Shibir Feni Polytechnic"শিবির ফেনী পলিটেকনিক"

Shibir Feni Polytechnic"শিবির ফেনী পলিটেকনিক" আমাদের গ্রুপ লিংক জয়েন হতে ভুলবেননা?

১৯৯৯ সালে বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের ধর্মদ্রোহিতার বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করে শিবির তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামকে তথাকথিত শান্তিচুক্তির নামে মূল ভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন করার অবিমৃষ্যকারীতার বিরুদ্ধে গণচেতনা সৃষ্টি, আত্মঘাতী ট্রানজিট ইস্যুতে প্রতিবাদী ভূমিকা পালন, বিতর্কিত কুদরত-ই-খুদা শিা কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নের নামে ধর্মহীন সেক্যুলার শিা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের সরকারী উদ্যোগের

বিরুদ্ধে আন্দোলনসহ প্রতিটি জাতীয় ইস্যুতে শিবিরের ভূমিকা ছিল স্ফটিকস্বচ্ছ।

শিবির সন্ত্রাসকে একটি জাতীয় ইস্যু হিসেবে গ্রহণ করে সারাদেশে সন্ত্রাস বিরোধী জনমত গঠন, সন্ত্রাস দমন ও সন্ত্রাস নির্মূলের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এেেত্র শিবির সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, আলোচনা সভা, র‌্যালি আয়োজন ছাড়াও কর্তৃপীয় সকল উদ্যোগে সর্বোত্তম সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।


বাংলাদেশ ক্রিকেটদল ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১ দিনের ম্যাচে জয়ী হলে শিবির নেতৃবৃন্দ বিজয়ী দল, কোচ ও তার কর্মকর্তাদের অভিনন্দিত করে বিবৃতি প্রদান করেন।

এশিয়ান হাইওয়ের নামে ট্রানজিট
অংরধহ ঐরমযধিু এবং ঞৎধহং-অংরধহ জধরষধিু হলো টহরঃবফ ঘধঃরড়হং-এর অঙ্গ সংগঠন। ঊঝঈঅচ-এর পরিকল্পনায় প্রথমে ১৫টি দেশের কথা বলা হলেও পরে এই মহাসড়কের গতিপথ ২০টি রাষ্ট্র হবে বলে ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে ৩২টি রাষ্ট্র এর অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করা হয়।
প্রকল্পটির উদ্দেশ্যে বলা হয়Ñ এশীয় রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের স্বার্থে ঐ দেশগুলোর মধ্যে সহজ ও দ্রুত বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপনের ল্েয বিভিন্ন এশীয় রাষ্ট্রের রাজধানীগুলোকে একই সড়ক ও রেলযোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। ঊঝঈঅচ-এর মূল প্রকল্পের আওতায় পশ্চিম এশিয়া তুরস্কের ইস্তাম্বুল আঙ্কারা থেকে শুরু করে অংরধহ যরমযধিু কে শুধুমাত্র সড়কের মাধ্যমে ইরানের তেহরান, আফগানিস্তানের কাবুল, পাকিস্তানের লাহোর ও পরে শেরশাহের ঐতিহাসিক গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোডের মাধ্যমে ভারতের দিল্লি হয়ে বাংলাদেশের ঢাকা-চট্টগ্রাম ও মিয়ানমারের আকিয়াব (সিত্তুই) এবং রাজধানী ইয়াংগুন হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ও সিঙ্গাপুর পর্যন্ত যোগাযোগ স্থাপনের কথা ছিল।

চীনকে কৌশলে এশিয়ান হাইওয়ে থেকে বাদ দিতে না পারলে এশিয়ায় ভারতের শক্তিশালী কর্তৃত্ব কায়েম হবে না, আমেরিকার কথা কেউ শুনবে না। অন্য দিকে বাংলাদেশ চীনের সাথে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে গভীর সম্পর্কে আবদ্ধ হবে যা বর্তমান সময়ের দাবি হওয়া উচিত। তাতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবেও ব্যাপক লাভবান হতো। চীন এই মহাসড়কে যুক্ত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ভারতের হিংস্র থাবা থেকে অনেকটা মুক্ত থাকত।
কিন্তু ভারতের মাথা ব্যথা হলো চীন যদি বাংলাদেশের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলে তাহলে ভারতের কর্তৃত্ব বাংলাদেশের ওপর রাখতে পারবে না। যা আমেরিকা ও ভারত কোনভাবেই মেনে নিতে পারছে না। ভারতের সাথে আমেরিকার সাম্প্রতিক সময়ের পরমাণু চুক্তি, তাদের সম্পর্ককে অত্যÍ গভীর করেছে। যার জন্য ভারত যাতে অংরধহ ঐরমযধিু-র মাধ্যমে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ঝবাবহ ঝরংঃবৎ ঝঃধঃবং-এ তাদের পণ্যসামগ্রী নিয়ে যেতে পারে সে জন্য আমেরিকা ভারতের হয়ে চাটুকারিতা করছে।

ঞৎধহংরঃ আমাদের জন্য যা তিকর, তার চেয়ে অনেক বেশি তি করবে ভারতের স্বার্থে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে সাতবোন রাজ্যে যাওয়ার নতুন মহাসড়ক অংরধহ ঐরমযধিু। সামান্য যা অর্থ পাওয়া যাবে তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি খরচ করতে হবে বাংলাদেশের। বাংলাদেশের সীমাÍের প্রায় ১০৫০ কিলোমিটার বা ৬৫০ মাইল রাস্তা যার নির্মাণ খরচ বহন ও রণাবেণের দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশকে পে সম্ভব হবে না। তাই ছাত্রশিবির দেশকে তাঁবেদার বানানোর এই নয়া ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

