Barisal, Bangladesh - বরিশাল, বাংলাদেশ

Barisal, Bangladesh -  বরিশাল, বাংলাদেশ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Barisal, Bangladesh - বরিশাল, বাংলাদেশ, বরিশাল, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ .

♥নতুন বছরের বিশেষ অফার♥যারা ব্যবসা শুরু করতে চান বা করছেন কিন্তু অাপনাদের কোন অফিশিয়াল ওয়েব সাইড নাই।ব্যাবসা প্রচার ও সফ...
28/01/2018

♥নতুন বছরের বিশেষ অফার♥
যারা ব্যবসা শুরু করতে চান বা করছেন কিন্তু অাপনাদের কোন অফিশিয়াল ওয়েব সাইড নাই।ব্যাবসা প্রচার ও সফলতা পেতে নিজেস্ব ব্যান্ড দরকার।ওয়েব সাইড ব্যান্ডের মধ্যে অন্যতম।
যারা ব্যববসা করছেন বা করবেন তাদের জন্য...

BP Domain Hosting
দিচ্ছে ডোমেইন সহ হোস্টিং বিশেষ ছাড়ে।
♦১জিবি হোস্টিং+ ডোমেইন= ১৬০০টাকা
♦২জিবি হোস্টিং+ডোমেইন= ২৪০০ টাকা
♦৩ জিবি হোস্টিং+ডোমেনই=৩০০০ টাকা
♦৫জিবি হোস্টিং+ডোমেইন= ৩৯৯৯ টাকা

অফার চলবে ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত।

বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ
01515-274608
অথবা ভিজিট করুনঃ

বরিশাল নাগরিকদের সেবা দিতে রেঞ্জ পুলিশের অ্যাপস চালু http://bangla.earthtimes24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6...
15/01/2018

বরিশাল নাগরিকদের সেবা দিতে রেঞ্জ পুলিশের অ্যাপস চালু http://bangla.earthtimes24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%bf/ via Earthtimes24.com

বরিশাল রেঞ্জের (বিভাগ) ছয় জেলায় পুলিশি সেবা নাগরিকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বরিশাল রেঞ্জ অফিসের উদ্যোগে

একজন পুলিশ সুপারের কথা.....https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=141778849809214&id=114667659187000
23/11/2017

একজন পুলিশ সুপারের কথা.....
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=141778849809214&id=114667659187000

★একজন বিজয় বসাকের গল্প, তিনি বরগুনা জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার★

***দিনাজপুরের কৃতি সন্তান বিজয় বসাক। দিনাজপুর শহরের ছোট গুড়গোলা নিবাসী মৃত গোপাল চন্দ্র বসাক’র দ্বিতীয় পুত্র বিজয় বসাক।বিজয় বসাক ২১তম বিসিএস ক্যাডারে ২০০৩ সালের ১০ মে সহকারী পুলিশ সুপার পদে রাজশাহী শারদায় ১ বছর প্রশিক্ষন শেষে সুনামগঞ্জ জেলায় প্রথম যোগদান করেন। এরপর নরসিন্দী জেলার সদর সার্কেলে যোগদানের পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়ে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে সুদানের দারপুরে ১ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
শান্তি মিশনের দায়িত্ব পালন শেষে পুনরায় নরসিন্দী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারপর তিনি ফরিদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পালন কালে ২০১৫ সালের ৫ মে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের প্রজ্ঞাপনে বিজয় বসাক পিপিএম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থেকে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।বর্তমানে তিনি বরগুনা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

***অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাক। শত ব্যস্ততা আর নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও কত যে কী করার আছে, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি। একজন বিজয় বসাকের নেতৃত্বে ভিন্নতায় অনন্য এখন বরগুনা জেলা পুলিশ। ইভ টিজিং, জঙ্গিবাদ ও মাদক বাণিজ্যসহ সকল প্রকার অপরাধ নির্মূলে যাঁর সাহসী ভূমিকা এরই মধ্যে নজর কেড়েছে বাংলাদেশ পুলিশের। অসংখ্য ইতিবাচক উদ্যোগের মধ্য দিয়ে পাঁচ-পাঁচবার বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপারের সম্মান পেয়েছেন তিনি।

