বহুজনের পাতা

বহুজনের পাতা সবাই মানুষ সবাই সমান। Nil

21/03/2026

ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ এসসি এসটি ওবিসি জনগণের ভোটাধিকার প্রাপ্তির ইতিহাস

দিলীপ গায়েন

হিন্দু ধর্মের বর্ণাশ্রম আইন মোতাবেক ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় বৈশ্য এই তিন জাতের লোকদের বলা হয় উঁচুজাত।কায়স্থ বৈদ্য জাতের লোকরা শূদ্র বর্ণের হলেও তারা অভিজাত শূদ্র বলে চিহ্নিত। ফলে ব্রিটিশ-পূর্ববর্তী পাঠান-মুঘল যুগ পর্যন্ত এই জাতের লোকগুলোর ছিল শিক্ষার অধিকার। তবু সংস্কৃত পড়ার অধিকার ছিল একমাত্র ব্রাহ্মণদের। অন্যদের ছিল না।

এই জাতগুলোর বাইরে অবস্থিত বর্তমান সংবিধানে চিহ্নিত এসসি এসটি ওবিসি জাতের মানুষদের কোনো অধিকার ছিল না পাঠান মুঘল যুগে। পরবর্তী ব্রিটিশ আমলের মধ্য ভাগে সার্বজনীন শিক্ষানীতি চালু হলে এসসি এসটি ওবিসিদের মধ্যে শিক্ষার প্রবেশ ঘটে।এর পরে এই এসসি এসটি ওবিসি বর্গের কিছু শিক্ষিত মানুষ রাজনীতির জন্য ভোটের অধিকার প্রাপ্তির আন্দোলন করেন। এই বর্গের আন্দোলনকারীদের শীর্ষনেতৃত্বে ছিলেন বাবাসাহেব আম্বেদকর। ১৯৩০/ ৩১ /৩২ সালে লন্ডনে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে আম্বেদকরের দাবি মেনে ব্রিটিশ সরকার ভারতে সকলের ভোটাধিকার প্রদানের আইন করে। এর ফলে হিন্দু উঁচুজাত চিহ্নিত লোকদের সাথে ভোটের অধিকার ও রাজনীতির অধিকার অর্জন করে এসসি এসটি ওবিসি সমাজ।

ঘটনা হলো---এসসি এসটি ওবিসিরা ভোট ও রাজনীতির অধিকার পাক এটা চাইতো না ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় বৈশ্য, এমন কি কায়স্থ বৈদ্যরাও। তারা বলেছিল---- এসসি এসটি ওবিসিরা ছোটজাত। তাদের কাজ চাষ করা, মাছ ধরা, জুতো তৈরি করা, মাটির কলসি গড়া, তাঁতে কাপড় তৈরি করা, কাঠের কাজ করা, নাপিত বৃত্তি করা, মড়া পোড়ানো, ইত্যাদি।

অর্থাৎ কৃষক, মৎস্যজীবী, তাঁতী, মুচি, ডোম, কামার, কুমোর, ছুতোর, বারুজীবী, তেলি প্রভৃতি কাজের সঙ্গে জড়িত জনগণ যেন ভোট বা রাজনীতির অধিকার না পায়। এই ছিল কংগ্রেস, কমিউনিস্ট পার্টি, হিন্দু সভা, হোমরুল লীগ দলের দাবি। গান্ধী তিলক শ্যামাপ্রসাদ, জ্যোতি বসু----প্রমুখ বিভিন্ন দলের নেতারা এসসি এসটি ওবিসি বর্গের মানুষদের ভোটাধিকার চাননি। তবু আম্বেদকর প্রমুখের দাবি মেনে ব্রিটিশ সরকার সকলের ভোটাধিকার আইন করে।

কাজেই, আজকে এসসি এসটি ওবিসি জনগণের একবার ভেবে দেখা উচিত ব্রাহ্মণদের তৈরি কংগ্রেস বিজেপি তৃণমূল সিপিএম দলকে ভোট দেওয়া উচিত কি না। এদেরকে ভোট দেওয়ার অর্থ নিজের মূল্যবান ভোটটি নষ্ট করা। এই দলগুলো আদৌ তফসিলি সমাজের মঙ্গল চায় না। কেবল ভোটের স্বার্থে উপরি উপরি মঙ্গল করার নাটক করে। ক্ষমতার মূল কেন্দ্রে থাকে সেই ব্রাহ্মণ কায়স্থ বৈদ্যরা। তফসিলি সমাজকে রেখে দেয় পায়ের তলায়। আর এখন বিভিন্ন প্রকার ভাতা চালু করে তফসিলি সমাজের বন্ধু সেজেছে। বিপরীতে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্ৰহ করে উপরে বসে ভোগ করছে ব্রাহ্মণ কায়স্থ বৈদ্য গ্রুপের নেতারা।

