ইশা মিডিয়া

ইশা মিডিয়া হলুদ মিডিয়ার বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায় স্?

22/04/2015

অনেকে প্রশ্ন করেন,
চরমোনাই ওয়ালারা
গনতন্ত্রের
রাজনীতি
করে সুতরাং তারা ও
কুফুরিতে লিপ্ত,(!)
একথাটি তারাই বলে,
যারা রাজনীতি,
ইতিহাস ও শরঈ
বিধানের ব্যপারে
অগ্য, কারণ,
গনতন্ত্রের থিউরী
হচ্ছে:- বাই দ্যা পিপল,
ফর দ্যা পিপল, অব দ্যা
পিপল। ভোটের মাধ্যমে
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়
যাওয়ার পর যারাএই
বিধাণ গুলির উপর
রাষ্ট্র
পরিচালনা করবে তারা
অবশ্যই কুফুরিতে
নিমজ্জিত। আর এটি
প্রায় দলের
গঠণতন্ত্রে উল্যেখ
আছে।
কিন্তু চরমোনাই
ওয়ালাদের গঠণতন্ত্রে
কি সেই থিউরী আছে?
চরমোনাই ওয়ালাদের
রাস্ট্র গঠনের বেলায়
মুলনীতি হচ্ছে, সকল
ক্ষমতার মালিক
আল্লাহ্, এই জমিন
আল্লাহর, আর
আল্লাহর জমিনে
আল্লাহর হুকুম
কায়েম করা।
অন্য দলের সাথে
চরমোনাই
ওয়ালাদেরকে ভোট
যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করা
নিয়ে অনেকে প্রশ্ন
করেছেন।
প্রথমে বলি, ভোট
মানে নেতা নির্বাচন,
যা খোলাফায়ে রাশেদার
যুগেও ছিলো কিন্তু
তখনকার অবস্থা আর
বর্তমান অবস্থা
অনেক ভিন্ন, তা
ঠিক, কিন্তু যেহেতু
বর্তমানে আমাদের
দেশে দুর্নীতিবাজ
শাসক দের দৌরাত্বা
বেড়েই চলছে সে
ক্ষেত্রে একজন
আদর্শ নেতার অনেক
প্রয়োজন। যদি সে
জাগায় কোন আদর্শ
নেতা না দাড়ায় তাহলে
পুনরায় সেই জাগায়
অত্যাচারী শাসক/
নেতা ঝেঁকে বসবে,
তাই আমরা নির্বাচন
করি।
হয়তো বলতে পারেন,
আপনারাতো পাশ
করবেন্না, কারণ
আপনাদের জন সমর্থণ
তেমন নেই।
ভাই আমরা যা করি
আল্লাহর সন্তুষ্টির
জন্য করি, জয়
পরাজয়
এর আশায় আমরা
কোনদিন নির্বাচন বা
রাজনীতি করিনি,
যাতে আল্লাহর
দরবারে জবাব দিহিতা
করতে না হয়, যে,
আমরা চেষ্টা করিনি।
যদি নিশ্চিত
ক্ষমতায় যাওয়ার
রাজনীতি করতাম
তাহলে আমরাতাহলে
আমরাও জোট
বদ্ধ হয়ে রাজনীতি
করতাম।
আর ভোট যুদ্ধ যেই
জন্য করতেছি, তা
উপরেই বর্ণনা
করেছি। মানে- সশস্র
বিপ্লবের মাধ্যমে
রাষ্ট্র ক্ষমতা কায়েম
করতে আমাদেরকে
অনেক বাঁধার
সম্মুক্ষিন হতে হবে,
এর বিপরীতে
নির্বাচন করা হলো
একটি "হেকমত।"
যেমন, কোরআনে মদ
পান করা হারাম বলা
হয়েছে, কিন্তু
ফোকাহাগণ কিছু
বিশেষ ক্ষেত্বিশেষ
ক্ষেত্রে তা
জায়েয বলেছেন(এটি
একটি ওঝর), তাই বলে
আমরা ফোকাহাগণকে
কি কুফুরী মতবাদী
বলে ফতোয়া দিতে
পারবো?
আর বাংলাদেশে
নির্বাচন এর বিকল্প
কোন পদ্ধতি
আপনাদের জানা
থাকলে বলুন? কারণ
আমরাও চাই পিওর
ভাবে একটি
কল্যাণকর ইসলামী
রাষ্ট্র কায়েম হোক।
যাদের মনে এখনো কোন
খটকা থেকে থাকে,
তারা ভোট
দেয়ার ইসলামীক
বিধাণের উপর
আল্লামা সামছুল হক
ফরিদফুরী রহঃ, আবুল
হাছান নদবী রহঃ, ও
আল্লামা তকি
উসমানি দাঃ বাঃ এর
লিখিত কিতাব গুলি
মোতায়ালা করবেন।
আল্লাহ তা'য়ালা
আমাদের সকলকে
দীনের সঠিক বুঝ দান
করুক। আমীন।