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপারঃ
শুধু মানবিক গুণাবলির দিক দিয়েই নয়, পেশাগত দক্ষতায়ও তিনি এগিয়ে রয়েছেন অনেক দূর। কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছানো, হতদরিদ্র অসহায় নারীদের জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের স্কুলে স্কুলে মাদক ও জঙ্গিবাদবিরোধী প্রচারণা ও ক্যারিয়ার ভাবনা বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানসহ জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখায় পাঁচ-পাঁচবার বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত হন বিজয় বসাক। এ ছাড়া পেশাগত দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম), ২০১২ ও ২০১৬ সালে দুবার তিনি অর্জন করেন আইজি ব্যাচ। বরগুনায় যোগদানের পর থেকেই বরগুনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন তিনি শক্ত হাতে।

কমিউনিটি পুলিশিং ও গ্রাম পুলিশ উন্নয়নঃ
১০ লাখ মানুষের নিরাপত্তায় মাত্র ৬০০ পুলিশ পর্যাপ্ত নয়। নানা সীমাবদ্ধতার বিষয় ভাবনায় রেখে জেলার চারটি পৌরসভাসহ ৪২টি ইউনিয়নে গঠন করা হয়েছে কমিউিনিটি পুলিশিং-এর স্থানীয় কমিটি। কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করে তুলতে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের তৃণমূল নেতাদের জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে ধন্যবাদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট উপহার দিয়ে আসছেন পুলিশ সুপার বিজয় বসাক। এসব নানামুখী উন্নয়ন প্রচেষ্টার কারণে বরগুনার কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক গতিশীল বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল। এ ছাড়া জেলার ছয়টি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে ধারাবাহিকভাবে ‘ওপেন হাউস ডের’ আয়োজন করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার স্থানীয় নেতাদেরর সঙ্গে আলোচনা করে মাদক অপরাধসহ সকল প্রকার অপরাধ দমনে করণীয় বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করেন পুলিশ সুপার বিজয় বসাক। এসব সভায় সরাসরি ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ও মতামত নেন তিনি। পরে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্রুত সেসব সমস্যা সমাধানে নির্দেশ দিয়ে তিনি তা নিয়মিত মনিটরিং করেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে ১০ থেকে ১২ জন গ্রাম পুলিশ নিযুক্ত রয়েছে। বরগুনা জেলার ৪২টি ইউনিয়ন পরিষদে সে হিসেবে পাঁচ শতাধিক গ্রাম পুলিশ রয়েছে। এসব গ্রামপুলিশকে আরো বেশি দায়িত্বসচেতন ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে নিয়মিত মতবিনিময় সভার আয়োজন করে আসছে জেলা পুলিশ। পাশাপাশি পেশাগত দায়িত্ব পালনে তাঁদের আগ্রহী করে তুলতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে নগদ অর্থসহ বিভিন্ন পুরস্কার।

পুলিশ লাইফ ব্লাড ব্যাংকঃ
জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে আসা দরিদ্র পরিবারের রোগীদের জরুরি রক্তের প্রয়োজনে পুলিশ সুপার বিজয় বসাকের উদ্যোগে ২০১৬ সালে স্থাপন করা হয় পুলিশ লাইফ ব্লাড ব্যাংক। জেলার ছয় শতাধিক পুলিশ সদস্যের রক্তের গ্রুপ এবং একাধিক জরুরি মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে লিফলেট ছাপিয়ে বিতরণ করা হয়েছে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের মাঝে। পুলিশ লাইফ ব্লাড ব্যাংক জরুরি রোগীদের জন্য এ পর্যন্ত তিন শতাধিক ব্যাগ রক্ত দিয়েছে বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। প্রতিজন রক্তদাতা পুলিশ সদস্যকে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় সম্মাননা পুরস্কারসহ একটি টি-শার্ট, একটি প্রীতি মগ ও ১০টি ডাব দিয়ে অনুপ্রাণিত করা হয়। দ্বিতীয়বার রক্তদাতা সদস্যকে প্রেরণা দিতে পুলিশ সুপারের ব্যক্তিগত খরচে দেওয়া হয় নানা প্রণোদনা পুরস্কার।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার বিজয় বসাক বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর বীর সদস্যরাই রক্ত দিয়ে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং যুদ্ধে সক্রিয় অংশ নেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ পুলিশই সবার আগে রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে চলেছে। এ ধারাবাহিকতায় উপকূলীয় বরগুনার দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারের মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচাতে জেলা পুলিশের উদ্যোগে স্থাপন করা হয়েছে পুলিশ লাইফ ব্লাড ব্যাংক। এর মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে পুলিশের যেমন সম্পর্কের উন্নয়ন হবে, তেমনি সাধারণ দরিদ্র মানুষের প্রতি তাদের দায়িত্ববোধ আরো বাড়বে।’ তিনি জানান, ছাত্রজীবন থেকে এ পর্যন্ত ৪০ বারের বেশি রক্ত দিয়েছেন তিনি।

