আজাদ গণ মোর্চা

  • Home
  • আজাদ গণ মোর্চা

আজাদ গণ মোর্চা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আজাদ গণ মোর্চা, Political organisation, .

গণ রাজনৈতিক সংগঠন। যার মূল উদ্দেশ্য হলো – মানুষের গণতান্ত্রিক ক্ষমতায়ন এবং জীবন-জীবিকা-শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর বিকাশ ও সম্প্রসারণ ঘটানো, দলিত-আদিবাসী-সংখ্যালঘুদের জন্য সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।

আজ গড়িয়া মোড়ে আজাদ গণ মোর্চা'র পথসভা।মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করার বিরুদ্ধে, মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর আক্রমণের বিরুদ...
22/08/2026

আজ গড়িয়া মোড়ে আজাদ গণ মোর্চা'র পথসভা।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করার বিরুদ্ধে, মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর আক্রমণের বিরুদ্ধে, নারীদের ওপর আক্রমণের বিরুদ্ধে এবং তোলাবাজি, সিন্ডিকেটরাজ ও গুন্ডাগিরির বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ।

আগামী দিনেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলবে !! মানুষের অধিকার ও মর্যাদার জন্য লড়াই চলবে !!

২২ শে আগস্ট পথসভা !! আপনিও আসুন , প্রতিবাদে সামিল হন !!
20/08/2026

২২ শে আগস্ট পথসভা !!
আপনিও আসুন , প্রতিবাদে সামিল হন !!

"আপাতদৃষ্টিতে মনে হতেই পারে যে বিজ্ঞানের আশীর্বাদের সাগরে ভাসছি সবাই আর অভিশাপের পর্বটা চশমা পড়া চর্মচক্ষে বিশেষ ধরা পড়ছ...
19/08/2026

"আপাতদৃষ্টিতে মনে হতেই পারে যে বিজ্ঞানের আশীর্বাদের সাগরে ভাসছি সবাই আর অভিশাপের পর্বটা চশমা পড়া চর্মচক্ষে বিশেষ ধরা পড়ছে না। কিন্তু কখনো কি আমরা প্রশ্ন করি যে দিল্লিতে AQI-এর অতিবৃদ্ধি, বেঙ্গালুরুর জলসঙ্কট, উত্তরাখণ্ডের ক্লাউডবার্স্ট, মুম্বাই এর বানভাসি বর্ষা বা দক্ষিণ ভারতে মাত্রাতিরিক্ত সাইক্লোনের সাথে আমাদের নিরন্তর ডাটা সার্চের কি কোনো সম্পর্ক আছে? অভিশাপের প্রশ্ন তা এখানেই লুকিয়ে আছে| ডাটা সেন্টার তৈরী করে পাশ্চাত্যের দেশগুলিতে যেসব জলবায়ুগত পরিবর্তন হচ্ছে তা আমাদের দেশে কি প্রভাব দেখাতে পারে? কিভাবেই বা সেইসব সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব? শাসক ও রাষ্ট্রব্যবস্থা কি সত্যিই তার জন্য আন্তরিক সদিচ্ছা দেখাচ্ছে?"

বিশদে পড়ুন –
ডাটা সেন্টার : সত্যিই উন্নয়নের প্রতীক? নাকি পরিবেশের উপর আরও একটা আঘাত?

>

১৬ অগাস্ট, সুরাটের অ্যামব্রয়ডারি শিল্পে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। দাবি একটাই—রবিবার একটা বাধ্যতামূলক সা...
18/08/2026

১৬ অগাস্ট, সুরাটের অ্যামব্রয়ডারি শিল্পে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। দাবি একটাই—রবিবার একটা বাধ্যতামূলক সাপ্তাহিক ছুটি চাই। অন্য কোনো দাবি নেই এই আন্দোলনে, শুধু এই একটা প্রশ্নেই হাজার হাজার মানুষ মেশিন বন্ধ করে দিয়েছেন।

