Tawhidi Youth Bangladesh

Tawhidi Youth Bangladesh We are updating since 2019
আমাদের কোন হিডেন এজেন্ডা নেই, কোন দলের সাথে যুক্ত নই, গুরুত্বপূর্ণ নিউজ কার্ড এবং ইসলামপন্থীদের বক্তব্য কোট করাই কাজ.. Only for Allah
(259)

17/01/2026

এই লোকের কথা অনুযায়ী জামায়াত চেষ্টা করেছিলো আওয়ামীলীগকে আইনিভাবে নিষিদ্ধ করার! চেষ্টা করার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ। কিন্তু জুলাইয়ের পর জুলাইয়ের দেওয়া সুযোগে এটর্নি জেনারেল হওয়া বর্তমান বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান সেটাতে বাঁধা দিয়েছেন।

এটা জাতীয় লজ্জা! তিনি নাকি জুলাই পরবর্তী সময়ে এট্যার্নি জেনারেল ছিলেন! হলফ করে বলা যায়, বিচার বিভাগে থাকা এসব লোকেরাই গ্রেফতার হওয়া লীগারদের জামিন* হওয়াতে সহযোগিতা করেছে!

*নোট: জামিন প্রদানের এখতিয়ার আদালতের, তাই জামিন প্রক্রিয়ায় কোনো বিচ্যুতি থাকলে তার দায়ভার বিচার বিভাগের ওপর বর্তায়। অন্যদিকে, মামলার ভিত্তি দুর্বল হওয়া বা তদন্তে ত্রুটি থাকা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের গাফিলতি বা কৌশলের ফল, যার মাধ্যমে আসামির দ্রুত জামিন নিশ্চিত হয়। অবশ্য গণতান্ত্রিক এসব ফাঁকফোকড়ওয়ালা আইন দিয়ে আওয়ামীলীগের পরিপূর্ণ বিচার সম্ভব না, তাদের দুনিয়াতে পাওনা বুঝিয়ে দিতে দরকার শরীয়াহ ভিত্তিক আদালত এবং পরকালে আল্লাহর বিচার। গোড়ায় গলদ। তার উপরে সেনাবাহিনী এবং সরকার হতে দেয়া হয়েছে সেফ এক্সিট।

"বুঝেশুনে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি করে থাকলে শতভাগ কনফার্ম একজনেরও ঈমান নাই।"— মাওলানা মামুনুল হক হাফি.সোর্স: ভিডিও বক্তব্য
17/01/2026

"বুঝেশুনে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি করে থাকলে শতভাগ কনফার্ম একজনেরও ঈমান নাই।"

— মাওলানা মামুনুল হক হাফি.
সোর্স: ভিডিও বক্তব্য

আপনাদের মনে আছে কিনা দেখুন, গাজায় যখন যুদ্ধ শুরু হয় তার কিছুদিন পরেই এদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একটি টিম শান্তি মিশনে গিয়েছি...
11/01/2026

আপনাদের মনে আছে কিনা দেখুন, গাজায় যখন যুদ্ধ শুরু হয় তার কিছুদিন পরেই এদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একটি টিম শান্তি মিশনে গিয়েছিলো ভূমধ্যসাগরে। তাদের ডিউটি ছিলো মুসলমান যোদ্ধারা যাতে (যায়োদের ভাষায়) অবৈধভাবে অস্ত্র না পায় তার তদারকি করা।

ঐসময় এই টিমের লিডার বলেছিলেন, আবেগ আবেগের জায়গায় আর দায়িত্ব দায়িত্বের জায়গায়। এই টিমের সফলতার জন্য দোআর আয়োজনও করা হয়েছিলো।

এখন সরকারিভাবে ঘোষণা দিয়ে সরাসরি ট্রাম্প (যায়ো) বাহিনীর অংশ হতে চাচ্ছে, এইতো।

একদম পিউর লিবারেল-সেক্যুলার নেতার কথা।হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছে, গান-বাজনা ইত্যাদি ইত্যাদি গুনাহের কাজগুলো সমাজের অংশ এবং ...
11/01/2026

