ্ছপ।
25) হাতি একমাত্র স্তন্যপায়ী,
যারা লাফ দিতে পারে না।
26) বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের
রঙ হালকা হয়ে যায়।
27) গড়ে একজন মানুষের চোখ বছরে ৪২
লাখ বার পলক ফেলে।
28) মানবদেহে সবচেয়ে দীর্ঘ জীবন্ত
কোষ হলো মস্তিস্কের কোষ।
29) হাতের নখ, পায়ের নখের
চেয়ে চারগুন দ্রুত বাড়ে।
30) মানবদেহের মোট হাড়ের ১/৪ অংশ
পায়ে অবস্থিত!
31) প্রতি মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রে ৬জন
সতেরোতে পা দেয়।
32) আপনি চোখ খুলে কখনোই
হাঁচি দিতে পারবেন না। বিশ্বাস
না হলে এক্ষুণি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
33) ডলফিন একচোখ
খোলা রেখে ঘুমায়। একটু
চেষ্টা করে দেখি আমরা পারি কিনা!!!:পি
34) গ্যালিলিও দূরবীন আবিষ্কার
করার আগে মানুষ
খালি চোখে আকাশে মাত্র
পাঁচটি গ্রহ দেখতে পেতো!
35) আমরা তো গাছ থেকে সহজেই
খাবার পাই। কিন্তু
আমরা জানি কি এক পাউন্ড খাবার
তৈরি করতে গাছের প্রায় ১০০
পাউন্ড বৃষ্টির পানি খরচ করতে হয়।