12/03/2015

পীর সাহেব
চরমোনাইর এই নীতির
রাজনীতিতে তবে কি মোরা অসহায়?
সৈয়দ মুহাম্মদ ফজলুল
করীম পীর
সাহেব চরমোনাই (রহঃ)
এক
আপোসহীন
বিপ্লবী আত্নার নাম।
যেই
বিপ্লবী সিপাহসালার
শ্লোগান
তুলেছিলেন" শুধু
নেতা নয় নীতির
পরিবর্তন চাই " তার
এই মহান শ্লোগানের
মাধ্যমে শুরু
হয়ছে নীতির
রাজনীতির।
রাজনীতিতে নীতিহীনতার
জোয়ার শুরু
হয়ছে বহু কাল থেকে।
স্বাধীনতা যুদ্ধ
পরবর্তী সময়েও এই
নীতির
রাজনীতির অভাবেই
স্বাধীনতার সুফল
থেকে এদেশের মানুষ
বন্চিত।
স্বাধীনতার পর
মুজিব,জিয়া আব্দুস
সাত্তার,এরশাদ,হ
াসিনা,খালেদা সহ
অনেক
চেহারার পরিবর্তন
হয়ছে,রদবদল
হয়ছে অনেক নেতা-
নেত্রীর।কি ন্তু
স্বাধীনতার
কাংক্ষিত সুফল
মেহনতী মানুষের
দুয়ারে কিন্চিত ও
আসেনি।মানুষ
ফিরে পায়নি তাদের
কাংক্ষিত-
প্রত্যাশিত শান্তি।
এসবের একটাই
কারন,স্বাধীনতার
পর থেকে অনেক
নেতার পরিবর্তন
হলেও পরিবর্তন
হয়নি নীতির। এযাবত
যত নেতা-
নেত্রী ক্ষমতায়
এসেছে তাদের
সকলেই তাগুতের
নীতি-আদর্শ
অনুযায়ী রাষ্ট্র শাসন
করেছে।এই
তাগুতী নীতির
মাধ্যমে কখনোই
শান্তির
আশা করা যায়না,তাই
এই তাগুতী নীতির
পরিবর্তন
দরকার,প্রয়োজন
আরেকটি নীতির
মজভুত অনুসরন।
যে নীতির কথা পীর
সাহেব চরমোনাই
(রহঃ) বলেছিলেন। এই
নীতি মহান
স্রষ্টা আল্লাহ
রাব্বুল আলামিনের
নীতি।
এটি বিশ্ব শান্তির
দূত রাহমাতুল লিল
আলামিন
মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ
(সঃ) এর নীতি।
যে নীতির
মাধ্যমে ইতিহাস
স্বীকৃত
আইয়ামে জাহিলিয়াতের
আমুল পরিবর্তন
হয়ছিল।তাই এই
মাতৃভুমিতেও এই
নীতির
রাজনীতি অভুদ্যয়
ঘটলো। ১৯৮৭ সালের
১৩ মার্চ ঢাকার
পল্টনে এক
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের
মাধ্যে এই নীতির
রাজনীতির জন্ম
হলো। প্রতিষ্ঠিত
হলো ইসলামী আন্দোলন
বাংলাদেশ।
সেদিন আমরা এই
নীতির
পথে একা হলেও এই
নীতির
দাবীতে অসহায়
হলেও,জোটের
ঝুটারা তাগুতী নীতির
মায়া ছেডে আমাদের
পাশে না ভিডলেও,আমাদের
সহযোগী হওয়ার
বিপরীতে প্রতিনিয়ত
এই নীতির
আন্দোলনের
গতিরোধে ফিরআউনী ভুমিকা পালন
করলেও
আলহামদুলিল্লাহ
আজ আমরা এ
পথে একা নই।
আমরা অসহায় নই।
আজ
টেকনাফ
থেকে তেতুলিয়া,রুপসা
থেকে পাথুরিয়া পর্যন্ত
সারা আঙ্গিনায়
আমাদের এই নীতির
রাজনীতির
পক্ষে জনমত
সৃষ্টি হয়ছে।এই
নীতির
শ্লোগানধারী বৃক্ষটি সেদিন
চারাগাছ
থাকলেও আজ এটির
শাখা-প্রশাখা হয়ছে।
এর
শিকড পৌছে গেছে এ
মাটির অনেক
গভীরে।কাজেই
আমরা আজ আর
অসহায়
নই।
আমাদেরকে যারা ফুক
দিয়ে উডিয়ে দেয়ার
স্বপ্ন
দেখছেন,আপনারা ভুলের
মধ্যে আছেন।কাজেই
এই নীতির
দাবীকে এই নীতির
আন্দোলনকে যারা স্তমিত
করে দেয়ার
কথা ভাবছেন,যারা এটিকে পর্যবেক্ষন
করছেন,আপনাদের
পর্যবেক্ষনতা এবং কু-
স্বপ্ন বাদ
দিয়ে আসুন
আমরা একসাথে এই
নীতির
রাজনীতিকে বেগবান
করি।পাল্টে দেই
এই তাগুতী নীতির
ধারা।তবেই
স্বাধীনতার সুফল এই
জাতির
নসিবে আসবে।রুদ্ধ
হবে জুলুম-
নির্যাতনের
কালো স্রোত।আল্লাহ
আমাদের
সকলকে তাওফিক
দিন,আমীন

