08/05/2026
বিএনপি থেকে বের হয়েই শাহজাহান ওমর বলেছিলেন রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে একটা দল চলতে পারে না,বিএনপির শেষও তিনি দেখে ফেলছেন।
সে-ই রিমোট কন্ট্রোলে চালিত বিএনপি আজ ক্ষমতায়,তারেক রহমান এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আর শাহজাহান ওমর বর্তমানে জেলে আছেন।
বিএনপি থেকে বের হয়েই বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে এমন কোনো বক্তব্য না-ই যেটা কর্ণেল অলি দেয় নাই,সর্বশেষ রাতারাতি স্বাধীনতার ঘোষকও হলেন।
সে-ই কর্ণেল অলি সদ্য হয়ে যাওয়া নির্বাচনে নিজ এলাকাই জনগণের কাছে নিগৃহীত হয়েছেন এবং এখন ভাড়ায় খাটছেন;যাদের পক্ষে ভাড়ায় খাটছেন তাদেরই একসময় সকালবিকাল গালিগালাজ করতেন।
বি চৌধুরী,যিনি নিজেকে জিয়া পরিবারের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় মনে করতেন;দল থেকে বের হয়ে নিজেই দল খুললেন,সবসময়ই বিকল্পের কথা বলতেন।
সে-ই বি চৌধুরীর নাম আজকের প্রজন্মের অনেকে জানেও না,মারাও গেলেন এবং ইতিহাস থেকেও হারিয়ে গেছেন।
তৈমুর আলম খন্দকার বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে একটা দলের মহাসচিব হলেন,সময়ের বিবর্তনে সে-ই দলও না-ই আজ তৈমুর আলম খন্দকারও কোথাও নাই।
শাহজাহান ওমর,বি চৌধুরী,কর্ণেল অলি,তৈমুর আলম খন্দকাররা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে বহু লম্ফঝম্প দিয়েছে,হম্বিতম্বি করেছে কিন্তু আজ তারা ইতিহাস থেকে হারিয়ে গেছে।
শাহজাহান ওমর,বি চৌধুরী কিংবা কর্ণেল অলির মতো দোর্দন্ডপ্রতাপশালীরা বিএনপিকে দেখে নিবে বলেছেন কিন্তু কোনো চুলও ছিঁড়তে পারে নাই আর আপনি ইসহাক সরকার সে-ই তুলনায় কোনো চুলও না।
সর্বশেষ নির্বাচনে নিজ এলাকাই জামানত হারাইছেন সে-ই ইসহাক সরকার আজ বিএনপিরে বিতাড়িত করার থ্রেটও দিচ্ছে।
ইসহাক সরকার আপনার ১৭ বছরের ত্যাগের প্রতি আমাদের যথেষ্ট সন্মান আছে বলেই চুপ আছি কিন্তু মনে রাখবেন আজ যে-ই দলের হয়ে দালালী করছেন।
সময়ের পরিক্রিমায় আপনার সে-ই দলও থাকবে না,আপনিও ঐ কর্ণেল অলি কিংবা শাহজাহান ওমরদের মতো হারিয়ে যাবেন কিন্তু বিএনপি তথা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ থেকে যাবে.....
কপি