17/08/2014

কুরআনের অবিশ্বাস্য গানিতিক
বিস্ময় !!!
আপনি জেনে খুব বিস্মিত হবেন পবিত্র
কুরআনের আয়াত গুলোর মধ্যে ১৯
সংখ্যাটির কারুকার্য অত্যন্ত
নিখুঁতভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে । পবিত্র
কুরআন শরীফ যদি কোন রক্ত মাংসের
মানুষ দ্বারাই রচিত হত তবে এতে এমন
নিখুঁত গানিতিক হিসাব থাকত না ।
মানুষের চিন্তাশক্তির একটা সীমা আছে,
কিন্তু পবিত্র কুরআন শরীফে এই নিখুঁত
হিসাব সেই সীমাকে অতিক্রম
করে অসিমে চলে যায় আর প্রমান
করে এক মহাশক্তির অস্তিত্বের
সত্যতা। সেই মহাশক্তিই হল মহান
আল্লাহ পাক উনার। পুরোটা পড়ার পর
আপনার মাথা সেই মহা মহিমাময় অপার
করুণাময় মহান আল্লাহ পাক উনার
প্রতি শ্রদ্ধায় নত হয়ে আসবে।
১- আরবীতে “বিসমিল্লাহির রাহমানির
রাহিম” লিখতে ঠিক ১৯ টা হরফ লাগে ।
২- পবিত্র কুরআন শরীফে মোট
১১৪টি সূরা আছে । ১১৪ সংখ্যাটি ১৯
দিয়ে বিভাজ্য (১১৪=১৯x৬)।
৩- প্রথম যে সূরাটি (সূরা আলাক) নাযিল
হয় তার অবস্থান শেষের দিক থেকে ১৯
তম।
৪- প্রথম যে পাঁচটি আয়াত
(সূরা আলাকের) নাযিল হয় তাতে ঠিক ১৯
টি শব্দ আছে।
৫- সূরা আলাকে মোট আয়াত
আছে ১৯টি। আর এই ১৯
আয়াতে আছে মোট ২৮৫টি শব্দ
যা কিনা বিস্ময়করভাবে ১৯
দিয়ে নিঃশেষে ভাগ করা যায়
(২৮৫=১৯x১৫)।
৬- নাযিলকৃত দ্বিতীয় সূরাটির (সূরা আল-
কালাম, কুরআনে অবস্থান ৬৮তম)
শব্দসংখ্যা ৩৮(১৯x২)টি।
৭- নাযিলকৃত তৃতীয় সূরাটির (সূরা আল-
মুজাম্মিল, পবিত্র কুরআন
শরীফে অবস্থান ৭৩তম)
শব্দসংখ্যা ৫৭(১৯x৩)টি।
৮- আবার সব শেষে নাযিল
হওয়া ‘সূরা আন-নাসর’ এ আছে মোট
১৯টি শব্দ। আর এই সূরার প্রথম
আয়াতে (মহান আল্লাহ্ পাক উনার
কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে এই আয়াতে)
আছে ঠিক ১৯টি হরফ।
৯- পবিত্র কুরআন শরীফে ‘আল্লাহ্’ নাম
মুবারক উল্লেখ করা হয়েছে মোট ১৩৩
বার যা কিনা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য
(১৩৩=১৯x৭)।
১০- পবিত্র কুরআন শরীফে মোট
তিরিশটি পূর্ণসংখ্যার উল্লেখ
আছে যাদের যোগফল ১৯ দিয়ে বিভাজ্য।
1 + 2 + 3 + 4 + 5 + 6 + 7 + 8 + 9 + 10 +
11 + 12 + 19 +20 + 30 + 40 + 50 + 60 +
70 + 80 + 99 + 100 + 200 + 300 + 1000
+ 2000 + 3000 + 5000 + 50000 +
100000 = 162,146 (19 x 8534)
১১- আর দশমিক ভগ্নাংশ আছে মোট
৮টি 1/10, 1/8, 1/6, 1/5, 1/4, 1/3, 1/2
এবং 2/3. তাহলে পবিত্র কুরআন
শরীফে মোট ৩৮ টি সংখ্যার উল্ল্যেখ
আছে (৩৮=১৯x২)।
১২। ১১৩টি সূরার আগে “বিসমিল্লাহির
রাহমানির রাহিম” আছে । শুধুমাত্র
সূরা আত-তাওবা এর
আগে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”
নেই । আর সূরা আন-নামল এর
আগে আছে “বিসমিল্লাহির রাহমানির
রাহিম” দুইবার করে আছে।
তাহলে কুরআনে “বিসমিল্লাহির রাহমানির
রাহিম” আছে মোট ১১৪(১৯ x৬) বার।
সূরা আত-তাওবা কে প্রথম
ধরে যদি গুনে গুনে পরবর্তী সূরার
দিকে যেতে থাকেন তবে সূরা আন-নামল
পাবেন ঠিক ১৯তম স্থানে!
আরও একটু অবাক হওয়া যাক, ১৯ এর
গুনিতক-তম সূরার আয়াতগুলির
(“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” সহ)
যোগফলও ১৯ এর গুনিতক মানে ১৯
দিয়ে বিভাজ্য!
পবিত্র কুরআন শরীফে সূরার অবস্থান
আয়াত সংখ্যা