বীর মুজাহিদ

18/02/2015

বাংলাদেশের
কুড়িগ্রামে কবর
দেওয়ার ৩২ বছর
পরে অক্ষত লাশ
উদ্ধার |
ভিডিওটা দেখুন
এখানে......
http://www.adarshabd.ga/video/list/4217538

02/02/2015

মানবরচিত মতবাদ নয় একমাত্র
ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার
মাধ্যমেই দেশে শান্তি আসবে -
পীর সাহেব চরমোনাই
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর
আমীর মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ
রেজাউল করীম (পীর সাহেব
চরমোনাই) বলেছেন, বাংলাদেশ
আজ এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে।
সরকার ও প্রশাসনের উপর মানুষের
কোনো আস্থা নেই। কারণ
সরকারে যারাই আছে এরা অসৎ,
দুর্নীতিবাজ, এরা দেশের অর্থ
চুরিকরে সারাদুনিয়া থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ
চোরের খেতাব পেয়েছে বার বার।
এরা জনগণকে ব্যবহার করে ক্ষমতায়
যাওয়ার সিড়ি হিসেবে। এজন্য শত
শত হাজার হাজার নয়, এই দুই
ফ্যামিলি (হাসিনা-খালেদা)
বাদে যদি বাংলাদেশের মানুষ
সবও খুন-গুম, হত্যা, ধর্ষণের শিকার
হয় তাতে এদের কিছু যায় আসে না।
একদল তালা মারে বাহির
দিকদিয়ে আর একদল তালা লাগায়
ভিতর দিয়ে। আওয়ামীলীগ
ক্ষমতায় যায় বিএনপির
ব্যর্থতাকে পুঁজি করে আর
বিএনপি ক্ষমতায় যায়
আওয়ামীলীগের
ব্যর্থতাকে পুঁজি করে। এদের
কোনো সফলতার কারণে মানুষ
তাদের ভোট দেয় না। এখন ইসলাম
প্রিয় মানুষদের জাগরণের সময়
এসেছে। ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠিত
হলে দেশে হিংসা, হানা-হানি,
মারা-মারি, খুনখারাবি,
টেন্ডারবাজী,
চাঁদাবাজী থাকবে না।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি)
বরিশাল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ
ময়দানে ইসলামী শ্রমিক
আন্দোলন বরিশাল জেলা ও
মহানগর শাখার
উদ্যোগে আয়োজিত ২ দিন
ব্যাপী বিশাল ওয়াজ মাহফিলের
শেষ দিনের প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, যে সরকার গণমানুষের
প্রয়োজন বুঝতে পারে না,
নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, তাদের
ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিাকার
নেই। সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও
শোষণ থেকে দেশের মানুষ
মুক্তি চায়।
তিনি বলেন, জনমনে শান্তি ও
স্বস্তি ফিরিয়ে আনার
লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংকট
সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণের
দাবীতে আমরা কিছু শান্তিপূর্ণ
কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। ৫
ফেব্রুয়ারি ঢাকায়
সাদা পতাকা নিয়ে মানববন্ধন
(গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ী), ৮
ফেব্রুয়ারি সারাদেশে জেলায়
জেলায়
সাদা পতাকা নিয়ে মানববন্ধন।
১৩
ফেব্রুয়ারি সারাদেশে প্রতিটি উপজেলায়
সাদা পতাকা নিয়ে মানববন্ধন।
এরপরও সংকট সমাধানের উদ্যোগ
নেয়া না হলে সারা দেশের
শান্তিকামী ও দেশপ্রেমিক
সর্বস্তরের
জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার
দাবীতে সাদা পতাকা নিয়ে ঢাকা অভিমুখে শান্তি অভিযাত্রা বা “মার্চ
ফর পিস” কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে,
ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, শতকরা ৯০ ভাগ
মুসলমানদের এদেশে বিধান
হবে কুরআনী সংবিধান। গণতন্ত্র,
সমাজতন্ত্র, পুজিঁবাদ,
ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও নাস্তিক
মুরদাতদের আাস্ফালন
মেনে নেয়া হবে না।

30/01/2015

ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন
সিলেট জেলা শাখার
২০১৫ইং সেশনের
ঘোষিত কমিটি।
সভাপতি: মুহা. মাহফুজুল হক তুহিন।
সহ-সভাপতি: মুহা. সোহেল
আহমেদ।
সাধারন সম্পাদক: মুহা. শিহাব
উদ্দিন।
আল্লাহ তায়ালা দ্বীন বিজয়ের
কাফেলা ইশা ছাত্র আন্দোলন
সিলেট
জেলা শাখার নব গঠিত
কমিটিকে কবুল
করুক। আমিন

09/01/2015

যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
যখন নক্ষত্রসমূহ ঝরে পড়বে,
যখন সমুদ্রকে উত্তাল
করে তোলা হবে
এবং যখন কবরসমূহ উম্মোচিত হবে,
তখন
প্রত্যেকে জানবে সে কি করেছে এবং কি করেনি।
হে মানুষ !
কিসে তোমাকে তোমার
মহামহিম
পালনকর্তা সম্পর্কে বিভ্রান্ত
করলো?
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন,
অতঃপর তোমাকে সুবিন্যস্ত
করেছেন
এবং সুষম করেছেন।
যিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছামত
আকৃতিতে গঠন করেছেন।
কখনও বিভ্রান্ত হয়ো না;
বরং তোমরাই ধর্মকে প্রত্যাখ্যান
করে থাকো।
অবশ্যই তোমাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক
নিযুক্ত আছে।
সম্মানিত আমল লেখকবৃন্দ।
তারা জানে যা তোমরা করো।
সৎকর্মশীলগণ থাকবে জান্নাতে।
আর পাপীরা থাকবে জাহান্নামে;
তারা বিচার দিবসে তথায় প্রবেশ
করবে।
তারা সেখান থেকে অদৃশ্য
হতে পারবে না।
আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?
অতঃপর আপনি জানেন, বিচার দিবস
কি?
যেদিন কেউ কারও কোনো উপকার
করতে পারবে না এবং সেদিন সব
কর্তৃত্ব
হবে আল্লাহর।
[আল কুরআন: সূরা ইনফিতার, আয়াত
১-১৯]

