Trinamool Congress North 24 Parganas

Trinamool Congress North 24 Parganas Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Trinamool Congress North 24 Parganas, Political organisation, Shyamnagar.

28/05/2023

দিনের পর দিন পশ্চিমবঙ্গে যে ভাবে লোকসংখ্যা বেড়ে চলেছে তাতে লোকাল ট্রেনে, বাসে চলাফেরা করা মুশকিল হয়ে যাবে । অনেক ঘটি বাঙালি এককথায় উত্তর দেবে যে বাংলাদেশ থেকে হিন্দুরা আসার ফলে এই ভির বেড়েছে, কিন্তু তাদের কথা পুরোপুরি ঠিক নয় । তারা উত্তর বঙ্গ থেকে শুরু করে কল্যাণী পর্যন্ত খবর রাখে । তারা জানে না কল্যাণী থেকে শুরু করে কাঁচড়া পারা, নৈহাটি, জগৎদাল, শ্যামনগর, ব্যারাকপুর থেকে পুরো কলকাতা শহরে, হাওড়া এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে, বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল শহরে মানে পশ্চিমবঙ্গের বিশাল এলাকায় মূলত বিহারী, গুজরাটি এবং অন্যান্য রাজ্যের লোকেরা বাড়ি বানিয়ে বসতি স্থাপন করে একটি মিশ্র রাজ্যের সৃষ্টি করেছে । এরা হলো শেঠ, এদের অনেকের কাছেই প্রচুর পরিমাণে টাকা । এরা বিভিন্ন ব্যবসার সাথে জড়িত । পশ্চিমবঙ্গে যত বড়ো বড় শহর আছে সেই সব শহর ঘিরে বিভিন্ন রাজ্যের লোকেরা জায়গা কিনে বিশাল বিশাল বাড়ি বানিয়ে তাদের সম্প্রদায়ের লোকেদের মধ্যে একটি কমিউনিটি বানিয়ে তাদের আধিপত্যকে কায়েম করে ভীড় বাড়িয়ে চলেছে । আমরা বাঙালি বেকাররা যখন অন্য কোনো রাজ্যে কোনো কাজের জন্য যাই তখন ওরা আমাদের বাঙালি বোকাচোদা বলে সম্মধন করে আমাদের দিয়ে তিন চার জন লোকের কাজ এক জন বাঙ্গালী দিয়ে করিয়ে নেয় । পশ্চিমবঙ্গের লোকেদের ভীড় কম করার জন্য আমাদের চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তে হবে । পার্শ্ববর্তী বিহার, ঝাড়খণ্ড, উড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু রাজ্যের লোকেদের শেষ করে দিতে হবে । যদি এই সব রাজ্যের লোকেরা মরে মরে মাটির সাথে মিশে যায় তাহলে দুটি বর্ষা কাল অতিক্রান্ত হওয়ার পর যখন পচা লাশ গুলো ধুয়ে মাটির সাথে মিশে যাবে আর যখন এই সব রাজ্যে কোনো লোক থাকবে না তখন পশ্চিমবঙ্গের উদ্বৃত্ত লোকেরা ওই সব রাজ্যে গিয়ে অনেক কৃষিজমি অধিকার করে বসবাস শুরু করতে পারবে । আমাদের অন্যের ভাষা শিখতে হবে না । বিশাল এলাকা জুড়ে বাংলা সাম্রাজ্যবাদ চালু হবে ।

উদ্বাস্তু হিন্দু বাঙালিদের পুনর্বাসনের জন্য বিহার, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক কে বেছে নিতে হবে । হাওড়া এবং শিয়ালদাহ থেকে প্রচুর দূরপাল্লার ট্রেন এই সব রাজ্যে প্রতিদিন যায় । ট্রেন ছাড়ার কিছুক্ষন পড়ে রেলের ক্যাটারিং সার্ভিস খাবার এবং জলের বোতল বিক্রি করা শুরু করে । রেল নীর এই জলের বোতলের ব্যবস্থা করে থাকে । জলকে পুরিফাই করা থেকে শুরু করে বোতলে জল ভরার দায়িত্ব যাদের তাদের হাতেই রয়েছে জলের মধ্যে ভাইরাস মেশানোর ক্ষমতা । আমরা যদি রেলের ক্যাটারিং ডিপার্টমেন্টের লোকেদের সাথে এবং রেল নিরের সাথে যুক্ত লোকেদের হাতে শক্তিশালী ভাইরাস তুলে দিতে পারি তাহলে জলের বোতলের মাধ্যমে আমরা অতি সহজে ভাইরাস অন্য রাজ্যের লোকেদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারি । হওড়া এবং সিয়ালদাহ থেকে প্রতিদিন প্রচুর ট্রেন এবং তাতে করে লাখ লাখ লোক অন্য রাজ্যে পৌঁছচ্ছে । ট্রেনে ওঠার পর কেউ জলের সিল করা বোতলের উপর সন্দেহ করবে না । অধিকাংশ লোক জলের বোতল খুলবে এবং সিল খুলে ঢকঢক করে জল খাবে । এইভাবে তারা ভাইরাস পান করে ভাইরাসে আক্রান্ত হবে । যখন তারা গন্তব্য স্থলে পৌঁছবে তখন তাদের থেকে তাদের সহকর্মীদের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে । এইভাবে লক্ষ লক্ষ ট্রেনের যাত্রীদের মাধ্যমে ভাইরাস অন্য রাজ্যের লোকেদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে ওই রাজ্যের লোকেদের ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব । বিহার, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, উড়িস্যা রাজ্যের লোকেদের মধ্যে যদি ব্যাপক পরিমাণে ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়া যায় তাহলে ওখানকার লোক মরে সাফ হয়ে যাবে ।