এসসি এসটি ওবিসিদের উচিত আম্বেদকরবাদী দলকে ভোট দেওয়া। তাহলে তাঁদের মহামূল্যবান ভোটটি নষ্ট হবে না।

আমাদের আম্বেদকরপন্থী দলের দরকার কিছু ইস্যু নিয়ে জন আন্দোলন করা। সার্বিক ইস্যু নিয়ে আন্দোলন করা।

স্কুল শিক্ষকশূন্য হয়ে গেছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নেই। বেকার বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রাইভেটাইজেশন নীতি এনে ধনী ও পুঁজিপতিদের ধনভাণ্ডার আরো বৃদ্ধি করা হচ্ছে এবং শ্রমিকদের শোষণ করা হচ্ছে।

আম্বেদকরপন্থী দলের উচ্চ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এই জাতীয় কিছু সার্বিক ইস্যু নিয়ে জন আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। তবেই মানুষের সমর্থন পাওয়া সহজ হবে। মানুষের সমর্থন বা ভোট ভিন্ন আম্বেদকরবাদী দল ক্ষমতায় যেতে পারবে না। মানুষের ভোট পেতে গেলে দরকার কিছু ইস্যুতে আন্দোলন করা।

মানুষের ভোট ব্যতীত রাজক্ষমতা পাওয়া অসম্ভব।

https://www.facebook.com/share/p/1XpdubstyT/
03/03/2026

https://www.facebook.com/share/p/1XpdubstyT/

জাগো SC ST OBC সমাজ, নিজেদের শত্রুদেরকে চেনো। রামকৃষ্ণ কেবল তথাকথিত শূদ্র অচ্ছুৎদের ঘৃ.ণা করত না, তথাকথিত শূদ্র অচ্ছুৎদের বাড়িতে যারা পূজা করত, জল পান করত সেইসব ব্রাহ্মণদেরও ঘৃ.ণা করতো। বঙ্গে তার মত জাতিবাদী আর দ্বিতীয় জন্মায়নি।

https://www.facebook.com/share/p/1CVo5eBCLj/
16/02/2026

https://www.facebook.com/share/p/1CVo5eBCLj/

🎯 শিবাজী মহারাজের রাজ্যাভিষেক ও ঐতিহাসিক বঞ্চনা: আম্বেদকরীয় দৃষ্টিতে 👇

💥 ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ যখন হিন্দু স্বরাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তখন তিনি কেবল মুঘলদের বিরুদ্ধেই লড়েননি, তাঁকে লড়তে হয়েছিল নিজের সমাজের অভ্যন্তরে থাকা জাতিভেদ প্রথার বিরুদ্ধেও। ১৬৭৪ সালে তাঁর রাজ্যাভিষেকের সময় তৎকালীন ব্রাহ্মণ সমাজ তাঁকে 'ক্ষত্রিয়' হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার করে এবং 'বেদোক্ত' মন্ত্রে তাঁর অভিষেক করাতে বাধা দেয়। একজন রাজা, যিনি ধর্ম ও দেশরক্ষা করছেন, তাঁকেও কেবল জন্মসূত্রে 'শূদ্র' প্রতিপন্ন করে অপমান করা হয়েছিল।

✌ কেন সেদিন এমনটা করা হয়েছিল? এর উত্তর ডঃ বি.আর. আম্বেদকর তাঁর কালজয়ী গ্রন্থ 'জাতপাতের বিনাশ' (Annihilation of Caste)-এ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দিয়েছেন।

👋 বাবাসাহেব লিখেছেন, জাতিভেদ প্রথা কেবল একটি বিভাজন নয়, এটি একটি মানসিক রোগ। তিনি এই গ্রন্থের 'বর্ণের জাতীয়তা বিরোধী এবং সমাজ বিরোধী প্রকৃতি' (The anti-national and anti-social nature of caste) অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন যে, এই প্রথা জাতির ঐক্যের পরিপন্থী। শিবাজী মহারাজের ঘটনাটি এই সমাজবিরোধী মানসিকতারই এক জ্বলন্ত উদাহরণ। যখনই কেউ নিজের গুণের দ্বারা সমাজকে নেতৃত্ব দিতে চেয়েছেন, এই বর্ণব্যবস্থা তার পায়ে শিকল পরানোর চেষ্টা করেছে।