31/12/2014

দেশবাসীর প্রতি পীর সাহেব
চরমোনাই আহ্বান: বর্ষবরণের
নামে সকল প্রকার
অশ্লীলতা পরিহার করুন!
ইসলামী আন্দোলন
বাংলাদেশের আমীর
মুফতী সৈয়দ রেজাউল করীম পীর
সাহেব চরমোনাই ও মহাসচিব
অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ
বলেছেন, থার্টি ফার্স্ট
তথা বর্ষবরণের নামে সব ধরনের
অশ্লীলতা, বেহায়াপনা,
মাদকতা পরিত্যাগ করার জন্য
সকলের প্রতি আহবান
জানিয়ে বলেন, নতুন বছরের আগমন
উদযাপনের নামে তথাকথিত
‘থার্টি ফাস্ট নাইট’ সহ ইসলামী ও
দেশীয় সংস্কৃতিবিরোধী সব
ধরনের কার্যকলাপ বর্জনের
করা মুসলমানের কর্তব্য।
মনে রাখতে হবে, ‘থার্টি ফাস্ট
নাইট’ বিজাতীয় সংষ্কৃতি।
ইসলাম তথা মুসলমান কোন
নাগরিক এধরণের বিজাতীয়
সংষ্কৃতি উৎসব পালন
করতে পারে না।
যারা সংষ্কৃতির নামে মা-
বোনদের ইজ্জত
লুটে নিয়ে এহেন
বেহায়াপনাকে উসকে দেয়,
তারা আর যাইহোক মুসলমান
হতে পারে না।
বিবৃতিতে তিনি দেশবাসীকে ইংরেজি নতুন
বছরের
শুভেচ্ছা জানিয়ে পাশাপাশি তিনি বছরের
আগমন উদযাপনের
নামে অপসংষ্কৃতিকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে তা থেকে বিরত
থাকার আহ্বান জানান।
তিনি অত্যন্ত আক্ষেপ
করে বলেন,
জীবন থেকে একটি বছর
অতিবাহিত হয়ে গেল,
আমরা আল্লাহর কতটুকু
গোলামী করতে পেরেছি তা নিয়ে ভাববার
বিষয় ছিলো থার্টিফার্স্ট
নাইটে। অথচ আমরা করছি তার
উল্টোটো। ২০১৫ বর্ষ সমাগত।
আমাদের জীবন থেকে গত
হয়ে যাওয়া বছরটিতে ব্যক্তি,
সমাজ ও জাতীয়
জীবনে আমাদের কার্যক্রমের
হিসাবনিকাশ করে নতুন
বছরে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয়
জীবনে সার্বিক উন্নয়নের
লক্ষ্যে নতুন
পরিকল্পনা নিয়ে নিজ নিজ
কর্মক্ষেত্রে মেধা, সময় ও শ্রম
ব্যয়
করার সময় এসেছে।
থার্টি ফার্স্ট নাইট আমাদের
সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশ ও
বাংলাদেশীদের
কোনো সংস্কৃতি নয়,
এটি পাশ্চাত্যের অশ্লীল
সংস্কৃতি। এ
অপসংস্কৃতি চর্চায়
সরকারী নিষেধাজ্ঞা না থাকায়
আমাদের যুবক-যুবতীরা এ
রাতে ঢাকার বিভিন্ন হোটেল
ও ক্লাবে মদ, ইয়াবা ও
নেশাদ্রব্যসহ অশ্লীল
কাজকর্মে লিপ্ত থাকে।
ফলে যুবসমাজ মদ ও অশ্লিলতার
অন্ধকার পথে অগ্রসর হচ্ছে,
যা দেশের জন্য শংকার বিষয

