বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রলীগ

বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রলীগ শিক্ষা শান্তির প্রগতি

07/03/2026
07/03/2026

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্বাধীনতার সংগ্রামের অমর আহ্বান
----
বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ মার্চ একটি স্মরণীয় ও গৌরবময় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)-এ লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। এই ভাষণ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত ও ঐক্যবদ্ধ করেছিল। তাই ৭ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে চিহ্নিত।
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব বাংলার মানুষের ওপর বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্য চাপিয়ে দেয়। এর ফলে বাঙালি জাতির মধ্যে অসন্তোষ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকরা ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ দিকনির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছিল।
এই সংকটময় মুহূর্তে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। তাঁর ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রামের রূপরেখা। তিনি বলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” তাঁর এই আহ্বানে সমগ্র বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে ওঠে। এই ভাষণ বাঙালির মনে সাহস, আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগিয়ে তোলে।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বিশ্ব ইতিহাসেও গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এই ভাষণকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে Memory of the World Programme-এ অন্তর্ভুক্ত করে। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় গৌরব।
৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির স্বাধীনতার চেতনাকে জাগিয়ে তুলেছিল। এই ভাষণই পরবর্তীতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ-এর অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। তাই ৭ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনে চিরস্মরণীয় একটি দিন।

07/03/2026

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বিশেষ লাইভ প্রোগ্রামে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন, মানবতার জননী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

সময়: ৭ই মার্চ ২০২৬, বিকাল ৩ টা

21/01/2026

😂😂

কিসের হ্যা কিসের না নৌকা ছাড়া ভোট  দিতে যাব না।
21/01/2026

কিসের হ্যা কিসের না নৌকা ছাড়া ভোট দিতে যাব না।

21/01/2026
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংসের দায় কার?মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ভিসা স্থগিতাদেশ বাংলাদেশের জন্য কূটনৈ...
20/01/2026

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংসের দায় কার?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ভিসা স্থগিতাদেশ বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিক বিপর্যয়ের আরেকটি উদাহরণ মাত্র। কিন্তু এই সংকটের গভীরে যে বাস্তবতা লুকিয়ে আছে, তা আরও ভয়াবহ। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রাজপথে সহিংসতার মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে যে অবৈধ কর্তৃপক্ষ ক্ষমতা দখল করেছে, তাদের হাতে দেশের পররাষ্ট্র নীতি আজ জিম্মি। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার তথাকথিত উপদেষ্টা পরিষদ যে বৈধতার সংকটে ভুগছে, তা শুধু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

যে সরকারের নিজের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ, সেই সরকার কীভাবে বিশ্বদরবারে দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে? ইউনূসের ক্ষমতা দখলের পেছনে যে বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীর সহযোগিতা এবং সামরিক বাহিনীর একাংশের প্রচ্ছন্ন সমর্থন ছিল, তা এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়। জুলাইয়ের দাঙ্গা যে একটি সুপরিকল্পিত অভ্যুত্থান ছিল, সেটা এখন ইতিহাসের অংশ। কিন্তু সেই অবৈধ পথে ক্ষমতায় আসা একটি কর্তৃপক্ষের কাছে জনগণ কী আশা করতে পারে?

মার্কিন প্রশাসনের এই ভিসা স্থগিতাদেশ নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি একটি সুস্পষ্ট বার্তা। যে দেশের সরকার নিজেই অবৈধ পথে ক্ষমতায় এসেছে, যে দেশের প্রশাসনিক কাঠামো একটি সামরিক সমর্থিত অভ্যুত্থানের ফসল, সেই দেশের নাগরিকদের প্রতি আস্থা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দেখছে যে বাংলাদেশে এখন যারা ক্ষমতায়, তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন, তারা এসেছেন রক্তাক্ত সহিংসতার মধ্য দিয়ে। এমন একটি শাসনব্যবস্থার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা থাকার কথা নয়।

ইউনূস এবং তার দল এখন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কথা বলছে, কর্মকৌশল নির্ধারণের কথা বলছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যে মানুষটি নিজেই একজন সুদী মহাজন হিসেবে পরিচিত, যিনি ক্ষুদ্র ঋণের নামে দরিদ্র মানুষের ঘাড়ে সুদের বোঝা চাপিয়েছেন বছরের পর বছর, তিনি কীভাবে দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করবেন? যে কর্তৃপক্ষ বিদেশি প্রভুদের ইশারায় নাচে, তারা বাংলাদেশের জনগণের জন্য কী করতে পারবে?