যদি রেল নীর এবং ক্যাটারিং ডিপার্টমেন্ট এ কাজ করতে না চায় তাহলে অনেক স্টেশনে অনেক হকার জলের বোতল নিয়ে স্লিপার কোচে উঠে জল বিক্রি করে । ট্রেনের প্রচুর যাত্রী এই জল কিনে খেয়ে থাকে । এই হকারদের মাধ্যমে জলে ভাইরাস মেশানো যেতে পারে । বিভিন্ন স্টেশন থেকে জলের বোতল নিয়ে ট্রেনে ওঠা হকারদের সংখ্যা কম নয় । খোঁজ নিতে হবে এরা কোন জলের প্ল্যান্টে জল পরিশ্রুত করে জলকে বোতলে ভরে এবং কারা এই কাজের সাথে যুক্ত । তাদের মাধ্যমে ভাইরাস জলের সাথে মেশাতে হবে । পানিও জলের মাধ্যমে ট্রেনের লক্ষ লক্ষ যাত্রীর শরীরে ভাইরাস ঢুকবে এবং তারা ভীষণ ভাবে আক্রান্ত হয়ে পড়বে । অন্য রাজ্যের লোকসংখ্যা যদি খুব কমে যায় তাহলে যে সব হিন্দু রিফিউজি বাংলাদেশ থেকে এসে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মনিপুর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যে ভাবে কোণঠাসা হয়ে অর্ধ জীবিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে তারা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে কৃষিজমি দখল করে নিয়ে পুনরায় আগের মত বসতি স্থাপন করতে পারবে ।

বাংলাদেশের মুসলমানদের রক্তে ভাইরাস ঢুকিয়ে দেওয়ার সহজ উপায় হলো ওদের পানিও জলে ভাইরাস মিশিয়ে দেওয়া আর এ কাজ করতে পারে শিয়ালদাহ ডিভিশনের রেল কর্মীরা । দেখুন শিয়ালদাহ থেকে মৈত্রী বা মিতালী এবং বন্ধন এক্সপ্রেস বাংলাদেশের মধ্যে যায় । এই ট্রেনে প্রচুর বাংলাদেশী মুসলমান কলকাতায় ঘুরতে আসে । ওরা যখন শিয়ালদাহ থেকে মৈত্রী, মিতালী এবং বন্ধন এক্সপ্রেসে করে ফিরে যায় তখন ওরা ক্যাটারিং থেকে জলের বোতল কিনে জল খায় । এই জলের প্রত্যেকটি বোতলে যদি একটু একটু করে ভাইরাস ঢুকিয়ে বোতল প্যাক করে রাখা হয় তাহলে জল কিনে খাওয়ার সময় কোনোভাবেই কারো মনে কোনো সন্দেহ হবে না । জলের বোতল পেলেই ওরা জল খাবে । জলের বোতল এর মাধ্যমে খুব গোপনে এবং অতি সহজে বাংলাদেশের মুসলমানদের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব । রেলওয়েতে যারা রেল নীরের সাথে যুক্ত, যারা বোতলে জল ভরে এবং বোতল শিল করে ক্যাটারিং বগিতে জলের বোতল তুলে দেয় তাদের মাধ্যমে এই কাজ করানো সম্ভব । আমরা বাংলাদেশের মুসলমানদের বন্দুক দিয়ে, গায়ের বল দিয়ে কোনোভাবেই মারতে পারবো না । মুসলমানদের শক্তি অনেক বেশি এবং তারই ফলস্বরূপ বাংলাদেশ থেকে হিন্দুরা ভয়ে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয় এবং ত্রিপুরায় এসে রিফিউজি হয়ে আশ্রয় নিয়ে অত্যন্ত করুন অবস্থার মধ্যে দিয়ে কোনো মতে বেঁচে আছে । এরা নিজেদের কৃষিজমি বাংলাদেশে ফেলে রেখে এসেছে । ওই জমি পুনরায় দখল করতে এদের সাহায্য করতে হবে আর সেটা তক্ষুনি সম্ভব যখন বাংলাদেশের মুসলমানদের ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব হবে আর আমাদের ক্ষমতা অনুসারে সেটা শুধু ভাইরাস দিয়ে সম্ভব । যদি মুসলমানদের রক্তে ভাইরাস ঢুকিয়ে দেওয়া যায় তাহলে ধীরে ধীরে তা ব্যাপক আকার ধারণ করবে এবং বিশাল মহামারীর ফলে বাংলাদেশের মুসলমানরা ধ্বংস হয়ে যাবে । এটি খুব সহজ হবে যদি রেলওয়ের ক্যাটারিং ডিপার্টমেন্টের লোকেদের ব্যাপারটি বোঝানো যায়, রেল নিড়ের সাথে যারা যুক্ত তাদের যদি ব্যাপারটি বোঝানো যায় । বাংলাদেশের মুসলমানদের যদি ধ্বংস