🤜 বর্তমান ক্ষোভের কারণ:
আজ অব্রাহ্মণ বা বহুজন সমাজ যে ব্রাহ্মণদের ক্ষমা করতে পারছে না, তার কারণ কোনো ব্যক্তিগত বিদ্বেষ নয়। এর কারণ হলো ইতিহাসের সেই 'জাতীয়তা বিরোধী এবং সমাজ বিরোধী' মানসিকতা, যা দেশের একজন শ্রেষ্ঠ সন্তানকেও তাঁর প্রাপ্য সম্মান দিতে কার্পণ্য করেছিল। যতদিন না এই বৈষম্যমূলক মানসিকতার বিনাশ হচ্ছে, ততদিন ইতিহাসের এই ক্ষত শুকাবে না।

29/01/2026

bahujanliterature.com
বাংলা | প্রবন্ধ / নিবন্ধ | মহাপ্রাণ যোগেন্দ্র নাথ মন্ডল
মহাপ্রাণ যোগেন্দ্র নাথ মন্ডল
Author: নির্মলেন্দু বিশ্বাস

অস্পৃশ্য জনজাতির সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মহানায়ক যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল ১৯০৪ সালের ২৯ শে জানুয়ারি অবিভক্ত বাংলার বরিশালের গৌরনদী থানার মোস্তারকান্তি গ্রামে দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২৬ সালে তিনি প্রবেশিকা পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে প্রথম বিভাগে পাস করেন। ১৯২৬সালে আই.এ,এবং ১৯২৯ সালে বি.এ, এবং ১৯৩৪ সালে কৃতিত্বের সাথে আইন বিভাগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি চাকরি না করে স্বাধীন জীবিকার মধ্যে দিয়ে অস্পৃশ্য জনগোষ্ঠীর দুঃখ-দুর্দশা দূর করাই জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন।



অস্পৃশ্য জনগোষ্ঠীর সার্বিক মুক্তি আন্দোলনের উৎসর্গীকৃত প্রাণ বাবাসাহেব আম্বেদকর এবং মহাপ্রাণ যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল কর্মক্ষেত্রে একে অন্যের পরিপূরক এবং সহযোদ্ধা ডঃ আম্বেদকর তপশিলি জাতি ও উপজাতির মধ্যে বন্দিত হলেও অনেক ক্ষেত্রেই নিন্দিত হয়েছেন মহাপ্রাণ। অশ্পৃশ্য সমাজের জন্য উৎসর্গীকৃত প্রাণ মহাপ্রাণ মন্ডলের মত মহান জননেতাকে অন্যায় অপবাদে কালিমালিপ্ত করা হয়েছে। তাঁর জীবনের সঠিক মূল্যায়ন এবং সত্য উদ্ঘাটন একান্ত প্রয়োজন।



মহামানব গুরুচাঁদ ঠাকুর ছিলেন বাংলার শিক্ষা সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রথম পথিকৃৎ এবং অবিসংবাদী নেতা।

সমালোচকদের কেউ কেউ বলেন গুরুচাঁদের প্রতি যোগেন্দ্রনাথের অনুরাগের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় না। সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। গুরুচাঁদের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ফরিদপুরের গোপালগঞ্জ আর গোপালগঞ্জেই মহাপ্রাণ মন্ডল প্রথম তপশিলি ফেডারেশন সম্মেলন করেন ১৯৪৩ সালের মে মাসে। তিনি গুরুচাঁদ ঠাকুরের অন্যতম পার্ষদ প্রাক্তন বিধান পরিষদের সদস্য ভীষ্মদেব দাস মহাশয় কে অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি করেন।

তাই তিন বছরের মধ্যে ১৯৪৬ সালের মে মাসের মধ্যে সারা ভারত কে কাঁপিয়ে দিতে পেরেছিলেন এবং বাবাসাহেব কে গণপরিষদে পাঠিয়ে স্বাধীন ভারতবর্ষে আম্বেদকর কে শাসনতন্ত্রের জনক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিলেন।