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য শুনে মনে হয় যেন এটি একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক বিষয়। তিনি বলছেন শুধু বাংলাদেশকে টার্গেট করা হয়নি, আরও অনেক দেশ এই তালিকায় আছে। কিন্তু এই তালিকায় থাকা অন্যান্য দেশগুলোর দিকে তাকালে বাংলাদেশের অবস্থান আরও লজ্জাজনক হয়ে ওঠে। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল এই তালিকায় বাংলাদেশের সঙ্গী হওয়াটা কি গর্বের বিষয়? এই দেশগুলোর সাথে একই কাতারে দাঁড় করানো হচ্ছে বাংলাদেশকে, আর আমাদের তথাকথিত উপদেষ্টারা সেটাকে স্বাভাবিক বলে চালিয়ে দিতে চাইছেন।

যে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উল্টে দেওয়া হয়েছে সহিংসতার মাধ্যমে, যেখানে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো পেয়েছে নতুন প্রাণ, যেখানে বিদেশি শক্তির প্রভাব প্রতিদিন বাড়ছে, সেই দেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। ইউনূসের অবৈধ সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে অগণতান্ত্রিক পথে, তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মান আশা করাটা হাস্যকর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত আসলে একটি বার্তা যে তারা ভালোভাবেই জানে বাংলাদেশে এখন কী চলছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খোঁজখবর নিচ্ছে, প্রতিবেদন চাইছে, ব্যাখ্যা চাইছে। কিন্তু সত্যি বলতে কী, একটি অবৈধ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মূল্য কতটুকু? যে সরকারের নিজেরই বৈধতা নেই, তারা কীভাবে দেশের বৈধ স্বার্থ রক্ষা করবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে? এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো আমরা দেখছি মার্কিন ভিসা নীতির মধ্যে।

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, যারা স্বপ্ন দেখেন ভালো ভবিষ্যতের, তারাই এর সবচেয়ে বড় শিকার। যারা বৈধ উপায়ে বিদেশে যেতে চান, তাদের পথ আজ রুদ্ধ হচ্ছে একটি অবৈধ সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে। ইউনূস এবং তার দল যত কথাই বলুক না কেন, সত্য হলো তারা ক্ষমতায় এসেছেন অবৈধ পথে, এবং সেই অবৈধতার মূল্য দিতে হচ্ছে পুরো দেশকে। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই ভাবমূর্তি সংকটের জন্য দায়ী এই অবৈধ সরকার, যাদের কাছে দেশের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ।

ক্ষমতার নেশায় দেশ আজ পথভ্রষ্ট--বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেছে। ক্ষমতা যখন অবৈধ পথে আসে, তখন তার ভিত...
20/01/2026

ক্ষমতার নেশায় দেশ আজ পথভ্রষ্ট
--
বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেছে। ক্ষমতা যখন অবৈধ পথে আসে, তখন তার ভিত্তি দাঁড়ায় ষড়যন্ত্রের ওপর, জনগণের ইচ্ছার ওপর নয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আমরা দেখলাম কীভাবে পরিকল্পিত দাঙ্গা দিয়ে একটা নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হলো। আর সেই ক্ষমতা দখলের পেছনে যারা ছিল, তারা আজ দেশকে এমন এক অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে যেখান থেকে বেরোনোর পথ ক্রমশ সংকীর্ণ হচ্ছে।

ইউনুস নামের এই মানুষটা নিজেকে শান্তির দূত বলে চালাতে চান, অথচ তার হাত ধরে ক্ষমতায় এসেছে যারা, তাদের ইতিহাস রক্তাক্ত। জামাত, বিএনপি আর তাদের পৃষ্ঠপোষক শক্তিগুলো মিলে এমন একটা জোট তৈরি করেছে যেটা শুধু ক্ষমতার লোভে অন্ধ। এই জোটের পেছনে আছে বিদেশি অর্থায়ন, আছে জঙ্গি সংগঠনের গোপন সহায়তা, আর আছে সেনাবাহিনীর একাংশের নীরব সমর্থন। একটা দেশের জন্য এর চেয়ে ভয়াবহ সমন্বয় আর কী হতে পারে?