আমরোলি অঞ্জনি ইন্ডাস্ট্রিজ, কাটারগাম জিআইডিসি আর সাচিন জিআইডিসি—এই তিন শিল্পাঞ্চলে একসঙ্গে কাজ থেমে যায়। শ্রমিকদের বক্তব্য, অন্য সব ক্ষেত্রের কর্মীরা সপ্তাহে একটা ছুটি পান, অথচ এমব্রয়ডারি শ্রমিকদের একটানা কাজ করে যেতে হয়, নিয়মিত ছুটি ছাড়াই। দীর্ঘদিনের এই জমে থাকা ক্ষোভ থেকেই আজকের এই আন্দোলন। শ্রমিকরা বলছেন, একটানা কাজের ফলে তাঁরা শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত, আর অন্য ক্ষেত্রের মতো তাঁদেরও রবিবার বাধ্যতামূলক ছুটি চাই।

শ্রমিকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ফ্যাক্টরি মালিক বা সংগঠনের তরফ থেকে রবিবারের ছুটি নিয়ে লিখিত আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা কাজে ফিরবেন না। হাজার হাজার শ্রমিক এই আন্দোলনে সামিল হওয়ায় সুরাটের টেক্সটাইল ও এমব্রয়ডারি উৎপাদনে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঘটনাস্থলে বড় সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। পুলিশ শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মেটানোর চেষ্টা করছে।

এত সহজ একটা দাবি—সপ্তাহে একটা ছুটি—তার জন্য হাজার হাজার মানুষকে মেশিন বন্ধ করে রাস্তায় নামতে হল, পুলিশ বাহিনী নামাতে হল। এই একটা তথ্যই বলে দেয়, দাবিটা যতটা না নতুন, তার চেয়ে বেশি পুরনো একটা অস্বীকৃতির ফল। কারখানা মালিকরা বছরের পর বছর এই দাবি না শুনে চেপে রেখেছেন, আর যেদিন শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দিলেন, সেদিনই প্রশাসন নড়েচড়ে বসল, পুলিশ বাহিনী মোতায়েন হল। অর্থাৎ শ্রমিকের কথা তখনই শোনা হয়, যখন সে উৎপাদন থামিয়ে দেয়—তার আগে তার ক্লান্তি, তার শরীর, সপ্তাহে একটা দিন পরিবারের সঙ্গে থাকার অধিকার, কোনোটাই আলোচনার যোগ্য বিষয় বলে গণ্য হয় না।

এই ছবি সুরাটে বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে হাজিরার আর্সেলরমিত্তল নিপ্পন স্টিল প্রকল্পে এল অ্যান্ড টি-র পাঁচ হাজারেরও বেশি ঠিকা শ্রমিক ৮ ঘণ্টার কর্মদিবস আর সময়মতো মজুরির দাবিতে রাস্তায় নেমেছিলেন, পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছুড়েছিল। একই সময়ে নয়ডা, গুরুগ্রাম, ফরিদাবাদ, পানিপথ, বরৌনিতেও শ্রমিকরা একই ধরনের দাবি নিয়ে পথে নেমেছেন—৮ ঘণ্টা কাজ, সময়মতো মজুরি, ন্যূনতম মানবিক শর্ত। রবিবারের ছুটির এই আন্দোলন সেই একই ধারাবাহিকতার অংশ, যেখানে শ্রম আইন যা বহু আগেই লিখে দিয়েছে, আজ সেটুকু পেতেও শ্রমিকদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে। সরকার একদিকে শিল্পপতিদের জন্য লাল কার্পেট বিছিয়ে বিনিয়োগের অঙ্ক নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে, অন্যদিকে যে শ্রমিকের ঘামে সেই বিনিয়োগ ফসল দেয়, তার সপ্তাহে একটা দিনের ছুটিটুকুও লিখিত প্রতিশ্রুতি ছাড়া মেলে না। এটাই এই ব্যবস্থার আসল চেহারা।

অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে !!
16/08/2026

অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে !!

স্কুলে পাখা নেই, খাবার জলে ময়লা ভাসে, টয়লেট ব্যবহারের অযোগ্য, আর ক্লাসরুমে শিক্ষকই নেই — এই তো ছিল ভারতের সরকারি স্কুল...
15/08/2026