24/12/2014

কোথায় গেল
নামধারীদের
নবী প্রেম?
যেই মুহূর্তে সমস্ত
নামধারী ইসলামী দল
নিরব ভুমিকা পালন
করছে আর
বিএনপি ক্ষমতার
জন্য
রাজপথে আন্দোলনের
প্রস্তুতি নিচ্ছে,
আওয়ামীলীগ
ক্ষমতায় থাকার
জন্য সর্ব
রকম
চেস্টা করে যাচ্ছে।
ঠিক সেই
মুহূর্তে ইসলামী আন্দোলন
বাংলাদেশ .নাস্তিক
মুরতাদ লতিফ
কাজ্জাবীর সর্বচ্চ
শাস্তি ও
সংসদে নাস্তিকদের
বিরুদ্ধে আইন
পাশের
দাবিতে .রাজপথে একের
পর
কর্মসূচি দিয়ে যাচ্ছে .আজ
তারা লতিফ
কাজ্জাবী ও
নাস্তিক
বিরোধী আইন পাশের
দাবিতে ঢাকা টু রংপুর
রোড
মার্চ .করতেছে।
আজ ওরা কোথায়
যারা পাঞ্জাবি টুপি পাগড়ি পরে দুই
নেত্রীর
পাশে বসে আরাম
করে আর বড়
গলায় কথা বলে আর
চরমোনাই পীরের
সমালোচনা করে বেড়াও .কোথায়
তাদের অনুসারী? ?
এবার
তো বুঝতে পেরেছো তারা কিসের
জন্য নেত্রীর
সাথে আছে? . কোথায়
গেল তাদের
নবী প্রেম? কোথায়
গেল
ইসলাম ও
মুসলমানদের ঈমান ও
আমল রক্ষার
আন্দোলন ??
তারা কেন
এখনো আচলের
তলে??

17/12/2014

হটাহাজারী মাদরাসার
ছাত্র মুহাব্বত
সিদ্দিকীর ওপর
বর্বর
পুলিশি হামলার
ঘটনায়
ইসলামী আন্দোলন
বাংলাদেশ চট্টগ্রাম
মহানগরের নিন্দা ও
প্রতিবাদ:
অবিলম্বে হামলাকারী পুলিশ
সদস্যকে শাস্তি দিতে হবে
উপমহাদেশের
অন্যতম প্রধান
ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা
ন দারুল উলুম
হাটাহাজারীর
হাদীসের
শিক্ষার্থী মুহাব্বত
আলীর ওপর
হাটাহাজারী থানার
দায়িত্বরত পুলিশ
কনস্টেবল জনৈক
সিরাজী কর্তৃক
গুলিকে গুরতর আহত
করার ঘটনায় তীব্র
নিন্দা এবং প্রতিবাদ
জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন
বাংলাদেশ চট্টগ্রাম
মহানগর। আজ
(বুধবার) এক
বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন
বাংলাদেশের
কেন্দ্রীয় কৃষি ও
শ্রম বিষয়ক
সম্পাদক ও মহানগর
সভাপতি আলহাজ
জান্নাতুল ইসলাম ও
সেক্রেটারি আল-
মুহাম্মদ ইকবাল
বলেছেন,
সরকারি বাহিনীগুলো বেপরোয়া হয়ে গেছে।
প্রতিনিয়ত নিরীহ
জনগণের ওপর
হামলার
ঘটনা ঘটে চলছে। গুম-
খুন এখন নিত্য-
নৈমিত্তিক
ব্যাপার
হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিনা কারণে হেটে যাওয়া নিরীহ
মাদরাসা ছাত্র
মুহাব্বত আলীর ওপর
হামলার ঘটনা প্রমাণ
করে সরকার মানুষর
জান-মালের
নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ
ব্যর্থ। নেতৃবৃন্দ
হামলাকারী পুলিশ
সদস্যকে কঠোর
শাস্তি দেওয়ার
আহ্বান
জানিয়ে বলেন,
অবিলম্বে হামলাকারীকে শাস্তি দিতে হবে।
তা না হলে দেশের
সর্বস্তরের
ওলামায়ে কেরামের
নেতৃত্বে কঠোর
কর্মসূচি দেওয়া হবে।