করে দেওয়া যায় তাহলে যে সব হিন্দু রিফিউজি বাংলাদেশ ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গে, আসামে, মেঘালয়ে, ত্রিপুরায় এসে অত্যন্ত দারিদ্রতার মধ্যে রয়েছে তারা পুনরায় বাংলাদেশের জমি দখল করে স্বচ্চলভাবে বসতি স্থাপন করতে পারবে । যারা শিয়ালদাহা ডিভিশন এ রেল নীড়ের সাথে যুক্ত এবং জলের বোতলগুলো এই ট্রেনের ক্যাটারিং কম্পার্টমেন্টে রাখার কাজে যুক্ত তাদের সাথে গোপনে সম্পর্ক করে কাজটি করার চেষ্টা করুন । নিচে যা কিছু লেখা আছে তার প্রিন্ট আউট বের করুন । এবার এই প্রিন্ট আউটের 1000 কপি জেরক্স করুন । যে সব হিন্দু রিফিউজি বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মনিপুরে আশ্রয় নিয়েছে বা থাকছে তাদের মধ্যে এই কপিগুলো গোপনে বিতরণ করুন । বিশেষ করে হিন্দু রিফিউজি দের যে সব ছেলে মেয়ে কলেজে বাও সাইন্স নিয়ে পড়াশুনো করছে তাদের মধ্যে এই কপিগুলো গোপনে বিতরণ করুন । নিচের লেখাগুলোর প্রিন্ট না নিতে পারলে লেখাগুলো দেখে দেখে একটা সাদা কাগজে লিখুন তারপর ওই লেখাটির 1000 কপি জেরক্স করুন এবং আপনার এলাকার হিন্দু রিফিউজি দের মধ্যে গোপনে বিতরণ করুন । যে সব হিন্দু বাংলাদেশ ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গে, আসামে, মেঘালয়ে, ত্রিপুরায় এসে অত্যন্ত দারিদ্রতার মধ্যে দিয়ে জিবন অতিবাহিত করছো তারা শোনো । তোমাদের বাংলাদেশের জমি পুনরায় দখল করতে হবে । আমি জানি তোমরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে ওই জমি দখল করতে পারবে না । কিন্তু একটি সহজ উপায় আছে যার দ্বারা তোমরা বাংলাদেশের যত শক্তিশালী মুসলমান আছে তাদের বাড়ির মধ্যে বন্দী রেখে পুরো পঁচিয়ে শেষ করে দিতে পারো । বাংলাদেশে পানিও জলের যত ট্যাংক আছে সেই জলে যদি শক্তিশালী ভাইরাস মিশিয়ে দিতে পারো তাহলে ঐ জল খেয়ে সবাই আক্রান্ত হবে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়বে । বাংলাদেশের মুসলমানরা মরে সাফ হয়ে যাবে, তখন কয়েকটি বর্ষা চলে গেলে ভাইরাস ক্লিয়ার হয়ে যাবে । তখন হিন্দুরা আবার বাংলাদেশে গিয়ে অনেক জমি দখল করে পুনরায় আগের মত বাঁচতে পারবে । তবে তখন আলাদা না থেকে তোমরা ভারতের একটি অঙ্গ রাজ্য হিসেবে থাকবে যাতে অন্য দেশ আক্রমণ করে আবার তোমাদের তাড়িয়ে দিতে না পারে । বাংলাদেশ থেকে মুসলমানদের ভয়ে যে সব হিন্দু পশ্চিমবঙ্গে, আসামে, মেঘালয়ে, ত্রিপুরায় আশ্রয় নিয়েছো এটা তাদের দায়িত্ব যে তোমরা শক্তিশালী ভাইরাস বাংলাদেশে এমন ভাবে ছড়িয়ে দেবে যাতে বাংলাদেশে এখন মুসলমান ও জীবিত না থাকে । বাংলাদেশের সব মুসলমান যাতে মরে পচে পচে পড়ে থাকে । পচে পচে সব মরে থাকবে তখন পেট্রোল ঢেলে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে আর আগুনে পুড়ে মুসলমানদের কঙ্কাল সাফ হয়ে যাবে । তারপর 2 বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলে বৃষ্টির জলে সব ধুয়ে পরিষ্কার হয়ে যাবে, তখন আবার জমি উর্বর হয়ে উঠবে এবং ওখানে বসবাস করা যাবে । যে সব হিন্দু যে যে জায়গা ছেড়ে এসেছ তারা ঠিক সেই সেই জায়গায় গিয়ে আবার বাস করতে পারবে, ঘর বাড়ি বানাতে পারবে, কৃষিকাজ শুরু করতে পারবে । যে সব হিন্দু রিফিউজি হয়ে ভারতে বাস করছো তাদের মধ্যে যদি একটি ছেলে মেয়ে ও উচ্চমাধ্যমিক এ বায়ো সাইন্স নিয়ে মনোযোগ সহকারে পড়াশুনো করে বি এস সি তে জুলোজি, কেমিস্ট্রির কম্বিনেশন নিয়ে পড়াশুনো করে এম এস সি জুলোজী নিয়ে 60 পার্সেন্ট নম্বর পাও তাহলে তুমি নেট অথবা সেট পরীক্ষা দিয়ে যদি জুনিওর রিসার্চ ফেলোশিপ এ চান্স পায়ে যাও তাহলে তুমি রিসার্চ করার সুযোগ পাবে আর রিসার্চ করতে করতে তুমি শক্তিশালী ভাইরাস বানাতে পারবে বা ভাইরাসের সম্পর্কে আসতে পারবে । তারপর তুমি