স্কুলে পাখা নেই, খাবার জলে ময়লা ভাসে, টয়লেট ব্যবহারের অযোগ্য, আর ক্লাসরুমে শিক্ষকই নেই — এই তো ছিল ভারতের সরকারি স্কুলের রোজকার ছবি, যা নিয়ে অভিভাবকরা বছরের পর বছর অভিযোগ জানিয়ে ক্লান্ত হয়ে গেছেন। এবার সেই লড়াইটা নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে জেন আলফা — ২০১০ সালের পরে জন্মানো বাচ্চারা, যাদের এতদিন শুধু স্ক্রিন-টাইম আর রিলস নিয়ে ব্যঙ্গ করা হত। উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান আর ঝাড়খণ্ডে গত কয়েক সপ্তাহে একের পর এক স্কুলে ছাত্রছাত্রীরা গেট আটকে, রাস্তায় নেমে, এমনকি থানার সামনে গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। রাজস্থানের জালোরের মেঙ্গালওয়া স্কুলে প্রথম-দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়ারা শিক্ষক না থাকায় স্কুলের গেটে তালা লাগিয়ে বসে পড়ে। বারমেরের রামসার স্কুলেও একই ছবি। উত্তরাখণ্ডের খাতিমায় একলব্য আবাসিক স্কুলে নোংরা শৌচাগার আর খারাপ খাবার নিয়ে ছাত্ররা ধর্নায় বসতেই প্রধান শিক্ষককে সাসপেন্ড করতে বাধ্য হয় প্রশাসন। উত্তরপ্রদেশের হারদৈয়ে মিড-ডে মিলের ভাইরাল ভিডিও প্রশাসনকে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করেছে, আর হামিরপুরে ছাত্ররা তেরঙা হাতে কালেক্টরেট পর্যন্ত মিছিল করে স্কুল-রোডের জন্য পৌনে দুই কোটি টাকা আদায় করে ছেড়েছে। ঝাড়খণ্ডের গড়ওয়ায় প্রিয় শিক্ষকের বদলি রুখতে ছাত্ররা থানায় পাথর ছোড়ে, পুলিশ জখম হয়। রাজস্থানের ঝুনঝুনুতে তো শিক্ষক বদলির প্রতিবাদে ছাত্ররাই থানা আর সরকারি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় — এটা জেন জি-র দিল্লি-কাঁপানো আন্দোলনের ব্যাটন হাতে নিয়ে জেন আলফার পথে নামা।

আর এই ছবিটা যদি পশ্চিমবঙ্গের কাছে অচেনা মনে হয়, তাহলে ভুল ভাবছেন। রাজ্যের প্রায় ১,৬০০টি সরকারি স্কুলে একজনও ছাত্রছাত্রী নেই, অথচ শিক্ষক-শিক্ষিকার আসন ফাঁকা পড়ে আছে অসংখ্য স্কুলে — এই বৈষম্য সামলাতে গিয়ে সরকার নিজেই বদলি-নীতি বদলাতে বাধ্য হয়েছে। এই মে মাসে বাংলায় পনেরো বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি, শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী। জুন মাসের বাজেটে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ঘোষণা করেছেন পঞ্চাশ হাজার নতুন শিক্ষক নিয়োগের কথা। কিন্তু যে রাজ্যে এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারির ক্ষত এখনও শুকোয়নি, সেখানে "পঞ্চাশ হাজার নিয়োগ"-এর প্রতিশ্রুতি স্রেফ কাগজে-কলমে ঘোষণা থেকে যাবে, নাকি সত্যিই ক্লাসরুমে শিক্ষক পৌঁছবে — সেটা ঠিক করার দায়িত্ব সরকারের হাতে ছেড়ে দিলে চলবে না। রাজস্থান-উত্তরপ্রদেশ-ঝাড়খণ্ডের বাচ্চারা যা করে দেখাল, তা হল — দাবি জানানোর জন্য বড় হয়ে ভোটার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় না।

তাই এই লেখা শুধু অন্য রাজ্যের খবর জানানোর জন্য নয়, বাংলার মানুষের কাছে একটা সোজাসাপটা আহ্বানও বটে। আপনার পাড়ার স্কুলে পানীয় জল আসছে কিনা, টয়লেট চালু আছে কিনা, বিজ্ঞান বা অঙ্কের শিক্ষক আদৌ আছেন কিনা — এই খোঁজ নেওয়ার কাজটা আর শুধু অভিভাবক সমিতির চিঠি লেখায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। জেন আলফা যদি জালোর কি খাতিমায় গেটে তালা লাগাতে পারে, তাহলে বাংলার অভিভাবক, শিক্ষক, প্রাক্তন ছাত্র আর স্থানীয় মানুষ মিলে বিডিও অফিস কি জেলা শিক্ষা দফতরের সামনে জমায়েত করতে পারবে না কেন। পঞ্চাশ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে কতদূর গড়াল, শূন্য পদ কবে ভরবে, স্কুলগুলোয় ন্যূনতম পরিকাঠামো কবে আসবে — এই প্রশ্নগুলো তুলে রাস্তায় নামার সময় এসেছে, শুধু ভোটের বাক্সে জবাব দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করার সময় আর নেই।