গুরুচাঁদ ঠাকুরের অন্যতম মানসপুত্র ছিলেন বরিশালের ভেগাই হালদার। তিনি নানা তীর্থ পর্যটন করেও মনের শান্তি খুঁজে পাননি। গুরুচাঁদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তার নবজন্ম লাভ হয়।তিনি গুরুচাঁদের বাণী শিরোধার্য করে নিজ গ্রাম আগৈলঝাড়া তে ফিরে বাজার সংলগ্ন বটগাছের নিচে পাঠশালা স্থাপন করেন এই পাঠশালাটি এখন বাংলাদেশের অন্যতম হাই স্কুল। সংলগ্ন এলাকায় একটি কলেজও স্থাপন করা হয়েছে।১৯২৬ সালে মতুয়া ভেগাই হালদারের আহ্বানে যে সমাবেশ হয় ঐ সভায় ২২ বছরের ছাত্র নেতা যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল সার্বিকভাবে সভাটি সাফল্যমন্ডিত করে তোলেন। যোগেন্দ্রনাথ অসাধারণ বাগ্মিতার পরিচয় দিয়েছিলেন শ্রোতৃবর্গের অনেকেই যোগেন্দ্রনাথের মধ্যে তাঁদের ভবিষ্যৎ নেতা কে খুঁজে পান এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং অধিকার আদায়ের স্বপ্ন দেখতে থাকেন।এই সভা প্রমাণ করে গুরুচাঁদের দর্শনেই যোগেন্দ্রনাথ তাঁর আগামী দিনের কর্মসূচি স্থির করে ফেলেছিলেন।



১৯৩৭ সালে প্রথম সাধারণ নির্বাচনে যোগেন্দ্রনাথ বাকরগঞ্জ উত্তর-পূর্ব আসনের প্রার্থী হন। নবতিপর গুরুচাঁদ ঠাকুর যোগেন্দ্রনাথকে আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন "এই নির্বাচনী যুদ্ধে তোমাকে জয়লাভ করতেই হব। " ১৯৩৭ সালের ৫ ই ফেব্রুয়ারি যোগেন্দ্রনাথ নির্বাচনে জয়লাভ করেন। খবরটি দ্রুত পৌঁছে গেল গুরুচাঁদের নিকট। গুরুচাঁদ ঠাকুর তাঁর পুত্র-পৌত্রাদির পর কোনো ভরসা রাখতেন না। যোগেন্দ্রনাথ গুরুচাঁদের আদর্শ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নেওয়াতে তিনিই হয়ে উঠলেন গুরুচাঁদের অতি আপনজন এবং যোগ্য উত্তরসূরি। গুরুচাঁদের সামাজিক ও শিক্ষা আন্দোলনে সফল হলেও রাজ ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন অধরাই ছিল যোগেন্দ্রনাথের নির্বাচনে জয়লাভ জীবদ্দশায় রাজ ক্ষমতা দখলের সূচনা দেখতে পেয়ে মাত্র ২২ দিন পরে অতিশয় প্রশান্তিতে তিনি চির নিদ্রামগ্ন হন।



অনেকেই ভেবে থাকেন মহাপ্রাণ মন্ডল কেন মুসলিম লীগের সমর্থনে ১৯৪৬ সালের চৌঠা নভেম্বর কেন্দ্রীয় আইন সভায় আইন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন? এখানে বলা প্রয়োজন যে ১৯৩০,৩১, এবং ৩২ সালের গোলটেবিল বৈঠকে মুসলিম লীগের তথা জিন্নার সমর্থনে ডঃ আম্বেদকর অস্পৃশ্যদের জন্য সাম্প্রদায়িক বাটোয়ারার সংরক্ষণের অধিকার পেয়েছিলেন।সেই থেকেই অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে মুসলিম লীগের সাথে অস্পৃশ্যদের রাজনৈতিক আঁতাত চলে আসছে।পূর্বের রাজনৈতিক মর্যাদা দিয়ে যোগেন্দ্রনাথ শর্তসাপেক্ষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছিলেন।ডঃ আম্বেদকর যোগেন্দ্রনাথ এর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় যোগদানে সন্তোষ প্রকাশ করে একটি টেলিগ্রামে জানিয়েছিলে-"You have my blessing"



১৯৩৮সালের ১৩ই মার্চ গুরুচাঁদ ঠাকুরের স্মরণসভা হয় কলকাতার এলবার্ট হলে। সভাপতি সভাপতিত্ব করেন জে.সি.গুপ্ত এবং প্রধান অতিথি ছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু এই সভার আয়োজক ছিলেন মহাপ্রাণ মণ্ডল। দুঃখের বিষয় ব্রাহ্মণ্যবাদী চক্রান্তে এই খবর সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়নি। ওই সভায় মহাপ্রাণ মন্ডল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে দিয়ে গুরুচাঁদ ঠাকুরকে "মহামানব" উপাধি প্রদান করেন। মহাপ্রাণ ছিলেন প্রকৃত অর্থে গুরুচাঁদ দর্শনের রূপকার