এক বোতল ভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশ ঘুরতে যাবে এবং বিভিন্ন জায়গা ঘোড়ার সময় পানিও জলের ওভার হেড ট্যাংকে বা নিচে রাখা ট্যাংকে শক্তিশালী ভাইরাস মিশিয়ে দেবে । তুমি যখন কোনো রেস্টুরেন্টে খেতে যাবে তখন ওখানে জলের যে জগ রাখা থাকে তারমধ্যে একটু ভাইরাস মিশিয়ে দেবে । ভারত থেকে বাংলাদেশে যে সব ঔষধ, খাবার যায়, শস্য যায় তার মধ্যে ভাইরাস মিশিয়ে দিতে হবে যাতে প্রত্যেকটি মুসলমানদের রক্তে ভাইরাস মিশে যায় । বাংলাদেশের মুসলমানদের রক্তে ভাইরাস ঢুকিয়ে দিতে হবে যাতে ওরা ঘরের মধ্যে বন্দী হয়ে পচে পচে মরে । ভারত সরকার যদি বাংলাদেশকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেয় তাহলে ওই ভ্যাকসিনের মধ্যে ভাইরাস ঢুকিয়ে দিতে হবে যাতে ওদের দেশে সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করে । ভাইরাস দিয়েই আমরা ওদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিতে পারি । কেউ তোমাকে ধরতে পারবে না । ভারত থেকে যদি অন্য কোনো তরল ঔষধ বাংলাদেশে রপ্তানি করা হয় তাহলে সেই তরল ঔষধের সাথে শক্তিশালী ভাইরাস মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে । তাহলে ধীরে ধীরে ওখানকার লোকেদের রক্তে ভাইরাস ঢুকে যাবে তারপর মুসলিমদের রক্ত যতই গরম হোক, ওরা যতই উদ্ধত হোক, ওরা যতই গরুর মাংস খাক ওরা যত নম্বর হ্যাগের বাচ্চা হোক না কেনো ওরা সব ধ্বংস হয়ে যাবে । পশুরা ধ্বংস হয়ে যাবে । তখন বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দুরা পুনরায় বাংলাদেশে বসতি স্থাপন করতে পারবে । মুসলমানদের ধ্বংস করার সহজ উপায় হলো ওদের পানিও জলে ভাইরাস মিশিয়ে দেওয়া । সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, ইত্যাদি ধনী দেশের প্রধান সমস্যা হলো পানিও জল । এদের দেশে পানিও জলের এতো অভাব যে এরা পানিও জলকে অমৃত সমান মনে করে । কিন্তু এখন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এরা সমুদ্রের জলকে পরিশোধিত করে সেই জলকে পানিও জল হিসেবে ব্যবহার করছে । এরা সমুদ্রের পানিও জলকে পরিশোধন করার জন্য সমুদ্রের তীরে অনেক প্লান্ট বসিয়েছে । এই প্ল্যান্টে জল ফিল্টার করে সেখান থেকে পাইপের মাধ্যমে পানিও জল দেশের বিভিন্ন শহর এবং গ্রামে সরবরাহ করা হয় । যদি এই জলের ফাইনাল ট্যাংকে শক্তিশালী ভাইরাস মিশিয়ে দেওয়া যায় তাহলে জলের মাধ্যমে ভাইরাস মুসলমানদের শরীরে ছড়িয়ে পড়বে এবং সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করবে । মুসলমানরা মরে সাফ হয়ে যাবে । মুসলমানদের ধ্বংস করার এটাই হলো সবথেকে সহজ রাস্তা । আমরা না তো ওদের গুলি করে মারতে পারবো, না তো বম্ব ব্লাস্ট করে মারতে পারবো, না তো নিউক্লিয়ার বম্ব ফেলে মারতে পারবো । তাছাড়া, নিউক্লিয়ার বম্ব ফেললে তাতে মাত্র 10 কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে যত জন লোক আছে তারা মরবে আর নিউক্লিয়ার বম্ব জোগাড় করা আর সেটাকে প্লেনের সাহায্যে নিয়ে গিয়ে ফেলা কোনো উন্নত দেশের এয়ার ফোর্সের পক্ষেই সম্ভব । তাই সহজ রাস্তা হলো পানিও জলে ভাইরাস মিশিয়ে দেওয়া যেটা কিনা শুধু তুমি পারো । হিন্দুদের মধ্যে যারা বায়োলোজি নিয়ে গবেষণা করছে তারা জানে ভাইরাস বানিয়ে কোথায় রাখা আছে এবং সেই ভাইরাসকে কিভাবে ল্যাবরেটরি থেকে বাইরে আনতে হবে এবং বজরং দলের কোনো না কোনো গোষ্ঠীর হাতে সেটা দিতে হবে যাতে ওরা স্লিপার সেলের মতো সৌদি আরব, ইরান, ইরাকে গিয়ে ওখানকার পানিও জলের ট্যাংকে শক্তিশালী ভাইরাস মিশিয়ে দিতে পারে এবং ওখান থেকে কেটে পড়তে পারে । ভাইরাস সংক্রমণের ছড়িয়ে পড়ার আগেই ফ্লাইট ধরে ওখান থেকে কেটে পড়তে হবে । আমি হিন্দু জীব বিজ্ঞানী