এয়ারটেল-জিও আবারও রিচার্জের দাম বাড়াতে চলেছে, প্রতি দু-তিন মাসেই মনগড়া ভাবে দাম বাড়িয়ে চলাটাই এখন নিয়ম হয়ে দাঁড়ি...
15/08/2026

এয়ারটেল-জিও আবারও রিচার্জের দাম বাড়াতে চলেছে, প্রতি দু-তিন মাসেই মনগড়া ভাবে দাম বাড়িয়ে চলাটাই এখন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালে একধাক্কায় দাম বেড়েছিল ২১% পর্যন্ত, আর এবার আরও ১২-২০% বাড়ানোর প্রস্তুতি চলছে বলে রিপোর্ট বলছে। এয়ারটেল ইতিমধ্যে নীরবে ২৯৯ টাকার প্ল্যান তুলে দিয়ে ন্যূনতম দর করে দিয়েছে ৩৪৯ টাকা, কোনো ঘোষণা ছাড়াই, প্রায় ১৭% বাড়তি বোঝা চাপিয়ে। বাজারে নামমাত্র চারটে সংস্থা, জিও, এয়ারটেল, ভিআই আর বিএসএনএল, কিন্তু ভিআইয়ের অবস্থা তথৈবচ, আর বিএসএনএলের নেটওয়ার্কই ঠিকমতো থাকে না। ফলে বাস্তবে বাঁচল শুধু জিও আর এয়ারটেল, আর এই দুই সংস্থার ডুয়োপলি সুযোগেই তারা যা ইচ্ছে তাই করে চলেছে গ্রাহকের পকেটের ওপর।

সমস্ত অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে, সাধারণ মানুষের নাগালে সস্তার প্ল্যান ফেরাতে হবে, আর ট্রাইকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করতে হবে।

স্কুল ঠিক করতে হবে, নইলে গদি ছাড়তে হবে !!
13/08/2026

স্কুল ঠিক করতে হবে,
নইলে গদি ছাড়তে হবে !!

মহারাষ্ট্র সরকার সোমবার প্রায় ৮৩,৭০০ বর্গফুট বনভূমি তুলে দিল আদানি গোষ্ঠীর দুটি প্রকল্পের হাতে। রাজ্যের বন দপ্তর দুটি প...
13/08/2026

মহারাষ্ট্র সরকার সোমবার প্রায় ৮৩,৭০০ বর্গফুট বনভূমি তুলে দিল আদানি গোষ্ঠীর দুটি প্রকল্পের হাতে। রাজ্যের বন দপ্তর দুটি পৃথক সরকারি প্রস্তাব জারি করে এই জমি আদানি সিমেন্টেশন লিমিটেড এবং আদানি টোটাল গ্যাস লিমিটেডকে পাইয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে বড় অংশটি, প্রায় ৬৯,৯৩৩ বর্গফুট বা ০.৬৪৯৭ হেক্টর সংরক্ষিত বন, নালা ম্যানগ্রোভ এবং খাঁড়ির ম্যানগ্রোভ জমি, রায়গড় জেলার আলিবাগ তালুকের শাহাপুর ও শাহাবাজ গ্রামে অবস্থিত। এই জমি আদানি সিমেন্টেশন ব্যবহার করবে তাদের রায়গড় সিমেন্ট বাল্ক টার্মিনালের জন্য একটি বার্থিং জেটি এবং কনভেয়র করিডোর তৈরিতে। বাকি প্রায় ১৩,৭৮৮ বর্গফুট বা ০.১২৮১ হেক্টর সংরক্ষিত ও চিহ্নিত বনভূমি গেছে আদানি টোটাল গ্যাসের হাতে, অমরাবতী শহর ও তার আশপাশে গ্যাস সরবরাহের পাইপলাইন বসানোর কাজে। সরকারি নির্দেশনামায় শর্ত রাখা হয়েছে বন দপ্তরের কর্মীদের অবাধ প্রবেশাধিকার থাকতে হবে, নইলে অনুমতি প্রত্যাহার হবে— কিন্তু এই শর্ত যে কাগজেই থেকে যাবে, বাস্তবে কার্যকর হবে না, তা মহারাষ্ট্রের প্রশাসনিক ইতিহাস দেখলেই বোঝা যায়।