একদম পিউর লিবারেল-সেক্যুলার নেতার কথা।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছে, গান-বাজনা ইত্যাদি ইত্যাদি গুনাহের কাজগুলো সমাজের অংশ এবং এগুলো স্বাধীনতা। এগুলো বন্ধ করা বা বাধা দেওয়ার প্রশ্নই আসেনা।

এনসিপি কিন্তু এই আদর্শের কথাই বলে। বহুত্ববাদী আদর্শ। তাদের দলীয় আদর্শ এটাই। যেমন, সমকামী কমিউনিটি দেশে আছে, গোপনে কাজ করছে, এনসিপির লোকেরা তাদের সমকামিতার অধিকার রক্ষা করবে সেইম কথা বলেই। এরকম ভাবে যত নষ্টামি আছে, এগুলো যদি আমদানি করে কিছু লোকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া, ছলে বলে কৌশলে শাব্দিক সন্ত্রাসী করে যদি অনুমোদিত পলিসি করা যায়, তবে হাসনাতরা সেগুলো হেফাজত করবে। অলরেডি সমকামি বান্ধব পলিসি তৈরি হয়ে গেছে মোটামুটি।

বহুমাত্রিক সমাজ, ব্যক্তিস্বাধীনতা, যার যা ইচ্ছা করবে - এটাই লিবারেলিজম৷ এখানে নাহি আনিল মুনকারের কোন স্থান নাই। মন চাইলে ছেলে ছেলে বিয়ের দাবিতে আন্দোলন করবে, এলজি হবে, অশ্লীল যাত্রাপালা করবে, থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতসবাজি ফোটাবে - কেউ কিছু বলতে পারবে না।

কিন্তু আবার এদের উল্টা চরিত্রও দেখবেন। শরীয়াহ এবং ইসলামের প্রশ্নে। জেনারেল সেক্যু লিবারেলরা যেমনটা করে থাকে।

আপনি এদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসাবে যখন বলবেন, আমরা গণতান্ত্রিক সেক্যুলার শাসন আইন চাই না, আমরা আমাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা মোতাবেক ইসলামি শরিয়াহ শাসন আইন চাই, আমি শরীয়াহর অধীনে থাকবো, এটা আমার স্বাধীনতা। আমার উপরে কেন সেক্যুলারিসম, গণতন্ত্র চাপিয়ে দিয়েছেন? তখন আবার কিন্তু সে আমাদের ধর্মীয় এই স্বাধীনতা মেনে নিবে না, আপনাকে শরীয়াহ শাসন দিবে না, আপনার দিকে হয়তো তেড়ে আসবে, বাধা দিবে, প্রতিরোধ করে আপনার ধর্মের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চাইবে।

হাসনাতদের দলীয় আদর্শ মুসলমান সমাজের জন্য ভয়াবহভাবে ধ্বংসাত্মক। জাতিগতভাবে ধ্বংস না হতে চাইলে সোচ্চার হও মুসলমান। এদের দলীয় আদর্শ কুফর। বিশেষ করে বহুত্ববাদী আদর্শ বাস্তবায়নের দিকে গেলে সমাজে ইসলাম যতটুকু আছে ততটুকু বেহাত হতে খুব অল্প সময় নিবে। একটা জেনারেশন লাগবে সর্বোচ্চ।

মূল: আলতাফ ইবনে হোসাইন, বেশিরভাগ অংশই সম্পাদিত।

এতে কি সমাধান হলো?
11/01/2026

এতে কি সমাধান হলো?

বাকি ইসলাম বিরোধী সব আইনও বাতিল করার আহ্বান করছি। কিছু কথা পরিস্কার করে বলি- আপনারা যদি ইসলামবিরোধী আইনগুলো ফেলে দেন, কু...
11/01/2026

বাকি ইসলাম বিরোধী সব আইনও বাতিল করার আহ্বান করছি। কিছু কথা পরিস্কার করে বলি-

আপনারা যদি ইসলামবিরোধী আইনগুলো ফেলে দেন, কুরআন সুন্নাহর দেওয়া ফরজ আইন চালু করেন এবং গণতন্ত্র বর্জন করে কেবলমাত্র নির্বাচনে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন তবে, এই সংবিধান কুফর এভোয়েড করে নির্বাচনের প্রকৃয়াতেও তাকফির বা কাফের হওয়া এভোয়েড করতে পারেন। নির্বাচন দিয়ে কে কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী শাসন করবে কত বছর তা নির্ধারিত করতে পারেন।