পার্বত্য শান্তি চুক্তি: সেনা প্রত্যাহার
পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করা গেলে ভারত সহজেই চট্টগ্রাম বন্দর পেয়ে যাবে। এই লোভে শান্তিবাহিনী ও জনসংহতি সমিতির নেতা সন্তু লারমাকে ভারত অর্থ, অস্ত্র ও প্রশিণ দিয়ে পর্দার অন্তরাল থেকে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে। সরকার পার্বত্য অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে অন্যদিকে স্বাধিকার আন্দোলনের ডাক দিলেন সন্তু লারমা (নয়া দিগন্ত ১০.০৮.০৯)। ভারতের আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে এ দেশের সরকার ও জনগণকে সচেতন করতে কর্মসূচি নিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। কারণ পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে সন্তু লারমার স্বাধিকার আন্দোলনের ডাক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্বকে ঝুঁকির সম্মুখীন করবে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের েেত্র এক দেশ কর্তৃক অন্য দেশে সন্ত্রাসে মদদদান অন্যতম বিতর্কিত একটি বিষয়। ভারতের অভিযোগ হলো, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন পরিচালনায় সাহায্য করছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ দাবি করছে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কাজ করছে এই রকম ৩৯টি ঘাঁটি রয়েছে ভারতে। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তিবাহিনীর ৪৫টি সশস্ত্র ক্যাম্প খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবানের সন্নিকটস্থ বর্ডারিং এরিয়ায় ভারতে অবস্থিত। একইভাবে বঙ্গভূমি আন্দোলনেও বঙ্গসেনাদের ভারত সরাসরি মদদ দানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। ছাত্রশিবির দেশের ভবিষ্যৎ চিন্তা করেই সন্ত্রাসের এই মরণখেলা থেকে উত্তরণ চায় এবং অব্যাহতভাবে এর বিরোধিতা করে আসছে।

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া
ভারত বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর অজুহাতে বাংলাদেশ ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করছে। এই কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার মধ্য দিয়ে ভারতের অবন্ধুত্বসুলভ নির্মম আচরণ প্রকাশ পায়। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, ভারত বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চায় না, চায় বাংলাদেশকে আবদ্ধ করে রাখতে। ভারতের এই আন্তর্জাতিক আইন বিরোধী কাজের জন্য ছাত্রশিবির দেশবাসীকে সাথে নিয়ে প্রথম থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। ইতোমধ্যে ভারত ১৩৫৭ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে। তা ছাড়াও ভারতের দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৪২৯.৫
কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ পরিকল্পনাধীন রয়েছে। এই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের মধ্য দিয়ে ভারতের রাষ্ট্রীয় মতার উদ্ধত রূপটি প্রকাশ পেয়েছে। আর এর জের ধরে মিয়ানমারও সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার কাজে মনোযোগী হয়েছে। অর্থাৎ ভারতের সাথে নতুন করে এখন মিয়ানমার যোগ হলো। ফলে একসাথে দু’টো দেশকে এখন পর্যবেণে রাখতে হবে যা বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিরাট হুমকি। ছাত্রশিবির চায় অনতিবিলম্বে উভয় দেশের সাথে যোগাযোগ করে তাদেরকে এহেন কাজ হতে বিরত রাখুক বাংলাদেশ সরকার।

২৮ অক্টোবর ২০০৬: রক্তের হোলি খেলা ও লগি বৈঠার তাণ্ডব
মতাসীন চারদলীয় জোট সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ করে যখন নির্দলীয় ও নিরপে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে মতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন চৌদ্দদলীয় জোট সিইসি বিচারপতি এম এ আজিজের পদত্যাগ ও সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কে এম হাসানের পরিবর্তে বিচারপতি মাহমুদুল আমিনকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার দাবিতে আন্দোলনের শুরু করে। ২৮ অক্টোবর ২০০৬-এ চারদলীয় জোট যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে মতা হস্তান্তর করার কথা, তার পূর্বমুহূর্তে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে তাদের সর্বশেষ সমাবেশের আয়োজন করে। এ সমাবেশে শেখ হাসিনার নির্দেশে লগি-বৈঠা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আওয়ামী ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা। ঢাকার রাজপথে লগি-বৈঠা দিয়ে সাপের মতো হত্যা ও আহত করে জামায়াত ও শিবিরের অসংখ্য নেতাকর্মীকে। ঐ দিন ঐ সমাবেশে ঘটনাস্থলেই নিহত হন জামায়াত-শিবিরের ৫ জন কর্মী। দেশব্যাপী শুরু হয় লগি-বৈঠার তাণ্ডব। এ তাণ্ডবে সারা দেশে হতাহত হয় অসংখ্য মানুষ। টিভি পর্দায় লগি-বৈঠার এ তাণ্ডব দেখে বিশ্ববিবেক স্তম্ভিত হয়ে যায়। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে চরম বিশৃঙ্খলা। এ বিশৃঙ্খলার কারণে বিচারপতি কে এম হাসান প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে সংবিধানের সর্বশেষ অপশন হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ। কিন্তু আওয়ামী লীগ ইয়েস উদ্দিনের সরকার বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করলেও ২২শে জানুয়ারির নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিল। অথচ শেষ মুহূর্তে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের প্ররোচনায় মনোনয়ন প্রত্যাহার করে অযথা জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন শুরু করলে দেশের সার্বিক অবস্থা চরম অবনতির দিকে এগিয়ে যায়। সরকারের অংশীদার হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই ছাত্রশিবির ২৮ অক্টোবর জামায়াতের পূর্ব নির্ধারিত প্রোগ্রামকে সফল করার জন্য পল্টন ময়দানে উপস্থিত হয়েছিল। কিন্তু চরম পরিণতি বরণ করতে হলো তাদের। এ সময় দৃশ্যপটে আবির্ভাব ঘটে আধিপত্যবাদী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরাশক্তির। একদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা অপরদিকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী কুশীলব এবং এ দেশীয় কিছুসংখ্যক আত্মবিক্রীত বুদ্ধিজীবীর ষড়যন্ত্রের ফলে ১/১১-এর অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক, ছায়া সেনা সরকারের আবির্ভাবের প্রোপট রচিত হয়।

