CHT Voice

CHT Voice We cover what the media ignores.

”পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা সন্তু বলেছেন, সরকার যে শান্তি চুক্তি করেছে ...
31/05/2026

”পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা সন্তু বলেছেন, সরকার যে শান্তি চুক্তি করেছে তা আসলে প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ১০ ভাষাভাষী জনগণের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য চুক্তি হয়েছে, আজ সেই চুক্তি টিকে থাকবে কিনা আমার সন্দেহ। তিনি বলেন, আবার হয়ত আমাদের নতুন চুক্তির কথা ভাবতে হবে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি আজ কাগুজে চুক্তিতে পরিণত হয়েছে। তাই আমাদের ফেলে আসা কর্মসূচি নিয়ে আবার ভাবতে হবে।” (দৈনিক পূর্বকোণ, ৯ এপ্রিল ২০০০)

মন্তব্য: ১) আপনি নিজে নতুন চুক্তির কথা ভাবতে হবে বলেন। অথচ ইউপিডিএফ সরকারের কাছে দাবিনামা পেশ করলে বা নতুন চুক্তির কথা বললে তার বিরোধীতা করেন কেন? ২) আপনার সন্দেহই সত্য প্রমাণিত হয়েছে। চুক্তি আর টিকে নেই। ৩) কাগুজে চুক্তি মানে কী? মানে হলো এই চুক্তি আর বাস্তবে নেই। কাজীর গরুর মতো: কেতাবে আছে, গোয়ালে নেই। আপনার চুক্তিও কাগজে আছে, বাস্তবে নেই, বাস্তবায়নে নেই। এটা আমার কথা নয়, আপনার কথা। ৪) আপনাদের ফেলে আসা কর্মসূচি নিয়ে আর কত ভাববেন? চণ্ডীদাস বারো বছর বরশি ফেলেছিলেন রাধাকে দেখার আশায়। আর আপনি ২৮ বছর ধরে চুক্তি বাস্তবায়নের আশায় ফেলে আসা কর্মসূচি নিয়ে ভেবে চলেছেন। রাধার প্রতি চণ্ডীদাসের প্রেমের চাইতে ”শান্তিচুক্তির” প্রতি আপনার প্রেমের গভীরতা অনেক বেশি বলতে হবে। প্রেমিক হিসেবে আপনার যশ হোক!!

#কাগুজেচুক্তি
#চুক্তিনয়প্রতারণা
#জুম্মঅধিকার
#শান্তিচুক্তি
#সন্তুলারমা

#অধিকারসংগ্রাম
#স্বশাসন
#পার্বত্যচট্টগ্রাম

আওয়ামী লীগ সরকার ভাল উদ্দেশ্য নিয়ে পার্বত্য শান্তি চুক্তি করেনি। জুম্ম জনগণের সাথে শেখ হাসিনার সরকার প্রতারণা করেছে। - স...
31/05/2026

আওয়ামী লীগ সরকার ভাল উদ্দেশ্য নিয়ে পার্বত্য শান্তি চুক্তি করেনি। জুম্ম জনগণের সাথে শেখ হাসিনার সরকার প্রতারণা করেছে। - সন্তু লারমা, জনকণ্ঠ, ৬ নভেম্বর ২০০২।

মন্তব্য: শেখ হাসিনার সরকার প্রতারণা করেছে, অর্থাৎ আপনি প্রতারিত হয়েছেন, ঠকেছেন। যে কথা এমনকি শ্রদ্ধেয় বনভান্তেও বলেছেন। তবে আপনি যে প্রতারিত হওয়ার পর তা বুঝতে পেরেছেন তাও কম নয়, আপনাকে অন্তত ততটুক পর্যন্ত বেকুব বলা যাবে না। কিন্তু বেকুব না হলেও আপনাকে মোটেই বুদ্ধিমান বলা যাবে না।

বুদ্ধিমানরা কী করে? যারা বুদ্ধিমান তারা সেই প্রতারণার জাল থেকে উদ্ধার পেতে নিজেরা চেষ্টা করে এবং অন্যের সাহায্য নেয়। কিন্তু আপনিতো সেটা না করে বরং উল্টোটাই করছেন। প্রতারণার জাল থেকে উদ্ধার পেতে যেখানে আপনার উচিত আন্দোলন করা, ইউপিডিএফের সাহায্য চাওয়া, সেখানে আপনি করছেন দালালি আর ইউপিডিএফকে নির্মূলের চেষ্টা। আপনার ধ্বংস অনিবার্য।