আরও সহজ করে বললে, সংবিধান যখন কুফর এভোয়েড করবে তখন এটা মেনে চলার শপথ কুফর হবে না। আবার গণতন্ত্র বাতিল করে নির্বাচনকে কেবল শাসক পরিবর্তনের মাধ্যম রাখলে কুফর এভোয়েড করা সম্ভব। গণভোট ইসলাম সমর্থন করে না কিন্তু গণভোট কুফর পর্যায়ের হবে না যদি জণগনের সর্বময় ক্ষমতা এবং এমপিদের ইচ্ছামতো যে কোন আইন বানানোর পারমিট বাতিল হয়। এমপিরা তখন কুরআন সুন্নাহর আনুগত্য করে আইন চালু করবে। আইন বানাবে না। পার্থক্য হলো "যে কোন আইন বানানো" আর ক্ষমতায় গিয়ে "কুরআনের বিধান চালু করা"তে। এটলিষ্ট কুফর এভোয়েড করা সম্ভব। সিরিয়া সম্ভবত এ মডেলে যাচ্ছে ধীরে ধীরে, শিউর না।

কুফর এভোয়েড করলে আর জালিম না হলে মুসলমানরাও বিদ্রোহী হয়ে উঠবে না। আপনারা কুরআন দিয়ে শাসন করেন, আপনারা ক্ষমতায় থাকেন, ক্ষমতায় যাওয়া আমাদের মূল মাকসাদ না। কুরআন সুন্নাহ অনুসরণ করে আপনারাই ক্ষমতায় থাকেন। কুরআন সুন্নাহ অনুসরণ করে রাষ্ট্র চালান।

নিউজের বিস্তারিত -
"মুসলিম আইনানুযায়ী পুরুষের জন্য ‍দ্বিতীয় বিয়ে জায়েজ থাকলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তা ছিলো, গুরুত্বর অপরাধ ও নৈতিকতার লঙ্ঘন। কিন্তু সম্প্রতি হাইকোর্টের এক রায়ে পাল্টে যেতে যাচ্ছে বহুদিন ধরে চলে আসা এই রীতি।

এবার স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে,ঠিক এমনই এক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। মুসলিম পারিবারিক আইন সংশ্লিষ্ট একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি নয়, বরং আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ভিত্তিতেই বিষয়টি নিষ্পন্ন হবে।

এতদিন প্রচলিত ছিলো, স্ত্রী বা প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে না। তবে আদালত বলেন, এ বিষয়ে মুসলিম পারিবারিক আইনে সরাসরি এমন বাধ্যবাধকতার কোনো অস্তিত্ব নেই।"

— ডেইলি ইনকিলাব

আরেকটা নোট: বহু বিবাহ উৎসাহিত নয় বরং জায়েজ। সুন্নত হলে উৎসাহিত হতো। যার প্রয়োজন সে বহুবিবাহ করবে ইনসাফের শর্তে। আর নিউজের "আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির" বিষয়টি নিয়ে: ইসলামী আইনে কারও অনুমতি লাগবে না। এটাও ইসলাম বিরোধী আইন হলে স্বাগতম জানানো হলো না। বরং পরিপূর্ণ ইসলামী আইনের আহ্বান করছি।

যে গণতন্ত্রের প্রশংসা করে সে কাফের। 🔥🔥"যে ব্যক্তি কুফরি মতাদর্শের প্রশংসা করে সে কাফের। যে ব্যক্তি গণতন্ত্রের প্রশংসা কর...
10/01/2026