*‘যে মুখে ডাকি মা, সে মুখে মাদককে বলি না’*

মাদকবিরোধী মমতাময়ী মায়ের প্রতি আরো বেশি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পাশাপাশি মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান নিয়ে পুলিশ সুপার বিজয় বসাক নিজেই রচনা করেছেন একটি স্লোগান- ‘যে মুখে ডাকি মা, সে মুখে মাদককে বলি না’। এ স্লোগানকে সামনে রেখে পাড়া-মহল্লায়, গ্রামেগঞ্জে, স্কুল-কলেজে কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বরগুনা জেলা পুলিশ। এ ছাড়া ‘জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই একসাথে’ স্লোগানে বরগুনার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় জঙ্গিবাদ, মাদক, ইভ টিজিংসহ সকল প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার বিজয় বসাকের নেতৃত্বে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে বরগুনা জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতে স্কুলে স্কুলে আয়োজন করা হচ্ছে দেশপ্রেম ও ক্যারিয়ার ভাবনাবিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠান। এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভাবনা, মানবীয় গুণাবলির বিকাশ এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে শিক্ষামূলক বিভিন্ন ভিডিও ক্লিপস প্রদর্শন করা হয়।
জেলা পুলিশের এসব কর্মসূচি প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বিজয় বসাক জানান, জীবনের শুরু থেকেই তরুণ প্রজন্মকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে গড়ে তোলা সম্ভব হলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর বরগুনার ছয়টি উপজেলার ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থীকে জঙ্গিবাদ, মাদক, ইভ টিজিংসহ সকল প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রচার ও প্রচারণায় সম্পৃক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব শিক্ষার্থীর মাঝে বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন সাজিদ সোবহান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় প্রায় ৩৫ হাজার দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

জাগরণী নারী সহায়তা কেন্দ্রঃ
দরিদ্র, অসহায় এবং নির্যাতিত নারীদের ভোগান্তি লাঘবে বরগুনা জেলা পুলিশের একটি সফল আয়োজনের নাম জাগরণী নারী সহায়তা কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে নির্যাতনের শৃঙ্খল ছিঁড়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছেন বরগুনার বিভিন্ন গ্রামের প্রায় চার শতাধিক দরিদ্র অসহায় নারী। জাগরণী নারী সহায়তা কেন্দ্র এখন বরগুনার অসহায়, দুঃস্থ ও নির্যাতিত নারীদের আস্থার প্রতীক। একটি অনুকরণীয় সাফল্য। স্থানীয় নারী নেত্রী, সমাজসেবক এবং আইনজীবীসহ জেলা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশের যেকোনো জেলার চেয়ে উপকূলীয় জেলা বরগুনায় নারী নির্যাতনের হার তুলনামূলকভাবে বেশি। নানা কারণে এ জেলায় নারী নির্যাতনের মামলার সংখ্যাও অন্য যেকোনো জেলার চেয়ে অনেক বেশি। অনেক ক্ষেত্রেই দাম্পত্য জীবন এবং পারিবারিক কলহের তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয় নিয়ে এখানে নারী নির্যাতনের অনেক ঘটনা ঘটে থাকে। সেসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভেঙে যায় সংসার। মামলা হয় নারী নির্যাতনের। মাসের পর মাস ধরে চলে মামলা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের অধীনে এ সহায়তা কেন্দ্রের সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছেন একজন নারী উপপরিদর্শক (এসআই)। রয়েছে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি অভিযোগ গ্রহণ কমিটি। এ ছাড়া সার্বিক সহযোগিতার জন্য স্থানীয় সমাজসেবক, উন্নয়নকর্মী, আইনজীবী, গণমাধ্যমকর্মী ও নারীনেত্রীসহ ২৫ সদস্যের একটি স্বেচ্ছাসেবক দলও রয়েছে জাগরণী নারী সহায়তা কেন্দ্রের সঙ্গে। ২০১৬ সালের ১২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা পুলিশের এ জাগরণী নারী সহায়তা কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ মো. হাছানুজ্জামান এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জুলফিকার আলী খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘যেকোনো বিবাদ প্রাথমিকভাবে মিটিয়ে ফেলা সম্ভব হলে তার ক্ষতির পরিমাণও কম হয়। আদালতেও বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। উদ্যোগটি সঠিকভাবে পরিচালিত হলে নারী নির্যাতনের হার কমে আসবে। কমবে মামলার জটও।’
জেলা পুলিশের জাগরণী নারী সহায়তা কেন্দ্রের সমন্বয়কারী এসআই জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, প্রথম দিকে তিনি একাই জাগরণীর সকল কাজ সমন্বয় করতেন। অধিকাংশ অভিযোগের কার্যকরী সমাধানের খবর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ায় এখন এত বেশি অভিযোগ জমা পড়ছে যে তা সামলাতে এখন অতিরিক্ত আরো দুজন সহকারী উপপরিদর্শক এবং একজন কনস্টেবল নিযুক্ত করা হয়েছে। এসআই জান্নাত আরো বলেন, ২০১৬ সালের ১২ নভেম্বর থেকে এ অবধি মাত্র জাগরণী নারী সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে তাঁরা ২৫১টি পারিবারিক নির্যাতন, ১০টি যৌতুক, ১৯টি ইভ টিজিং, ২১টি বাল্যবিবাহসহ চার শতাধিক অভিযোগের কার্যকরী সমাধান করেছেন। পাশাপাশি সাতটি অভিযোগকে নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে, ১৫টি অভিযোগ লিগ্যাল এইডে পাঠানো হয়েছে এবং এখনো ২৮টি অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