১৯৪৬ সালে মনুবাদী চক্রান্তে ডঃ আম্বেদকরকে গণ পরিষদে পাঠানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। বাবা সাহেবের সামনে সমস্ত পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। তিনি গভীর হতাশায় আক্রান্ত হন।এই সময়ে মহাপ্রাণ যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল বাবাসাহেব কে জয়ী করার জন্য বীর বিক্রমে ঝাঁপিয়ে পড়েন ১৯৪৬সালের ১৮ই জুলাই গণপরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯শে জুলাই ফল প্রকাশ হলে দেখা গেল ফেডারেশনের প্রার্থী ডঃ আম্বেদকর সর্বাপেক্ষা বেশি ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। আম্বেদকর কে ভোট দিয়েছিলেন বরিশালের মহাপ্রাণ মন্ডল, ফরিদপুরের দ্বারিকানাথ বারুরী,টাঙ্গাইলের গয়ানাথ বিশ্বাস,রংপুরের ক্ষেত্র নাথ সিংহ এবং খুলনার মুকুন্দ বিহারী মল্লিক। অসংরক্ষিত সাধারণ আসন থেকে জয় লাভ ভারতবর্ষে ব্যতিক্রমী ঘটনা। এই অত্যাশ্চর্জ ঘটনায় ডঃ আম্বেদকর এবং যোগেন্দ্রনাথ মন্ডল এই দুটি নাম ইতিহাসে চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।



শৌর্যবীর্যের অধিকারী মুক্তিসূর্য মহাপ্রাণ যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল তাঁর দীর্ঘ সংগ্রামের ফল এবং বাবা সাহেবের মত বিশ্বজ্ঞানী ও ধীশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তির রচিত মহান সংবিধানের ফলেই ভারতের তপশিলি জাতি এবং উপজাতির মানুষেরা সর্বাংশে না হলেও একটা অংশ উপকৃত হয়েছে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছে। শিক্ষিত উপকৃত মানুষের অনেকেই প্রভুত শৌর্য-বীর্যের অধিকারী মুক্তি সূর্য যোগেন্দ্রনাথের অবদানের কথা মনে রাখেন নি বরং ভুল বুঝে অপব্যাখ্যার বোঝা বহন করে চলেছে।



আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা উল্লেখ না করলে নয় ১৯৬৫ সালে ভারত সরকার তপশিলি জাতি ও উপজাতির সংক্রান্ত বিষয়ে এক সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে,তার চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন বি.এন.লককুর। এই লকুর কমিটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে চারটি সম্প্রদায়কে তপশিলি জাতির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করে এই চারটি সম্প্রদায় হল১ নমসশূদ্র ২ রাজবংশী ৩ সাহা(শুড়ি)৪ ধোবা।এই খবর প্রচারিত হওয়ার ফলে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে সকলেই যোগেন্দ্রনাথ মন্ডলের শরনাপন্ন হন নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। যোগেন্দ্রনাথ তখন দেশ ভাগ এবং পরবর্তী ঘটনা ক্রমে বিধ্বস্ত। তপশিলি জাতির চারটি সম্প্রদায়ের উপর এই কুঠারাঘাত তিনি মেনে নিতে পারেননি। তিনি আবার সিংহ গর্জনে প্রস্তুত হলেন। প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে অর্জিত অধিকার ছিনিয়ে আনলেন। চারটি সম্প্রদায়ের অনেকেই এই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নয়। গুরুচাঁদ ঠাকুরের শিক্ষা আন্দোলনের ফলে পূর্ববঙ্গের নমঃশূদ্ররা শিক্ষায় অনেকেএগিয়ে গিয়েছিল। দেশভাগের ফলে তাদের উপর বড় আঘাত নেমে আসে। এই সম্প্রদায় ধীরে ধীরে সংহত হয়েছে তাঁদের মধ্যে একটা পুনর্জাগরণ ঘটেছে এবং শিক্ষা চাকরিতে এগিয়ে চলেছে। এই সম্প্রদায়ের মানুষ যোগেন্দ্রনাথকে যোগ্য মর্যাদা দেয়নি।এই সমাজের একটা অংশ এমনই অকৃতজ্ঞ যে তাঁদের মাথার মণীকে তাঁরা মনে রাখেননি ইতিহাস তাঁদের ক্ষমা করবে না।

16/01/2026

ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা,মৌলিক অধিকার, রাস্ট্রের নির্দেশাত্মক নীতিসমূহ ও সংরক্ষন সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপুর্ন অনুচ্ছেদ
--এন.জি.বারুই (ননী গোপাল বাড়ই)

সংবিধানের প্রস্তাবনা
*******************
আমরা ভারতের জনগন ভারতকে একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক,ধর্মনিরপেক্ষ গনতান্ত্রিক সাধারনতন্ত্র রুপে গড়ে তুলতে এবং তার সকল নাগরিকদের জন্য নিশ্চয়াতা প্রদানে