যে গণতন্ত্রের প্রশংসা করে সে কাফের। 🔥🔥

"যে ব্যক্তি কুফরি মতাদর্শের প্রশংসা করে সে কাফের। যে ব্যক্তি গণতন্ত্রের প্রশংসা করে, মানবরচিত আইনের প্রশংসা করে এবং বলে এটি ইসলামের চাইতে উত্তম, এবং যে ব্যক্তি সুদী কারবারের প্রশংসা করে আর বলে যে, "এটি একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, আর যারা একে হারাম বলে তাদের কথা গায়ে মাখবেন না, তারা তো কট্টরপন্থী", -এমন ব্যক্তি নিঃসন্দেহে কাফির হয়ে যাবে।"
- শায়েখ সলেহ আল-ফাওজান
শারহ নাওয়াকিদুল ইসলাম (টেপ রেকড ৩/১১)

দেশের লোকদের যদি জিজ্ঞাসা করেন, 'ইসলাম অর্থ কি?' - তারা বলবে 'শান্তি'।অথচ ইসলাম অর্থ কি শান্তি? সালাম অর্থ শান্তি। আমরা ...
10/01/2026

দেশের লোকদের যদি জিজ্ঞাসা করেন, 'ইসলাম অর্থ কি?' - তারা বলবে 'শান্তি'।

অথচ ইসলাম অর্থ কি শান্তি? সালাম অর্থ শান্তি। আমরা সালাম দেই - আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক।

ইসলামের সঠিক অর্থটা জানলে অাক্বিদার অনেকাংশ ক্লিয়ার হয়ে যায়। ইহুদী খৃষ্ট্রানসহ ইসলামের শত্রুরা খুব কুকৌশলে এই কাজটি করেছে, তা হল তোমরা শিখাও ইসলাম অর্থ শান্তি। তোমরা শান্তিতে থাকবে, খানকায় বসে ইবাদাত করবে, শান্তিতে ঘুমাবে! আস্তে আস্তে হাটবে! যমিনে পিপড়ায় যেন টের না পায়!

ইসলামের কি আছে তোমরা জানবে না। ইসলামের অর্থনীতি কি? ইসলামের রাষ্ট্রনীতি কি? ইসলামের পররাষ্ট্রনীতি কি? তা দরকার নেই তোমাদের। তোমরা শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকো, রাষ্ট্র আমরা চালাবো।

- ঠিক এই ভাবে আজ আমরা ইসলামকে মসজিদ আর ঘরের মধ্যে আবদ্ধ করেছি। গুটি কয়েক ইবাদাতের মধ্যে ইসলামকে আবদ্ধ করেছি।
ইসলাম অর্থ 'আত্মসমর্পন।'

- কুরআন সুন্নাহর পরিভাষায় নিজের ইচ্ছা খায়েশ তথা নিজেকে, আল্লাহর পক্ষ থেকে রাসূল (সাঃ)-এর আনিত সকল বিধানের কাছে সমর্পন করার নামই ইসলাম। আর এরকম যে নিজেকে আল্লাহর সকল বিধানের কাছে সমর্পন করে তার নাম মুসলিম।

মুসলিম অর্থ 'আত্মসমর্পনকারী।'

- শাইখ জসিম উদ্দিন রহমানী হাফি.

"গুমের প্রথম ধাপ ছিল চোখ বেঁধে তুলে নেওয়া, অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া এবং আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তার দেখানো ছাড়াই আটক রাখা। এসব ...
07/01/2026

"গুমের প্রথম ধাপ ছিল চোখ বেঁধে তুলে নেওয়া, অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া এবং আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তার দেখানো ছাড়াই আটক রাখা। এসব কাজ মাঠ পর্যায়ের সেনা ও নিরাপত্তা সদস্যরাই বাস্তবায়ন করেছেন।

এই পর্যায়ের সদস্যরা নির্দ্বিধায় সরাসরি অপরাধে যুক্ত ছিলেন, কারণ তারা জানতেন যে, গ্রেপ্তারের কোনো আইনি কাগজ নেই, আটক ব্যক্তির অবস্থান গোপন রাখা হচ্ছে এবং পরিবার ও আদালতও অন্ধকারে ছিল। এ কারণে মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের দায় প্রাথমিক ও প্রত্যক্ষ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।"

বিস্তারিত কমেন্টে..