17/12/2014

শীর্ষ নিউজ ডটকম,
চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রামের
হাটহাজারী মাদ্রাসার
এক
ছাত্রকে গুলি করেছে নোমান
সিরাজী নামে এক
পুলিশ কনস্টেবল।
গুলিবিদ্ধ ছাত্রের
নাম মো. সিদ্দিক।
তিনি তাফসির
বিভাগের ছাত্র। তার
বাড়ি খুলনায়।
মঙ্গলবার রাত ৮টার
দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত
মাদ্রাসা ছাত্ররা রাস্তা অবরোধ
করেছে।
হাটহাজারী মাদ্রাসার
শিক্ষক ও
হেফাজতে ইসলামের
সাংগঠনিক সম্পাদক
মাওলানা আজিজুল
হক
ইসলামাবাদী শীর্ষ
নিউজকে এ তথ্য
নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, পুলিশ
বিনা কারণে তাকে গুলি করেছে।
পরে মাদ্রাসার অন্য
ছাত্ররা তাকে উদ্ধার
করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
জানা যায়, এ ঘটনায়
ওই
কনস্টেবলকে আটক
করেছে পুলিশ।
তবে এ
ব্যাপারে হাটহাজারী থানার
ওসি মো. ইসমাইল
জানান, ওই
কনস্টেবলকে ক্লোজড
করা হয়েছে।
তাকে থানার
হেফাজতে রাখা হয়েছে।
অন্য একজনের
সঙ্গে বাকবিতণ্ডার
একপর্যায়ে ওই
কনস্টেবল
গুলি করলে সেই
গুলি রাস্তার
বিপরীত
দিকে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের
গায়ে লাগে।
তিনি আরো জানান,
আহত মাদ্রাসা ছাত্র
বর্তমানে চট্টগ্রাম
মেডিকেল
কলেজে চিকিৎসাধীন
আছে।

16/12/2014

বিজয়ের এই দিনেও প্রমাণিত
হলো আমরা পরাধীন।
হায়েনাদের আবারো চোখ
পড়েছে হাটহাজারিতে।
================
ব্রেকিং নিউজ →→
এই মাত্র হাটহাজারিতে
হাটহাজারি মাদ্রাসার এক
ছাত্রকে পুলিশ গুলি করেছে।
গুরুতর
আহতাবস্থায় তাকে
হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মাদ্রাসা এরিয়াই
থমথমে অবস্থা
বিরাজ করছে।
তবে এখনো সঠিক কোন কারন
জানা যায় নি।