#পার্বত্যচুক্তি
#পার্বত্যচুক্তিবাস্তবায়ন
#জুম্মজনগণেরঅধিকার
#পার্বত্যচট্টগ্রাম
#জুম্মজাতিরঅধিকার
#প্রতারণারবিচারচাই
#অধিকারআন্দোলন
#পাহাড়েররাজনীতি
#আত্মনিয়ন্ত্রণেরঅধিকার
#ন্যায়বিচারচাই
#জনগণেরপক্ষেশক্তি
#গণতান্ত্রিকআন্দোলন
#পার্বত্যসংগ্রাম
#অধিকারনয়দালালিনয়
#জুম্মঐক্য
#জনগণেরশক্তি
#পাহাড়েরকণ্ঠস্বর


29/05/2026

শ্রদ্ধেয় বনভান্তের কথা সঠিক। চুক্তিটা হচ্ছে খালি বিস্কুটের প্যাকেট। বাইরে থেকে রঙচঙা দেখা গেলেও, ভিতরে কিছু নাই। জ্ঞানী লোকেরা সহজে বুঝতে পারলেও অগারা বুঝতে পারবে না। সেই খালি বিস্কুটের প্যাকেটের জন্য সন্তু লারমা দীর্ঘদিন ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত চালিয়ে যাচ্ছে।

আর আমরা বললে রাগ করে। কি রাগ করলি?
29/05/2026

আর আমরা বললে রাগ করে। কি রাগ করলি?

চুক্তি করে সন্তু লারমা যে ভুল করেছেন তা তিনি নিজেই অকপটে স্বীকার করেছেন। পার্বত্য চুক্তির দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন: “আজ চুক্তির ২৪ বছর পর মনে হচ্ছে, চুক্তি করে আমি অপরাধ করেছি। আমাকে এবং জেএসএসকে এখন সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।”

(প্রথম আলো, ২ ডিসেম্বর ২০২১)

ইউপিডিএফের নেতৃত্বে জুম্ম জনগণ একদিন গর্জে উঠবেই। পাহাড়ের তিন জেলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে। তার প্রমাণ: বান্দরবান আবারও জেগে...
29/05/2026

ইউপিডিএফের নেতৃত্বে জুম্ম জনগণ একদিন গর্জে উঠবেই। পাহাড়ের তিন জেলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে। তার প্রমাণ: বান্দরবান আবারও জেগে উঠছে। পাঁচ বছরের এক ত্রিপুরা শিশুকে ধর্ষণের বিচার দাবিতে যেভাবে থানচিবাসী বিজিবির বাধা মোকাবিলা করেছেন তা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

স্মরণ করা দরকার, অতীতেও ১৯৯৫ সালে বান্দরবান শহরে জনগণ অন্যায়ভাবে জারি করা ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করেছিলেন। প্রশাসন পিসিপির উত্থান ঠেকাতে এটা জারি করেছিল। কিন্তু তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। প্রসিত খীসার সুযোগ্য নেতৃত্বে ছাত্র-গণআন্দোলনের জোয়ার সারা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছড়িয়ে পড়েছিল। পার্বত্য চুক্তির পরও (খুব সম্ভব ২০০৬ সালে) রুমায় সাধারণ জনগণ খোদ সেনাবাহিনীর অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছিলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রামে গণজোয়ার সৃষ্টি হলে সেনা-বিজিবির কোন বন্দুক আর কাজে আসবে না। বন্দুক তাক করে আর জম্ম জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না। সেই দিন শেষ হতে চলেছে।

কারা জাত বিরোধী? এই প্রশ্নের উত্তর বের করতে নিচের প্রশ্ন ও উত্তরগুলো পড়ুন:১। ক) ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত কি জুম্ম জাতীয় স্বার্থে...
28/05/2026