পিলখানা ট্র্যাজেডি
বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও শান্তি ধ্বংসের যে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে তারই ধারাবাহিকতায় সংঘটিত হয় বিগত ২৫-২৬শে ফেব্র“য়ারি ২০০৯-এ বিডিআর সদর দফতরে ‘পিলখানা ট্র্যাজেডি’। এ মর্মান্তিক ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে নিহত হন ৫৮ জন চৌকষ সেনা কর্মকর্তা। পৃথিবীর ইতিহাসে বিনাযুদ্ধে এমনকি রণেেত্রও এত বড় হত্যা অভিযান হতে দেখা যায়নি। কারণ হিসেবে অসাংবিধানিক সেনা সমর্থিত তিন উদ্দিনের সরকারের (ইয়াজউদ্দিন+ফখরুদ্দিন+মঈন উদ্দিন) সময় রিলিফ ও ন্যায্যমূল্যের নিত্যপণ্য বিক্রির ঘটনাকে দায়ী করা হলেও সবাই কম-বেশি জানেন এটি ছিল অবিমৃষ্যকারী ষড়যন্ত্রীদের এক মারাত্মক নীল-নকশা। এ ছিল বাংলাদেশের প্রতিরাকে তছনছ করার এক গভীর ষড়যন্ত্র। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পিলখানা ট্র্যাজেডি ও বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ করে। নিহত সেনা সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়ার আয়োজন করে। দোষীদের আটক ও শাস্তি বিধানের দাবিতে মানববন্ধন, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে তাদের পাশে দাঁড়ায়।

আন্তর্জাতিক ইস্যুতে শিবির
শিবির আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সব সময়ই নীতিগতভাবে কারো প্রতি শত্র“তা নয় বরং সকলের প্রতি বন্ধুত্বের ব্যাপারে সচেতন। তবে অন্যায় ও অবিচারের ব্যাপারে শিবির আপসহীন, জালেমের বিরোধিতা ও মজলুমের প নেয়া শিবিরের নৈতিক দায়িত্ব।
১৯৭৯ সালে রাশিয়া তার পুতুল সরকার বারবাক কারমালের সহযোগিতায় স্বাধীনচেতা আফগান মানুষের স্বাধিকার কেড়ে নিয়ে সেখানে নগ্ন হামলা চালালে শিবির ঢাকায় ২০ হাজার তরুণের বিশাল মিছিল করে তার প্রতিবাদ জানায়। শিবির এভাবেই প্রতিবাদের মাধ্যমে ফিলিস্তিনী বীর যোদ্ধাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে আসছে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে আয়োজিত ১৯৯১-এর তেহরান কনফারেন্স- এ শিবিরের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি যোগদান করেন। আন্দোলন সংগ্রাম ও পুনর্গঠনে শিবির ফিলিস্তিনী জনগণের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার প্রদান ও রা করেছে।
কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী মুসলিমদের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার, জাতিসংঘ প্রস্তাবিত গণভোট ও অন্যান্য প্রসঙ্গে শিবির কাশ্মীরী জনগণের প নিয়ে বরাবরই ভূমিকা রেখে আসছে। অধিকৃতদদ কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী মুসলমানদের উপর নির্যাতন ও বৈষম্যমূলক আচরণেরতীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে শিবির ১৯৮৯ সাল থেকেই কর্মসূচি দিয়ে আসছে।
বসনিয়া হার্জেগোভিনায় মুসলিম জনপদের উপর পরিচালিত হত্যাযজ্ঞ ও দমন নীতির প্রতিবাদে শিবির আয়োজন করে র‌্যালি, সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভা। সার্ব শাসক ও সেনাগোষ্ঠীর নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি ছিল এসব কর্মসূচির ল্য।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে ব্লাসফেমী আইনের পে জনমত গঠন করে। বিশেষ করে কুখ্যাত লেখক সালমান রুশদীর ‘স্যাটানিক ভার্সেস’-এর বিরুদ্ধে শিবির দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলে। কুখ্যাত কবি দাউদ হায়দার, তসলিমা নাসরিনসহ যারাই আল্লাহ্, রাসূল (সা.) ও ধর্মের ব্যাপারে অনর্থ কুৎসা রচনা করেছে তাদের ব্যাপারেই শিবির প্রতিবাদ কর্মসূচী দিয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলেছে।
১৯৯১ সালে ইরাকের কুয়েত আক্রমণের ব্যাপারে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম প্রতিবাদকারী ছাত্র সংগঠন ছিল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। পরবর্তীতে আফগানিস্তানে ও ইরাকে বৃহৎশক্তির নির্লজ্জ হামলা, সাধারণ মানুষদের হত্যা করা, শিশুদের নির্বিচারে খুন করার প্রতিবাদে শিবির ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করে। জনমত তৈরি, মিছিল, সমাবেশ, পোস্টারিংসহ বিভিন্ন কার্যক্রম এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত ছিল।
২০০১ সালে ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার টুইন টাওয়ারে কাপুরুষোচিত হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে সেখানকার নিহতদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে এবং বিশ্ব শান্তির প নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে।
ভারতের অযোধ্যায় অবস্থিত ঐতিহাসিক বাবরী মসজিদ ধ্বংস করে (১৯৯১) উগ্রবাদী হিন্দুগণ সে স্থানে রামমন্দির নির্মাণের অন্যায় আবদার করলে শিবির তার তীব্র প্রতিবাদ জানায় ও ব্যাপক জনমত তৈরিতে ভূমিকা রাখে। একইভাবে আহমেদাবাদে দাঙ্গা সৃষ্টি ও নির্বিচারে মুসলিম নিধনের প্রতিবাদ করে শিবির। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের একদল সুযোগসন্ধানী এদেশে দাঙ্গা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইলে শিবির অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ছাত্রদের নিয়ে “শান্তি মিছিল” বের করে এবং বিভিন্ন স্থানে অমুসলিম উপাসনালয় পাহারার দায়িত্ব পালন করে। এ ভূমিকা হিন্দু সুধীজনের ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করে।
২০০৫ সালের ৭ জুলাই ব্রিটেনের পাতাল রেল এবং গাড়িতে বোমা হামলার প্রেেিত বাংলাদেশে অবস্থিত ব্রিটিশ হাই কমিশনারের বাসায় সংরতি শোক বইতে সমবেদনা জ্ঞাপন ও শোক প্রকাশ ও হামলার নিন্দা করে স্বার করেন শিবিরের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি। সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ বিন আব্দুল আজীজের মৃত্যুতে সৌদি দূতাবাসের শোক বইয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি স্বার করেন। একইভাবে আমেরিকার কয়েকটি প্রদেশে হারিকেন ক্যাটরিনা ও রিটার আঘাতে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত, তাদের আত্মীয়-স্বজনের প্রতি সমবেদনা জানান কেন্দ্রীয় সভাপতিসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