১৯x১= ১৯তম সূরা ৯৯
১৯x২= ৩৮তম সূরা ৮৯
১৯x৩= ৫৭তম সূরা ৩০
১৯x৪= ৭৬তম সূরা ৩২
১৯x৫= ৯৫তম সূরা ৯
১৯x৬= ১১৪তম সূরা ৭
=২৬৬(১৯x৪)
১৩ – প্রথম দিক থেকে হিসেব
করে যেতে থাকলে ১৯ আয়াত সম্বলিত
প্রথম সূরা হচ্ছে সূরা আল-ইনফিতার।
এই সুরাটির শেষ শব্দ হল ‘আল্লাহ্’।
আপনি যদি শেষের দিক হতে আল্লাহ্
শব্দটি গুনে গুনে আসতে থাকেন
তাহলে সূরা আল-ইনফিতারের শেষের
‘আল্লাহ্’ শব্দের অবস্থান হবে একদম
ঠিক ১৯তম স্থানে!
১৪ – ৫০ এবং ৪২তম সূরার প্রত্যেকেই
শুরু হয়েছে কাফ দিয়ে। অবাক হবেন
সূরা দুটির প্রত্যেকটিতে মোট কাফের
সংখ্যা(৫৭=১৯ x৩) সমান।
আবার ৫০তম সূরায় আয়াত আছে ৪৫টি,
যোগ করুন ৫০+৪৫= ৯৫(১৯ x৫)।
একইভাবে ৪২তম সূরায় আয়াত
আছে ৫৩টি, ৪২+৫৩= ৯৫(১৯ x৫)।
৫০তম সূরা ৫৭(১৯ x৩) বার কাফ
৪২তম সূরা ৫৭(১৯ x৩) বার কাফ
৫০তম সূরা ৪৫টি আয়াত ৫০+৪৫= ৯৫(১৯
x৫)
৪২তম সূরা ৫৩টি আয়াত ৪২+৫৩= ৯৫(১৯
x৫)
আবার পুরো কুরআন শরীফে কাফ
হরফটি আছে মোট ৭৯৮ বার যা কিনা ১৯
দিয়ে বিভাজ্য এবং ভাগফল হয় ৪২ –
আর দেখতেই পেয়েছি যে ৪২ তম
সুরাটি শুরুও হয়েছে কাফ দিয়ে ।
শুধু কাফ না ‘নুন’ হরফটির ক্ষেত্রেও
এরকম বেপার আছে। যেমন নুন
দিয়ে যে সূরাটি শুরু হয়েছে তাতে নুনের
মোট সংখ্যাও(১৩৩) ১৯ দিয়ে বিভাজ্য
(১৩৩= ১৯x৭)।
সূরা আত-তাওবা কে প্রথম
ধরে যদি গুনে গুনে পরবর্তী সূরার
দিকে যেতে থাকেন তবে সূরা আন-নামল
পাবেন ঠিক ১৯তম স্থানে!
পবিত্র কুরআন শরীফে সূরা আল-
মুদ্দাসিরের ৩০ নম্বর
আয়াতে চ্যালেঞ্জ
করে বলা আছে “There are nineteen
in charge of it.” (Qur’an, 74:30) ।
অর্থাৎ ১৯ সংখ্যাটি এর দায়িত্তে আছে।
অর্থাৎ কেউ ইচ্ছা করলেই
কুরআনকে বিকৃত করতে পারবে না। ১৯
এর বেপার গুলো হিসেব করলেই সব বের
হয়ে আসবে এটাকে কেউ বিকৃত
করেছে কিনা!
একটু চিন্তা করুন কেউ একটা বই
লিখে সেই বইয়ের বৈশিষ্ট্য
সম্পর্কে এমন একটা চ্যালেঞ্জ
করতে পারবে? আপনি অনেক প্রতিভাবান
লেখক আপনি পারবেন শব্দ, বর্ণ,
বাক্যের সংখ্যা নিয়ে এরকম
একটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে একটা বই
লিখতে ? এসবই প্রমাণ করে পবিত্র
কুরআন শরীফ কোন মানুষের
তৈরি কাকতালীয়ভাবে মিলে যাওয়া কোন
বই নয়।
এটা মহান আল্লাহ পাক যিনি খ্বলীক
মালিক রব উনার নিজের কথা, বানী।
একারণেই আদ্যবধি যেমন পবিত্র
কুরআন শরীফ বিকৃত
হয়নি তেমনি কেয়ামতের আগ পর্যন্তও
হবে না ইনশাআল্লাহ। মহাশক্তিধর
আল্লাহ্ পাক তিনি নিজেই যে এর রক্ষক

তথ্যসূত্রঃ ইন্টেরনেটের বিভিন্ন সাইট

what a foolish...
13/08/2014

what a foolish...

13/08/2014

©© এইচএসসি ফলাফল ২০১৪ আপডেট
ব্রেকিং ©©
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ
সংখ্যক জিপিএ ৫ এবছর জিপিএ ৫
পেয়েছেন
৯৩ হাজার ২৬২ জন
1. Dhaka - 91.87%
2. Com- 89.65%
3. raj- 86.43%
4. ctg- 88.91%
5. jess - 90.10%
6. syl - 83.73%
7. Barsl- 92.69%
8. din - 88.24%

we are hate israel...
10/08/2014

we are hate israel...

Address

Bakunda
7330

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hasadah our village posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Hasadah our village:

Share

Category