যে বিএনপি জিয়াউর রহমানের হাতে জন্মেছিল সেনানিবাসে, সেই দল আজও সামরিক ছত্রছায়া ছাড়া দাঁড়াতে পারে না। এই দলের রাজনীতির ইতিহাস মানেই দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের ইতিহাস। তারপরও তারা নিজেদের গণতন্ত্রের রক্ষাকর্তা বলে দাবি করে। কোন গণতন্ত্র? যে গণতন্ত্রে ভোট হয় পেট্রোলবোমায়, যেখানে নির্বাচন মানে রক্তপাত?

ইউনুসের চাপাবাজির উৎস খোঁজা খুব কঠিন কিছু নয়। একদিকে পশ্চিমা দেশগুলো যারা তাকে নোবেল পুরস্কারের আড়ালে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, অন্যদিকে স্থানীয় জঙ্গি আর মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলো যারা দেশে তাদের প্রভাব বিস্তার করতে চায়। এই দুই শক্তির মাঝখানে দাঁড়িয়ে ইউনুস খেলছেন তার খেলা। সুদের ব্যবসা দিয়ে গরিব মানুষকে আরও গরিব করে যে মানুষ বিখ্যাত হয়েছিলেন, সেই মানুষই আজ দেশ চালানোর দাবি করছেন।

এখন দেশের অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে ইউরোপের দেশগুলো বাংলাদেশিদের ভিসা দিতে অস্বীকার করছে। এটা কোনো ছোট বিষয় নয়। একটা দেশের সুনাম যখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন বুঝতে হবে ভেতরে কতটা পচন ধরেছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া তো আগে থেকেই কড়াকড়ি করছিল, এখন ইউরোপও একই পথে। আর আফ্রিকার দেশগুলো? ওরাও হয়তো শীঘ্রই একই সিদ্ধান্ত নেবে। কারণ কেউ চায় না তাদের দেশে এমন রাজনৈতিক অস্থিরতার বাসিন্দারা আসুক।

এই যে বিচ্ছিন্নতা, এই যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে দূরে সরে যাওয়া, এর দায় কার? যারা ক্যু করে ক্ষমতা নিয়েছে, যারা জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়াই দেশ চালাচ্ছে, তাদের। ইউনুস আর তার সাঙ্গপাঙ্গরা হয়তো ভাবছেন বিদেশি প্রভুদের খুশি রাখতে পারলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যে দেশের নিজস্ব কোনো গণতান্ত্রিক ভিত্তি নেই, সে দেশকে কেউ সম্মান করে না।

জামাত আর বিএনপির এই অপবিত্র মিলন দেশের জন্য বিপদ ডেকে এনেছে। জামাত যারা একাত্তরে এদেশের মানুষ হত্যা করেছিল, তারা আজ ক্ষমতার অংশীদার। বিএনপি যারা প্রতিবার ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির নতুন রেকর্ড গড়েছে, তারা আজ সংস্কারের কথা বলছে। এর চেয়ে বড় ভণ্ডামি আর কী হতে পারে?

তরুণরা এই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের বুঝতে হবে এই রাজনৈতিক নাটকের আসল চেহারা। ইউনুসের মাইক্রোক্রেডিট মডেল যেমন গরিবদের ঋণের জালে আটকে ফেলেছিল, তার রাজনীতিও ঠিক তেমনি দেশকে নির্ভরশীলতার জালে আটকে ফেলছে। বিদেশি টাকায় চলা সরকার কখনো দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে না। জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় টিকে থাকা শাসনব্যবস্থা কখনো শান্তি আনতে পারে না।

যে দেশে একসময় শিক্ষার্থীরা, তরুণরা স্বপ্ন দেখত বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা করার, ক্যারিয়ার গড়ার, সেই দেশের পাসপোর্ট এখন অবাঞ্ছিত হয়ে উঠছে। এটা শুধু ভিসা সমস্যা নয়, এটা আমাদের জাতীয় মর্যাদার প্রশ্ন। আর এই মর্যাদা নষ্ট করেছে যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসে আছে, তারা।