আন্তর্জাতিক সভা, সম্মেলন, সেমিনারে ছাত্রশিবির
বিশ্ব ছাত্র ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম বৃহৎ ইসলামী ছাত্রসংগঠন হিসাবে ছাত্রশিবিরের ভূমিকা বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সম হয়েছে। মুসলিম বিশ্বের সঙ্কট নিরসনে আন্তর্জাতিক সভা-সমাবেশে শিবিরের প্রতিনিধি উপস্থিত হয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডঅগণ, ওওঋঝঙ, অঋগণ সহ আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহে শিবির প্রতিনিধির অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রমাণিত হয় ছাত্রশিবির বিশ্বদরবারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ছাত্রসংগঠন। তুরস্ক, ইরান, মালয়েশিয়া, জর্ডান, সৌদি আরব, সুদানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক সম্মেলনসমূহে ইসলামী ছাত্রশিবির দিকনির্দেশনামূলক ভূমিকা পালন করে।
আশির দশকের গোড়ার দিকে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ডড়ৎষফ অংংবসনষু ড়ভ গঁংষরস ণড়ঁঃয। ইতোপূর্বে ১৯৬৯ সালে ছাত্র-তরুণদের সংগঠনসমূহের ফেডারেশন ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ওংষধসরপ ঋবফবৎধঃরড়হ ড়ভ ঝঃঁফবহঃ ঙৎমধহরংধঃরড়হ গড়ে ওঠে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠার তৃতীয় বছরে ডঅগণ-এর সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৮২ সালে শিবির ওওঋঝঙ-এর সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৯১ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি লন্ডনে ণগঙ’র সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ১৯৯২ সালে কেন্দ্রীয় সভাপতি আ.জ.ম. ওবায়েদুল্লাহ সুদানের রাজধানী খার্তুমে ওওঋঝঙ-এর আÍর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। এ সম্মেলনে শিবিরের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ওওঋঝঙ-এর সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে ডঅগণ-এর আÍর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কুয়ালালামপুরে। এ সম্মেলনেও শিবিরের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
১৯৯৬ সালে তুরস্কের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ছাত্রশিবিরের তদানীন্তন কেন্দ্রীয় সভাপতি যোগদান করে বিশ্ব ছাত্র যুবআন্দোলনকে গতিশীল করার েেত্র গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ১৯৯৭ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আন্তর্জাতিক যুব সম্মেলন ও ইস্তাম্বুলের বিজয় বার্ষিকী উপলে তুরস্ক গমন করেন। সেখানে তিনি তুরস্কের বিভিন্ন শহরে অনেকগুলি কনফারেন্সে যোগদান করেন। এ সময় তিনি বাহরাইনও সফর করেন। ১৯৯৮ সালে শিবিরের তদানীন্তন কেন্দ্রীয় সভাপতি জনাব মতিউর রহমান আকন্দ জর্ডানে অনুষ্ঠিত ডঅগণ-র আন্তর্জাাতিক সম্মেলনে ণড়ঁঃয ধহফ ঈড়হঃবসঢ়ড়ৎধৎু ঈযধষষবহমব-এর ওপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং ডঅগণ-র অংরধ চধপরভরপ অঞ্চলের প্যানেল ডাইরেক্টরের অন্তর্ভুক্ত হন।
১৯৯৯ সালে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জনাব মতিউর রহমান আকন্দ সুদানের রাজধানী খার্তুমে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ছাত্র যুব সম্মেলনে যোগ দেন। প্রায় ৮০টি দেশের প্রতিনিধিরা এ সম্মেলনে যোগদান করেন। বিদায়ী শতাব্দীর শেষ ও নতুন শতাব্দীর আগমনের প্রাক্কালে আন্তর্জাতিক প্রোপট এবং ঘটনাবলির প্রেেিত ছাত্র ও যুব আন্দোলনের ভূমিকা শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এশিয়া মহাদেশে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের প থেকে কেন্দ্রীয় সভাপতি বক্তব্য রাখেন। তিনি তার বক্তব্যে সমগ্র বিশ্বের ছাত্র ও যুব সংগঠনসমূহকে একমঞ্চে সমবেত হয়ে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় বিকল্প অভিন্ন প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও আকাশ-সংস্কৃতির মোকাবেলায় মুসলিম বিশ্বের বিত্তশীল দেশের ব্যক্তিদের নিয়ে ফান্ড তৈরি করে ব্রডকাস্টিং নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। সম্মেলনে শিবির সভাপতির এ প্রস্তাব গৃহীত হয়। শিবির সভাপতির আবেগময়ী বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে সুদানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিবির সভাপতিকে হযরত মূসা (আ)-এর স্মৃতির প্রতীক লাঠি উপহার দেন। ঐ সম্মেলনে শিবিরের সভাপতি ডড়ৎষফ চধৎষরধসবহঃ-এর সদস্য হিসাবে মনোনীত হন।
শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ তাহের ডঅগণ-র এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ডাইরেক্টর ও ওওঋঝঙ-এর সেক্রেটারি জেনারেল হিসাবে মনোনীত হয়ে দীর্ঘদিন সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০০ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি জনাব এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ইসলামিক ফোরাম অব ইউরোপ ও ণঅগ-র সম্মেলন উপলে ইংল্যান্ডে যান। তিনি সেখানে ইংল্যান্ড ও ইতালির বিভিন্ন শহরে ইসলামিক ফোরাম অব ইউরোপের ভিন্ন ভিন্ন সম্মেলনে যোগদান করেন। তিনি জমিয়তে তালাবা পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে পাকিস্তান সফর করেন। ২০০১ সালে এশিয়া মহাদেশের ছাত্র ও যুবকদের সংগঠন নিয়ে গঠিত হয় অংরধহ ঋধফবৎধঃরড়হ ড়ভ গঁংষরস ণড়ঁঃয. এশিয়া মহাদেশের ছাত্র যুব সংগঠনগুলোকে সমন্বয় করা, সহযোগিতা করা, সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে প্রয়োজনীয় প্রশিণের মাধ্যমে যোগ্য করে গড়ে তোলার ল্েয অঋডণ গঠিত হয়েছে। সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠাকালীন এ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিনিধিত্ব করেন তৎকালীন বিদেশ বিষয়ক সম্পাদক। ইসলামী ছাত্রশিবির অঋগণ-র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। অঋগণ-র উদ্যোগে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত মাসব্যাপী ট্রেনিং প্রোগ্রামে ছাত্রশিবিরের প্রতিনিধিত্ব করেন কেন্দ্রীয় বিদেশ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি।
২০০১ সালে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জনাব মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম বুলবুল ডঅগণ-র উদ্যোগে ডড়ৎষফ ণড়ঁঃয ঈড়হভবৎবহপব-এ যোগদানের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া গমন করেন। ২০০২ সালে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জনাব মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম বুলবুল ডঅগণ-র উদ্যোগে রিয়াদে অনুষ্ঠিত চতুর্বার্ষিক সম্মেলনে গঁংষরস ণড়ঁঃয ধহফ এষড়নধষরংধঃরড়হ শীর্ষক কনফারেন্সে যোগদান করেন। উক্ত সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এশিয়ান ফেডারেশন অব মুসলিম ইয়ুথ এর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মনোনীত হন।
এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯ সালে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতিগণ বিভিন্ন আÍর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এসব কনফারেন্সে শিবির নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ওংষধসরপ ঝপযড়ষধৎ ও খবধফবৎ দের সাথে মতবিনিময় করেন।
২০০৮ সালে বর্তমান কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রেজাউল করিম ওওটগ -এর দাওয়াতে মালয়েশিয়া সফর করেন। সেখানে তিনি কনফারেন্সে অংশগ্রহণ ছাড়াও আনোয়ার ইব্রাহীমসহ আবিম নেতৃবৃন্দ ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে সাাৎ করেন। এ সময় তার সফরসঙ্গী ছিলেন বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল শিশির মোহাম্মদ মনির।
২০০৯ সালের প্রথম দিকে কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রেজাউল করিম ওণঋ (ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ণড়ঁঃয ঋড়ৎঁস)-এর আমন্ত্রণে তুরস্ক সফরে যান। সেখানে তিনি শিা ব্যবস্থার উপর একটি তথ্যবহুল প্রবন্ধও উপস্থাপন করেন। একই বছর ১৯ নভেম্বর তিনি হজ্বব্রত পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গমন করেন। সেখানে তিনি মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের সাথে মত বিনিময় করেন।
প্রতি বছর শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যান এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ইসলামী ব্যক্তিত্বদের সাথে মতবিনিময় করেন।
এভাবেই শিবির প্রতিটি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দেশের সচেতন তরুণদের প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠন হিসেবে তার ভূমিকা রেখে আসছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির : ঐতিহ্যের কতিপয় দিক
বাংলাদেশের একমাত্র ছাত্রসংগঠন এটি যেখানে অছাত্র অবস্থায় সদস্য থাকা যায় না। অধিকাংশ ছাত্র সংগঠনে যেখানে অছাত্রদের ভীড় সেেেত্র শিবিরের ঘোষণা একজন শিবির কর্মী প্রথমে ছাত্র তারপর তার অন্যান্য পরিচিতি।
১৯৭৭ সালে পথ চলা শুরু করার পর থেকে প্রতিবছর এই সংগঠনের নেতৃত্বের নির্বাচন হয়ে আসছে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পন্থায়, গোপন ব্যালটে এবং কোন প্রার্থীতা ছাড়াই। যার ফলে এ পর্যন্ত কখনও এসব নিয়ে দলীয় কোন্দল জন্ম নিতে পারেনি। বরং নির্বাচিত হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সভাপতি বা অন্যান্য পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের দায়িত্বের ভয়ে কাঁদতে দেখা যায়। বছর বছর নির্বাচনের ফলে নেতৃত্বের জট কিংবা আদু ভাই নেতৃত্ব গেড়ে বসার কোন সুযোগ এখানে সৃষ্টি হয়নি। ছাত্রশিবিরের এহেন নির্বাচন পদ্ধতি বাংলাদেশের অন্য কোন ছাত্র সংগঠন কল্পনাও করতে পারেনা।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সকল পর্যায়ে চালু আছে ‘মোহাসাবা’ বা গঠনমূলক সমালোচনা। কেবল আল্লাহর ভালবাসা, ভ্রাতৃত্ব ও সংগঠনের কল্যাণ সামনে রেখে যে কোন ব্যক্তি যে কোন দায়িত্বশীল ও কর্মীর আত্মশুদ্ধির নিয়্যতে খোলামেলা আলাপ করে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। সকল সামষ্টিক কর্মসূচির েেত্রও এ ধরনের আয়োজন থাকে। ফলে পারস্পরিক দোষারোপ, পরচর্চার পরিবর্তে পরিবেশ ধীরে ধীরে আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে সুন্দর হয়ে গড়ে উঠে।
শিবিরের সকল পর্যায়ের জনশক্তিকে নকল পরিহার করতে হয়। নকল করলে সংশ্লিষ্ট শিা প্রতিষ্ঠান বা শিকগণ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন আর না করুন শিবিরের দায়িত্বশীলগণ জানতে পারলে শপথের কর্মীর (সাথী ও সদস্য) পদ বাতিল হয়ে যায়। কেবলমাত্র খালেছ তাওবা ও নির্দিষ্ট নিয়মের পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে এ পদ পুনরায় ফিরে পাওয়া সম্ভব।
শিবির তার কর্মীদের নৈতিক মান রার েেত্র আপসহীন, দায়িত্ববান ও যতœশীল। এেেত্র ইসলামী শরীয়ার মৌলিক নীতির লংঘন, পর্দার খেলাপ আচরণ, লেনদেন সমস্যা, ওয়াদা খেলাপ ইত্যাদি বিষয়কে শিবির বিশেষভাবে দেখে। এই সুবাদে আজ শিবির কর্মীদের মাঝ থেকে দায়িত্ববান মুসলিম যুবকগণ বের হয়ে আসছেন।
শিবির কর্মীদের প্রত্যেককেই নিজের পকেট থেকে নিয়মিত সংগঠনকে এয়ানত বা মাসিক চাঁদা দিতে হয়। অন্য সংগঠনের কর্মীদের যেখানে প্রায় সময় প্রাপ্তিযোগ ঘটে সেেেত্র শিবির কর্মীদেরকে আর্থিক ও কায়িক কোরবানিতে শরিক হতে হয়।
শিবির ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার েেত্রও সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থী ঠিক করে থাকে। কোন শিবির নেতা ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার ভিত্তিতে কোথাও প্রার্থী হতে পারেন না। সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে কোন সময় প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেও ব্যক্তির কোন কথা থাকে না। কোথাও শিবিরের প্যানেল জয়ী হলে তারা ছাত্র-ছাত্রী ও প্রতিষ্ঠানের কল্যাণের জন্য জান-প্রাণ দিয়ে পরিশ্রম করেন। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, দলীয় স্বার্থ রা তাদের কর্মসূচির অংশ হয় না, বরং সেবা, পরোপকার ও জাতীয় স্বার্থই হয় তাদের প্রথম ও প্রধান বিবেচনা।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির প্রতি বছর ১৫ আগস্ট ইসলামী শিা দিবস পালন করে, যার প্রধান উদ্দেশ্য নৈতিকতা ও যোগ্যতার সমন্বয়ে কর্মমুখী একটি ইসলামী শিা ব্যবস্থা কায়েম করা Ñযা চাইতে গিয়ে ১৯৬৯ সালে ঘাতকদের হাতে পাশবিকভাবে শাহাদাত বরণ করেন উপমহাদেশের প্রথম ছাত্র শহীদ আব্দুল মালেক। এ দেশে ইসলামী শিার অনুকূলে ইংরেজী শিতিদের ত্যাগ ও কোরবানির ঐতিহ্যমণ্ডিত অধ্যায় শিবিরের একটি সংযোজন।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ইসলামের সুমহান আন্তর্জাতিকতায় বিশ্বাসী হওয়ার কারণেই প্রতি বৎসরই শিবিরের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বৃহত্তর ও ছাত্র ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে থাকে। একইভাবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে যোগ দিয়ে থাকেন। এতে নেতৃবৃন্দের মাঝে মত বিনিময় এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। বিগত ৩২ বছর যেসব নেতৃবৃন্দ শিবিরের সম্মেলনে এসে ছিলেন তাদের অনেকেই আজ সেই সব দেশের সম্মানিত মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও জাতীয় ব্যক্তিত্ব।