থানাহাজতে স্যানিটারি ন্যাপকিনঃ
থানাহাজতে নারী হাজতিদের জন্য সারা বাংলাদেশে সর্বপ্রথম স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহের প্রথা চালু করেন পুলিশ সুপার বিজয় বসাক। এ ছাড়া নারী পুলিশ ও পুলিশ পরিবারের প্রজনন স্বাস্থ্য সচেতনতায় পুলিশ সুপার বিজয় বসাক নিজ উদ্যোগে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা সংগঠন মেরী স্টোপসের সহযোগিতায় পুলিশ লাইন অডিটোরিয়ামে আয়োজন করেন প্রজনন স্বাস্থসেবাবিষয়ক কর্মশালা। কর্মশালায় বরগুনা জেলায় কর্মরত সকল নারী পুলিশসহ পুলিশ পরিবারের নারী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের একাধিক নারী চিকিৎসক এবং মেরী স্টোপস ক্লিনিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। উপকূলীয় উন্নয়ন সংগঠন ‘জাগো নারী’র প্রধান নির্বাহী হোসনে আরা হাসি বলেন, ‘বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাকের উদ্যোগে স্থাপিত পুলিশ লাইভ ব্লাড ব্যাংক দেশের জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ। কমিউনিটি পুলিশিংকে ঢেলে সাজিয়ে নানামুখী সৃজনশীল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পুলিশি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে গেছেন তিনি।’

বিদ্যাপ্রিয় পুলিশ সুপারঃ
বিজয় বসাকের অবসরের একটি বড় সময় কাটে বই পড়ে। কবিতা আবৃত্তিতেও রয়েছে তাঁর সমান পদচারণা। স্থানীয় সাংস্কৃতিক আন্দোলনেও রয়েছে তাঁর সমান অংশগ্রহণ। দরিদ্র, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য সব সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিজয় বসাক। নিজ প্রচেষ্টায় বরগুনা জেলা পুলিশের উদ্যোগে প্রতিবছর কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার আয়োজন করে তাদের হাতে নানাবিধ পুরস্কার তুলে দেন তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে তরুণ নেতৃত্বের সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিবছর বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ক্যাডারে উত্তীর্ণ স্থানীয় তরুণ ও তাঁদের অভিভাবকদের নিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছেন পুলিশ সুপার বিজয় বসাক। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একজন মানুষ হিসেবে সব সময় গরিব-দুঃখী ও অসহায় শিক্ষার্থীসহ সব ধরনের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

