05/17/2021
চলমান যুদ্ধ থেকে হামাসের কি অর্জন?
ইজরায়েলি আক্রমণে প্রায় ২০০ জন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছে। অ্যাডভান্স টেকনোলজির বিরুদ্ধে হামাস এখন পর্যন্ত রেসিস্ট করে আসছে।
অনেকেই অতিমাত্রায় লিবারেল সাজতে গিয়ে বলেন "হামাস কেনো রকেট মারে। তাইলে তো ইজরায়েল কিছু বলতো না।"
সেই ভাইদের জানিয়ে রাখি, হামাস রকেট না মারলেও হাজার হাজার ফিলিস্তিনদের বাড়ি থেকে যখন তখন গ্রেফতার করে নিয়ে যায় জায়োনিস্টদের সেনারা। বাড়িঘর দখল করে নেয়। বাচ্চাদেরকে আঘাত করে।
সে যাই হোক। এবারের যুদ্ধে হামাসের বেশ কিছু অ্যাচিভমেন্ট রয়েছে। খোলা চোখে ফিলিস্তিনিদের মৃত্যু আমাদেরকে আন্দোলিত করলেও আমাদের পজিটিভ দিক গুলো নিয়েও অ্যানালাইসিস করা উচিৎ।
ভিয়েতনাম যুদ্ধে আমেরিকার সাতান্ন হাজারের মত সেনা নিহত হয়। যেখানে ভিয়েতনামিজ মারা যায় এক মিলিয়নেরও উপরে। যুদ্ধে কিন্তু ভিয়েতনামই জয়ী।
আফগান রাশান যুদ্ধে রাশানদের চেয়ে তালিবানের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হলেও যুদ্ধে তালিবানরাই জিতে। একই কথা খাটে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারেও। আমাদের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হলেও আমরা জিতেছি।
যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির চেয়েও যুদ্ধে কে জিতেছে সেটা বুঝতে দেখতে হবে কার উদ্দেশ্য হাসিল হয়েছে। আফগান এখন তালিবানদের পঞ্চাশ শতাংশের মত নিয়ন্ত্রণ আছে। আমেরিকা চলে যাওয়া মাত্রই বাকিটাও দখল করে নিবে। ফলে আমেরিকা যতই বলুক যে তারা জিতেছে, আসলে তালেবানই জিতেছে। কারন তাদেরকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারে নাই।
হামাসের এবারের অর্জন-
১, আয়রন ডোমকে একটু বাজিয়ে দেখা হলো। যদি একসাথে অনেক বেশি রকেট বা মিসাইল ছোড়া হয় তবে সেটা আয়রন ডোম প্রোপারলি ডিটেক্ট করতে পারে না। হামাসের তিন হাজারের উপরের রকেট থেকে ডিটেক্ট করতে পেরেছে ৬০% এর মত। আয়রন ডোমের এ দুর্বলতা জানা গেলো।
২. এতোদিন একচেটিয়া পশ্চিমা ন্যারেটিভ মানুষ গোগ্রাসে গিলতো। সিএনএন, নিউ ইয়র্ক টাইমস, গার্ডিয়ান, রয়টার্স ইত্যাদি। আল জাজিরা, টিআরটি, আনাদলু এজেন্সি সবাইকে একদম ন্যাংটা করে দিছে। ফলে প্রথম দিকে ইজরায়েলের নাম না নিলেও এখন মোটামুটি সব পশ্চিমা মিডিয়াই ইজরায়েলের নাম নিচ্ছে।
মিডিয়া যুদ্ধে হেরে যাওয়ার ফলেই মূলত আল জাজিরার বিল্ডিং ধসিয়ে দেয় ইজরায়েল। এপি না থাকলে হয়তো আল জাজিরার টিমকে মেরে ফেলতেও দ্বিধা করতো না।
৩. ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, কিন্তু এ যুদ্ধে মাহমুদ আব্বাসের খুব একটা গুরুত্ব নেই। জো বাইডেন মাহমুদ আব্বাসকে কল দিলেও উনিও জানেন য