ন্যায়বিচার-সামাজিক,অর্থনৈতিক
******** ও রাজনৈতিক

স্বাধীনতা -- চিন্তার, মতপ্রকাশ,
******** বিশ্বাস,ধর্ম ও
উপাসনার
সমতা-- মর্যাদা ও সুযোগ প্রাপ্তি
*****
ভ্রাতৃত্ব-- ব্যক্তি মর্যাদা আশ্বাসক
****** (জাতীয় ঐক্য ও সংহতি)
সে জন্য সত্যনিষ্ঠার সংগে সংকল্প করে আমাদের সংবিধান সভায় আজ ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯ তারিখে, এই সংগে এই সংবিধান গ্রহন করছি, বিধিবদ্ধ করছি ও আমাদেরকে অর্পন করছি।

মৌলিক অধিকারঃ ( ১২--৩৫)
****************
১৩. সংবিধান ঘোষিত হওয়ার অব্যবহিত পুর্বে ভারতীয় ভুখন্ডে প্রচলিত থাকা সমস্ত রকমের আইনাদি সেরুপমতে যতদূর সেগুলি এই খন্ডের বিধান সমুহের সংগে অসংগতিপূর্ন সেগুলির অসংগতির ততদূর পর্যন্ত বাতিল হবে।
১৪. রাস্ট্র কোন ব্যক্তিকে আইনের সমীপে সাম্যতা অস্বীকার করবে না ও আইন সমুহের দ্বারা সমভাবে সুরক্ষা প্রদান করবে।
১৫. ধর্ম, বর্ন,জাতি,লিংগ,বাসস্থান এগুলির কোন একটি কারনে জনগনের মধ্যে বিভেদ সৃস্টি করতে রাস্ট্র বাধাদান করবে।
১৬. পিছিয়ে পড়া নাগরিক বৃন্দেরপক্ষে পদসমূহে নিয়োগের জন্য সংরক্ষন করতে, যেটি রাস্ট্রের মতে, রাস্ট্রের অধীনে যথাযথ প্রতিনিধিত্ব হয়নি এরুপ ক্ষেত্রে কোন কিছুই রাস্ট্রকে বাধা প্রদান করবে না।
১৭. অস্পৃশ্যতার অবসান ও এর যেকোন আচরন নিষিদ্ধকরন এবং আইনানুযায়ী দন্ডনীয় হবে।