সবচেয়ে হতাশার বিষয় হলো, যে সামরিক বাহিনী দেশ রক্ষার জন্য, তারাই এই অবৈধ ক্ষমতা দখলে সমর্থন দিয়েছে। সেনাবাহিনীর কাজ রাজনীতি করা নয়, দেশের সীমানা রক্ষা করা। কিন্তু যখন তারা রাজনৈতিক খেলায় জড়িয়ে পড়ে, তখন দেশের ভিত্তিই দুর্বল হয়ে যায়।

দেশের তরুণদের এখন চোখ খুলে দেখতে হবে। এই যে দেশ থেকে মানুষ পালাতে চাইছে, এর পেছনে কারা দায়ী। এই যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের সম্মান নষ্ট হচ্ছে, এর জন্য কারা দায়ী। ইউনুস, বিএনপি, জামাত এই তিন শক্তির জোট দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আর এই ধ্বংসযজ্ঞে ইন্ধন জোগাচ্ছে বিদেশি টাকা আর স্থানীয় জঙ্গিবাদ।

প্রশ্ন হলো, এই অবস্থা থেকে বেরোনোর পথ কী? উত্তর খুব সহজ নয়, কিন্তু অসম্ভবও নয়। প্রথমেই দরকার সচেতনতা। তরুণদের বুঝতে হবে কারা তাদের শত্রু, কারা তাদের ব্যবহার করছে। দ্বিতীয়ত, দরকার ঐক্য। যতক্ষণ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ বিভক্ত থাকবে, ততক্ষণ এই অবৈধ শক্তিগুলো ক্ষমতায় টিকে থাকবে।

ইউনুসের যে চাপাবাজি, সেটা আসলে ভিতু মানুষের চাপাবাজি। যার নিজের কোনো গণভিত্তি নেই, যাকে বিদেশি প্রভুরা বসিয়ে রেখেছে, সে কতদিন টিকবে? ইতিহাস বলে, জনবিচ্ছিন্ন শাসকরা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তারা হয় পালিয়ে যায়, নয়তো ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়।

বিএনপির যে ইতিহাস, তা দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের। জিয়াউর রহমান যে দল তৈরি করেছিলেন সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে, সেই দল আজও সেই পুরোনো পথেই হাঁটছে। তারা কখনো জনগণের কথা ভাবেনি, ভাবে শুধু নিজেদের ক্ষমতা আর স্বার্থের কথা।

আর জামাত? যাদের হাত এদেশের লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত, তারা আজ মন্ত্রী হচ্ছে, নীতিনির্ধারক হচ্ছে। এর চেয়ে বড় অপমান এই দেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য আর কী হতে পারে? এই প্রশ্ন প্রতিটা সচেতন নাগরিকের করা উচিত।

দেশ আজ এক অন্ধকার সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ইতিহাস বলে, অন্ধকারের পরেই আসে আলো। দরকার শুধু ধৈর্য, সচেতনতা আর সঠিক পথে চলার দৃঢ় সংকল্প। ইউনুস আর তার দোসররা হয়তো এখন ক্ষমতায়, কিন্তু চিরকাল থাকবে না। কারণ মিথ্যার পা নেই, সত্য একদিন প্রকাশ হবেই।

আওয়ামী লীগ কেন ইলেকশন করতে পারবে না?কেন আমাদের নৌকা থাকবে না?তার কারণটা খুব স্পষ্ট—তারা জানে, যতই আমার বিরুদ্ধে বদনাম দ...
20/01/2026

আওয়ামী লীগ কেন ইলেকশন করতে পারবে না?
কেন আমাদের নৌকা থাকবে না?
তার কারণটা খুব স্পষ্ট—
তারা জানে, যতই আমার বিরুদ্ধে বদনাম দিক,
যতই আমাকে মৃত্যুদণ্ড দিক;
আওয়ামী লীগ যদি ইলেকশনে অংশগ্রহণ করে,
জনগণ আওয়ামী লীগকেই ভোট দেবে।”

— জননেত্রী শেখ হাসিনা।

Address

Bajitpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রলীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share