কারা জাত বিরোধী? এই প্রশ্নের উত্তর বের করতে নিচের প্রশ্ন ও উত্তরগুলো পড়ুন:
১। ক) ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত কি জুম্ম জাতীয় স্বার্থের জন্য ভালো, না খারাপ? উত্তর: নিশ্চয়ই খারাপ।
খ) কারা এই ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের পক্ষে? উত্তর: জেএসএস সন্তু গ্রুপ।
২। ক) চুক্তি বাস্তবায়নসহ জুম্ম জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করা জুম্ম জাতীয় স্বার্থের জন্য ভালো, না খারাপ? উত্তর: ভালো।
খ) কারা এই আন্দোলনে বাধা দেয়? কারা নিজেরাও আন্দোলন করে না, আবার অন্যকেও করতে দেয় না? উত্তর: জেএসএস সন্তু গ্রুপ।
৩। ক) সেনাশাসকগোষ্ঠীর দালালি করা, নিজের ব্যক্তিগত সুবিধা ও ক্ষমতার জন্য সেনাবাহিনীর সাথে বোঝাপড়া করে স্বজাতির ভাইকে বিনা কারণে হত্যা করা কি জুম্ম জাতীয় স্বার্থের জন্য ভালো, না খারাপ? উত্তর : অবশই খারাপ।
খ) কারা সেনাশাসকগোষ্ঠীর দালালি করছে ও সেনাবাহিনীর সাথে আঁতাত করে স্বজাতির ভাই খুন করছে? উত্তর: জেএসএস সন্তু গ্রুপ।
তাহলে এখন আপনিই উত্তর দিন কারা জাত বিরোধী। কারা জুম্ম জাতির মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাচ্ছে। কারা ”জাদর মাধা খিয়্যা”।

মাটিরাঙ্গায় তবলছড়ি গণহত্যায় নিহতদের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্বলন‎খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি এলাকায় ১৯৮১ সালের ২৭-২৮ ম...
27/05/2026

মাটিরাঙ্গায় তবলছড়ি গণহত্যায় নিহতদের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্বলন

‎খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি এলাকায় ১৯৮১ সালের ২৭-২৮ মে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও সেটলার বাঙালি কর্তৃক পাহাড়িদের ওপর সংঘটিত গণহত্যায় নিহতদের স্মরণে মাটিরাঙ্গায় প্রদীপ প্রজ্বলন করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম (ডিওয়াইএফ)।

‎আজ বুধবার (২৭ মে ২০২৬) সন্ধ্যা ৬:৩০ টার সময় এ প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শিশু-কিশোর, শিক্ষার্থী, যুবক ও সাধারণ জনগণসহ তিন শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

“অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের সেনা-সেটলার কর্তৃক সংঘটিত ডজনের অধিক হত্যাকাণ্ডের বিচার কর” এই দাবি সম্বলিত শ্লোগানে এবং “পূর্ণস্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ছাত্র-যুব-জনতা ঐক্যবদ্ধ হোন, লড়াই জোরদার করুন” এই আহ্বানে আয়োজিত প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচিতে গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের মাটিরাঙ্গা উপজেলা শাখার সভাপতি রনি ত্রিপুরা সভাপতিত্বে ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের বাবু ত্রিপুরার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ইউপিডিএফের মাটিরাঙ্গা ইউনিটের সংগঠক সুইমং মারমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক স্বপন চাকমা ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সদস্য রিকেন চাকমা।

‎প্রদীপ প্রজ্বলনের আগে পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত বিভিন্ন গণহত্যায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

বক্তারা বলেন, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী এলাকার পাহাড়ি জনগণের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, ১৯৮১ সালে ২৭-২৮ মে তবলছড়ি এলাকায় রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও সেটলার বাঙালিরা মিলে পাহাড়িদের ওপর বর্বর গণহত্যা চালায়। সে ঘটনায় অন্তত ১৮৬ জন পাহাড়ি নিহত, ৫৮ জন আহত ও ১৬ জন নিখোঁজ হন। এছাড়াও আরো ১৮,০০০ জন পাহাড়ি নিজ এলাকা, জায়গা-জমি, বসতভিটা ছেড়ে ত্রিপুরা রাজ্যে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। ফলে পাহাড়িদের জায়গা-জমি, বসতভিটা সেটলার বাঙালিরা বেদখল করে নেয়। আজ দীর্ঘ ৪৫ বছরেও এখনো কোন সরকার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার করেনি। শুধু এ ঘটনা নয় পার্বত্য চট্টগ্রামে আরো ডজনের অধিক গণহত্যা ও অসংখ্য সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনারও কোন বিচার হয়নি।