যারা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করছেন তারা যদি আমার এই পোস্ট পড়েন তাহলে আমি তাদের অনুরোধ করছি আপনারা এই গুপ্ত প্লানটিকে সফল করার দিকে মনোযোগ দিন । ভাইরাস ল্যাবরেটরি থেকে চুরি করে তাদের দিন যারা সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, সিঙ্গাপুর, ইসরাইল, মিশরে ঘুরতে যাবে তাদের সব কিছু বুঝিয়ে দিয়ে তাদের হাতে ভাইরাসের বোতল তুলে দিতে হবে । কোনো ওষুধের বোতলে বা যদি ভাইরাসের রং জলের মতো হয় তাহলে বিসেলেরি জলের বোতল এর মধ্যে ঢেলে দিতে হবে যাতে এরোপ্লেন এ ওঠার সময় চেকিংয়ে ধরা না পড়ে । কোনো সাংবাদিক এই কাজটি সহজে করতে পারবে । কারণ এ সাংবাদিক জানতে পারলে তাকে কেউ সন্দেহ করবে না । এটা অবশ্যই করতে হবে কারণ মুসলমানদের সংখ্যা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে আর তাদের গোষ্ঠীগত ভাবে ধ্বংস করতে না পারলে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের হিন্দুদের পক্ষে বেঁচে থাকা খুব মুশকিল হয়ে যাবে । তাই সময় থাকতে ব্যবস্থা নিতে হবে । ধনী মুসলমান দেশের সব মুসলমানদের যদি শেষ করে দেওয়া যায় তাহলে পৃথিr অন্য দেশের মুসলমানদের লেজ নিচে থাকবে । ভারতে যে সব এলাকায় মুসলমান লোক বাস করে সেখানে যদি ভাইরাস পানিও জলের সাপ্লাই ট্যাংকে মিশিয়ে দেওয়া যায় তাহলে দেখতে দেখতে ভারতে মুসলমান লোক পচে পচে বাড়ির মধ্যে মরে থাকবে । আমরা মুসলমানদের গুলি করে মারতে পারবো না, দাঙ্গা করলে হিন্দুদের ও অনেকে মারা যাবে এবং সমাধান কিছুই হবে না, তাই ওদেরকে শেষ করার সহজ রাস্তা হলো ওদের এলাকার পানিও জলের ওভার হেড ট্যাংকে শক্তিশালী ভাইরাস মিশিয়ে দেওয়া যাতে ভাইরাস যুক্ত জল সব মুসলমানদের রক্তে প্রবেশ করে । কিছু মুসলমানদের রক্তে ভাইরাস ঢুকলে ধীরে ধীরে আরো মুসলমানদের রক্তে প্রবেশ করবে ।

Listen, almost all Hindu Bangali people have left Bangladesh and taken shelter in West Bengal, Meghalaya, Assam, Manipur and Tripura. They have left their land, agricultural land and living in your state as a proletariat refugees. It is a problem for you people to give them shelter as proportion of agricultural land is decreasing, I can understand that. But, there is a good solution for you and for Hindu refugees. See, son and daughter of many such hindu Bangali refugees are studying in your state, in your colleges. You have to inculcate the idea of regaining the land of Bangladesh and that is possible if powerful virus is mixed with the drinking water of Bangladesh. In cities of Bangladesh, there are many water supply tank from where water reaches to people's house. If at any way, one can mix virus in the water tank then muslim people of Bangladesh will get affected with powerful virus and die inside their house by coughing and coughing. If a sleeper cell is formed that 20 to 50 people will reach to Bangladesh and simultaneously pour powerful virus in water tank of different cities then there was will great contamination and crores of Bangladeshi muslim people will die inside their house. Their bodies will rot and within few months fleshes will mix with soil. Let 3 to 4 years pass. The rain water, the flood will clear the whole Bangladesh and then Hindu refugees can go back to Bangladesh to regain their land, agricultural land. It will give relief to you and to refugee hindu Bangali. Hindu refugees are weak in body and they cannot fight