ম্যানগ্রোভ বন কোনো ফাঁকা জমি নয়। কোঙ্কন উপকূলের এই ম্যানগ্রোভ ঝড়ের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক দেয়াল, মাছের প্রজননক্ষেত্র, স্থানীয় জেলে ও কৃষিজীবী মানুষের জীবিকার ভিত্তি। একবার কেটে ফেললে সেই বাস্তুতন্ত্র আর কখনও ফেরে না, ক্ষতিপূরণ বনায়নের নামে যা হয় তা স্রেফ হিসেবের প্রতারণা। অথচ একনাথ শিন্ডে সরকার একদিনে দুটি প্রস্তাব সই করে এই সংবেদনশীল জমি এক শিল্পগোষ্ঠীর হাতে তুলে দিল, কোনো প্রকৃত জনশুনানি ছাড়াই, স্থানীয় মানুষের সম্মতি না নিয়েই। এটা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এটা একজন ধনকুবেরের ফরমায়েশ পূরণ।

কারণ এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন কোনো ভুল নয়, এটা একটা প্যাটার্ন, একটা প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা। গোন্দিয়ায় কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য দেড়শো হেক্টরের বেশি বনভূমি, রত্নাগিরিতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের নামে জমি অধিগ্রহণের অভিযোগ, মুম্বইয়ের লবণাক্ত জমি ধারাভি প্রকল্পের হাতে তুলে দেওয়া— মহারাষ্ট্রের প্রতিটি বড় জমি হস্তান্তরের ফাইলে একটাই নাম বারবার ফিরে আসে। এটা কাকতালীয় নয়, এটা শাসকযন্ত্রের সচেতন সিদ্ধান্ত। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর সরকার আর আদানি গোষ্ঠীর মধ্যে যে সম্পর্ক, তাকে ভদ্র ভাষায় "ঘনিষ্ঠতা" বলা চলে না— এটা সরাসরি দালালি। রাজ্য প্রশাসন এখানে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় নেই, তারা কাজ করছে আদানির জমি-সংগ্রাহক হিসেবে, বিনিময়ে যে রাজনৈতিক অর্থ ও সুবিধা আসে তার হিসেব প্রকাশ্যে কখনও আসে না।

পরিবেশ মন্ত্রক, বন দপ্তর, রাজ্য মন্ত্রিসভা— যাদের কাজ ছিল করপোরেট লোভ থেকে জঙ্গল আর মানুষকে রক্ষা করা, তারা আজ আদানির স্বাক্ষরকারী যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষ একটুকরো জমির পাট্টার জন্য বছরের পর বছর সরকারি দপ্তরে ঘোরে, আর হাজার হাজার বর্গফুট সংরক্ষিত বন এক স্বাক্ষরে বদলে যায় ধনকুবেরের সম্পত্তিতে। এটাই আজকের ভারতের আসল ছবি— শাসক যার পক্ষে দাঁড়ানোর কথা ছিল জনগণের, সে দাঁড়িয়ে আছে আদানির পক্ষে, আর এই সরকার তার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে নির্লজ্জভাবে, প্রকাশ্যে, কোনো রাখঢাক ছাড়াই।

বিশাখাপত্তনমের তারলুভাডা গ্রামের পাশে একটা পাহাড় কেটে লাল মাটি বের করে সিঁড়ির মতো ধাপ কাটা হয়েছে — গুগলের ১৫ বিলিয়ন ...
10/08/2026