"জিএমপির (গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের) যে পুলিশ অফিসার বিক্রমপুরীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলো, সে পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি  ...
05/01/2026

"জিএমপির (গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের) যে পুলিশ অফিসার বিক্রমপুরীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলো, সে পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি - আর তাদের ইগো রক্ষা করতে বিক্রমপুরী কালাকানুনের ভিক্টিম হয়ে জেল খাটছে।"

- ডা. মেহেদী হাসান
সোর্স: ফেসবুক পোস্ট, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬

"মাওলানা আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে কোনো সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলার বিচার ছাড়াই গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে নরসিংদী থেকে গ্...
05/01/2026

"মাওলানা আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে কোনো সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলার বিচার ছাড়াই গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে নরসিংদী থেকে গ্রেফতার করে 'বিশেষ ক্ষমতা আইনে' ৯০ দিনের বিনাশ্রম আটকাদেশ দেওয়া হয়েছে। এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। যদি কারও বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ থাকে, তবে দেশের প্রচলিত আইনে তার প্রকাশ্য বিচার হতে পারে। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা আলেমকে শুধুমাত্র নির্বাহী আদেশে ৩ মাসের জন্য আটক রাখা আমাদের লড়াইয়ের মূল চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক।

বিগত সরকার এই 'বিশেষ ক্ষমতা আইন' ব্যবহার করে অসংখ্য মানুষের ওপর জুলুম করেছে। সেই একই প্রথা নতুন বাংলাদেশে দেখতে পাওয়াটা হতাশাজনক। জননিরাপত্তার দোহাই দিয়ে কাউকে বিনা বিচারে আটকে রাখা নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন। আমি অবিলম্বে মাওলানা আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর ওপর থেকে এই আটকাদেশ প্রত্যাহার এবং তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক।

কারও কর্মকাণ্ড বা বক্তব্য নিয়ে যদি আইনি আপত্তি থাকে তবে তাকে দেশের প্রচলিত সুনির্দিষ্ট আইনে বিচারের আওতায় আনা যেতে পারে। কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই শুধুমাত্র নির্বাহী আদেশে ৩ মাসের জন্য আটক রাখা আমাদের বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

ওনাকে কোনো মামলা ছাড়াই ৩মাসের জন্য ইন্টেরিম আটকে রাখছেন তাহলে ইন্টেরিমের পরের সরকার ওনাকে বাকি ৩০বছর কারাগারে রাখবেনা এর গ্যারান্টি কি?




"

- সালাহউদ্দিন আম্মার
কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, রাকসু
সোর্স: ফেসবুক পোস্ট, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অনুরোধে মাওলানা আতাউর রহমান বিক্রমপুরী কে গ্রেফতার করা হয়েছিল।রাষ্ট্রের পুলিশ একইসাথে বিচার ...
05/01/2026

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অনুরোধে মাওলানা আতাউর রহমান বিক্রমপুরী কে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

রাষ্ট্রের পুলিশ একইসাথে বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগের অংশ। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভিন্ন কারণে মাওলানা আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর উপর নাখোশ ছিল, বিশেষ করে মাওলানা মহিবুল্লাহ ইস্যুতে। সেই নাখোশ থাকার প্রতিশোধ নিতে গিয়ে বিক্রমপুরীকে বিনা অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

পুলিশ কি তাদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রাগ-অনুরাগের বশবর্তী হতে পারে? তাহলে আর আইন, বিচার এসবের দরকার কী?

অবিলম্বে জুলাই যোদ্ধা মাওলানা আতাউর রহমান বিক্রমপুরীর মুক্তি দিন।

- মীর জাহান
সোর্স: ফেসবুক পোস্ট ০৫ জানুয়ারী ২০২৬

住所

Osaka Lake
Osaka, Osaka
530-0002

ウェブサイト

アラート

Tawhidi Youth Bangladeshがニュースとプロモを投稿した時に最初に知って当社にメールを送信する最初の人になりましょう。あなたのメールアドレスはその他の目的には使用されず、いつでもサブスクリプションを解除することができます。

共有する

カテゴリー