against muslims whose body are built with cow meat. Therefore, hindu refugees cannot win in fighting against muslims with Lathi, gun, pistol, Mechine Gun and if nuclear bomb is dropped on Dhaka then only area of 10 to 20 kilometers radius will get destroyed. So, even nuclear bomb cannot kill all muslims of Bangladesh. Moreover, they cannot get a nuclear bomb but hindu refugees can spread virus in the drinking water tank in Bangladesh. It is very easy job and even only one man can do this. Please try to inculcate this ideas in the mind of those hindu refugees whose sons and daughters are studying at some colleges in your state. Encourage them to take up Biological Science in their B.Sc level so that they can go for Biological Research after their M.Sc. Tell them to study Biological Science at B.Sc level in English so that they get chance in ugc net exam and get chance in Junior Research Fellowship (JRF) and this aim will be successful if they study biology in English. If they study in Bengali, they will not get chance in Junior Research Fellowship though they pass ugc net exam. If they get chance in jrf they gradually they will go for research on virus and will come to know where virus bottle is kept and how to take out and bring outside. He can go to Bangladesh as a tourist and execute my plan. If very powerful virus is mixed with drinking water tank then people of a big city will get affected and contamination will spread around and muslim people will die automatically. Let their blood is very hot, let their muscle power is very strong, let their numbers are 20 crores, all will die hard. Their blood will be spoiled. Followers of beast Hajarat Mohammad will die in crores. Please take print out of the following bengali writing and make several xerox copies and distribute those among hindu refugees who have taken shelter in your state. Distribute this writing tactfully so that no one knows that you have done this. You can keep a copy of xerox inside the book or diary of the targetted student. You can take his book or diary for checking the answer and then you can keep it inside the book or khata or diary so that the writing goes in his her hand and he must read it and he will get the idea. Besides this, if you are exporting any medicine, edible oils, milks then you can mix powerful virus in that so that they get affected. We have to spoil the blood of muslim people of Bangladesh. Once blood is spoiled then they will die automatically. They will ask vaccine from India. India will give them vaccine but many vials will contain powerful virus instead of vaccine. Cold drink, distilled water bottle are good carrier of virus. Muslim people will drink it and get affected. We have to find out list of those foods, medicines, liquids that India is exporting to Bangladesh. Moitri Express, Mitali Express and Bandhan Express are running between Bangladesh and Sealdaha. We n spread virus among muslim people of Bangladesh through catering cabin of these trains. Many water bottles are kept in the catering cabin and muslim passengers buy