ব্যক্তি জীবনে বিজয় বসাকঃ
ব্যক্তি জীবনে একজন ভালো স্পোর্টসম্যান বিজয় বসাক। নিজের বাড়ি এমনকি অফিসের ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়েও বিজয় বসাকের রয়েছে চৌকস রুচি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করে নিজ প্রচেষ্টায় বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয় ভবন এবং এর ইন্টেরিয়র ডিজাইনেও আকর্ষণীয় পরিবর্তন এনেছেন তিনি। মূল ক্যাম্পাসে মায়ের কোলে শিশুর একটি দৃষ্টিনন্দন মনুমেন্ট তৈরি করেছেন তিনি। বাংলাদেশের যেকোনো জেলার তুলনায় বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও এর ক্যাম্পাস এখন অনেক বেশি দৃষ্টিনন্দন। ব্যক্তি জীবনের কথা বলতে গিয়ে বিজয় বসাক বলেন, দিনাজপুর জেলার অধিবাসী তিনি। বিভিন্ন সময়ে তিনি চাকরি করেছেন ফরিদপুর, নরসিংদী এবং সুনামগঞ্জ জেলায়। পারিবারিক জীবনে এক মেয়ে ও এক ছেলের বাবা উল্লেখ করে বিজয় বসাক বলেন, ছেলেমেয়েদের সুষ্ঠু বিকাশ ও সঠিক পরিচর্যার জন্য পরিবারের সবাইকে তিনি সব সময় সঙ্গে রাখার চেষ্টা করেন। বর্তমানেও তাঁর স্ত্রী সন্তান তাঁর সঙ্গে বরগুনায়ই অবস্থান করছেন বলে জানান তিনি।
২০১৫ সালের ১৪ জুন পুলিশ সুপার হিসেবে বরগুনায় যোগ দেন বিজয় বসাক। জেলা পুলিশের উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নানামুখী সৃজনশীল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে পুলিশি সেবাকে জনবান্ধব করে গড়ে তোলেন তিনি।তিনি বরগুনার মানুষের বুকে স্থান করে নিয়েছেন।জেলার বিভিন্ন এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে যানা গেছে, বিজয় বসাক পুলিশ সুপার হিসেবে বরগুনায় যোগদান করার পর থেকেই জেলার মধ্যে অপরাধ অনেকটা কমে গেছে।তারা আরো বলেন, আমাদের দেখা পুলিশ সুপারদের মধ্যে বিজয় বসাকই শ্রেষ্ঠ।

বিঃদ্রঃ কিছু তথ্য সংগৃহীত,ভুল হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন

নোমান আল সাকিব
২২শে নভেম্বর,২০১৭ ইং

অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা..... ৩৬ তম বিসিএস ক্যাডারে বরগুনা জেলার ২ (দুই) কৃতি সন্তান সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ায় আমরা গর্বিত। ১) আফ...
23/10/2017

অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা.....
৩৬ তম বিসিএস ক্যাডারে বরগুনা জেলার ২ (দুই) কৃতি সন্তান সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ায় আমরা গর্বিত।
১) আফরোজা রিম্মি (অডিট ও একাউন্টস) ক্যাডার
২) জিন্নাত জাহান পন্নী (শিক্ষা) ক্যাডার
তাদেরকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। এবং আগামীর পথচলায় রইলো শুভকামনা। ধন্যবাদ সবাইকে।

পিরোজপুর জেলার কৃতি সন্তান জনাব মো: মহসিন হোসেন স্যার ডিআইজি থেকে এডিশনাল আইজি পদে পদোন্নতি পাওয়ায় স্যারকে আন্তরিক অভিনন...
19/10/2017

পিরোজপুর জেলার কৃতি সন্তান জনাব মো: মহসিন হোসেন স্যার ডিআইজি থেকে এডিশনাল আইজি পদে পদোন্নতি পাওয়ায় স্যারকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

 #সাতলার_বিলউজিরপুর বরিশাল।ছবিঃ মিরাজ
14/10/2017

#সাতলার_বিল
উজিরপুর বরিশাল।

ছবিঃ মিরাজ

♥বিজয়ের গল্প♥৩৩তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম হওয়া তাইমুরের গল্পটা একটু ভিন্ন। পঞ্চম এবং অস্টম শ্রেণিতে সাধারণ গ্রেডে ব...
12/10/2017

♥বিজয়ের গল্প♥

৩৩তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম হওয়া তাইমুরের গল্পটা একটু ভিন্ন।