বিশাখাপত্তনমের তারলুভাডা গ্রামের পাশে একটা পাহাড় কেটে লাল মাটি বের করে সিঁড়ির মতো ধাপ কাটা হয়েছে — গুগলের ১৫ বিলিয়ন ডলারের ডেটা সেন্টার প্রকল্পের জন্য। জেসিবি চলছে পুরোদমে। রয়টার্সের প্রতিনিধি সোমবার সেখানে গিয়ে দেখেছেন, মাটি কাটার কাজ এক মুহূর্তের জন্যও থামেনি। অথচ ঠিক এই জায়গা থেকে মাত্র ৮৬০ মিটার দূরে কম্বলাকোন্ডা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি — চিতাবাঘ আর প্যাঙ্গোলিনের বাসস্থান। অন্ধ্র প্রদেশ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে। নির্মাণের শব্দ আর কম্পন যে অভয়ারণ্যের বন্যপ্রাণীদের ওপর সরাসরি আঘাত হানবে, সেই আশঙ্কাতেই এই মামলা। রাজ্য সরকারের জবাব যেন এমন—আইনের মাপজোক মেনে দূরত্বটা ঠিক থাকলেই সব ঠিক, অভয়ারণ্যের বন্যপ্রাণী আর পরিবেশের ক্ষতি হবে কি না, সেটা যেন দেখার বিষয়ই নয়।

এই "আইনসম্মত ছাড়পত্র"-এর আসল রূপটা বোঝা দরকার। এপ্রিলে মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু যখন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে যাচ্ছেন, তার ঠিক কয়েকদিন আগে রাজ্য পরিবেশ প্রভাব মূল্যায়ন কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি ছাড়পত্র দিয়ে দেয় — কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের appraisal আর বাধ্যতামূলক জনশুনানি, দুটোই এড়িয়ে। রাজ্য সরকারের একটা সরকারি আদেশে স্পষ্ট লেখা আছে, আদানি ইনফ্রার অনুরোধ মেনে ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি সংক্রান্ত ছাড়পত্রেও বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে, সঙ্গে জমি-জল-বিদ্যুৎ-করে ভর্তুকির পুরো প্যাকেজ। অর্থাৎ ভিত্তিপ্রস্তর বসানোর অনুষ্ঠানটা আগে থেকেই সাজানো হয়েছিল, আর নিয়মকানুন বাঁকানো হয়েছে তার সুবিধার জন্য পরে — এই হলো নাইডু সরকারের "স্বচ্ছ প্রশাসন"-এর নমুনা।

গুগলের সঙ্গী এখানে আদানি গোষ্ঠী — সেই নামটা, যা বারবার ফিরে আসে যেখানেই কর্পোরেট প্রকল্পের সঙ্গে জল, জঙ্গল, জমি নিয়ে বিতর্ক জড়ায়। মুখ্যমন্ত্রীর দল একে "ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী" বলে প্রচার করছে, ১ লক্ষ ৮৮ হাজার কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কিন্তু বিশাখাপত্তনমের রাস্তায় শিশু আর পরিবেশকর্মীরা নেমে এসেছে ব্যানার হাতে — "We cannot drink DATA"। গুগলের লোগোয় এঁকেছে হাতকড়া। প্রশ্নটা সহজ: এই শহরের ভূগর্ভস্থ জলস্তর, যা এমনিতেই চাপে, সেখান থেকে একটা ডেটা সেন্টার হাব প্রতিদিন কতটা জল টানবে, আর সেই হিসেব জনসমক্ষে কতটা এসেছে?

আসল কথাটা হলো, বিজেপির শরিক নাইডুর সরকার যা করে দেখাচ্ছে, সেটা কোনো নতুন প্রশাসনিক দুর্বলতা নয়, এটা একটা রাজনৈতিক পছন্দ। জনশুনানি এড়িয়ে যাওয়া, ছাড়পত্র আগেভাগে সাজিয়ে রাখা, প্রশ্ন তোলা কর্মীদের বিরুদ্ধে আদালতে আদালতে ঘোরানো — এসবই বলে দেয়, শাসক আসলে কার স্বার্থরক্ষায় ব্যস্ত। "বিনিয়োগ" শব্দটা এখানে একটা ঢাল হয়ে উঠেছে, যার আড়ালে সাধারণ মানুষের জল আর জঙ্গলের অধিকারকে গৌণ করে দেওয়া হচ্ছে। উন্নয়নের নামে যা ঘটছে, তা আসলে জনগণের সম্পদ কর্পোরেটের হাতে তুলে দেওয়ার একটা প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মাত্র — আর এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি দাম দিতে হয় তাদের, যাদের কণ্ঠস্বর সবচেয়ে কম শোনা যায়।

Address


700011

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আজাদ গণ মোর্চা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to আজাদ গণ মোর্চা:

Shortcuts

  • Want your organization to be the top-listed Government Service?

Share