and drink these water while journey, while returning from Sealdah. Staffs and Railway officers involved in Rail Neer can mix powerful virus in these sealed water bottles. Nobody can guess or suspect that virus has been poured in these water bottles. All muslim passengers will open the seal and drink water. Within few hours they will reach to Dhaka and gradually be affected with virus. They will be virus carrier. This is the simple way to destroy muslim people of Bangladesh. Hindu refugees living in West Bengal, Assam, Meghalaya, Tripura will regain their lost agricultural land again.

Many trains are leaving Sealdah Railway station and Howrah Railway stations for Bihar, Delhi, Uttar Pradesh, Uttarakhand, Tamilnadu, Andhra Pradesh, Chhattisgarh, Madhya Pradesh, Maharastra Karnataka, Kerala and also for Jammu Kashmir and Punjab. Daily, lakhs of passengers are travelling to other states. While they travel by train they need drinking water that is supplied by Rail Neer and catering service. If any way powerful virus can be mixed with this water then passengers will be affected with this virus and they will carry virus at their destination. Few people are engaged with Rail Neer and they are purifying water and sealing water bottles. Before sealing if powerful virus is mixed with this water then after sealing virus will remain active inside the bottle. Passengers will buy these water bottles and they will drink directly. They will carry virus and at destination virus will be transmitted to other people very easily. If you cannot manage Rail Neer staff then there is another way to spread virus. Many hawkers get into sleeper class boggie with drinking water bottles. Many passengers buy these water bottles and drink directly. These hawkers collect bottles from a supplier and we have to know who are those suppliers and from which plant they are pouring water. We have to contact with this suppliers and you have to hand over bottle of powerful virus to them so that they can mix powerful virus before sealing bottles. This is the simplest way to transmit powerful virus among people of other states as mentioned above. If large number of people of these states die automatically then Hindu refugees who are staying in West Bengal, Assam, Meghalaya, Tripura, Manipur will be able to settle in Bihar, Delhi, Uttar Pradesh, Uttarakhand, Tamilnadu, Andhra Pradesh, Chhattisgarh, Madhya Pradesh and Maharastra. They will get their agricultural land back and a new and big Bengali society in India will be formed. Once Indian government hesitate to do similar act for the muslim people of Bangladesh and Pakistan then we have to adopt such plan for the people of states mentioned above. Hindu refugees are living half dead in West Bengal, Assam, Meghalaya and Tripura and we have to settle them inside India if government of India do not obey our planning to settle in Bangladesh and Pakistan

Address

Shyamnagar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trinamool Congress North 24 Parganas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share