*[অনুচ্ছেদ ১৭ নং এর উপর ভিত্তি করে তফসিলি অত্যাচার নিরোধক ও ক্ষতিপূরন আইন রচিত হয়েছে]*
১৮. সারস্বত ও সামরিক বৈশিস্ট ব্যত্তীত রাস্ট্র কতৃক পদবী অর্পিত হবে না।
১৯. স্বাধীনতার অধিকার -- (বাক স্বাধীনতা,বিনা অস্ত্রে ও শান্তিপূর্নভাবে সমবেত হওয়ার অধিকার, সংগঠন গড়ার অধিকার, রাস্ট্রের সর্বত্র স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার অধিকার, ভারতের যেকোন জায়গায় বসবাস এবং স্থায়ীভাবে বসবাস করার অধিকার, যেকোন বৃত্তি, উপজীবিকা, ব্যবসা,বা কারবার চালানর অধিকার।)
২০. অপরাধ সমূহের জন্য দন্ড সম্পর্কিত সুরক্ষা।
কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই অপরাধের জন্য আদালতে একবারের বেশী নালিশ ও শাস্তি প্রদান করা যাবে না
২১. জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সুরক্ষা।
২১ক. ৬ বছর থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত শিশুদের জন্য রাস্ট্র বিনা খরচে আবশ্যিক শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করবে।
২২. গ্রেপ্তার হওয়া থেকে এবং কিছু ক্ষেত্র সমুহে আটক থাকা থেকে সুরক্ষা।
২৩. মনুষ্য ক্র‍য় বিক্রয় এবং বল পূর্বক( বেগার শ্রম) শ্রম করিয়ে নেওয়ার প্রতিষেধক।
২৪. ১৪ বছরের নীচে কোন শিশুকে কোন শিল্প,খনি অথবা বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ করা যাবে না।
২৫. সকল মানুষের সমানভাবে বিবেকের স্বাধীনতা এবং স্বাধীনভাবে ধর্ম স্বীকার, আচরন,ও প্রচার করার অধিকার থাকবে।
২৬ ধর্মীয় বিষয় সমুহ ব্যবস্থাপনা করার স্বাধীনতা
(ধর্মীয় এবং দান বিষয়ক উদ্যেশ্য সমূহের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে পারা ও পরিচালনা করতে পারা, ধর্মীয় বিষয়সমূহ ও নিজস্ব কার্যাদি পরিচালনা করতে পারা, স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি অর্জন করতে পারা ও স্বত্ববান হোতে পারা, সেই সম্পত্তি আইনানুসারে পরিচালনা করতে পারা)
২৭. কোন বিশেষ ধর্মের উন্নতির জন্য আদায়, দান ট্যাক্সসমূহ প্রদান সংক্রান্তে স্বধীনতা
২৮. কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় নির্দেশ অথবা ধর্মীয় পূজার উপস্থিতির স্বাধীনতা
( রাস্ট্র সরকারের অর্থ ভান্ডার হোতে ব্যয়ীত কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন ধর্মীয় নির্দেশ প্রদান করা যাবে না বা উক্ত প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় উপাসনায় কাউকে উপস্থিত থাকতে বাধ্য করা যাবে না)
২৯. সংখ্যালঘুদের সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা বিষয়ক স্বার্থাদির সুরক্ষা।
( ভারতে বসবাসকারী কোন অংশের যাদের নিজস্ব সুস্পস্ট ভাষা, লিপি বা সংস্কৃতি আছে, তাদের অধিকার থাকবে সেগুলি সংরক্ষন করার।, রাস্ট্রপরিচালিত বা তদ্বারা সাহায্যপ্রাপ্ত কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুধুমাত্র ধর্ম বর্ন জাতি ভাষা বা এগুলির কোন একটির কারনে কোন ব্যক্তির ভর্তী হওয়াতে অস্বীকার করা যাবে না)
৩০.শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ স্থাপনে ও পরিচালনায় সংখ্যালঘুদের অধিকার।
৩২. সাংবিধান প্রদত্ত অধিকারসমূহের প্রয়োগের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করার অধিকার ।
৩৩.সংবিধান প্রদত্ত অধিকারে প্রয়োগের রদবদলে লোকসভার ক্ষমতা।
৩৪. কোন এলাকায় সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন মৌলিক অধিকার সমূহের সংকোচন।
৩৫. সংসদ মৌলিক অধিকারের কার্যকর করতে বিধি প্রনয়ন করবে।

রাস্ট্র পরিচালনার নির্দেশাত্মক নীতিসমূহ
*******
৩৭.এই খন্ডে বর্নিত নীতিসমূহ কোন আদালত কতৃক প্রয়োগযোগ্য হবে না।

৩৮. জনকল্যানের উন্নয়নের জন্য রাস্ট্র একটি সমাজ ব্যবস্থা অর্জন করবেন।
৩৯.রাস্ট্র কতৃক অনুসরনকৃত কিছু কর্মপন্থার নীতিসমূহ [ ক).রাস্ট্র নির্দিস্টমতে, স্বীয় কর্মপদ্ধতিতে
চালিত করবে যাতে নাগরিকগন পুরুষ এবং মহিলাগন সমভাবে বেচে থাকার বা পর্যাপ্ত জীবিকা অর্জনের অধিকার প্রাপ্ত হন, খ). জনগনের বস্তু কেন্দ্রিক সম্পদের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রন এমনভাবে বন্টিত হয় যাতে সর্বোত্তমভাবে সাধারনের হিত সাধিত হয়।,
গ) অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োগপদ্ধতি এরুপ যেন না হয় যাতে করে জনসাধারনের ধন ও উৎপাদনের উপায়সমূহ কেন্দ্রীভূত হোয়ে পড়ে।
ঘ)সমান কাজের জন্য পুরুষ ও নারী উভয়েই সমান বেতন পায়, ঙ) পুরুষ ও নারী শ্রমিকগনের স্বাস্থ্য ও শক্তির এবং শিশুদের সুকুমার বয়সের অপপ্রয়োগ
করা যেন না হয় এবং আর্থিক প্রয়োজনে নাগরিকগন তাদের বয়স বা শক্তির অনুপযোগী কোন পেশায় প্রবৃত্য হোতে যেন বাধ্য না হন।
চ) স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি এবং আত্মসম্মান এবং স্বাধীনতার শর্তাদিতে শিশুদের উন্নয়নের জন্য তাদের সুযোগ সমূহ ও সুবিধাসহ প্রদান এবং সেই শৈশব এবং যুবাবস্থা নিজ স্বার্থে নিয়োগ এবং নৈতিক এবং বস্তুগতভাবে পরিত্যাগের বিরুদ্ধে সুরক্ষাকৃত।