পঞ্চম এবং অস্টম শ্রেণিতে সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিলাভ । ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি অবধি যার রোল নাম্বার ছিলো এক, ক্লাসের সেই ফাস্টবয় কিনা এসএসসি পরীক্ষায় রসায়নে পরপর দুইবার ফেল করে বসলো! বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র হিসেবে এমনিতেই সবার আলাদা নজরে ছিলো তাইমুর শাহরিয়ার। ক্লাসের শীর্ষস্থানে থাকা শিক্ষার্থীরা এমনিতেই একটু বাড়তি নজরদারির মধ্যে থাকে। তার ওপরে রোল নাম্বার যদি থাকে এক, তাকে নিয়ে সবার প্রত্যাশার পরিমাণটা বেশিই থাকবে, এটাই ধ্রুব সত্য।

২০০১ সালে নির্ধারিত সময়ে যখন এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল জানানো হলো তখন অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল শুনে ঘাবড়ে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিলো না কারোরই। আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে সকল শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাইমুরের এমন অপ্রত্যাশিত ফলাফলে হতভম্ব। বিশেষ করে তাইমুর শাহরিয়ারের মনের অবস্থা ছিলো অবর্ণনীয়। তাইমুরের ভাষায়- যাকে সাপে কামড়ায়নি, তাকে কি কোনোভাবেই সাপে কামড়ানোর অনুভূতি কেমন সেটা অনুভব করানো যাবে? আমার তখনকার অনুভূতিটাও বলে বোঝানো যাবে না। এটা সম্ভবও না।

সময় থেমে থাকে না। আর দুর্ঘটনা তো জীবনেরই অংশ। সবার সান্ত্বনা নিয়ে পরবর্তী বছরে পরীক্ষা দেয়ার জন্য অপেক্ষা করে তাইমুর শাহরিয়ার। কিন্তু পরবর্তী বছরটাও যে তাইমুরের জন্য প্রথম বছরের মতই পরিণতি ডেকে আনবে তা কি কেউ ভেবেছিল? যেমনটি ভাবেনি তাইমুর শাহরিয়ার নিজেও। যথারীতি পরীক্ষার ফলাফলে রসায়নে সাবজেক্টে পুনরায় ফেল এসেছে। প্রথম বছরের ফলাফলটা না হয় যে কোনোভাবেই মেনে নেয়া হলো, কিন্তু মনকে শক্ত রাখার জন্য সান্ত্বনার কোনো বাণী কি তাইমুরকে প্রভাবিত করতে পারবে এবার? জীবনের সর্বোচ্চ হতাশার মুহূর্তে তাইমুরের বাবা মোঃ মোতালেব হাওলাদারের (নান্নু) কয়েকটি কথাকে পুঁজি করে সেবছরও আত্মবিশ্বাস নিয়ে অপেক্ষা করতে পেরেছিল তাইমুর। তাইমুরের বাবার কথাগুলো ছিলো এরকম- “জ্বলার মতো আগুন থাকলে তা একদিন জ্বলে উঠবেই। দেরিতে হলেও। প্রতিভা থাকলে তা একদিন প্রকাশ পাবেই।তাই ঘাবড়ানোর কিছু নেই”। সন্তানের দুঃসময়ে সব বাবা-মা প্রায় একই বাক্য বলে সন্তানকে আশ্বস্ত করে থাকে। সেদিক বিবেচনায় তাইমুরের বাবার কথাগুলো খুব একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য বহণ করে না। হয়তো ছেলেকে বোঝানোর ধরণটা ভালো ছিলো বলে তাইমুর শাহরিয়ার বাবার কথাগুলো উপলব্ধি করতে পেরেছিল। অন্য কারো ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে তাকে ঘুরে দাঁড়াতে হয়তো অনেকটাই বেগ হতো।