হত্যা, সন্ত্রাস ও নির্যাতন মোকাবেলায় শিবিরের ঐতিহ্য
ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ও রহমানের প্রকৃত বান্দা হিসেবে পৃথিবীর আগামী দিনের নেতা হিসেবে ছাত্রসমাজকে প্রস্তুত করার ল্েয বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবী নেতা, সফল সেনানায়ক ও সার্থক রাষ্ট্রপতি হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শকেই গ্রহণ করেছে। ফলে এ সংগঠন বিগত ৩২টি বছর ধরে তাঁর রেখে যাওয়া পথ অনুসরণ করে যাচ্ছে। এটি শিবিরের একটি বড় ধরনের অর্জন।
রাসূল (সা.) যেমন নবুয়তের ঘোষণা আসার সাথে সাথে কায়েমী স্বার্থবাদীদের রক্তচুর মুখে পড়লেন, তেমনি শিবির তার যাত্রা শুরু করার সাথে সাথে ইসলাম বিরোধী মহল, কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠীরা তাদের শত্র“তা শুরু করেছে। ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধাচরণ, শিবির নেতাকর্মীদের ব্যাপারে অপপ্রচার ছড়ানো, শিবিরের কর্মসূচির উপর হামলা, শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা, শিবির কর্মীদেরকে ব্যক্তিগত ও দলীয়ভাবে আঘাতে জর্জরিত করা, গোপনে ও প্রকাশ্যে হামলা করে শিবির কর্মীদের হত্যা করা এসবই হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি গোষ্ঠীর একমাত্র কাজ।
শিবির এসব অপপ্রচার, হামলা, সন্ত্রাস ও নির্যাতনের মোকাবেলায় 'ঞঅউ' পলিসি বজায় রেখে চলছে। শিবিরের দায়িত্বশীল ও কর্মীগণ সব সময়েই সহনশীলতা (ঞড়ষবৎধহপব), এড়িয়ে যাওয়া (আড়রফধহপব) এবং উপায়ন্তর না পেলে আত্মরামূলক (উবভবহপব) ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আত্মরার এ অধিকার তো একটি বনের প্রাণীরও রয়েছে। ‘চোরের মার বড় গলা’র মতো অনেকেই বরাবরই শিবিরেকে দোষ দিয়ে আসছে এবং শিবিরকে উল্টো সন্ত্রাসী, হত্যাকারী ও অসহিষ্ণু প্রমাণ করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।
এ পর্যন্ত বিভিন্ন সংগঠনের হামলায় শিবিরের ১৩৩ জন তাজা তরুণ কর্মী শাহাদাত বরণ করেছে। ওরা জানে না কী তাদের অপরাধ, কেন ওদের হত্যা করা হয়েছে। তেমনিভাবে আহত, পঙ্গু হয়ে কষ্টকর জীবন যাপন করছে শিবিরের শত শত কর্মী। চোখ, হাত, পা হারানো এসব ভাইদের সকরুণ জিজ্ঞাসা- “কেন আমাদের এমন হলো”? কেউই তার উত্তর দেয় না, অথচ সবাই এর উত্তর জানে।
“তাদের একমাত্র অপরাধ (!) তারা মহাপরাক্রমশালী সপ্রশংসিত আল্লাহর উপর ঈমান পোষণ করেছে”। ওরা জীবন দিয়ে শাহাদাতে হক্বের স্ব্যা রেখেছে। ওরা পঙ্গুত্ব বরণ করেছে কিন্তু বাতিলের সাথে আপস করেনি। ওরা লড়তে লড়তে জীবনের দাম খুঁজে পেয়েছে। আর এভাবে মৃত্যুর মাঝে জীবনের সন্ধান করে ফেরাই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক অনন্য ঐতিহ্য।