৩৯ক. সমবিচার এবং বিনা খরচে আইনী সহায়তা
৪০ গ্রামীন পঞ্চায়েত সমূহের গঠন।
৪১. কর্ম প্রাপ্তির ও শিক্ষা প্রাপ্তির এবং কিছু ক্ষেত্র সমূহে সরকারী সহায়তা প্রাপ্তির অধিকার
৪২. কাজের প্রকৃত এবং কল্যানকামী শর্তাদি এবং মাতৃকালীন সুযোগ সুবধা দানের ব্যবস্থা।
৪৩. শ্রমিকগনের জন্য জীবনধানের উপযোগী মজুরী
৪৪. নাগরিকগনের জন্য অভিন্ন আইন প্রনয়ন।
৪৫.শিশুগনের জন্য অবৈতনিক এবং আবশ্যিক শিক্ষার ব্যবস্থা
৪৬. তফসিলি জাতি ও উপজাতি এবং অন্যান্য দূর্বলতর শ্রেনীসমূহের শিক্ষা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থাদির উন্নয়ন।
৪৭. রাস্ট্রের কর্তব্য খাদ্যপুস্টির স্তরের এবং জীবনধারনের মানের উন্নতিসাধন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিকরন।
৪৮. আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক প্রনালীতে কৃষি ও পশুপালন সংগঠনের জন্য রাস্ট্র প্রায়াসী হবে এবং বিশেষত গাভী, গোবৎস ও অন্যান্য দুগ্ধবতী ও ভারবাহী গবাদি পশুসমুহের সংরক্ষন ও উন্নয়নে এবং সেরুপ পশুসমূহের হত্যা প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
৪৮ক. পরিবেশ রক্ষা এবং উন্নয়ন এবং বন ও বন্য প্রানী সংরক্ষন।
৪৯. জাতীয় গুরুত্বপূর্ন স্মারকসমূহ ও স্থানের সংরক্ষন
৫০. রাস্ট্রের কার্যনিবাহিকবর্গ হোতে বিচারপতি বর্গের পৃথকীকরন।

***********
অন্যান্য বিষয়সমূহ
****************
৩৩০. রাস্ট্র সংসদে এসসি এসটিদের প্রতিনিধিত্বের জন্য সংরক্ষনের ব্যবস্থা করবে ( ১০ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।)
৩৩২. বিধানসভায় তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য সংরক্ষনের ব্যবস্থা করবে (১০ বছরের জন্য বলবৎ থাকবে)
৩৩৫. রাস্ট্রের কাজকর্ম সংক্রান্ত পরিসেবাসমূহ ও চাকুরীতে নিয়োগে প্রশাসনের কাজকর্ম রক্ষা করার কুশলতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে তফসিলি জাতি সমূহ ও তফসিলি জাতিসমূহের সদস্যগনের দাবী বিবেচনা করতে হবে। অর্থাৎ প্রশাসনের উৎকর্শতার স্বার্থে নিয়োগ বা পদোন্নতির ক্ষেত্রে যে শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয় সেই মোতাবেক নিযুক্তিকরন করা হবে।
৩৩৮ তফসিলি জাতিসমূহের জন্য জাতীয় কমিশন গঠন
৩৩৮ক. তফসিলি উপজাতিসমূহের জন্য জাতীয় কমিশন গঠন।
৩৩৮খ. সামাজিক ও শিক্ষাগতভাবে অনগ্রসর শ্রেনীর জন্য একটি জাতী কমিশন গঠন (অনগ্রসর শ্রেনীর জন্য জাতীয় কমিশন।)
৩৪০.পিছিয়ে পড়া শ্রেনীসমূহের অবস্থা সমুহ তদন্তকরার জন্য একটি জাতীয় কমিশন নিয়োগ।
৩৪১. তফসিলি জাতির নির্দিস্টকরন
৩৪২. তফসিলি উপজাতি নির্দিস্টকরন।
৩৪২ক. শিক্ষা ও সামাজিক অনগ্রসর জাতীর(ওবিসি) নির্দিস্টকরন।
২৪৩ঘ. তফসিলি জাতি ও উপজাতির জন্য প্রত্যেক পঞ্চায়েত সংগঠনের আসনসমূহে সংরক্ষন থাকবে।
২৪৩ ন. প্রত্যেক পৌরসভায় তফসিলি জাতি ও উপজাতির জন্য আসনসমূহ সংরক্ষন থাকবে।

সংবিধান নিজে পড়ুন অন্যকে পড়ান।
নিজের অধিকার জানুন ও অধিকার
রক্ষা করুন।🌹

Address

R Main Road
Main Road

Telephone

+918240796547

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বহুজনের পাতা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category