‎বক্তারা অবিলম্বে তবলছড়ি গণহত্যাসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত সকল গণহত্যার শ্বেতপত্র প্রকাশপূর্বক সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহারপূর্বক সেনাদের ফিরিয়ে নেওয়া, সেটলারদের পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সরিয়ে নিয়ে সমতলে পুনর্বাসন করা এবং পাহাড়ি জনগণের ন্যায্য দাবি পুর্ণস্বায়ত্তশাসন দাবি মেনে নেয়ার দাবি জানান।

১৯৯০ দশকে প্রসিত খীসার নেতৃত্বে ছাত্র গণ আন্দোলনের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। এর ফলে  সেনাশাসকগোষ্ঠী পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল। হ...
27/05/2026

১৯৯০ দশকে প্রসিত খীসার নেতৃত্বে ছাত্র গণ আন্দোলনের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। এর ফলে সেনাশাসকগোষ্ঠী পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল। হতাশাক্লিষ্ট জুম্ম জনগণ আশার আলো দেখতে পেয়েছিল এবং কোনঠাসা জেএসএসও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পেরেছিল। এই আন্দোলন না হলে সন্তু বাবুর সাধের “শান্তিচুক্তিও” হতো না। কিন্তু তারপরও অকৃতজ্ঞ জেএসএস প্রসিত খীসার এই অবদান কোনদিন স্বীকার করেনি।

কিন্তু তারা স্বীকার করুক, আর নাই করুক, প্রসিত খীসা তাদের প্রতি করুণা দেখাতে সক্ষম। তার নেতৃত্বে জুম্ম জনগণ যেভাবে ১৯৯০ দশকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, আগামিতেও তারা আবার প্রবল তেজে জেগে উঠবেন। প্রসিত খীসার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা জনগণের আন্দোলনকে সেনাশাসকগোষ্ঠী, সন্তু গ্রুপ ও ঠ্যাঙাড়ে মুখোশসহ প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিগুলো দাবিয়ে রাখতে পারেনি, কোনদিন পারবে না। তার নেতৃত্বেই পার্বত্য চট্টগ্রামে বিজয়ের পতাকা উড়বে। সন্তু লারমার সুবিধাবাদী, দালালি ও প্রতিক্রিয়াশীল ধ্বংসের রাজনীতির অবসান হবেই। মুক্তির জন্য বীর জুম্মদের এত রক্তদান কখনই বৃথা যাবে না। প্রসিত খীসার নেতৃত্ব বৃথা যেতে দেবে না।

26/05/2026

জেএসএস সন্তু গ্রুপের সাধারণ নেতাকর্মীদের উচিত চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলন শুরু করার জন্য সন্তু লারমার উপর চাপ দেয়া, অথবা তার ভুল নেতৃত্ব ত্যাগ করা। তাদের বুঝা উচিত, যে নেতৃত্ব জনগণের অধিকারের জন্য আন্দোলন না করে স্বজাতির ভাইয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, সে নেতৃত্ব কখনোই সঠিক নেতৃত্ব হতে পারে না।
আপনারা দেখুন, ইউপিডিএফকে নির্মূল করতে গিয়ে জেএসএস আজ নিজেই ধ্বংসের মুখে। অন্যদিকে একইসময়ে একদিকে সেনা শাসকগোষ্ঠী ও অন্যদিকে সন্তু গ্রুপের আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে ইউপিডিএফ আজ অনেক গুণ শক্তিশালী হয়েছে। কারণ ইউপিডিএফের রাজনৈতিক নীতি ও কৌশল সঠিক, এবং সাধারণ জনগণের স্বার্থের অনুকূল।
আজ যদি ইউপিডিএফের সাথে মিলে জেএসএস সন্তু গ্রুপও জনগণের জন্য লড়াই করতো, তাহলে আমরা এতদিন অধিকার অর্জন করতে পারতাম।
"ভুল বডাত উম দিলে ছ নঅন"। অর্থাৎ পঁচা ডিমে তা দিলে ছানা হয় না। তেমনি জেএসএসের ভুল নেতৃত্বকে আজীবন সেবা করলেও কোন সফলতা আসবে না, দেশ-জাত উদ্ধার হবে না, বরং ধ্বংস হবে।
এটাই হলো বাস্তব সত্য যা সবাইকে বুঝতে হবে।









Address

ঢাকা

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CHT Voice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to CHT Voice:

Share