“আমাদের প্রত্যয় একটাই, আল্লাহর পথে মোরা চলবো
নিকষ কালিমা ভরা আকাশে ধ্র“ব জ্যোতি তারা হয়ে জ্বলবো”

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-একটি নাম, একটি ইতিহাস, আল্লাহর পথের এক দুঃসাহসী কাফেলা। হাঁটি হাঁটি পা পা করতে করতে পিছনে ফেলে এলো বত্রিশটি সোনালী বছর। শিবির পরিণত হলো তৌহিদি ছাত্র-জনতার আস্থা, ভালোবাসা, স্বস্তি ও মুক্তির এক প্রিয় ঠিকানায়। মায়ের মায়াবী আঁচল, বাবার স্নেহের বাঁধন, বোনের আদরের ডাক, ছোট্ট সোনামণিদের করুণ চাহনি কিছুই পিছনে টেনে রাখতে পারে না একজন শিবির কর্মীর সামনে বাড়ানো পা দুটিকে। ত্যাগ কোরবানির এক প্রচণ্ড আগ্রহ, জান্নাতের এক দুর্বার আকর্ষণ তার ছিন্ন মস্তককেও অবিচল চেয়ে থাকতে সাহস জোগায় সামনের পানে। শিবির তাই আজ এক বিপ্লবী কাফেলা এবং এক অকুতোভয় তারুণ্যের নাম।
সুদৃঢ় ও প্রত্যয়দীপ্ত এ কাফেলা একজন ছাত্রের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সাজাতে চায় স্বপ্ন, সংগ্রাম আর অর্জনের এক বিশাল সৌধের মতো করে। ঐতিহ্য সংরণ, ইতিহাস সৃষ্টি আর গৌরবময় ভবিষ্যৎ রচনার বিরামহীন প্রয়াসই শিবিরের পাথেয়। আজ যে “বাংলার ঘরে ঘরে, দুঃখীদের কুঁড়ে ঘরে” নতুন আশার বাণ ডেকেছে “বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির” এই জোয়ারের সূতিকাগার।
দুর্বার সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের পঙ্কে নিমজ্জিত বাংলাদেশের তরুণদের মুখে কালেমার বিপ্লবী বাণী তুলে দিয়েছে শিবির, তাদের বল্গাহীন জীবনে দিয়েছে বিবেক ও সুন্দরের লাগাম, তাদের মাঝে সৃষ্টি করেছে ধ্র“ব জ্যোতি তারার স্বচ্ছতা ও জ্যোতির্ময় চরিত্রের সমাহার।
আল্লাহর সন্তুষ্টি ও রাসুলের (সা.) শাফায়াত অর্জনের পথে শিবির ছুটে চলছে তিন দশকের এক প্রত্যয়ী অশ্বারোহীর মতো। তার কণ্ঠে তাই বিদ্রোহী কবি, ইসলামের কবি নজরুলের সেই বিপ্লবী গান-

“দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার হে!
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুঁশিয়ার।”

আপনারা কিভাবে দেখছেন জানিনা। আমি কিন্তু ভেবে আপ্লুত হচ্ছি, আশার সাগরে ভাসছি।কোনদিন ভেবেছি কি? ভাবিনি:গুলির মুখে সহাস্যে ...
23/08/2024

আপনারা কিভাবে দেখছেন জানিনা। আমি কিন্তু ভেবে আপ্লুত হচ্ছি, আশার সাগরে ভাসছি।

কোনদিন ভেবেছি কি? ভাবিনি:

গুলির মুখে সহাস্যে একজন যুবক বুক পেতে দিতে পারে?