16/12/2014

১৬ ডিসেম্বর
নিয়ে দু'টি কথা...
একাত্তরে পাকিস্তান
ভেঙে মুসলিমদের দুই
টুকরা করে বাংলাদেশ
সৃষ্টি নাকি আফসোসের কারণ।
তাই যদি হয়,
তাহলে আমি বলব-
সাতচল্লিশে মুসলিমদের
ভূমি ইন্ডিয়া,
যাতে মুসলমানরা শত শত বছর
রাজত্ব করেছে, সেই
ভূমি হিন্দুদের
হাতে তুলে দেয়া তারচেয়েও
বড় আফসোস এবং 'লজ্জা'র
কারণ।
লজ্জাই বটে! তাও আবার কেমন
লজ্জা? এত বড় লজ্জা,
যা দেয়ার কৃতিত্ব এক
উপমহাদেশের মুসলিম ব্যাতীত
উম্মাতের আর কারো নেই।
মুসলমানরা স্পেন হারিয়েছে,
কিন্তু
বিনা যুদ্ধে খ্রিস্টানদের
হাতে তুলে দেয় নি।
ফিলিস্তিন মুসলমানদের
কাছে থেকে ইহুদীরা কেড়ে নিয়েছে,
কিন্তু যুদ্ধ এখনও থামে নি। আর
ইন্ডিয়া!!! সাড়ে বার লক্ষ
বর্গমাইল বিস্তৃত মুসলিম
ভূখণ্ড, দুই টুকরা জমির
লোভে এখানকার 'কৃতী'
মুসলিমরা হিন্দু আর শিখ
দাদাদের
হাতে তুলে দিয়েছে... ছিহ্!
আট হাজার বর্গমাইলের
ফিলিস্তিন
ইহুদীরা ছিনিয়ে নেয়ায়
সারা দুনিয়ার মুসলিমদের
আফসোসের শেষ নেই... আর
এদিকে ফিলিস্তিনের
চাইতে ৬৫ গুণ বড়
ইন্ডিয়া সেই সাতচল্লিশ
থেকে হিন্দুরা দখল
করে বসে আছে... এ
নিয়ে কারো কোন
মাথাব্যাথা নেই। আজব...!
সান্ত্বনার কথা হল, এই
উপমহাদেশের অতীতের
মুসলিমরা গত শতাব্দীর
কুলাঙ্গারদের মত কাপুরুষ ছিল
না। এই জমিনে শাহ আব্দুল
আযীযের মত মর্দে মুজাহিদও
জন্মেছিল, যার শিরায় শিরায়
ইসলামী আত্মমর্যাদাবোধ আর
গায়রতের লহু বইত...! দিল্লির
মসনদে তখনও মুসলমান বাদশাহ
ছিল, উপমহাদেশ দৃশ্যত তখনও
মুসলমানদের দখলে ছিল...
কিন্তু ঠিকই
তিনি উপমহাদেশকে নির্ভীক
কন্ঠে দারুল হারব
ফতোয়া দিয়ে ফিরিঙ্গীদের
বিরুদ্ধে জিহাদ
ঘোষণা করেছিলেন...
যাতে সাড়া দিয়ে হাজার
হাজার মুজাহিদ জিহাদের
ময়দানে রক্ত ঝরিয়েছিল...।
খ্রিস্টান ইংরেজরা দখল করায়
যদি ইন্ডিয়া দারুল হারব
হয়ে যেতে পারে,
তাহলে মুশরিক হিন্দুরা দখল
করলে দারুল হারব
হবে না কেন? গোবর
পূজারি হিন্দুরা কি মুসলমানদের
শ্বশুর লাগে নাকি? স্পষ্ট
কথা, ১৮০৬ সালে ঘোষিত শাহ
আব্দুল আযীয
মুহাদ্দিসে দেহ্ল্ভী রহ. এর
সেই ঐতিহাসিক ফতোয়া, আজ
দুই শতাব্দী পরেও ঠিক
তেমনি বহাল আছে,
এবং ততদিন থাকবে যতদিন এই
উপমহাদেশ নাপাক মুশরিক
হিন্দু-শিখদের
কবজা থেকে মুক্ত হয়ে পুনরায়
মুসলমানদের
কাছে ফিরে না আসবে।
ইনশাআল্লাহ্! সেই দিন
বেশী দুরে না যেই দিন
গাযওয়াতুল হিন্দের
মুজাহিদরা বাংলাদেশ,
ইন্ডিয়া,
পাকিস্তানকে আলাদা করে আঁকা হারাম
বর্ডার,
পা মাড়িয়ে চিরদিনের জন্য
মুছে দিবে। উপমহাদেশ
মুসলমানদের, চিরকাল
মুসলমানদের থাকবে...

Address

Juri
Juri
DHAKA

Telephone

01790717083

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইশা মিডিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share