২০০১ সালে যার পাশ করার কথা সেই তাইমুর অবশেষে পাস করলো জিপিএ ৩.৭৫ নিয়ে দুই বছর পরে ২০০৩ সালে। বরগুনার আমতলী এম ইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে। এরপর আমতলী ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০০৫ সালে এইচএসসিতে জিপিএ ৪.৮০ পেয়ে উর্ত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে।২০০৯ সালে পর্যায়ক্রমে অনার্স এবং ২০১০ সালে মাস্টার্সপর্ব শেষে প্রস্তুতি নেয় বিসিএস পরীক্ষার জন্য। ততদিনে পূর্বের দুই বছরের ফলাফল খারাপের ঘটনাটি অতীত। পুরোদমে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির চলতে থাকে। ৩১তম বিসিএসে অংশ নিয়ে লিখিত পরীক্ষায় টিকলেও সে বছর পরবর্তী ধাপ অতিক্রম করা হয়ে ওঠেনি। ৩২তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ ছিল অনুপস্থিত। এই সময়টাতে তাইমুর শাহরিয়ার নিজেকে আরও ঋদ্ধ করতে ব্যস্ত সময় পার করে। অবশেষে ৩৩তম বিসিএসে অংশ নেয়া তাইমুরের আত্মবিশ্বাস ছিলো আকাশচুম্বী। পরীক্ষায় পরপর দুইবার ফেল করা ছাত্রটি তখন বিসিএস পরীক্ষায় অন্যদের চেয়েও তুমুল আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেকে উপস্থাপন করে। পছন্দ তালিকার প্রথমে পুলিশ ক্যাডার এবং দ্বিতীয়টি প্রশাসন ক্যাডারে থাকলেও তাইমুরের ভাগ্যে ছিলো শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম হওয়ার গৌরবময় স্থানটি! ফেল করা ছাত্রটি অবশেষে কিনা শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম হয়ে সবাইকে চমকে দিলো। সেই সাথে পরোক্ষভাবে এও জানান দিলো যে, অপেক্ষার ফল অবশেষে মিষ্টিই হয়, অপেক্ষাটা করতে হবে অবশ্য দৃঢ়তার সাথে। এটা যারা বুঝতে পারে তারা টিকে থাকবে, বাকীরা এমন আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে, এই যা।

শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম হওয়ার পর তাইমুরের প্রথম কর্মস্থল ছিল বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজে।ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে। আড়াই বছর চাকুরী শেষে চলতি বছরের ১লা মার্চ থেকে বদলি ভিত্তিক পদায়নের ভিত্তিতে ঢাকার সরকারি কবি নজরুল কলেজে বর্তমানে কর্মরত।

সার্বিক বিষয়ে তাইমুর শাহরিয়ারের বক্তব্য হচ্ছে- সবাই বলে ‘ভাঙবো তবু মচকাবো না।এক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত দর্শনটা ভিন্ন। ভেঙে গেলে তো শেষ! আমার মত হচ্ছে ‘মচকাবো তবু ভাঙবো না, সাময়িকের জন্য আমি হয়তো মচকে গিয়েছিলাম, কিন্তু ভেঙে পড়িনি।’

প্রতিবছর পরীক্ষার ফলাফল খারাপ করে আত্মহত্যাজনিত অসংখ্য দুর্ঘটনার খবর আমরা পাই। তাইমুর শাহরিয়ারের জীবনের ঘটনা থেকে কি আমরা এর বিপরীত শিক্ষাটা নিতে পারি? প্রয়োজনে সাময়িকের জন্য মচকে গেলেও, ভেঙে পড়া যাবে না কিছুতেই...

আবদুর রহমান সালেহ
১২ অক্টোবর, ২০১৭

Launch Barisal, Bangladesh
28/09/2017

Launch
Barisal, Bangladesh

বরিশালে পুলিশ ইউনিটের সাথে অতিরিক্ত আইজিপির মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। http://bangla.earthtimes24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0...
17/09/2017

বরিশালে পুলিশ ইউনিটের সাথে অতিরিক্ত আইজিপির মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। http://bangla.earthtimes24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b6-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be/ via .com

Want create site? Find Free WordPress Themes and plugins.বরিশাল বিভাগের সকল পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের সাথে বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপির সাথে মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (এ্যাডমিন এন্ড অপস) মোঃ মোখলেসুর রহমান-বিপিএম(বার...

বরিশাল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন করলেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার http://bangla.earthtimes24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%...
31/08/2017

বরিশাল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন করলেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার http://bangla.earthtimes24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%ae/ via .com

Want create site? Find Free WordPress Themes and plugins.বরিশাল নগরীতে পবিত্র ঈদুল আযহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে নগরীর বান্দরোডস্থ হেমায়েতউদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদ উল আযহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠীত হবে। ঈদুল আযহার নামাজ উপলক্ষে ইতি পূবে বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় হেমায়েতউদ্দিন…

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।ছবিঃ সৌকত
23/08/2017

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।
ছবিঃ সৌকত

Address

বরিশাল, বাংলাদেশ
বাংলাদেশ
0088

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Barisal, Bangladesh - বরিশাল, বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share