একটি মেয়ে বজ্র কন্ঠে পুলিশকে ধমকাতে পারে নিজের অধিকারের জন্য?

ছোট্ট ছেলে-মেয়েকে পানি খাওয়াতে যেয়ে একজন মুগ্ধ গুলি খেতেও পারে?

ম্যাট্রিকে ফেইল করা বা কোন রকমে পাশ করা, চাকরি বাকরি নিয়ে মাথা না ঘামানো একটা অদ্ভুত সাহসী মেয়ে পুলিশের গুলির সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে বলবে, "কোটায় আমার কিছু যায় আসেনা, কোটা দিয়ে আমি করমু, কিন্তু ওরা আমার ভাইরে মারলো কেন এই জবাব দিতে হবে"।

কোন একদিন এই দেশে পুরা শহরের সবাই মিলে হৈহৈ রৈরৈ করে রাত জেগে ডাকাত ধরতে সারা রাত জেগে থাকবে?

কারো বাসায় ডাকাত পড়লে সবাই মিলে এভাবে ছুটে যাবে?

বন্যার কথা শুনে ক্লাস ফাইভের বাচ্চাটাও তার জমানো টাকা বের করে দিবে?

আমি বাংলাদেশকে কোনদিন এরকম শক্ত, ত্যাগী, যে কোন প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুত ভয়ংকর ইউনাইটেড দেখিনি।

আমি হঠাৎ করে একটা দেশকে বদলে যেতে দেখছি!

রাত জেগে মাদরাসার ছাত্ররা মন্দির পাহারা দিচ্ছে!

বড় বড় রুই-কাতলার অবৈধ মসনদ নেড়ে হেঁচড়ে গুড়িয়ে দিচ্ছে!

রাঘব-বোয়ালদেরকে, সিংহকে বিড়াল বানিয়ে খাঁচায় ঢুকিয়ে দিচ্ছে!

কোথায় যেন একটা ভয় কেটে গেছে মানুষের। সত্য ইমোশন প্রকাশ করবার একটা স্বাধীনতা যেন এসেছে মনে!

সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে, বহুদূর যাবে বলে প্রস্তুত হচ্ছে এই বাংলাদেশ।

তাই আসুন! যার যা আছে, তা নিয়েই দৌঁড়ে আসুন! ইতিহাস সৃষ্টি করুন! বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান। তারা আমাদেরই আপনজন। আমাদেরই বুকের ধন। কলিজার টুকরা।

Courtesy: Md. Abu Sina Sina

23/08/2024
05/08/2024

আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! ফালিল্লাহিল হা’মদ। শোকর ইয়া রব! হাজার কোটি শোকর!

আমরা স্বাধীন! মুক্ত! বাঁধাহীন! 💚

05/08/2024

আলহামদুলিল্লাহ
Game is Over

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অন্যায়গুলোর অন্যতম অন্যায় হলো নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা। যারা ক্ষমতা কিংবা অন্য কোনো দাপটের কারণে নির...
26/07/2024

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অন্যায়গুলোর অন্যতম অন্যায় হলো নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা। যারা ক্ষমতা কিংবা অন্য কোনো দাপটের কারণে নিরপরাধ মানুষ মারে তারা আর মানুষ থাকে না। তাবৎ পৃথিবীর মানুষ তাদের ধিক্কার জানায়। শুধু সভ্য সমাজ নয়, পৃথিবীর কোনো ধর্মে, সমাজে ও মতবাদে নিরাপরাধ মানুষ মারার কোনো বিধান নেই। এক্ষেত্রে ইসলাম সবচেয়ে কঠোর। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করল সে যেন পুরো পৃথিবীকে হত্যা করল, আর যে একজন (নিরপরাধ) মানুষকে বাঁচিয়ে দিল সে যেন পুরো পৃথিবীকে হত্যার হাত থেকে বাঁচিয়ে দিল (সুরা মায়েদাহ, আয়াত : ৩২)

হাদিসে এসেছে- ‘আল্লাহ দুনিয়া ধ্বংস হওয়া সয়ে যাবেন, তবে একজন নিরপরাধ মুসলমান হত্যা সহ্য করবেন না’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৩৯৫)

21/07/2024

ঢাবিতে স্লোগান.!
কৌটা দিয়ে করব কি,আমার ভাই ফিরবে কি?

তোর কৌটা তুই নেয়,শহীদ ভাইদের ফিরিয়ে দেয়.!

19/07/2024

শাটডাউন অব্যাহত থাকবে

ছাত্র বিক্ষোভে অর্ধশতাধিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে শাটডাউন অব্যাহত থাকবে- ঘোষনা আন্দোলনরত ছাত্র নেতৃবৃন্দের।

সূত্র: মানবজমিন

18/07/2024

AIUB এর ৩জন শহীদ
IUB এর ৫ জন শহীদ
IUT এর ১ জন শহীদ
MIST এর ১ জন শহীদ
DRMC এর ১ জন শহীদ
Northern এর ৩ জন শহীদ
East West এর ১ জন শহীদ
Madaripur Govt College এর ১ জন শহীদ
Dhaka Imperial College এর ১ জন শহীদ

#শুধু_আজকের_শহীদ_ভায়েরা 🥲

住所

Katsushika-ku, Tokyo

電話番号

+817013908881

ウェブサイト

アラート

Shibir Feni Polytechnic"শিবির ফেনী পলিটেকনিক"がニュースとプロモを投稿した時に最初に知って当社にメールを送信する最初の人になりましょう。あなたのメールアドレスはその他の目的には使用されず、いつでもサブスクリプションを解除することができます。

共有する

カテゴリー